ঢাকা শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

কর্ণফুলীর উপর দেশের প্রথম ক্যাবল-স্টেইড সেতু নির্মাণের উদ্যোগ

বাসস

প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

খরস্রোতা কর্ণফুলী নদীর উপর নির্মিত হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম চার লেনের ‘ক্যাবল-স্টেইড’ সেতু। উঁচু পাইলন বা স্তম্ভ থেকে টানা ইস্পাতের তারের সাহায্যে সেতুর মূল কাঠামো ধরে রাখা হবে। দেখতে অনেকটা বীণার তারের মতো এই আধুনিক সেতু বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ।

রাঙামাটির কাপ্তাই ও চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সংযোগস্থলে কর্ণফুলী নদীর চন্দ্রঘোনা-রাইখালী ফেরিঘাট এলাকায় সেতুটি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তর। ১ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য ৫৩২ মিটার দীর্ঘ সেতুটি চালু হলে চন্দ্রঘোনা ফেরির ওপর নির্ভরশীল রাঙামাটি, চট্টগ্রাম ও বান্দরবান জেলার মানুষের প্রায় চার দশকের ভোগান্তি কমবে।

সওজ সূত্র জানায়, রাঙামাটির সঙ্গে রাজস্থলী ও বান্দরবান জেলার যোগাযোগ সহজ করতে ১৯৮৯ সালে রাঙামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে কর্ণফুলী নদীতে রাঙ্গুনিয়ার চন্দ্রঘোনায় ফেরি সার্ভিস চালু করা হয়। ফেরি চালুর ৩৭ বছর পরও কেবল একটি ফেরির মাধ্যমেই দুই পাড়ের শত শত যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। এই ফেরি ব্যবস্থাই এখন সবচেয়ে বড় ভোগান্তির নাম। পন্টুনের সমস্যা, ডুবোচর কিংবা নদীর তীব্র স্রোতের কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে যাত্রী ও চালকদের।

সওজ রাঙামাটির নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা গণমাধ্যমকে বলেন, স্টিল ও কংক্রিটের সমন্বয়ে নির্মিতব্য সেতুটির মূল অংশের দৈর্ঘ্য হবে ৫৩২ মিটার। এর সঙ্গে থাকবে ৪৫৫ মিটার ভায়াডাক্ট এবং ১ হাজার ২৫০ মিটারের বেশি দীর্ঘ এলিভেটেড সড়ক। চার লেনের এই সেতুতে যুক্ত করা হবে আধুনিক ‘ব্রিজ স্মার্ট হেলথ মনিটরিং সিস্টেম’। এর মাধ্যমে সেতুর অবস্থা ও স্থায়িত্ব নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে। এ ছাড়া থাকবে স্বয়ংক্রিয় টোল প্লাজা।

তিনি বলেন, ক্যাবল-স্টেইড সেতুতে সেতুর সড়কপথের ভার মূল টাওয়ার বা পিলারের সঙ্গে যুক্ত তির্যক তারের মাধ্যমে বহন করা হয়। শক্তিশালী স্টিলের তারের সাহায্যে সেতুর ডেক বা চলাচলের পথ টাওয়ারের সঙ্গে যুক্ত থাকে। টাওয়ার, তার ও ডেক একসঙ্গে সেতুর ভার বহন করে। ফলে নদীর মাঝখানে পিলার নির্মাণের প্রয়োজন হয় না। বড় পরিসরের স্প্যান তৈরি করা যায়। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও নৌযান চলাচলও বাধাগ্রস্ত হয় না।

নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা জানান, রাঙামাটি-বান্দরবান আঞ্চলিক মহাসড়কের (আর-১৬১) ২১তম কিলোমিটারে সেতুটি নির্মাণ করা হবে। এ জন্য ৭ দশমিক ৫২ হেক্টর জমি অধিগ্রহণে ২৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ইতোমধ্যে সেতুর চূড়ান্ত নকশা তৈরি করে প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে পাঠানো হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখন ডিপিপি পুনর্গঠন করে আবার পাঠাতে হবে। এরপর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হবে। ২০৩১ সালের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করে যান চলাচলের জন্য সেতুটি খুলে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে ফেরিতে একবারে মাত্র ৮ থেকে ১০টি ট্রাক বা বাস এবং ১৫ থেকে ২০টি ছোট ও হালকা যানবাহন পারাপার করা যায়। একবার নদী পার হতে আধা ঘণ্টা, কখনো এক ঘণ্টারও বেশি সময় লাগে। কর্ণফুলী নদীতে স্রোত বাড়লে, কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বাঁধের গেট খুলে দিলে কিংবা নদীতে পানি কমে গেলে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখতে হয়। এতে মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, সেতুটি চালু হলে দীর্ঘদিনের ফেরি পারাপারের দুর্ভোগ কমবে। পাশাপাশি পর্যটন ও বাণিজ্যে গতি আসবে, কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হবে এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটবে।

চন্দ্রঘোনার ব্যবসায়ী ফরিদ আহমদ বলেন, চন্দ্রঘোনা ফেরি দিয়ে দৈনিক ৯০০ থেকে ১ হাজার ছোট-বড় যানবাহন পারাপার হয়। তবে ফেরির কারণে প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পড়তে হয়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেকে ছোট ছোট সাম্পানে নদী পার হন।

তিনি বলেন, রাঙামাটি, চট্টগ্রাম ও বান্দরবান জেলার কয়েক লাখ মানুষ চন্দ্রঘোনা ফেরির ওপর নির্ভরশীল। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি পর্যটকদের জন্যও তিন পার্বত্য জেলা ঘুরে কক্সবাজার যাওয়ার এই পথটি বেশ জনপ্রিয়।

কাপ্তাইয়ের রাইখালী ইউনিয়নের বাসিন্দা থোয়াই অং মারমা বলেন, ‘ফেরি অচল থাকলে আমরাও থেমে থাকি। দুই-তিন মিনিটের পথ পাড়ি দিতে ৪৫ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা, কখনো তারও বেশি সময় লাগে। সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকেন জরুরি রোগীরা। রাত-বিরাতে অ্যাম্বুলেন্সকেও ফেরির জন্য অপেক্ষা করতে হয়। অথচ সেতু থাকলে কয়েক মিনিটেই নদী পার হওয়া যেত।’

রাইখালী বাজারের ব্যবসায়ী তনয় তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, ফেরির ঝামেলায় পাহাড়ি এলাকার কৃষিপণ্য সময়মতো বাজারে পৌঁছানো যায় না। অনেক সময় ফেরি বিকল হয়ে মাঝনদীতে আটকে পড়ে। এই সেতু হলে বান্দরবান ও রাঙামাটির সঙ্গে আমাদের ব্যবসার চেহারাটাই বদলে যাবে।

ট্রাকচালক রহিম উদ্দিন বলেন, প্রতিদিন ইট আনা-নেওয়ার কাজে তাকে এই ফেরি পার হতে হয়। কখনো এক ঘণ্টায় নদী পার হওয়া যায়, আবার কখনো দীর্ঘ যানজটে বসে থাকতে হয়। সেতুটি হলে সময়ের অপচয় ও জীবনের ঝুঁকি—দুটিই কমবে।

সওজের উপ-সহকারী প্রকৌশলী কীর্তি নিশান চাকমা জানান, সেতুটি শুধু যাতায়াত সহজ করবে না, রাঙামাটি ও বান্দরবানের পর্যটনশিল্পের বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, ‘দুই পার্বত্য জেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কেন্দ্র করে পর্যটনশিল্পের বিকাশে এই সেতু মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।’

কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন বলেন, চন্দ্রঘোনায় সেতু নির্মাণ এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হবে এবং দুই জেলার আর্থসামাজিক অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটবে।

রাজস্থলী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাস্টার খলিলুর রহমান শেখ বলেন, সেতু নির্মাণ এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পার্বত্য বান্দরবান, রাজস্থলী, চন্দ্রঘোনা, রাইখালী, রাঙ্গুনিয়া ও কাপ্তাই এলাকার মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটবে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সাজেকে দু’পক্ষের তীব্র গোলাগুলি, আতঙ্কে বাসিন্দারা
রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে জেএসএস ও ইউপিডিএফের সশস্ত্র কর্মীদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে এ সংঘর্ষ চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে কলাবুনিয়া এলাকার দুর্গম পাহাড়ে এ গোলাগুলি শুরু হয়। এতে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এর জেরেই শনিবার দুপুরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। উভয়পক্ষের মধ্যে থেমে থেমে গুলিবিনিময় হয়। তবে দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন বলেন, শনিবার দুপুর ১টা থেকে সাজেকের কলাবুনিয়ার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় জেএসএস ও ইউপিডিএফের মধ্যে গোলাগুলি হয়। এলাকাটি অত্যন্ত দুর্গম হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ ও যৌথ নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এদিকে গোলাগুলির ঘটনায় আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত গোলাগুলিতে হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। আরটিভি/এসআর
সাজেকে দু’পক্ষের তীব্র গোলাগুলি, আতঙ্কে বাসিন্দারা
লোনাপানি কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন মহাপরিচালক
খুলনার পাইকগাছায় বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) লোনাপানি কেন্দ্রের চলমান গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলাম। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে তিনি কেন্দ্রের বিভিন্ন গবেষণা প্রকল্প ও চলমান কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এ সময় গবেষণার অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। পরিদর্শনকালে মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলাম বলেন, লোনাপানি কেন্দ্রের চলমান গবেষণাগুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে অদূর ভবিষ্যতে দেশের মৎস্য চাষে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। মৎস্যসম্পদের টেকসই উন্নয়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং চাষিদের জন্য নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে গবেষণার বিকল্প নেই। এ জন্য গবেষণার মান ও গতি বাড়ানোর পাশাপাশি উদ্ভাবিত প্রযুক্তির কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। তিনি গবেষণা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করতে বিজ্ঞানীদের বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে চলমান গবেষণার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং নতুন নতুন গবেষণার মাধ্যমে দেশের মৎস্য খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় মহাপরিচালকের সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) ড. মো. আমিরুল ইসলাম। আরও উপস্থিত ছিলেন লোনাপানি কেন্দ্রের কেন্দ্রপ্রধান ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আজহার আলী, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. দেবাশীষ কুমার মণ্ডল, ড. গোলাম সাজেদ রিয়ার ও ড. নূর-এ-রওশন। এ ছাড়া বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, সায়মা সুলতানা সোনিয়া, মাসুদুর রহমান ও ফাল্গুনী বিশ্বাস, কম্পিউটার অপারেটর রাশেদুল হাসান, ক্ষেত্র সহকারী আব্দুল মতিন, খন্দকার সাকির হোসেন, মুশফিকুর রহমান ও সুকেশ বিশ্বাস, হিসাবরক্ষক শাহিনুর রহমান এবং কেয়ারটেকার হাশেম আলী উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণের পর ড. মো. লতিফুল ইসলামের এটি লোনাপানি কেন্দ্রের প্রথম পরিদর্শন। তবে এ কেন্দ্রের সঙ্গে তার সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার আগে তিনি এ কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি এ কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও গবেষণায় অবদানের মাধ্যমে কেন্দ্রটির গবেষণা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। দীর্ঘদিনের কর্মস্থল লোনাপানি কেন্দ্রে মহাপরিচালক হিসেবে তার এ সফরকে কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রমের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা করছেন, তার দিকনির্দেশনা ও অভিজ্ঞতার আলোকে ভবিষ্যতে এ কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। আরটিভি/এমএইচজে
লোনাপানি কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন মহাপরিচালক
এইচএসসিতে কুড়িগ্রামের ৯ কলেজে পাস করেননি কেউ
কুড়িগ্রামে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটেছে। জেলার ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৭০ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিলেও অকৃতকার্য হয়েছেন সবাই। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আট জেলার মধ্যে একক জেলা হিসেবে কুড়িগ্রামেই সবচেয়ে বেশি ৯টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল করার ঘটনা ঘটেছে।
এইচএসসিতে কুড়িগ্রামের ৯ কলেজে পাস করেননি কেউ
মাইকে ঘোষণা দিয়ে ব্যাঙের মোড়ে দুই গ্রামবাসীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ
শেরপুর সদরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে তিন পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। 
মাইকে ঘোষণা দিয়ে ব্যাঙের মোড়ে দুই গ্রামবাসীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ
দুমুঠো ভাতের জন্য হাহাকার সব হারানো বৃদ্ধ দম্পতির
দুই ছেলের মৃত্যুর পর বড় ছেলের স্ত্রীও মারা গেছেন ক্যানসারে। রেখে গেছেন চার বছরের এতিম নাতি। সেই অবুঝ নাতিকে ভিক্ষা করে বড় করেছেন ৮৯ বছর বয়সী বৃদ্ধ হানেছ আলী ও ৭৯ বছর বয়সী সুফিয়া আক্তার। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে আজ তারা বড়ই একাকী ও ন্যুব্জ। ঢাকার ধামরাই উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের দুনিগ্রামের এই বৃদ্ধ দম্পতির প্রতিদিনের লড়াই এখন কেবল দুমুঠো ভাতের জন্য।
দুমুঠো ভাতের জন্য হাহাকার সব হারানো বৃদ্ধ দম্পতির
আরও পড়ুন
সাজেকের পরিস্থিতি নিরসনে কমিটি গঠন
প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে রাঙামাটিতে বৌদ্ধদের ধর্মীয় উৎসব শুরু 
সাজেকে গোলাগুলিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৬ সদস্য আহত
সাজেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি