
দেবী বোধনের মধ্যদিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা আগামী ১৬ অক্টোবর শুরু হবে। সে হিসাবে আর বাকি আছে মাত্র ৫ দিন। এবার বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ৩৩টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।
পুরোহিত শংকর চক্রবর্ত্তী জানান, এ বছর দেবী দুর্গার আগমন হবে ঘোড়ায় চড়ে এবং গমন হবে নৌকায়। আগামী ১৬ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যদিয়ে ৫ দিনব্যাপী এই উৎসব শেষ হবে।
সরেজমিনে শহরের বালাঘাটায় পূজামণ্ডপে দেখা গেছে, পূজাকে কেন্দ্র করে বান্দরবানের প্রতিমা তৈরির শিল্পীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। দিনরাত পরিশ্রম করে সাজ সজ্জায় ফুটিয়ে তুলছেন দেবী দুর্গা রুপ।
এদিকে এবারের সবচেয়ে বড় পূজাটি হবে বান্দরবানের রাজার মাঠে। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, রং বেরং এর কাপড় আর ককশিট দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে মনোরম প্যান্ডেল।
আয়োজকরা জানান, জেলার ৭টি উপজেলায় সব মিলিয়ে পূজামন্ডপ হবে ৩৩টি। যার মধ্যে শুধু জেলা সদরেই রয়েছে ১১টি মণ্ডপ।
স্থানীয় রাজার মাঠেই হচ্ছে সবচেয়ে বড় এবং আকর্ষণীয় মণ্ডপ। আধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে দূর্গাদেবীর প্রতিমা ছাড়াও তৈরি করা হচ্ছে নজরকাড়া বিভিন্ন দেব-দেবীর প্রতিমা।
বান্দরবান কেন্দ্রীয় দুর্গোৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি রাজেশ্বর দাশ বিপ্লব বলেন, এখানে ১৩টি জাতির বসবাস। আমরা সবাই মিলে এ বান্দরবানে উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপন করি। রাজার মাঠের পূজাটি ভারতের দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরের আদলে পূজামণ্ডপ তৈরি করছি।
বান্দরবান কেন্দ্রীয় দুর্গোৎসব উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার দাশ বলেন, এবার পাঁচদিনব্যাপী দুর্গোৎসব হবে। উৎসবমুখর পরিবেশে কাঁধে কাঁধ মিলেয়ে এবার উৎসব উদযাপন হবে।
বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার বলেন, ৩৩টি পূজামণ্ডপে এবার পূজা অনুষ্ঠিত হবে। গুরুত্ব বিবেচনায় কয়েকটি ক্যাটাগরিতে পূজামণ্ডপগুলোকে ভাগ করেছি। এগুলোতে পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি টহল জোরদার করা হয়েছে। সূত্র: বাসস
আরটিভি/আইএম


