ঢাকা শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

মামলা আছে বিচারক নেই, ঝুলে আছে ৯ হাজার বিচারপ্রার্থী

গাইবান্ধা প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৭ পিএম
ছবি : আরটিভি

ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুনাল গাইবান্ধায় প্রায় আড়ইমাস ধরে স্থায়ী বিচারক নেই। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো বিচারপ্রার্থী। চলতি বছরের ৭ জুলাই এই আদালতের বিচারক মোঃ তোফাজ্জল হোসেন যুগ্ন জেলা জজ হিসেবে কুড়িগ্রাম জেলায় বদলি হওয়ার পর থেকেই এ সংকটের সৃষ্টি।

বর্তমানে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুনালে ভূমির রেকর্ড সংশোধন সংক্রান্ত প্রায় ৯ হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন আদালত সংশ্লিষ্ট ও আইনজীবীরা। বিচারক সংকটে এসব মামলার অধিকাংশের কার্যক্রম কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। নির্ধারিত তারিখে আদালতে এসে অনেক বাদী-বিবাদীকে শুধু হাজিরা ও প্রয়োজনীয় পিটিশন দিয়ে পরবর্তী তারিখ নিয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে। এতে মামলার দীর্ঘসূত্রতার পাশাপাশি বাড়ছে সময়, অর্থ ও মানসিক ভোগান্তি।

আদালত সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, বর্তমানে বিচারকের পদ শূন্য থাকলেও স্থায়ীভাবে বিচারক নিয়োগে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। অতিরিক্ত দায়িত্বে বিচারক থাকলেও নিজ আদালতের কাজের চাপ থাকায় ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুনালের মামলাগুলোর নিয়মিত শুনানি ও নিষ্পত্তি ব্যাহত হচ্ছে।

আদালত সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিনের কার্যতালিকায় 75 থেকে ৮০টি পর্যন্ত মামলার শুনানি নির্ধারিত থাকে। এসব মামলার মধ্যে সমন, সাক্ষ্য গ্রহণ, যুক্তিতর্ক, রায় প্রকাশ, দরখাস্ত শুনানি, বিবাদি পক্ষের জবাব ও তদবির রয়েছে। কিন্তু স্থায়ী বিচারক না থাকায় অনেক মামলায় কার্যকর শুনানি না হয়ে হাজিরা, পিটিশন গ্রহণ ও পরবর্তী তারিখ নির্ধারণের মধ্যেই কার্যক্রম সীমাবদ্ধ থাকছে। ফলে সাক্ষ্য গ্রহণের পর্যায়ে থাকা মামলা সেখানেই পড়ে থাকছে, যুক্তিতর্কের মামলাতেও শুনানি এগোচ্ছে না।

মামলার অগ্রগতি হচ্ছে না

আদালতে আসা বিচারপ্রত্যাশী গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের বেড়ামালঞ্চ গ্রামের মতিয়ার রহমান প্রায় চার বছর আগে ভুমির রেকর্ড সংশোধনের জন্য এ আদালতে মামলা করেন(মামলা নম্বর-৬৪৫/২২)। তিনি বলেন,‘মামলা শুরুর দিকে বিচারক থাকায় কার্যক্রম এগিয়েছিল। ১৫ সেপ্টেম্বর শুনানির দিন ধার্য় ছিলো।

মতিয়ার রহমান বলেন, ‘মামলা নিয়ে আদালতে আসছি, হাজিরা দিছি, আবার পরবর্তী তারিখ দেওয়া হচ্ছে। প্রতিবার আসতে যাতায়াত ও আইনজীবীর পেছনে টাকা খরচ হচ্ছে। কিন্তু মামলার কোনো অগ্রগতি হচ্ছে না।’

রেকর্ড সংশোধনের মামলার বিবাদী আরেক ভুক্তভোগী জহুরুল ইসলাম জানান, সাক্ষীর তারিখ ৪টি চলে গেল। আজ (১৫/০৯/২০২৬) সাক্ষী নিয়ে আসলাম। কিন্তুবিচারক না থাকায় সাক্ষী হলো না।

তিনি বলেন, মামলার তারিখে আদালতে আসি। কিন্তু বিচারক না থাকায় শুধু হাজিরা দিয়ে বাড়ি ফিরে যাই। নতুন বিচারক বসছেন না। দ্রুত বিচারক নিয়োগ করা হলে আমাদের মতো বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি অনেকটা কমবে।’

ভুমি রেকর্ড সংশোধন সংক্রান্ত একটি মামলার(১২১/২১) বাদীপক্ষের ভুক্তভোগী আনিছুর রহমান। তার অভিযোগ, বাদিকে জেরার জন্য আজ (১৫/০৯/২০২৬) সহ চারটি ধার্য় তারিখ দিনান্তর করা হয়। কিন্তু বিচারক না থাকায় বাদিকে জেরার কার্যক্রম এগোয়নি। একটি মামলার পেছনে পাঁচ বছর আদালতে ঘুরতে হচ্ছে।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের বিষুবাড়ী গ্রামের লুৎফর রহমান ভুমির রেকর্ড সংশোধনের জন্য মামলা করেন(২২/২৩)। আজ (১৫/০৯/২০২৬) একতরফা শুনানীর দিন ধার্য় ছিলো। কিন্তু বিচারক না থাকায় তারিখ দিনান্তর করা হয়।

আদালত সংশ্লিষ্টরা জানান, গাইবান্ধা ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুনালে জেলার সাঘাটা, ফুলছড়ি সদর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বিশেষ করে ব্রহ্মপুত্র, তিন্তা ও যমুনা বেষ্টিত চরাঞ্চলের ভুমি রেকর্ড সংক্রান্ত মামলা সবচেয়ে বেশি। এসব মামলা নিস্পত্তিতে নিয়মিত/স্থায়ী বিচারক ছাড়া ভারপ্রাপ্ত বিচারক দিয়ে শুধুমাত্র মামলা গ্রহন ও দিনান্তর ছাড়া কোন কাজ করা সম্ভব হয় না।

বিচারক সংকটে আইনজীবীরাও বিব্রত

গাইবান্ধা ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুনালে বিচারক সংকটে শুধু বিচারপ্রার্থী নন, আইনজীবীরাও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। আদালতের জিপি রফিকুল ইসলাম বুলু বলেন, ভুমি রেকর্ড সংশোধন মামলার মধ্যে সমন, সাক্ষ্য গ্রহণ, যুক্তিতর্ক, দরখাস্ত শুনানি, বিবাদি পক্ষের জবাব, তদবির ও রায় প্রকাশ সংক্রান্ত বিষয় গুলোর জন্য বাদি-বিবাদিরা আদালতে আসছেন। কিন্ত আড়াইমাস ধরে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুনালে বিচারক না থাকায় বিচার প্রার্থীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। আদালতে নিয়মিত বিচারক না থাকায় সাক্ষ্য গ্রহণ, যুক্তিতর্ক ও রায় ঘোষণার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব নয়।’

আদালতের জিপি রফিকুল ইসলাম বুলু বলেন, নতুন বিচারক নিয়োগ করা হলে বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি অনেকটা কমবে।’

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ডিভোর্সি নারীকে বিয়ে করে সাড়ে ৫ লাখ টাকা জরিমানা, অতঃপর...
শরীয়তপুরের জাজিরায় ডিভোর্সি এক নারীকে বিয়ে করায় রতন সরদার (৪৫) নামে এক যুবককে সালিশে সাড়ে ৫ লাখ টাকা জরিমানা ও গ্রামছাড়া করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর সালিশকারীদের ভয়ে গত নয় দিন ধরে গ্রাম ছেড়ে বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন রতন। এ ঘটনায় বিচার চেয়ে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জাজিরা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি। রতন জাজিরা উপজেলার বড়কান্দি ইউনিয়নের মনাই ছৈয়াল কান্দি গ্রামের মৃত রাজ্জাক সরদারের ছেলে। রতনের অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একই গ্রামের রুবেল শিকদারের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব ছিল। পারিবারিক কলহের জেরে ২০২৫ সালের ২৯ অক্টোবর রুবেল তার স্ত্রী রুবিনা আক্তারকে ডিভোর্স দেন। পরে চলতি বছরের ৩ আগস্ট রুবিনাকে বিয়ে করেন রতন। রতনের দাবি, তার প্রথম স্ত্রীর সম্মতি নিয়েই তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। তবে বিয়ের পর রুবেল শিকদার ও তার লোকজন তার বিরুদ্ধে পরকীয়ার অপবাদ দিয়ে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মনাই ছৈয়াল কান্দি এলাকায় সাবেক ইউপি সদস্য মতিউর রহমান খানের বাড়ির উঠানে সালিশ বৈঠক বসে। রতনের অভিযোগ, ওই বৈঠকে পাঁচ শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সালিশকারীদের মধ্যে জাজিরা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আলী আশরাফ মাল, সাংগঠনিক সম্পাদক মোশারফ বেপারী, বড়কান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি রাজ্জাক শেখ, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য মতিউর রহমান খান, লতিফ খান ও রাজ্জাক বেপারীসহ কয়েকজন ছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। স্থানীয় প্রভাবশালী আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধেও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ করেছেন রতন। রতনের অভিযোগ, সালিশে তার বিরুদ্ধে পরকীয়ার কোনো প্রমাণ না পেলেও তাকে সাড়ে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে ৯ সেপ্টেম্বর সূর্য ওঠার আগেই তাকে গ্রাম ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, সালিশকারীরা ভয়ভীতি দেখিয়ে তার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়ে যান। এ ছাড়া রুবেল শিকদারের পরিবারের কাছে বন্ধক রাখা তার জমির এক লাখ টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে। বাকি ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা এক মাসের মধ্যে তিন কিস্তিতে পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়। সালিশে উপস্থিত মোশারফ বেপারী বলেন, রতনের বিরুদ্ধে পরকীয়াসহ কোনো অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এরপরও বেশিরভাগ সালিশকারী তাকে জরিমানা ও গ্রামছাড়া করার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেন, গ্রামের বিচারে সর্বোচ্চ জরিমানা সাধারণত তিন লাখ টাকা হলেও রতনের ক্ষেত্রে এর চেয়ে বেশি জরিমানা করা হয়েছে। অন্যদিকে সালিশকারীদের একজন রাজ্জাক বেপারী বলেন, রতনের কারণে রুবেল শিকদারের সংসার ভেঙে গেছে এবং পরে রুবিনাকে রতন বিয়ে করেছেন। এ কারণে সালিশে জুরি ভোটের মাধ্যমে তাকে সাড়ে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পরে রতন মাফ চাওয়ায় জরিমানার পরিমাণ ৫০ হাজার টাকা কমানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। রতনের প্রথম স্ত্রী হোসনে আরা বেগম বলেন, তার স্বামীর দ্বিতীয় বিয়েতে তার সম্মতি ছিল। স্বামীর বিয়েতে তার কোনো অভিযোগ নেই। এরপরও কয়েকজন মিলে তার স্বামীকে জরিমানা ও ঘরছাড়া করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। জড়িতদের বিচার দাবি করেন হোসনে আরা। অভিযোগের বিষয়ে রুবেল শিকদার বলেন, রতনের সঙ্গে পরকীয়ার কারণে তার সংসার ভেঙে গেছে। পরে রতন তার সাবেক স্ত্রীকে বিয়ে করেছেন। এতে তিনি আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এসব কারণে সালিশে রতনকে জরিমানা ও গ্রামছাড়া করা হয়েছে বলে জানান তিনি। তবে পরকীয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রতন সরদার। তিনি বলেন, রুবেল ও রুবিনার ডিভোর্স হয়েছে ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে। আর তিনি রুবিনাকে বিয়ে করেছেন চলতি বছরের আগস্টে। তাই তার বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। স্থানীয় কিছু ব্যক্তি ক্ষিপ্ত হয়ে তার ওপর জুলুম করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি। জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালেহ আহাম্মদ বলেন, রতন সরদার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি তদন্তের জন্য এসআই হেমায়েতকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/এসকে
ডিভোর্সি নারীকে বিয়ে করে সাড়ে ৫ লাখ টাকা জরিমানা, অতঃপর...
বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি
হবিগঞ্জের মাধবপুরে বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক মহসিনুর রহমান মুর্শেদের বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরেরা ভেন্টিলেটর ভেঙে বাড়িতে প্রবেশ করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, আইপিএস, টেলিভিশনসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি
‘রাফি নেই, তবে স্মৃতি অমলিন’, সড়কে নিহত যুবকের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত এই যুবকের স্মরণে শুক্রবার জুমার নামাজের পর চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার চাংপুর গ্রামে তার নিজ বাড়িতে অনুষ্ঠিত হয়েছে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল। স্বজন ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে রাফির আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।
‘রাফি নেই, তবে স্মৃতি অমলিন’, সড়কে নিহত যুবকের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ
সোনার পেস্ট ও পকেটে ৩৫ গয়নাসহ শাহ আমানতে যাত্রী আটক
ব্যাগের ভেতর স্কচটেপে মোড়ানো সোনার পেস্ট এবং প্যান্টের পকেটে ৩৫টি স্বর্ণালংকার। ভিন্ন দুই কৌশলে সোনা লুকিয়ে মাসকাট থেকে চট্টগ্রামে আসার অভিযোগে এক যাত্রীকে আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
সোনার পেস্ট ও পকেটে ৩৫ গয়নাসহ শাহ আমানতে যাত্রী আটক
ট্যাক্সের হিসাব আছে, ডাস্টবিনের ময়লা সরানোর হিসাব নেই
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌর শহরের বিভিন্ন স্থানে প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয়ে ২৬১টি ডাস্টবিন স্থাপন করা হয়েছিল। তবে এসব ডাস্টবিনের অনেকগুলো এখন অকেজো। নিয়মিত ময়লা অপসারণ না করায় ডাস্টবিনের চারপাশে জমছে আবর্জনা।
ট্যাক্সের হিসাব আছে, ডাস্টবিনের ময়লা সরানোর হিসাব নেই
আরও পড়ুন
কবর খুঁড়তে খুঁড়তে কেটে গেল ৮২ বছর
১১ মাসের সন্তান নিয়ে উধাও বাবা, ১০ হাজার টাকার জন্য বিক্রির হুমকি
গাইবান্ধায় পানি শোধনাগার অচল: ১৫ দিনের আল্টিমেটাম পৌরবাসীর!
মাদকের বিরুদ্ধে লাঠি হাতে সুন্দরগঞ্জের মানুষ