
একটি সড়ক দুর্ঘটনা থামিয়ে দিয়েছিল এক তরুণ জীবনের পথচলা। প্রিয় মানুষটিকে হারানোর সেই বেদনা আজও বয়ে বেড়াচ্ছেন পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসী। সময় পেরিয়ে গেলেও সাইদুজ্জামান রাফির স্মৃতি যেন তাদের কাছে এখনো জীবন্ত।
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত এই যুবকের স্মরণে শুক্রবার জুমার নামাজের পর চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার চাংপুর গ্রামে তার নিজ বাড়িতে অনুষ্ঠিত হয়েছে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল। স্বজন ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে রাফির আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।
দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আগে পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা রাফির কবর জিয়ারত করেন। এরপর শাজুলিয়া দরবার শরীফের পীর আবুল হাসান শাহ মুহাম্মদ রুহুল্লাহ শাজুলী মিলাদ ও দোয়া পরিচালনা করেন। মোনাজাতে রাফির রুহের মাগফিরাত এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের জন্য ধৈর্য ও শান্তি কামনা করা হয়।
এ সময় মরহুমের বাবা জাকির হোসেন, শিক্ষানুরাগী মোহাম্মদ রমিজ উদ্দিন, আবদুল লতিফ মাস্টার, আবদুল কুদ্দুস খান, জুলহাস উদ্দিনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, আত্মীয়-স্বজন ও মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।
রাফির স্বজনদের কাছে তার চলে যাওয়া শুধু একজন মানুষকে হারানো নয়; এটি একটি পরিবারের স্বপ্ন, ভালোবাসা ও প্রত্যাশার আকস্মিক থেমে যাওয়া। তার স্মৃতিকে ঘিরে এখনো পরিবার ও এলাকাবাসীর মনে রয়েছে নানা স্মৃতি। দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে উপস্থিত অনেকের চোখেমুখেও ফুটে ওঠে প্রিয় মানুষটিকে হারানোর সেই বেদনা।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর উপজেলার সাচার বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন সাইদুজ্জামান রাফি। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাবাসীর মাঝে নেমে আসে শোকের ছায়া।
দুই বছর পেরিয়ে গেলেও রাফিকে ভুলতে পারেনি তার পরিবার ও স্বজনরা। তাই তার স্মরণে আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিল হয়ে উঠেছে ভালোবাসা, স্মৃতি আর প্রিয়জনকে হারানোর বেদনার এক আবেগঘন মিলনমেলা।
আরটিভি/ এসকেডি


