
সাপে কাটার পর দ্রুত চিকিৎসা না পেলে মৃত্যুঝুঁকি বাড়ে। অথচ উপজেলা পর্যায়ের অনেক হাসপাতালে অ্যান্টিভেনম না থাকায় রোগীকে জেলা সদর বা বিভাগীয় শহরের হাসপাতালে নিতে হয়। এতে চিকিৎসা পেতে দেরি হয়। তবে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রায় ছয় মাস ধরে সাপে কাটার চিকিৎসায় ব্যবহৃত অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অ্যান্টিভেনম আসার পর দুজন সাপে কাটা রোগীকে এই ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে ৪০টি অ্যান্টিভেনম মজুত আছে। একজন রোগীর জন্য সাধারণত ১০টি অ্যান্টিভেনম প্রয়োজন হয়। সে হিসাবে বর্তমান মজুত দিয়ে চারজন রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব।
স্থানীয় বাসিন্দা হালিম দুলাল বলেন, আগে সাপে কাটলে অনেকে কবিরাজ, বৈদ্য বা ওঝার কাছে যেতেন। এখন সচেতনতা বেড়েছে। সাপে কাটলে মানুষ দ্রুত সরকারি হাসপাতালে যায়। কিন্তু সেখানে অ্যান্টিভেনম না থাকলে রোগীকে শহরে নিতে হয়। এতে দুই থেকে চার ঘণ্টা সময় লেগে যেতে পারে।
চিকিৎসকেরা বলছেন, সাপে কাটার পর দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রয়োগ করা জরুরি। উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজন অনুযায়ী এ ওষুধের মজুত নিশ্চিত করা গেলে অনেক রোগীর জীবন রক্ষা করা সম্ভব।
মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাকিল সারোয়ার বলেন, সাপে কাটার ক্ষেত্রে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি। সময়মতো চিকিৎসা না পেলে মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে যায়। বর্তমানে আমাদের হাসপাতালে অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে।
আরটিভি/টিআর




