
খুলনার পাইকগাছায় শতবর্ষী কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দিরের অ্যাকাডেমিক ভবন ঘেঁষে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ নিয়ে আরটিভি অনলাইনে সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে ইউনিয়ন পরিষদ ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরীর নির্দেশে ময়লার ভাগাড় পরিষ্কারে উদ্যোগ নিয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ। গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুই দিন ধরে ওই এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হয়েছে।
গত ১ অক্টোবর আরটিভি অনলাইনে ‘বিদ্যালয়ের পাশে ময়লার ভাগাড়, ছয় মাস ধরে বন্ধ শ্রেণিকক্ষ’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের পাশে দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনা ফেলে রাখার কারণে শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে।
এরপর উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইউনুস আলী মোড়লের নেতৃত্বে ২ ও ৩ অক্টোবর দুই দফায় সেখানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হয়।
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সচিব ও গ্রাম পুলিশের সদস্যরা স্থানীয় সুধীজনদের নিয়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালান। একই সঙ্গে বাজারের দোকানদার ও আশপাশের বসতবাড়ির বাসিন্দাদের ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার বিষয়ে সচেতন করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বিদ্যালয়ের পাশে দীর্ঘদিন ধরে ময়লা ফেলার কারণে দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। এতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও আশপাশের বাসিন্দাদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। ময়লার ভাগাড় পরিষ্কার করায় বিদ্যালয়ের পরিবেশ অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে।
তবে স্থানীয়দের দাবি, শুধু একবার পরিষ্কার করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। বিদ্যালয়ের পাশে যাতে আবারও ময়লা ফেলা না হয়, সে জন্য নিয়মিত নজরদারি এবং নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।
ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, ময়লা ফেলা বন্ধে স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের সচেতন করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে বিদ্যালয়ের আশপাশে বর্জ্য না ফেলার বিষয়ে নজরদারি করা হবে।
আরটিভি/এমএইচজে




