
রংপুরের রাধা গোবিন্দ ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বেলা ১২টার দিকে প্রধানমন্ত্রী মন্দিরে পৌঁছালে মন্দির কমিটির সভাপতি ভবতোষ সরকার বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক খোকন সরকার, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ রংপুর জেলার সভাপতি রাম জীবন কুণ্ডু, রংপুর মহানগর পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার রায় ও সদস্য সচিব পলাশ কান্তি নাগ তাকে অভ্যর্থনা জানান।
সকাল সাড়ে ৯টায় একটি সামরিক বিমানে ঢাকার তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।
সৈয়দপুর বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজ উন নবী চৌধুরী ডন, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রউক) চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু ,বিভাগীয় কমিশনার জাহাঙ্গীর আলম, ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক প্রমুখ।
বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মোটর শোভাযাত্রায় প্রধানমন্ত্রী রংপুর যাত্রা পথে তারাগঞ্জ ও পাগলাপীরসহ সড়কের দুই পাশে শত শত নেতা-কর্মী দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানায়।
এরপর রংপুরের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী ধর্মসভা পূজামণ্ডপে আসেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী পূজামণ্ডপে প্রবেশ করে পূজারিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং হাত নেড়ে সনাতন সম্প্রদায়ের সদস্যদের শুভেচ্ছা জানান।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ের পর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পরে এটি তারেক রহমানের প্রথম রংপুর সফর।
সৈয়দপুর থেকে রংপুর সড়ক পথে দুই ধারে হাজার হাজার নেতা-কর্মী-সমর্থক সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে তাদের প্রিয় প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানায়। গাড়ি থেকে প্রধানমন্ত্রী হাত নেড়ে শুভেচ্ছার জবাব দিতে দেখা গেছে।
রংপুরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী সৈয়দপুর বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হন। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীর ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন।
পূজার সূচি অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর শুভ মহালয়ার মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার ক্ষণগণনা শুরু হয়েছে। আগামী ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হয় দুর্গাপূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা। ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে পাঁচ দিনের এ উৎসব।
আরটিভি/এমএ


