ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

মসজিদ থেকে বেরিয়ে কিশোর জানল সে ‘মুরগি চোর’, অতঃপর...

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

পিরোজপুরের নেছারাবাদে মুরগি চুরির অপবাদ দিয়ে এক কিশোরকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) উপজেলার দৈহারী গ্রামের টুটুল, ইমরান ও আলমগীর নামে তিন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী কিশোরের পরিবারের সদস্যরা।

মারধরের শিকার ওই কিশোর (১৪) উপজেলার চিলতলা গ্রামের মৃধা বাড়ির ছেলে এবং স্থানীয় চিলতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র।

জানা গেছে, কয়েক দিন আগে ওই কিশোর তার বাবার পকেট থেকে না বলে টাকা নিয়ে একটি মোবাইল কেনে। পরে বাবার ভয়ে রাতে বাড়ি না গিয়ে বাড়ির সামনের একটি মসজিদে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত দেড়টার দিকে পাশের একটি ফার্মের মালিক টুটুল গিয়ে তাকে ঘুম থেকে ডেকে তোলেন। পরে তার ফার্ম থেকে মুরগি চুরি করার অপবাদ দিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

ভুক্তভোগী কিশোরের দাবি, মুরগি চুরির কথা স্বীকার করাতে টুটুল তাকে লোহার রড দিয়ে মারধর করেন। তার সঙ্গে ইমরান ও আলমগীর নামে স্থানীয় আরও দুই ব্যক্তি ছিলেন। মারধরের একপর্যায়ে কিশোর ফার্মে ঢোকার কথা স্বীকার করলেও মুরগি চুরি করেনি বলে জানায়। স্বীকারোক্তির পর কিশোরকে স্থানীয় ইউপি সদস্য লিটন মৃধার কাছে পাঠানো হয়। পরে স্বজনরা খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

ভুক্তভোগীর মা বলেন, আমার ছেলে তার বাবার পকেট থেকে টাকা নিয়ে মোবাইল কিনেছিল। পরে বাবার ভয়ে আর বাড়ি ফেরেনি। রাতে ছেলেকে মারধর করা থেকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

ভুক্তভোগী কিশোরের দাদা বলেন, আমার নাতিকে মুরগি চুরির অপবাদ দিয়ে অমানবিকভাবে মারধর ও নির্যাতন করা হয়েছে। এ ঘটনায় আমি বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দিয়েছি। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

অভিযুক্ত টুটুল বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে আমার ফার্ম থেকে মুরগি এবং গাছের সুপারি চুরি হচ্ছিল। ঘটনার রাতে বাড়ির সামনের মসজিদে ছেলেটাকে ঘুমিয়ে থাকতে দেখে জিজ্ঞাসাবাদ করি। তখন সে ফার্মে ঢোকার কথা স্বীকার করে। আমি ছেলেটাকে ২-৪ পিটুনি দিয়েছি। পরে তাকে স্থানীয় ইউপি সদস্যের হাতে তুলে দিয়েছি।

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য লিটন মৃধা বলেন, সংবাদ পেয়ে আমি গিয়ে ছেলেটিকে দেখতে পাই। তবে আমি তাকে মারধর করতে দেখিনি।

নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান জানান, এ ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তসাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৮ মাস পর যমুনা সার কারখানায় উৎপাদন শুরু
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাত ৩টা ১০ মিনিটে উৎপাদনে ফেরে এই সার কারখানা। গ্যাস সংকটের কারণে দীর্ঘ আট মাস ধরে কারখানাটিতে সার উৎপাদন বন্ধ ছিল।
৮ মাস পর যমুনা সার কারখানায় উৎপাদন শুরু
হিলিতে শিয়ালের কামড়ে নারী-শিশুসহ আহত ৮
দিনাজপুরের হিলিতে শিয়ালের কামড়ে নারী-শিশুসহ আটজন আহত হয়েছেন। সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার সাদুরিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন সাদুরিয়া গ্রামের শেফালী বেগম (৩০), শিউলি (২৭), দেবাশী (৪৩), ডলি বেগম (৩০), ইয়াসিন আরাফাত (১১), সুফিয়ান (৩৯), মমতাজ (৫৫) ও রাহুল আমিন (৯)। আহতরা জানান, সন্ধ্যা ৭টার দিকে সাদুরিয়া গ্রামের একটি মুদি দোকানের সামনে স্থানীয় কয়েকজন মানুষ বসে সময় কাটাচ্ছিলেন। এ সময় হঠাৎ একটি শিয়াল ধানখেত থেকে ছুটে এসে তাদের ওপর হামলে পড়ে এবং কামড় দেয়। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় লোকজন শিয়ালটিকে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করলে শিয়ালটি তাদেরও কামড় দেয়। এভাবে বেশ কয়েকজন নারী, পুরুষ ও শিশুকে কামড়ে আহত করে শিয়ালটি। এ সময় স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। জরুরি বিভাগে চিকিৎসা শেষে তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. তৌহিদ হোসেন জামান বলেন, রাত ১০টা পর্যন্ত নারী, পুরুষ ও শিশুসহ মোট আটজন শিয়ালের কামড়ে আহত রোগীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ইদানীং গ্রামের পাড়া-মহল্লাগুলোতে শিয়ালের উপদ্রব বেড়েছে বলে জানান স্থানীয়রা। এতে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। আরটিভি/টিআর
হিলিতে শিয়ালের কামড়ে নারী-শিশুসহ আহত ৮
ঝিনাইদহে প্রধান শিক্ষক পিয়ার মোহাম্মদের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বড় বায়সা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। পুকুর ইজারায় নিয়ম না মানা, আয়-ব্যয়ের হিসাব যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করে তছরুপ, মুভমেন্ট রেজিস্টার না থাকা, অনলাইন ও শ্রেণিভিত্তিক রেজিস্টার খাতায় শিক্ষার্থীর সংখ্যার অমিল, একাধিক শ্রেণির শিক্ষার্থীকে একই কক্ষে পাঠদান, নিয়মিত পাঠদান ও শ্রেণি পর্যবেক্ষণ না করা, স্লিপের অর্থ ভুয়া বিল-ভাউচারে উত্তোলন এবং ভারতীয় সনদ ব্যবহার করে চাকরিতে যোগদানের অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক পিয়ার মোহাম্মদের বিরুদ্ধে। বিদ্যালয়টিতে প্রকৃত শিক্ষার্থীর সংখ্যা মোট ৪৪ জন হলেও মাসিক রিটার্নে দেখানো হয়েছে ৫৯ জন। মূলত কাগজে-কলমে ভুয়া ১৫ জন শিক্ষার্থী দেখানো হলেও বাস্তবে বিদ্যালয়ে তাদের কোনো অস্তিত্ব নেই। অর্থাৎ প্রায় ৯ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন করে মোট পাঁচজন শিক্ষক রয়েছেন বিদ্যালয়টিতে। জানা গেছে, বিদ্যালয়টির প্রাক্-প্রাথমিক শ্রেণিতে আটজন থাকলেও রিটার্নে দেখানো হয়েছে ১৪ জন। প্রথম শ্রেণিতে রিটার্নে ও বাস্তবে ১৩ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। দ্বিতীয় শ্রেণিতে পাঁচজন থাকলেও রিটার্নে সাতজন দেখানো হয়েছে। তৃতীয় শ্রেণিতে রিটার্নে ১০ জন দেখানো হলেও বাস্তবে আছে আটজন। চতুর্থ শ্রেণিতে রিটার্নে নয়জন দেখানো হলেও আছে সাতজন। সর্বশেষ পঞ্চম শ্রেণিতে রিটার্নে উল্লেখ আছে ছয়জন, কিন্তু বাস্তবে মাত্র তিনজন শিক্ষার্থী রয়েছে। প্রাক্-প্রাথমিক শ্রেণির ইয়ামিন এবং প্রথম শ্রেণির ইয়াসিন ও রমজান নামের দুই শিক্ষার্থী এ বিদ্যালয় থেকে মাদ্রাসায় গিয়ে ভর্তি হলেও সরকারি বিদ্যালয়ের উপবৃত্তির তালিকা থেকে তাদের নাম এখনো বাদ দেওয়া হয়নি। সরকারি বিধি উপেক্ষা করে শিক্ষার্থী কম থাকলেও বেশি দেখিয়ে এবং নানা অনিয়মের মাধ্যমে বিদ্যালয়টি প্রধান শিক্ষক পিয়ার মোহাম্মদ পরিচালনা করে আসলেও দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিদ্যালয়টিতে প্রধান শিক্ষক হিসেবে পিয়ার মোহাম্মদ ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৯০ সালে যোগদান করেন। চাকরিতে যোগদানের সময় তিনি পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারতের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পাশের সনদ ব্যবহার করেছেন বলে জানা গেছে। পশ্চিমবঙ্গের মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১৯৮৮ সালে আলিম এবং ১৯৯০ সালে ফাজিল পরীক্ষার সনদের কপি জমা দিয়েছিলেন তিনি। বাংলাদেশের সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে তার ব্যবহৃত ভারতীয় সনদের সত্যতা এবং তা যথাযথ নিয়ম অনুসারে ও বৈধভাবে ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। চাকরির বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো বিদেশি ডিগ্রিধারী চাকরিপ্রার্থী যদি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ (ইউজিসি বা শিক্ষা বোর্ড) থেকে সমতা সনদ বা ‘ইকুইভ্যালেন্সি সার্টিফিকেট’ জমা দিতে পারেন, তবে তিনি সরকারি চাকরির জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। এ ক্ষেত্রে পিয়ার মোহাম্মদ সমতা সনদ জমা দিয়েছেন কি না, তাও খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে। অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, ২০২৪ সালের পুকুর ইজারা বাবদ পাওয়া অর্থের যথাযথ হিসাব না থাকা এবং একইভাবে ২০২৬ সালে পুকুর ইজারা দেওয়ার ক্ষেত্রেও যথাযথ নিয়ম অনুসরণ না করে পছন্দের ব্যক্তিকে ইজারা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ইজারা দেওয়ার পর বিষয়টি বৈধতা দেওয়ার জন্য পরবর্তী সময়ে ব্যাকডেটে রেজুলেশন তৈরি করে অর্থ ব্যাংকে জমা রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট রেজুলেশন, ব্যাংক হিসাব, ইজারা-সংক্রান্ত কাগজপত্র ও অর্থ জমার সময় যাচাই করা হলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন। বিদ্যালয়ের আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে স্লিপের টাকা খরচ দেখিয়ে বিভিন্ন ভুয়া বিল-ভাউচারে প্রধান শিক্ষক নিজের হাতে লিখে টাকা উত্তোলন করেছেন বলে অভিযোগ। ওইসব বিল-ভাউচার পর্যালোচনা করে দেখা যায়, কালীগঞ্জে অবস্থিত তুষার ইলেকট্রিক থেকে পেপার ও প্রিন্টার মেশিনের টোনার কেনা হয়েছে। অথচ ওই দোকানে এ ধরনের মালামাল বিক্রি হয় না বলে অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি বিদ্যালয়ে এক ছাত্রীকে জড়িয়ে সহকারী শিক্ষক শাহ আলমকে কর্মরত অবস্থায় মারধরের ঘটনায় তিনি সাময়িক বরখাস্ত হন এবং ওই পরিবারের একজন তাঁর নামে থানায় মামলা করেন। উক্ত ঘটনায় শাহ আলম নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন এবং জামিনে মুক্ত হয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আদালতে দ্রুত সিআর ৫২/২০২৬ নম্বর মামলা দায়ের করেন। ঝিনাইদহের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলাটি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে তদন্ত করে ১৪ ডিসেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। বিদ্যালয়ের নানা অনিয়ম এবং চাকরিতে যোগদানের সময় ভারতীয় সনদ ব্যবহারের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক পিয়ার মোহাম্মদের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, বিদ্যালয় টিকিয়ে রাখতে অল্প কয়েকজন শিক্ষার্থী বেশি দেখানো হয়েছে। স্লিপের টাকা নিয়ম মেনে খরচ করা হয়েছে। পুকুর ইজারা দেওয়া এবং সেখান থেকে আয় হওয়া অর্থ ব্যয়ে কোনো অনিয়ম করা হয়নি। বাংলাদেশের সরকারি চাকরিতে আমার শিক্ষাগত যোগ্যতার ভারতীয় সনদ যথাযথ নিয়ম মেনেই ব্যবহার করা হয়েছে। ইতিপূর্বে তা কর্তৃপক্ষ একাধিকবার যাচাই-বাছাই করলেও কোনো ত্রুটি পায়নি। সহকারী শিক্ষক শাহ আলম ও একজন শিক্ষার্থীকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রেক্ষিতেই শাহ আলম কোর্টে মামলা করেছেন, যে বিষয়টি ইতিমধ্যে আমি জেনেছি। আশা করছি, কয়েক দিনের মধ্যে ওই বিষয়েও সুষ্ঠু মীমাংসা হয়ে যাবে। কালীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রোকনুজ্জামানের কাছে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বড় বায়সা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিয়ে যেসব অভিযোগের কথা বলা হয়েছে, সেগুলো গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হবে। শিক্ষার্থীর সংখ্যা, রিটার্ন, পুকুর ইজারা, আয়-ব্যয়ের হিসাব, স্লিপের অর্থ ব্যয় এবং অন্যান্য প্রশাসনিক বিষয় সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করে দেখা হবে। কোনো অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তদন্তের বিষয়টিও যথাযথভাবে সম্পন্ন করা হবে। ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী-সংক্রান্ত তথ্য, আর্থিক লেনদেন ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নিয়ম মেনে চলা বাধ্যতামূলক। বড় বায়সা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিয়ে উত্থাপিত অভিযোগগুলো যাচাই করে দেখা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া প্রধান শিক্ষকের শিক্ষাগত সনদ ও চাকরিতে যোগদানের সময় ব্যবহৃত কাগজপত্র নিয়েও যদি কোনো প্রশ্ন থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করে প্রকৃত বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে। আরটিভি/টিআর
ঝিনাইদহে প্রধান শিক্ষক পিয়ার মোহাম্মদের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ
ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় হত্যা মামলার প্রধান আসামি ধরা
সাতক্ষীরার চাঞ্চল্যকর কলেজ ছাত্র জাকারিয়া খাঁন হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও কিশোর গ্যাং লিডার নাহিদ হাসানকে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তার অপর এক সহযোগীকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় হত্যা মামলার প্রধান আসামি ধরা
লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে রোপা আমনের আবাদ, কৃষকের মুখে হাসি
অনুকূল আবহাওয়া ও খাল পুনঃখনন কর্মসূচির ফলে খুলনা অঞ্চলের চার জেলায় চলতি মৌসুমে রোপা আমন ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে। নিচু এলাকার জলাবদ্ধতা দূর হওয়া এবং সুষম বৃষ্টিপাতের কারণে কৃষকরা এবার অধিক পরিমাণে রোপা আমনের চাষ করেছেন বলে জানিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তারা।
লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে রোপা আমনের আবাদ, কৃষকের মুখে হাসি
আরও পড়ুন
পিরোজপুরে ৯ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৩ হাজারের বেশি
গভীর রাতে বিএনপি নেতার বাড়িতে হামলা করে লুট: বাবা জখম, ছেলে গুলিবিদ্ধ
এক টুকরো কাশবনে হাজারো মানুষ, নেই পরিকল্পিত বিনোদনকেন্দ্র
পাঠাগারে ‘জ্ঞানের আলো’, তরুণদের কাছে মোবাইলই ভালো!