ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

মৃত্যুর আগে ধর্ষণকারীদের নাম বলে গেল সেই স্কুলছাত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৫২ পিএম
প্রতীকী ছবি

ফরিদপুরের মধুখালীতে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী প্রায় দেড় মাস চিকিত্সাধীন থাকার পর মৃত্যুবরণ করেছেন। মৃত্যুর আগে এক ভিডিওতে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে অভিযুক্তদের নাম বলে গেছেন ওই কিশোরী, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু এ ঘটনায় থানা মামলা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।

ভুক্তভোগী কিশোরীর নাম মিথিলা আক্তার। তিনি উপজেলার আড়পাড়া ইউনিয়নের রাজধরপুর গ্রামের আ. হান্নানের মেয়ে এবং স্থানীয় কাজী সিরাজুল ইসলাম স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। ১৪ সেপ্টেম্বর সকালে স্কুলে যাওয়ার পথে তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষণের পর হারপিক পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন মিথিলা। তারপর থেকেই তিনি চিকিত্সাধীন ছিলেন এবং ২৬ অক্টোবর দিবাগত রাত ১টার দিকে নিজ বাড়িতেই মৃত্যু হয় মিথিলার। তাকে জোর করে তুলে নেওয়ার ঘটনার তিন মাস আগে পারিবারিক সিদ্ধান্তে আনুষ্ঠানিকভাবে তার বিয়ের কাবিনও হয়েছিল।

মিথিলার বাবা হান্নান গতকাল সোমবার জানান, ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে স্কুলে যাওয়ার পথে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক থেকে পার্শ্ববর্তী মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামের রাফি শেখ (২১), রায়নগর গ্রামের রাহুল শেখ (২০), সায়মন বিশ্বাস (২০) জোরপূর্বক তার মেয়েকে মোটরসাইকেলে করে তুলে নিয়ে যায়। এরপর মাগুরার শ্রীপুর থানাধীন নাকোল গ্রামের মধুমতি নদীর মাটিকাটা ঘাট নামক এলাকায় নিয়ে গিয়ে তিন যুবক ধর্ষণ করেন মিথিলাকে। সহযোগিতা করে সোহাগ শেখ (২০) নামের আরেক যুবক। এক পর্যায়ে তাদের হাত থেকে ছুটে গিয়ে মধুমতি নদীতে ঝাঁপ দেয় মিথিলা। স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মিথিলাকে উদ্ধার করে নাকোল পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। পুলিশ ফাঁড়ির বাথরুমে গিয়ে সেখানে থাকা বিষাক্ত হারপিক পান করে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন মিথিলা। ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১১ দিন চিকিত্সা শেষে বাড়িতে নিয়ে যায় পরিবারের সদস্যরা। এরপর থেকে শারীরিক নানা জটিলতা নিয়ে বাড়িতে রেখেই তার চিকিত্সা চলছিল। তার মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে এবং ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু এ ঘটনায় থানা মামলা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।

এদিকে, মৃত্যুর আগে এক ভিডিওতে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে গেছেন মিথিলা, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে বলতে শোনা যায়, তাকে মোটরসাইকেলে জোড়পূর্বক তুলে নিয়ে যায় রাফি শেখ, রাহুল শেখ ও সায়মন বিশ্বাস। সহযোগিতা করে সোহাগ শেখ।

মিথিলার মা জেসমিন খাতুনের ভাষ্য মতে, এ ঘটনার পর পরিবারের সদস্যদের থানায় ডেকে নেন মধুখালী থানা পুলিশ। পরে তাদের শ্রীপুর থানায় পাঠানো হয়। সেখানে মামলা না নিয়ে জোরপূর্বক একটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর রেখে তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

মিথিলার ভগ্নিপতি বিল্পব শেখ অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার শ্যালিকাকে তুলে নেওয়ার তিন মাস আগে অন্য জায়গা কাবিন হয়েছিল। এতে ওর মামাতো ভাই ক্ষিপ্ত হয়, কারণ সে বিয়ে করতে চেয়েছিল। এরপর পরিকল্পনা অনুযায়ী রাফির সঙ্গে যোগাযোগ করে এই ঘটনা ঘটায়।’

তিনি আরও জানান, মিথিলা সুস্থ হওয়ার পর ঘটনাটি তাদের জানিয়েছিল। কিন্তু ওর নতুন বিয়ে হওয়ার কথা ভেবে তারা কোথাও জানায়নি। তিনি ঐ চার জনের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।

শ্রীপুর থানা পুলিশ বলছে, রাফি শেখের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল মিথিলার। এর মধ্যে মিথিলার অন্যত্র বিয়ে হয়। এর জের ধরে ১৪ সেপ্টেম্বর মধুমতি নদীর মাটিকাটা ঘাট এলাকায় দুই জনে দীর্ঘ সময় গল্প করে এবং নদীতে ঝাঁপ দেয়। যা ঘাটে থাকা রফিকুল মাঝি দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের জানায়। পরে স্থানীয় ফাঁড়ির পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে যায় এবং এক পর্যায়ে বাথরুমে গিয়ে হারপিক খেয়েছিল মিথিলা।

শ্রীপুর থানার ওসি মো. ওলি মিয়া বলেন, ‘এ ঘটনায় আমরা একটি তদন্ত প্রতিবেদন করেছি। তদন্তে ঐ ঘাট এলাকায় ধর্ষণের শিকার হয়েছে এমন আলামত পাওয়া যায়নি। কারণ, ঘাটটির আশপাশে ঝোঁপঝাড় নেই এবং ফাঁকা। তাছাড়া সেখানে মানুষের যাতায়াত এবং সার্বক্ষণিক মাঝি থাকে। তারা কেউ এ ধরনের দৃশ্য দেখেনি। তবে অন্য কোথাও ধর্ষণ করেছে কিনা সেটা আমার জানা নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘মেয়েটিকে যখন উদ্ধার করা হয় তখন ধর্ষণের কথা জানায়নি। এমনকি দেড় মাসেও কেউ জানায়নি। তার মৃত্যুর পর একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে পরিবার, যা রহস্যজনক।’

তিনি আরও জানান, তার পরিবারের সদস্যরা ফাঁড়িতে এলে মিথিলাকে তাদের জিম্মায় দেওয়া হয়। এ সময় ফাঁড়ির বাথরুমে গিয়ে হারপিক খায় কিশোরী। পরে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যায়। তবে ধর্ষণের বিষয়টি পুলিশকে জানায়নি ঐ কিশোরী।

তিনি আরও জানান, যেহেতু চিকিত্সাধীন অবস্থায় তার বাড়ি মধুখালীতে মারা গেছে, সে কারণে মধুখালী থানা ব্যবস্থা নিবে।

এ বিষয়ে মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) সুকদেব রায় বলেন, ‘ঘটনাটি জানার পর শ্রীপুর থানায় যোগাযোগ করি এবং থানার ওসি পরিবারকে পাঠিয়ে দিতে বলে। এরপর তারা শ্রীপুরে গেলে একটি অপমৃত্যুর মামলা নেওয়া হয়। পরবর্তী সময় জানতে পেরেছি মেয়েটি ধর্ষণের শিকার হয়েছিল। কিন্তু দেড় মাস আগের ঘটনাটি আমাদেরকে কেউ জানায়নি। সোমবার মিথিলার বাবা আ. হান্নান চার জনকে আসামি করে একটি অভিযোগপত্র দায়ের করেছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বরগুনায় ৪৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার
বরগুনার আমতলীতে বসতঘর ও রান্নাঘরে অভিযান চালিয়ে ৪ হাজার ৭০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের জামাতা পালিয়ে গেছেন। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৪ লাখ ১০ হাজার টাকা।
বরগুনায় ৪৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার
‘বিশেষ ক্ষমতায়’ নারীদের বশ করেন কবিরাজ, এরপর শারীরিক সম্পর্ক!
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ঝাড়ফুঁক দিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার নামে অসুস্থ এক কিশোরীর সঙ্গে প্রতারণা, বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্ক এবং অন্তরঙ্গ ভিডিওধারণের অভিযোগ উঠেছে তাইজুল ইসলাম মুসা নামে কথিত এক কবিরাজের বিরুদ্ধে। 
‘বিশেষ ক্ষমতায়’ নারীদের বশ করেন কবিরাজ, এরপর শারীরিক সম্পর্ক!
পোশাকশিল্পে নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ধামরাইয়ে বিএনপির বিক্ষোভ
দেশের পোশাকশিল্প খাতে চলমান নৈরাজ্য, বিশৃঙ্খলা ও ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে ঢাকার ধামরাইয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন স্বেচ্ছাসেবক দল ও শ্রমিকদলের নেতাকর্মীরা।
পোশাকশিল্পে নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ধামরাইয়ে বিএনপির বিক্ষোভ
গাজীপুরে পুলিশ-শ্রমিকের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ, ৬০ কারখানায় ছুটি ঘোষণা
ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশ ও শ্রমিকসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া জেলার অন্তত ৬০ কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।   মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় মহানগরীর নাওজোড় ও ভোগড়া এলাকা।  এদিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মহানগরীর ন্যাজর এলাকায় প্যানিসিয়া লিমিটেডের শ্রমিকরা কারখানা থেকে বের হয়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উড়ালসড়কের পশ্চিম পাশে অবস্থান নেন। একপর্যায়ে বাঁশ দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে মহাসড়ক অবরোধ করেন তারা।  এতে মহাসড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। একই সময়ে কোনাবাড়ীর বে ফুটওয়্যার, মৌচাক এলাকার পূর্বাণী এবং তেলিচালা এলাকার লগোস অ্যাপারেলস ও এটিএস অ্যাপারেলসের শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ করে কারখানা থেকে বেরিয়ে বিক্ষোভে যোগ দেন। অন্যদিকে, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভোগড়া এলাকায় কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। খবর পেয়ে বিজিবি, শিল্প পুলিশ ও থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে।  একপর্যায়ে শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও লাঠিপেটা করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। সংবাদ সাবস্ক্রিপশন একই সময়ে ভোগড়া বাইপাস এলাকাতেও শ্রমিকরা টায়ার জ্বালিয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন। সেখানেও পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও লাঠিপেটা করে শ্রমিকদের সরিয়ে দেয়। শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধের কারণে সকাল থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।  এতে দুই মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। পরে দুপুর সোয়া একটার দিকে প্রায় চার ঘণ্টা পর দুই মহাসড়কেই যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসাইন জানান, শ্রমিক অসন্তোষের কারণে জেলার অন্তত ৬০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া শ্রমিক নন- এমন সাত নাশকতাকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শ্রমিক অসন্তোষের প্রেক্ষাপটে শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার করতে গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে গাজীপুরের সফিপুর, কালিয়াকৈর ও কোনাবাড়ী এলাকায় ১০ প্লাটুন এবং নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া এলাকায় দুই প্লাটুন বিজিবি সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।  পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ড্রোন ও বিজিবি সদস্যদের শরীরে থাকা বডি ওর্ন ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এদিকে, কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শ্রমিকেরা বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ঘড়ি কিনুন কয়েক দিন ধরেই গাজীপুরের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনায় পুলিশ, সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পুলিশের গাড়ি, বিভিন্ন যানবাহন ও কারখানার গুদামে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে। শ্রমিকদের দাবির মধ্যে রয়েছে ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ, বকেয়া বেতন পরিশোধ, বিনা নোটিশে শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ এবং ছাঁটাই করা শ্রমিকদের পুনর্বহাল। এসব দাবি আদায়ে শ্রমিকদের আন্দোলন অব্যাহত থাকায় গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতা বিরাজ করছে। আরটিভি/এসআর  
গাজীপুরে পুলিশ-শ্রমিকের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ, ৬০ কারখানায় ছুটি ঘোষণা
এবার হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ডে মহাসড়ক অবরোধ করে শ্রমিকদের বিক্ষোভ
সাভারে নূন্যতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পোশাক শ্রমিকরা।
এবার হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ডে মহাসড়ক অবরোধ করে শ্রমিকদের বিক্ষোভ
আরও পড়ুন
দ্বিতীয় বিয়ের পর স্ত্রী-সন্তান ও বৃদ্ধ মাকে ঘরছাড়া করতে চান নিষিদ্ধ দলের নেতা
কারাগারে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতার মৃত্যু
সড়কে প্রাণ গেল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর, মোবাইলে লেখা ছিল ‘শরতের ঝরা পাতার মতো মৃত্যু’
মাঠে আঘাতের পর হাসপাতালে ফুটবলারের মৃত্যু