
নোয়াখালীর সেনবাগে অভিমান করে বাড়ি থেকে বের হয়ে যাওয়ার একদিন পর পুকুরপাড় থেকে মো. মারুফ (২১) নামে এক তরুণের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বুধবার (৭ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার ডমুরুয়া ইউনিয়নের মতইন দক্ষিণপাড়া হাজী বাড়ির পাশে একটি পুকুরপাড় থেকে মারুফের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মারুফ ওই এলাকার মো. রিপনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অভিমান করে নিজের মোবাইল ভেঙে ফেলেন। পরে তার জামাকাপড় একটি ট্রাভেল ব্যাগে বহন করে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান মারুফ। এরপর সে আর বাড়িতে ফিরে আসেনি, পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে, তার কোনো সন্ধান পাননি।
বুধবার রাতে বাড়ির পাশে ধানক্ষেতসংলগ্ন পুকুরপাড়ে মারুফের গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে সেনবাগ থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় ঘটনাস্থলের কাছ থেকে তার ব্যবহৃত ট্রাভেল ব্যাগ ও জুতা উদ্ধার করা হয়।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হযরত আলী মিলন বলেন, পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পায় গলায় গামছা বাঁধা মরদেহটি পুকুর পাড় ও ধানক্ষেতের মধ্যে পড়ে আছে। গামছার একটি অংশ পুকুর পাড়ে গাছের ডালের মধ্যে বাঁধা ছিল, ওপর অংশ মরদেহের গলায় পেঁচানো ছিল। গলায় থাকা গামছাটি পুরোনো হওয়ায় ছিঁড়ে যাওয়ার পর তিনি ধানক্ষেতে পড়ে থাকতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরটিভি/এমএইচজে


