
বিদ্যুতের খুঁটি সময়মতো সরানো না হওয়ায় ধীরগতিতে চলছে সাতক্ষীরা সদর থেকে শ্যামনগরের ভেটখালী পর্যন্ত ৬২ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণকাজ। এতে একদিকে সড়ক সম্প্রসারণ ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে খুঁটি সরানোর সময় বিদ্যুৎ বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয়রা।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ কাজের ধীরগতির জন্য দায়ী করেছেন খুঁটি সরাতে পল্লী বিদ্যুতের নিয়োজিত ঠিকাদারদের গড়িমসিকে। সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বলেছে, তারা আশা করছে সেপ্টেম্বরে না হলেও অক্টোবরের মধ্যে খুঁটি সরানো শেষ হবে।
সওজ সূত্রে জানা গেছে, ৮২২ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটি ২৪ ফুট থেকে ৩৪ ফুটে সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। বর্ধিত অংশে থাকা ১ হাজার ২০০টি বিদ্যুতের খুঁটি সরিয়ে পুনঃস্থাপনে বরাদ্দ রয়েছে ১১ কোটি টাকা। গত বছরের জুলাইয়ে ছয়জন ঠিকাদারকে কাজ দেওয়া হলেও চলতি বছরের জুনের মধ্যে খুঁটি সরানোর কাজ শেষ হয়নি। এ পর্যন্ত সরানো হয়েছে প্রায় ৫৫ শতাংশ খুঁটি। প্রকল্পের মেয়াদও বাড়িয়ে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়েছে।
সম্প্রতি দেবহাটার গাজীরহাট এলাকায় দেখা যায়, কালভার্ট নির্মাণের জন্য সড়ক খোঁড়া হয়েছে। পাশে তৈরি বাইপাস দিয়ে যানবাহন চলাচল করলেও মহাসড়কের মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি থাকায় ঝুঁকি নিয়ে যান চলাচল করছে। এতে তৈরি হচ্ছে যানজট।
সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ার পারভেজ বলেন, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নিয়োগ করা ঠিকাদারদের গড়িমসির কারণে খুঁটি সরানোর কাজ পিছিয়ে আছে। খুঁটি না সরানো পর্যন্ত সড়ক সম্প্রসারণের কাজও করা যাচ্ছে না।
পল্লী বিদ্যুতের ঠিকাদার শাহবাজ খান বলেন, বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ না রেখে খুঁটি সরানো সম্ভব নয়। তবে মানুষের ভোগান্তি কমাতে ধাপে ধাপে কাজ করা হচ্ছে।
সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জিএম আজিজুর রহমান বলেন, ৫৫ শতাংশের বেশি কাজ শেষ হয়েছে। সেপ্টেম্বরে সম্ভব না হলেও অক্টোবরের মধ্যে খুঁটি সরানোর কাজ শেষ হবে বলে আশা করছেন তারা।
আরটিভি/এমএইচজে




