ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

কৃষকের ছদ্মবেশে দুই ‘মাটিখেকো’ ধরলেন ভূমি কর্মকর্তা 

গলাচিপা ও রাঙ্গাবালী প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৫ পিএম
ছবি: আরটিভি

পটুয়াখালীর গলাচিপায় কৃষকের ছদ্মবেশে অবৈধ মাটি কাটার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে দুজনকে আটক করেছেন উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) মো. জাকির হোসেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের মোট এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার বোয়ালিয়া স্লুইসসংলগ্ন নদীর তীরের সরকারি খাসজমিতে এ অভিযান চালানো হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নির্দেশনায় এবং গলাচিপা থানা পুলিশের সহযোগিতায় পরিচালিত অভিযানে মাথায় গামছা বেঁধে কৃষকের ছদ্মবেশ ধারণ করেন তহশিলদার মো. জাকির হোসেন। এ সময় সরকারি খাসজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগে দুজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ মাধবপুর এলাকার মো. আলাউদ্দিন মৃধা এবং শেরপুর জেলার লালিতাবাড়ী উপজেলার নয়াবিল এলাকার রাকিব হাসান।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবুজর মো. ইজাজুল হক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালত বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ১৫ ধারায় দুজনকে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে মোট এক লাখ টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককে দুই মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। পরে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সাড়ে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর নাক-মুখ থেঁতলে দিলেন বিপ্লব
টাঙ্গাইল শহরে সাড়ে ৬ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে বিপ্লব নামে এক বখাটে যুবকের বিরুদ্ধে। এ সময় শিশুটির কান্না ও বাধা দেওয়ার কারণে ইট দিয়ে মুখ ও নাক থেঁতলে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
সাড়ে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর নাক-মুখ থেঁতলে দিলেন বিপ্লব
গোরস্তানের ভেতর থেকে বেরিয়ে এলো ‘খ্যাপা’ শেয়াল, নারী-শিশুসহ আহত ১০
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় খ্যাপা শেয়ালের আক্রমণে নারী ও শিশুসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
গোরস্তানের ভেতর থেকে বেরিয়ে এলো ‘খ্যাপা’ শেয়াল, নারী-শিশুসহ আহত ১০
‎জামায়াত ছাড়লেন অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।  শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে এ ঘোষণা দেন তিনি। অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির ‎চট্টগ্রাম দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী। তিনি পেকুয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর রোকন সদস্য এবং রাজাখালী ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি ছিলেন।  ২০১৬ ও ২০২১ সালের রাজাখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি দুইবার জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ‎ফেসবুক পোস্টে হুমায়ুন কবির লেখেন, ‘আজকে থেকে জামায়াতে ইসলামী থেকে বিদায় নিলাম। রাজাখালী জামায়াতে ইসলামী ন্যায়-ইনসাফ টাকার বিনিময়ে প্রতিষ্ঠা করেছে। টাকার বিনিময়ে বিক্রি হওয়া ব্যক্তিরা ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করবে।’ ‎  ‎জানতে চাইলে অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির বলেন, দলীয় রাজনীতির কঠিন সময়ে যখন অনেকে ভয়ে নিজেদের জামায়াত পরিচয় প্রকাশ করতেও অনাগ্রহী ছিলেন, তখন ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে সংগঠনের হয়ে মাঠে সক্রিয় ছিলাম। ওই সময়ে আমাকে সামনে রেখেই রাজাখালীতে জামায়াতের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়েছে। আজ আমাকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। তাই স্বেচ্ছায় জামায়াতের রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছি। ‎  ‎তিনি আরও বলেন, আমি জনগণের মনোনীত রাজাখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইনশাআল্লাহ। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি। ‎‎অন্যদিকে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা ইমতিয়াজ উদ্দিন বলেন, হুমায়ুন কবিরের দল ছাড়ার বিষয়টি তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হতে পারে। সংগঠনের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে জেলা আমির অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারী এবং সাংগঠনিক সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসাইন ও আল আমিন মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলামের উপস্থিতিতে চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। এখানে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ, অর্থ বা প্রভাবের কোনো বিষয় নেই। ‎ ‎ তিনি বলেন, ‘সংগঠনের পক্ষ থেকে যোগ্যতা, সাংগঠনিক অবস্থান, জনসম্পৃক্ততা ও নির্বাচনী সার্বিক সক্ষমতাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করেই প্রার্থী নির্ধারণ করা হয়েছে। এ নিয়ে কারও কোনো অভিযোগ বা বক্তব্য থাকার কথা নয়।’ আরটিভি/এসআর
‎জামায়াত ছাড়লেন অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির
৫২ বছরে এইচএসসি পাস করে নজির গড়লেন শেফালী
জীবনের ৫২টি বসন্ত পেরিয়ে যখন অনেকেই শিক্ষাজীবনের ইতি টেনে দেন, তখন নতুন করে বই হাতে তুলে নিয়ে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের কালিগঞ্জ এলাকার শেফালী বেগম। দীর্ঘ শিক্ষাবিরতি, পারিবারিক দায়িত্ব ও জীবনের নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৪.২১ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন তিনি। তার স্বপ্ন এখন উচ্চশিক্ষা অর্জনের।
৫২ বছরে এইচএসসি পাস করে নজির গড়লেন শেফালী
শুধু কাঞ্চনজঙ্ঘা নয়, পঞ্চগড় থেকে এবার দেখা মিলল এভারেস্টেরও
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড় থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার পাশাপাশি বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট ও মাকালুর একাংশ দেখা গেছে। ২৬ অক্টোবর ভোরে পঞ্চগড়ের একটি গ্রাম থেকে অল্প সময়ের জন্য পর্বত দুটি দৃশ্যমান হয়।  সম্প্রতি আলোকচিত্রী ফিরোজ আল সাবাহ নিজের ক্যামেরায় এর ছবি তুলেছেন। ফিরোজ আল সাবাহ জানান, ওই দিন সকাল ৬টা ২০ মিনিটের দিকে তিনি এভারেস্ট ও মাকালুর দেখা পান। পঞ্চগড় থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দূরের এই পর্বতশৃঙ্গ এত স্পষ্টভাবে আগে কখনো দেখেননি বলে জানান তিনি। তিনি আরও জানান, আট বছর আগে তার মনে প্রশ্ন জাগে, কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা গেলে এভারেস্ট কেন নয়। সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গত ১০ দিন ধরে প্রতিদিন ভোরে বের হতেন তিনি, তবে আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় সফল হননি। ২৬ অক্টোবরের আগের দিন থেকে বাতাসে ঠান্ডার আমেজ ও আর্দ্রতা কমে আসায় তিনি দৃশ্যমানতা বাড়ার আভাস পান। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের কারণে আবহাওয়াও অনুকূলে ছিল বলে জানান তিনি। সেদিন ভোর ৪টার দিকে সঙ্গী তুষারকে নিয়ে মোটরসাইকেলে বের হন তিনি। গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই পূর্বাকাশে রঙের খেলা দেখা যায়। সূর্যোদয়ের আগে চাঁদের আলোয় কাঞ্চনজঙ্ঘা দৃশ্যমান হয়, পরে সূর্যের প্রথম আলোয় তার চূড়া সোনালি রং ধারণ করে। এর কয়েক মিনিট পর দিগন্তে ধীরে ধীরে এভারেস্ট ও মাকালুর অবয়ব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। আলোকচিত্রী জানান, এই অভিজ্ঞতার গল্প তিনি ২০২২ সালেও লিখেছিলেন। এবার ছবি ও ভিডিও প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেয়েছেন। তবে নিজের তোলা ছবির সত্যতা নিয়ে তিনি আত্মবিশ্বাসী বলে জানান। আরটিভি/এসআর
শুধু কাঞ্চনজঙ্ঘা নয়, পঞ্চগড় থেকে এবার দেখা মিলল এভারেস্টেরও
আরও পড়ুন
লালশাক ক্ষেতে মিলল ৫১ গাঁজা গাছ, দুই ভাই আটক
বাড়ির পাশের খালে পড়ে ৩ বছরের শিশুর মৃত্যু
কলারোয়ায় রাস্তা দখল করার ‘খেসারত’ দিলেন ৯ ব্যবসায়ী
মাঠের ভেতর এতিম সেতু, কেউ জানে না কেন