ঢাকা রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

২০ মাসের কন্যাসন্তানকে বিক্রির চেষ্টা মাদকাসক্ত বাবার

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫০ পিএম
উদ্ধার করা শিশুটিকে তার মায়ের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। এ সময় তার বাবাও উপস্থিত ছিলেন। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম মহানগরীর সদরঘাট থানার পশ্চিম মাদারবাড়ি এলাকা থেকে ২০ মাস বয়সী এক শিশুকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, মাদক সেবনের টাকা জোগাড় করতে শিশুটিকে বিক্রি করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তার বাবা বাসা থেকে নিয়ে গেছেন—এমন অভিযোগ পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পায় পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ। তিনি জানান, ৯৯৯-এ ফোন করে সীমা (২৬) নামে এক নারী অভিযোগ করেন, তার স্বামী লোকমান হোসেন সাগর (২৭) মাদকাসক্ত। তিনি সদরঘাট থানাধীন পানির ট্যাংকি এলাকার বাচ্চু মিয়ার বাসায় বসবাস করেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, ওই রাতে লোকমান তার ২০ মাস বয়সী মেয়ে ফাতেমা আক্তারকে মাদক সেবনের টাকা জোগাড়ের উদ্দেশ্যে বিক্রি করে দেওয়ার জন্য বাসা থেকে নিয়ে বের হন। খবর পেয়ে সদরঘাট থানার মোবাইল টহল ডিউটির স্পেশাল-২৪ (নৈশ) টিম অভিযান শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টা অভিযান চালানোর পর রাতেই পশ্চিম মাদারবাড়ির যুগী চাঁদ মসজিদ লেইন এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।

পরে উদ্ধার করা শিশু ফাতেমা আক্তারকে তার মা সীমার কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি। ঘটনাটি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় আগুনে নিহত ১
স্থানীয়রা জানান, সন্ধা সাড়ে ৬টার দিকে প্রীতি গ্রুপের ওই তৈরি পোশাক কারখানার ভিতরে হঠাৎ বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে পুরো এলাকা কেঁপে উঠে এবং আগুন ধরে যায়। পরে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে প্রায় ১ ঘন্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় আগুনে নিহত ১
বিএনপির ২১ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করলেন জামায়াত নেতা 
সিরাজগঞ্জে  বিএনপির ১০ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে মোট ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন জামায়াত নেতা আব্দুস সবুর।
বিএনপির ২১ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করলেন জামায়াত নেতা 
মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ
চাঁদপুরের কচুয়ায় মাদকবিরোধী অভিযান চালাতে গিয়ে পুলিশের এক কর্মকর্তার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কচুয়া থানার এএসআই শহিদুল ইসলাম মাথায় আঘাত পেয়ে রক্তাক্ত হয়েছেন।
মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ
যুবলীগকর্মীকে ধরতে বাসায় অভিযান, না পেয়ে বাবাকে গ্রেপ্তার
ঢাকার ধামরাইয়ে নিষিদ্ধ যুবলীগের কর্মী রিফাত আহমেদকে খুঁজতে গিয়ে তার বাবা মোহাম্মদ কলিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, কলিম উদ্দিন রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন এবং কৃষিকাজ ও গরু পালন করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তবে পুলিশ বলছে, তার কোনো দলীয় পদ না থাকলেও তিনি আওয়ামী লীগের সমর্থক এবং তার ছেলে নিষিদ্ধ যুবলীগের নেতা হওয়ায় তাকে একটি পেন্ডিং মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে বালিয়া ইউনিয়নের ভাবনহাটি এলাকায় কলিম উদ্দিনের বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার পর তাকে বাড়ির বাইরে ডেকে নেওয়া হয়। পরে তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। রোববার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ৬০ বছর বয়সী মোহাম্মদ কলিম উদ্দিন ভাবনহাটি এলাকার বাসিন্দা। তার ছেলে প্রকৌশলী রিফাত আহমেদ নিজেকে নিষিদ্ধ যুবলীগের সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। তবে রিফাতেরও কোনো দলীয় পদ নেই। তার বিরুদ্ধে থানায় কোনো মামলা আছে কি না, সে তথ্যও পাওয়া যায়নি। রাতে বাড়িতে অভিযান কলিম উদ্দিনের পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ১০ থেকে ১২ জন ব্যক্তি তাদের বাড়িতে যান। তাদের মধ্যে কয়েকজন পুলিশের পোশাক পরেছিলেন। পুলিশ পরিচয় দেওয়ার পর কলিম উদ্দিন দরজা খুলে দেন। সে সময় বাড়িতে কলিম উদ্দিন, তার স্ত্রী হাসিনা বেগম, মেয়ে হ্যাপী আক্তার ও ছেলের বউ ছিলেন। পুলিশ রিফাতের বিষয়ে জানতে চাইলে পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি প্রায় দুই থেকে তিন বছর ধরে বাড়িতে নেই। রাজনীতি করার কারণে তার সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের যোগাযোগও নেই। পরে ‘কথা আছে’ বলে কলিম উদ্দিনকে বাড়ির বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, এরপর তাকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। কলিম উদ্দিনের স্ত্রী হাসিনা বেগম (৫০) বলেন, ‘গতকাল রাত সাড়ে ১২টার দিকে ১০-১২ জন ব্যক্তি আমাদের বাড়িতে এসে দরজায় কড়া নাড়ে। আমার স্বামী দরজা খুলে দেন। তখন বাইরে পুলিশের পোশাক পরা ও গেঞ্জি-প্যান্ট পরা কয়েকজনকে দেখতে পাই। আমাদের বাড়িতে আমি, আমার স্বামী, মেয়ে ও ছেলের বউ ছিলাম। পুলিশ আমার ছেলের কথা জানতে চায়। আমরা বলি, সে প্রায় দুই-তিন বছর ধরে বাড়িতে নেই। রাজনীতি করে, তাই তার সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ নেই। এই কথা বলার পর পুলিশ ‘কথা আছে’ বলে আমার স্বামীকে বাড়ি থেকে রাস্তায় নিয়ে যায়। এরপর তাকে থানায় নিয়ে যায়। আজ তাকে আদালতে নিয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমার স্বামী কৃষিকাজ করেন, গরু পালন করে জীবিকা নির্বাহ করেন। ছেলে রাজনীতি করে, তাই তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখি না। আমার স্বামী কোনো রাজনীতি করেন না। বাড়িতে থাকেন, কাজ করেন। তার নামে কোনো মামলা নেই। ছেলে রাজনীতি করে, তাই আমার স্বামীকে অন্যায়ভাবে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। আমার স্বামী তো কোনো দোষ করেননি। পরিবারের দাবি, ‘বাবা রাজনীতি করেন না’ কলিম উদ্দিনের মেয়ে হ্যাপী আক্তার বলেন, আমি প্রায় এক সপ্তাহ আগে বাবার বাড়িতে বেড়াতে এসেছি। আমার ভাই রাজনীতি করে, কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর সে কখনো বাড়িতে আসেনি। আমাদের সঙ্গেও যোগাযোগ নেই। আমার বাবা রাজনীতি করেন না। তিনি কাজ করেন, কৃষিকাজ করেন, গরু দেখাশোনা করেন। গতকাল পুলিশ আমার ভাইকে ধরতে আসে, না পেয়ে আমার বাবাকে ধরে নিয়ে যায়। সে তো রাজনীতি করে না, তাকে কেন এই মামলায় দেওয়া হবে? আমার বাবাকে দেখতে যাওয়ার কেউ নেই। আদালতে সঙ্গে যাবে কেউ নেই। আমাদের ওপর এই জুলুম কে দেখবে? আমার বাবা তো কোনো অন্যায় করেননি। পরিবারের সদস্যরা বলছেন, কলিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। তিনি বাড়িতেই থাকেন এবং কৃষিকাজ ও গরু পালনের সঙ্গে যুক্ত। পুলিশের ব্যাখ্যা কী কলিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে জানতে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খানের সঙ্গে কথা বলা হয়। তিনি বলেন, ওই ব্যক্তির (কলিম উদ্দিন) ছেলে রিফাত আহমেদ নিষিদ্ধ যুবলীগের নেতা। তার নেতৃত্বেই কিছুদিন আগে মিছিল হয়েছে। কাওয়ালীপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জের নেতৃত্বে একদল পুলিশ রিফাতের বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে। কাওয়ালীপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বলেছেন, রিফাত নিষিদ্ধ যুবলীগ নেতা এবং তার পুরো পরিবার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সমর্থক। সেই কারণে কলিম উদ্দিনকে পেন্ডিং একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। কলিম উদ্দিনের নামে কোনো মামলা আছে কি না এবং তিনি আওয়ামী লীগের কোনো পদধারী নেতা কি না, জানতে চাইলে ওসি বলেন, না, তার নামে কোনো মামলা নেই। তিনি আওয়ামী লীগের সমর্থক, এই তথ্যের ভিত্তিতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রিফাত কী বলছেন হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করা হলে রিফাত আহমেদ নিজেকে নিষিদ্ধ যুবলীগের কর্মী বলে পরিচয় দেন। তবে তিনি জানান, দলে তার কোনো পদ নেই। রিফাত আহমেদ বলেন, আমি যুবলীগের সক্রিয় কর্মী। আমার কোনো পদবি নেই। আমার বাবা ও পরিবারের সদস্যরা আমাকে রাজনীতি করতে নিষেধ করেছেন। তারপরও রাজনীতি করি। আমাকে না পেয়ে আমার কৃষক বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আমার বাবা কোনো রাজনীতি করেন না। আমার জন্য পুলিশ আমার বাবাকে হয়রানি করতে গ্রেপ্তার করেছে। রিফাতের দাবি, ওই রাতে তার এক প্রতিবেশীকেও পুলিশ নিয়ে গেছে। তিনি বলেন, শুধু আমার বাবাকেই নয়, রাতে পুলিশ আমার পাশের বাড়ির প্রতিবেশী ইন্টারমিডিয়েট পড়ুয়া শাহীন নামে এক শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে গেছে। শাহীন কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়। একটা নিরীহ ছেলে। পুলিশ যা ইচ্ছা এখন তাই করছে। তবে শাহীনকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য ভিন্ন। ওসি নাজমুল হুদা খান বলেন, অপরাধীরা কখনোই অপরাধ স্বীকার করে না। শাহীনকে যথেষ্ট প্রমাণ সাপেক্ষে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রিফাতের নেতৃত্বে যে মিছিলটি হয়েছে, সেই মিছিলে শাহীনকে দেখা গেছে। আরটিভি/টিআর
যুবলীগকর্মীকে ধরতে বাসায় অভিযান, না পেয়ে বাবাকে গ্রেপ্তার
টাঙ্গাইল মেডিকেলের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ধর্মঘট প্রত্যাহার
টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় চলমান কর্মবিরতি ও আন্দোলন প্রত্যাহার করেছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে হাসপাতাল প্রশাসন, মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ ও সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম পিন্টুর সঙ্গে বৈঠকের পর তাঁরা আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। এর আগে ধর্মঘটের খবর পেয়ে দুপুরে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে যান টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও খাদ্য মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু। সেখানে তিনি আন্দোলনরত ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের দাবিগুলো শোনেন। বৈঠকে হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার, ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ও মিড-লেভেল চিকিৎসক পদায়ন, দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপদ কর্মস্থলের জন্য আনসারদের ডিউটি রোস্টারসহ পাঁচ দফা দাবি নিয়ে আলোচনা হয়। দাবিগুলো সমাধানের আশ্বাসের পর ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা আন্দোলন প্রত্যাহার করে কাজে যোগ দেওয়ার ঘোষণা দেন। আন্দোলনরত চিকিৎসকদের উদ্দেশে আব্দুস সালাম পিন্টু বলেন, আমার বাবা একজন চিকিৎসক ছিলেন, আমার মেয়েও একজন চিকিৎসক। এত প্রতিকূলতার মধ্যেও চিকিৎসকেরা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। তবে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসকেরা হামলার শিকার হন। এখানে যে ঘটনাটি ঘটেছে, সেটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এটি শুধু এখানে নয়, বাংলাদেশের কোথাও না ঘটুক—আমি সেটি কামনা করি। তিনি বলেন, আমার ছোট ভাই, টাঙ্গাইল সদর আসনের সংসদ সদস্য ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বর্তমানে সরকারি কাজে বিদেশে রয়েছেন। তিনি এই হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি। আমি আজই ডিসি ও এসপির সঙ্গে কথা বলব, যাতে এ ঘটনায় দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আপনারা কাজে ফিরে যান। যেকোনো সমস্যায় আমি আপনাদের পাশে থাকব। পিন্টু আরও বলেন, আমি কথা দিচ্ছি, আপনাদের অন্য সমস্যাগুলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে এবং জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করব। আপনারা চেষ্টা করুন, আমরাও চেষ্টা করি—সমন্বিতভাবে চেষ্টা করলে হাসপাতালসহ টাঙ্গাইল এগিয়ে যাবে। এর আগে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে কর্তব্যরত ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা. মো. আল-আমিন সিদ্দিকীর ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুছ টাঙ্গাইল সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে মোছাদ্দেক আলী খানসুর তুহিন, পলি খানসুর ও খন্দকার বদরুল রহমান বাবুলসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। আরটিভি/টিআর
টাঙ্গাইল মেডিকেলের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ধর্মঘট প্রত্যাহার
আরও পড়ুন
চট্টগ্রামে ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে এমইপি গ্রুপ
বাঁচার জন্য চিৎকার করছিল সাজিদ, সাঁতার না জানায় পানিতে নামেনি আট বন্ধুর কেউ
মাদকের টাকার জন্য মেয়েকে বিক্রি করেন বাবা
সংসারের হাল ধরতে নামেন ব্যবসায়ে, এখন মাসে আয় লাখ টাকা