ঢাকা সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৫ কার্তিক ১৪৩৩

সংসার টিকিয়ে রাখতে স্বামীর পা ধরে কান্নাকাটি, তালাক ঠেকাতে পারলেন না ইতি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

সাত বছরের দাম্পত্য জীবন। একসঙ্গে পথচলার এই সময়ে সন্তানের মুখ দেখার অপেক্ষায় ছিলেন দম্পতি ইতি ও রনি খান । কিন্তু সন্তান না হওয়াকে কেন্দ্র করে সেই সংসারেই নেমে আসে ভাঙনের সুর। শেষ পর্যন্ত বিচ্ছেদ ঠেকাতে স্থানীয় সালিশে স্বামীর পা ধরে কান্নাকাটি করেও সংসার টিকাতে পারেননি স্ত্রী জান্নাতুল ইতি আক্তার।

শনিবার (৭ নভেম্বর) রাতে বরিশালের হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের মাসকাটা গ্রামে স্থানীয়ভাবে আয়োজিত এক সালিশে এই হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। এতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পাশাপাশি হিজলা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আজগর আলীও উপস্থিত ছিলেন।

ইতির পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় সাত বছর আগে হিজলার মাসকাটা গ্রামের সিকিম আলী সরদারের মেয়ে ইতির সঙ্গে মেহেন্দিগঞ্জের বাবনেরচর গ্রামের কাজল খানের ছেলে পোশাক শ্রমিক রনি খানের বিয়ে হয়। বর্তমানে তারা নরসিংদীর মাধবদী থানার চৌদ্দ পাইকা এলাকায় থাকেন।

ইতি ও তার পরিবারের অভিযোগ, সন্তান না হওয়াকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো। একপর্যায়ে শ্বশুরবাড়ি থেকেও তাকে বের করে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ইতি থানায় একটি অভিযোগও করেছিলেন।

ইতির ভাই জুলহাস সরদার জানান, সালিশে তার বোন বারবার স্বামীকে সংসার না ভাঙার অনুরোধ জানান এবং একপর্যায়ে রনির পা ধরে কান্নাকাটি করেন। উপস্থিত ব্যক্তিরাও রনিকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থেকে তিনি স্ত্রীকে তালাক দেন।

ইতির পরিবারের দাবি, চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন আইভিএফ (ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন) পদ্ধতিতে চিকিৎসার মাধ্যমে ইতির সন্তান ধারণের সম্ভাবনা রয়েছে। এ জন্য প্রায় পাঁচ লাখ টাকা খরচ হতে পারে। মেয়ের চিকিৎসার জন্য বাবা নিজের শখের জমি বিক্রি করে ওই টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিলেও রনির সিদ্ধান্ত বদলায়নি।

ইতি সাংবাদিকদের বলেন, আমার সন্তান হবে না এটা কোনো চিকিৎসক বলেননি। চিকিৎসায় আইভিএস পরীক্ষার জন্য ৫ লাখ টাকা খরচের কথা বলা হয়েছে। আমার পিতা ওই টাকা দিতে রাজী হয়েছিলেন। আমি স্বামীর পায়ে ধরে ৬টা মাস সময় চাইছিলাম।

স্বামী রনি খান জানান, বিয়ের পর সাত বছর ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে স্ত্রীর চিকিৎসা করিয়েছেন তিনি। চিকিৎসকদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, তার স্ত্রী কখনো মা হতে পারবেন না। এ কারণে তিনি আর সংসার করতে চান না। তবে চিকিৎসার মাধ্যমে সন্তান ধারণের সম্ভাবনা ও আইভিএফ পদ্ধতির বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

এ বিষয়ে হিজলা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আজগর আলী বলেন, ইতি তার স্বামীর সঙ্গে সংসার করার অনেক চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সন্তান না হওয়ার অজুহাতে তাদের বিচ্ছেদ হয়েছে। সালিশে সমাধান না হওয়ায় ইতি ও তার পরিবারকে বরিশাল পারিবারিক আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মাকে নিয়ে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল, গ্রেপ্তার ৫
রাজবাড়ীর পাংশায় মাকে সঙ্গে নিয়ে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল করেছেন নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সহসভাপতি নজরুল ইসলাম। এ ঘটনায় করা মামলার তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের মেঘনা এলাকায় এ মিছিল করেন নজরুল ইসলাম। এতে ৫০ থেকে ৭০ জন নেতা-কর্মী অংশ নেন বলে জানা গেছে। রোববার (৮ নভেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পাংশা থানা-পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই মিছিলে অংশ নেওয়া পাঁচজন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন পাংশা উপজেলার বাগমারা গ্রামের সাইফুল প্রামাণিক (২০), ইরান প্রামাণিক (২২), নয়ন মোল্লা (২০), রাব্বি হোসেন (২২) এবং মেঘনা উত্তরপাড়া গ্রামের সুহান শেখ ওরফে সোহান (২৩)। পুলিশ জানায়, ২০২৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর পাংশা থানায় দায়ের করা একটি মামলার তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা নিষিদ্ধ ঘোষিত বাহাদুরপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী। গত ৭ নভেম্বর ভোরে বাহাদুরপুর এলাকায় সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডের উদ্দেশ্যে সংগঠিত হয়ে তারা মিছিলে অংশ নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ও অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ডে তাদের সম্পৃক্ততার তথ্য-প্রমাণ পাওয়ার কথাও জানিয়েছে পুলিশ। এদিকে, মিছিলের ছবি ও ভিডিও শনিবার সন্ধ্যার পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশ করেন নজরুল ইসলাম। পোস্টে তিনি মাকে সঙ্গে নিয়ে নিজ এলাকায় মিছিল করার কথা জানান। একই সঙ্গে অতীতে নিজের ও পরিবারের ওপর হামলা, হুমকি, বাড়িঘর ভাঙচুর এবং চাঁদা দাবির অভিযোগও তুলে ধরেন। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর কিছুটা সুস্থ হয়ে আবার চলাফেরা শুরু করেছেন এবং আন্দোলনের কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি। মিছিলের প্রকাশিত ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, মাস্ক পরা এক নারী ব্যানারের সামনে হাত উঁচিয়ে স্লোগান দিচ্ছেন। তার পেছনে আরও কয়েকজনকে স্লোগান দিতে দেখা যায়। পাংশা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার রাকিবুর রহমান বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু ছবি ও ভিডিও পাওয়া গেছে। এগুলোর ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য পাংশা থানার ওসিকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। আরটিভি/টিআর
মাকে নিয়ে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল, গ্রেপ্তার ৫
শিশুকে যৌন নিপীড়ন, ইমামের ৭ বছরের কারাদণ্ড
মক্তবে ১০ বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের দায়ে মসজিদের ইমাম মাওলানা আরিফুল ইসলামকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
শিশুকে যৌন নিপীড়ন, ইমামের ৭ বছরের কারাদণ্ড
৯৬-এর মতো আ.লীগ-জামায়াত দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে: রাশেদ খাঁন
৯৬-এর মতো আওয়ামী লীগ এবং জামায়াতে ইসলামী দেশের বিরুদ্ধে, সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে, স্বাধীনতার বিরুদ্ধে চক্রান্ত শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেলে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভা ও র‍্যালি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ মন্তব্য বলেন তিনি। রাশেদ খাঁন বলেন, অতীতে যারা জনগণের ওপর গুম, খুন ও ক্রসফায়ারের মতো নির্যাতন চালিয়েছে, তাদের রাজনৈতিক শক্তিগুলো এখন এক জায়গায় আসছে। ১৯৯৬ সালের রাজনৈতিক সমীকরণের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করে তিনি বলেন, ৯৬-এর মতো আওয়ামী লীগ এবং জামায়াতে ইসলামী দেশের বিরুদ্ধে, সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে, স্বাধীনতার বিরুদ্ধে চক্রান্ত শুরু করেছে।  রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী যখন দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছেন, তখন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। তার দাবি, ভারতে অবস্থান করে শেখ হাসিনা এই ষড়যন্ত্রের সূচনা করেছেন এবং বাংলাদেশে বসে এই চক্রান্তের সাথে যুক্ত হয়েছে সেই স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি জামায়াত ইসলাম। সুতরাং প্রধানমন্ত্রীর যে স্বপ্ন, তিনি যে পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমাদের সবাইকে তার পাশে থেকে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, একাত্তর ও চব্বিশের অপশক্তি এক হয়েছে। একাত্তরের রাজাকার ও চব্বিশের রাজাকারদের রুখে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিএনপির বিকল্প নেই।  তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশপন্থীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। নভেম্বর, ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাস পর্যন্ত বিএনপি, যুবদলসহ বাংলাদেশপন্থীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বানও জানান রাশেদ খাঁন। এর আগে বিকেলে কালীগঞ্জ উপজেলা শহরের মোবারক আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দেন তিনি। পরে সেখান থেকে বের হওয়া র‍্যালির নেতৃত্ব দেন রাশেদ খাঁন। এ সময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
৯৬-এর মতো আ.লীগ-জামায়াত দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে: রাশেদ খাঁন
পলাতকদের দেশে এসে মামলার বিচার ও সাজা মোকাবিলা করা উচিত: সড়কমন্ত্রী
পলাতক ও ওয়ান্টেড আসামিদের দেশে ফিরে আদালতের মুখোমুখি হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেছেন, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন। যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিচার আইনের মাধ্যমেই হচ্ছে। রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেলে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় ইছামতী নদীর ওপর নির্মাণাধীন কুন্ডেরবাজার সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, যাঁরা পালিয়ে গিয়েছেন, পলাতক আসামি, ওয়ান্টেড আসামি—তারা দেশে আসুন, সেটা তো আইন চায়। তাদের যে সাজা আছে, সেই সাজা মোকাবিলার জন্যও আমরা চাই, তারা দেশে এসে আদালতের মুখোমুখি হোন। তিনি আরও বলেন, ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদী সরকারের নানা অপকর্ম, দুর্নীতি, গণহত্যা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় অনেক মামলার রায় হয়েছে, কিছু মামলার বিচার এখনো চলমান। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থাকা রায় কার্যকর করবে সরকার ও বিচার বিভাগ। এর আগে ৬৮ কোটি ৩৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে ইছামতী নদীর ওপর কুন্ডেরবাজার সেতুর নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মন্ত্রী। মুন্সীগঞ্জ (হাতিমারা)-কুন্ডেরবাজার-শ্রীনগর (ছনবাড়ি) জেলা মহাসড়কের ষষ্ঠ কিলোমিটারে নির্মিতব্য সেতুটির দৈর্ঘ্য হবে ১৫১ দশমিক ৯০ মিটার এবং প্রস্থ ১০ দশমিক ৩০ মিটার। প্রকল্পের প্রস্তাবিত মেয়াদ ২০২৬ সালের জুন থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। সেতুটি নির্মিত হলে টঙ্গিবাড়ী, সিরাজদিখানসহ আশপাশের এলাকার মানুষের যাতায়াত ও কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হবে। পাশাপাশি রাজধানী ঢাকার সঙ্গে মুন্সীগঞ্জের সড়ক যোগাযোগ আরও নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন হবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন, মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ আলোসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। পরে দেশব্যাপী পরিকল্পিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আয়োজিত সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে যোগ দেন মন্ত্রী। এতে সভাপতিত্ব করেন টঙ্গিবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলী আসগর রিপন মল্লিক। আরটিভি/টিআর
পলাতকদের দেশে এসে মামলার বিচার ও সাজা মোকাবিলা করা উচিত: সড়কমন্ত্রী
চাচাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ভাতিজাদের বিরুদ্ধে
শেরপুর সদর উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চাচাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ভাতিজাদের বিরুদ্ধে। রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে কুসুমহাটি কাজিরচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মো. জিন্নাত আলী (৬৫) শেরপুর সদর উপজেলার লছমনপুর ইউনিয়নের কুসুমহাটি কাজিরচর গ্রামের মৃত টন মাহমুদের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার কুসুমহাটি কাজিরচর এলাকায় জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে চাচা ও ভাতিজাদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় নিহতের ভাতিজা জসিম, মাজহার ও নজরুলসহ ৫-৬ জন মিলে মো. জিন্নাত আলীকে এলোপাতাড়ি কিল, ঘুষি ও লাথি মারেন এবং ভোঁতা অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে মাটিতে ফেলে দেন। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে পড়েন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে গুরুতর ও মুমূর্ষু অবস্থায় সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে শেরপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষ জানিয়েছেন, নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও অন্যান্য আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আরটিভি/টিআর
চাচাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ভাতিজাদের বিরুদ্ধে
আরও পড়ুন
আবারও বাড়ল নিত্যপণ্যের দাম, সংসার চালাতে বাড়তি খরচের চাপ
বিয়ে নিয়ে ১২ বাস্তব সত্য, যা কেউ আগে থেকে বলে না
বিয়ের পর গুগলে কী খোঁজেন নারীরা, সামনে এল ৭ বিষয়
সংসারের হাল ধরতে নামেন ব্যবসায়ে, এখন মাসে আয় লাখ টাকা