ঢাকা শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

পাইকগাছায় এইচএসসির ফল বিপর্যয়

পাইকগাছা প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

খুলনার পাইকগাছায় উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে হতাশাজনক চিত্র দেখা গেছে। উপজেলার ১০টি কলেজের প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই পাসের হার আশানুরূপ নয়। সর্বোচ্চ পাসের হার ৫৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ। অন্যদিকে সর্বনিম্ন পাসের হার মাত্র ৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। এ ফলাফল উপজেলার উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার মান, পাঠদান কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, উপজেলার কলেজগুলোর মধ্যে পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে ফসিয়ার রহমান মহিলা ডিগ্রি কলেজ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ১২৯ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৭৪ জন। অনুত্তীর্ণ হয়েছেন ৫৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ছয়জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৫৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে লক্ষীখোলা কলেজিয়েট স্কুল। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ১৪৭ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছেন ৭৯ জন এবং ফেল করেছেন ৬৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন আটজন। পাসের হার ৫৩ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

কপিলমুনি কলেজ থেকে এবার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ১৪২ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ২০২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ছয়জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৪১ দশমিক ২৮ শতাংশ।

হরিঢালী কপিলমুনি মহিলা কলেজ থেকে ৬৭ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছেন ২৪ জন। ফেল করেছেন ৪৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন দুজন। পাসের হার ৩৫ দশমিক ৮২ শতাংশ।

এদিকে উপজেলার অন্যতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আর.কে.বি.কে হরিশ্চন্দ্র কলেজিয়েট স্কুলের ফলাফলও সন্তোষজনক নয়। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ৪৩৫ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছেন মাত্র ১২৮ জন। ফেল করেছেন ৩০৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন তিনজন। পাসের হার ২৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

পাইকগাছা সরকারি কলেজ থেকেও আশানুরূপ ফলাফল আসেনি। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ৩০৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৮৯ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ২২০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন দুজন। পাসের হার ২৮ দশমিক ৮০ শতাংশ।

উপজেলার অন্যান্য কলেজের ফলাফলও বেশ হতাশাজনক। কালিনগর কলেজ থেকে ৭৪ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছেন ১৪ জন। ফেল করেছেন ৬০ জন। পাসের হার ১৮ দশমিক ৯২ শতাংশ।

চাঁদখালী কলেজ থেকে ৫৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন মাত্র আটজন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৫১ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ১৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

শহীদ আয়ুব ও মুছা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ থেকে ২৬৬ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছেন ৩৪ জন। ফেল করেছেন ২৩২ জন। পাসের হার ১২ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে সরদার আবু হোসেন কলেজ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ৩০ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছেন মাত্র একজন। অকৃতকার্য হয়েছেন ২৯ জন। পাসের হার মাত্র ৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, সরদার আবু হোসেন কলেজে নিয়মিত শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ও অধ্যয়ন কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষাবর্ষের শেষ দিকে ধারদেনা করে শিক্ষার্থী সংগ্রহ করে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পাইকগাছার ১০টি কলেজের ফলাফল পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, কোনো প্রতিষ্ঠানেই পাসের হার ৬০ শতাংশে পৌঁছায়নি। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার্থীদের অর্ধেকেরও বেশি অকৃতকার্য হয়েছেন। বিশেষ করে বড় কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়টি উদ্বেগজনক।

শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি নিশ্চিত করা, পাঠদানের মান উন্নয়ন, দুর্বল শিক্ষার্থীদের বাড়তি যত্ন এবং নিয়মিত মূল্যায়নের ব্যবস্থা জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কলেজগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম ও পরিচালনব্যবস্থা যথাযথভাবে তদারকির আওতায় আনা জরুরি।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, শুধু পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের মধ্যেই দায়িত্ব শেষ না করে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ খুঁজে বের করতে হবে। কেন এতসংখ্যক শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন, কোথায় ঘাটতি রয়েছে এবং তা কাটিয়ে উঠতে কী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন এসব বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।

পাইকগাছার শিক্ষাব্যবস্থার এ চিত্রে অভিভাবক ও সচেতন মহলের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আগামী দিনে শিক্ষার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসন, কলেজ কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষকদের সমন্বিত উদ্যোগ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সাজেকে দু’পক্ষের তীব্র গোলাগুলি, আতঙ্কে বাসিন্দারা
রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে জেএসএস ও ইউপিডিএফের সশস্ত্র কর্মীদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে এ সংঘর্ষ চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে কলাবুনিয়া এলাকার দুর্গম পাহাড়ে এ গোলাগুলি শুরু হয়। এতে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এর জেরেই শনিবার দুপুরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। উভয়পক্ষের মধ্যে থেমে থেমে গুলিবিনিময় হয়। তবে দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন বলেন, শনিবার দুপুর ১টা থেকে সাজেকের কলাবুনিয়ার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় জেএসএস ও ইউপিডিএফের মধ্যে গোলাগুলি হয়। এলাকাটি অত্যন্ত দুর্গম হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ ও যৌথ নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এদিকে গোলাগুলির ঘটনায় আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত গোলাগুলিতে হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। আরটিভি/এসআর
সাজেকে দু’পক্ষের তীব্র গোলাগুলি, আতঙ্কে বাসিন্দারা
লোনাপানি কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন মহাপরিচালক
খুলনার পাইকগাছায় বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) লোনাপানি কেন্দ্রের চলমান গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলাম। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে তিনি কেন্দ্রের বিভিন্ন গবেষণা প্রকল্প ও চলমান কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এ সময় গবেষণার অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। পরিদর্শনকালে মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলাম বলেন, লোনাপানি কেন্দ্রের চলমান গবেষণাগুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে অদূর ভবিষ্যতে দেশের মৎস্য চাষে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। মৎস্যসম্পদের টেকসই উন্নয়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং চাষিদের জন্য নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে গবেষণার বিকল্প নেই। এ জন্য গবেষণার মান ও গতি বাড়ানোর পাশাপাশি উদ্ভাবিত প্রযুক্তির কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। তিনি গবেষণা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করতে বিজ্ঞানীদের বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে চলমান গবেষণার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং নতুন নতুন গবেষণার মাধ্যমে দেশের মৎস্য খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় মহাপরিচালকের সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) ড. মো. আমিরুল ইসলাম। আরও উপস্থিত ছিলেন লোনাপানি কেন্দ্রের কেন্দ্রপ্রধান ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আজহার আলী, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. দেবাশীষ কুমার মণ্ডল, ড. গোলাম সাজেদ রিয়ার ও ড. নূর-এ-রওশন। এ ছাড়া বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, সায়মা সুলতানা সোনিয়া, মাসুদুর রহমান ও ফাল্গুনী বিশ্বাস, কম্পিউটার অপারেটর রাশেদুল হাসান, ক্ষেত্র সহকারী আব্দুল মতিন, খন্দকার সাকির হোসেন, মুশফিকুর রহমান ও সুকেশ বিশ্বাস, হিসাবরক্ষক শাহিনুর রহমান এবং কেয়ারটেকার হাশেম আলী উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণের পর ড. মো. লতিফুল ইসলামের এটি লোনাপানি কেন্দ্রের প্রথম পরিদর্শন। তবে এ কেন্দ্রের সঙ্গে তার সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার আগে তিনি এ কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি এ কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও গবেষণায় অবদানের মাধ্যমে কেন্দ্রটির গবেষণা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। দীর্ঘদিনের কর্মস্থল লোনাপানি কেন্দ্রে মহাপরিচালক হিসেবে তার এ সফরকে কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রমের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা করছেন, তার দিকনির্দেশনা ও অভিজ্ঞতার আলোকে ভবিষ্যতে এ কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। আরটিভি/এমএইচজে
লোনাপানি কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন মহাপরিচালক
এইচএসসিতে কুড়িগ্রামের ৯ কলেজে পাস করেননি কেউ
কুড়িগ্রামে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটেছে। জেলার ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৭০ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিলেও অকৃতকার্য হয়েছেন সবাই। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আট জেলার মধ্যে একক জেলা হিসেবে কুড়িগ্রামেই সবচেয়ে বেশি ৯টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল করার ঘটনা ঘটেছে।
এইচএসসিতে কুড়িগ্রামের ৯ কলেজে পাস করেননি কেউ
মাইকে ঘোষণা দিয়ে ব্যাঙের মোড়ে দুই গ্রামবাসীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ
শেরপুর সদরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে তিন পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। 
মাইকে ঘোষণা দিয়ে ব্যাঙের মোড়ে দুই গ্রামবাসীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ
কর্ণফুলীর উপর দেশের প্রথম ক্যাবল-স্টেইড সেতু নির্মাণের উদ্যোগ
খরস্রোতা কর্ণফুলী নদীর উপর নির্মিত হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম চার লেনের ‘ক্যাবল-স্টেইড’ সেতু। উঁচু পাইলন বা স্তম্ভ থেকে টানা ইস্পাতের তারের সাহায্যে সেতুর মূল কাঠামো ধরে রাখা হবে। দেখতে অনেকটা বীণার তারের মতো এই আধুনিক সেতু বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ।
কর্ণফুলীর উপর দেশের প্রথম ক্যাবল-স্টেইড সেতু নির্মাণের উদ্যোগ
আরও পড়ুন
লোনাপানি কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন মহাপরিচালক
এইচএসসিতে কুড়িগ্রামের ৯ কলেজে পাস করেননি কেউ
পাইকগাছায় ১০ দিনে খাদে পড়ল চার যানবাহন, আহত ২৬
এইচএসসিতে পাসের হারে শীর্ষে বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা