ঢাকা শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

নওগাঁয় ৬৭টি গণকবর চিহ্নিত

নওগাঁ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৮ মার্চ ২০১৯, ১২:৩২ পিএম

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সারাদেশে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী ও রাজাকাররা মুক্তিযোদ্ধা ও নিরীহ লোকজনকে নির্বিচারে হত্যা করে গণকবর দেয়। নির্মম সেইসব গণহত্যার সাক্ষী পুরো দেশ।

১৯৭১ সালে নওগাঁ জেলার বিভিন্ন স্থানে গণহত্যার ইতিহাস সংগ্রহ ও লিপিবদ্ধ করার চেষ্টা করছে স্থানীয় সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন একুশে পরিষদ নওগাঁ। সংগঠনটির কর্মীরা এ পর্যন্ত নথিবদ্ধ করেছেন জেলার ৬৭টি গণহত্যার বিবরণ।

একুশে পরিষদের কর্মীদের নিজস্ব অনুসন্ধানে সংগৃহীত তথ্য-উপাত্ত আর ভাষ্য নিয়ে 'গণহত্যা ১৯৭১ : নওগাঁ' শিরোনামে একটি গ্রন্থের সম্পাদনার কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। আগামী ১৯ এপ্রিল ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে এই বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হবে বলে জানান একুশে পরিষদের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুর রউফ পাভেল।

আব্দুর রউফ পাভেল বলেন, একাত্তরে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ৩০ লাখ মানুষ শহীদ হয়েছেন। নয় মাসের যুদ্ধে পুরো বাংলাদেশ ছিল যেন বধ্যভূমি। পাকিস্তানি সেনা আর তাদের দোসর রাজাকার, আলবদর, আলশামসরা নিরস্ত্র বাঙালিকে যেখানে-যেভাবে পেরেছে হত্যা করেছে। কোথাও কি লেখা হয়েছে সেই শহিদদের নাম? তাদের আত্মত্যাগের বিবরণ সংগ্রহ করার কাজটা নিঃসন্দেহে বেশ কষ্টসাধ্য। ২০১০ সালে প্রায় অসম্ভব সেই কাজটিতেই হাত দেয় একুশে পরিষদ নওগাঁর কর্মীরা। দীর্ঘ নয় বছর কাজ চলে তথ্য সংগ্রহের। নয় বছরের তথ্য সংগ্রহ শেষে একুশে পরিষদ কাজটি সম্পন্ন করে।

সংগঠনের সভাপতি ডিএম আবদুল বারী বলেন, নওগাঁয় এখন পর্যন্ত ৬৭টি বধ্যভূমি বা গণহত্যার স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। শুধু বধ্যভূমি চিহ্নিত করেই কাজ শেষ করছে না একুশে পরিষদ। গণহত্যার তারিখে ওই স্থানে গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শী ও বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে নানা কর্মসূচি পালন করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরছে।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও 'গণহত্যা ১৯৭১ : নওগাঁ'র সম্পাদক মেহমুদ মোস্তফা রাসেল বলেন, বিভিন্ন রকম চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেই আমাদের কাজটি করতে হয়েছে। প্রথমত ১৯৭১-এর ঘটনার সাক্ষী ছিলেন যারা তাদের অনেকেই আর বেঁচে নেই। যারা বেঁচে আছেন সময়ের প্রবাহে ও বয়সের ভারে অনেক কিছুই ভুলে গেছেন। দ্বিতীয়ত অনেকেই ইচ্ছা করে বা অজ্ঞতায় ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করেছেন। যেমন নওগাঁর পত্নীতলার হালিমনগর গণহত্যার কথাই যদি ধরি-২০০১ সালের দিকে পত্নীতলার স্থানীয় সংবাদিকদের লেখালেখির সূত্র ধরে আমরা অনুসন্ধান শুরু করি। এ সময় কিছু লোক আমাদের জানায়, এ রকম কোনও ঘটনাই ঘটেনি। আমরা ফিরে আসি। অবশেষে ২০১১ সালে আমরা খুঁজে পাই সেই গণহত্যার ঘটনায় আহত গুলু মুর্মুকে। তার সূত্র ধরে দেখা মেলে ওখানে যাদেরকে দিয়ে লাশ মাটিচাপা দেওয়া হয়েছিল সেই আমিনুল ও সাইফুলকে। তাদের বর্ণনায় উঠে আসে পত্নীতলার নির্মইল ইউনিয়নের হালিমনগর গ্রামে ৩০ নভেম্বর যে গণহত্যা চালানো হয়েছিল তাতে ২০ জন আদিবাসীসহ অন্তত ৫০ জন শহিদ হন। ২০ জন আদিবাসীর পরিচয় উদ্ধার করা গেলেও বাকিদের পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি। কারণ তারা ছিল ভিন্ন স্থান থেকে ধান কাটতে আসা মানুষ এবং সাঁওতালপল্লীতে লুকিয়ে থাকা মুক্তিযোদ্ধা। এমনি করে একুশে পরিষদ নওগাঁর কর্মীরা নথিবদ্ধ করেছেন জেলার ৬৭টি গণহত্যার বিবরণ। এসব তথ্য-উপাত্ত আর ভাষ্য নিয়ে 'গণহত্যা ১৯৭১: নওগাঁ' শিরোনামে একটি গ্রন্থ একুশে পরিষদ প্রকাশ করতে যাচ্ছে আগামী ১৯ এপ্রিল। জাতীয় প্রেসক্লাবে এই বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হবে।

একুশে পরিষদের সংগঠনিক সম্পাদক বিষ্ণু কুমার দেবনাথ বলেন, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন একুশে পরিষদ নওগাঁ যাত্রা শুরু করে ১৯৯৪ সালে। নওগাঁর কিছু প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবী, অধ্যাপক, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, চিকিৎসক, সরকারি কর্মকর্তা, ছাত্রনেতা, সাংস্কৃতিক কর্মীসহ বেশ কিছু মানুষ মিলে একুশে ফেব্রুয়ারিকে কেন্দ্র করে গঠিত হয় একটি সংগঠন। তখন সেই সংগঠনের নাম দেওয়া হয় ‘একুশে উদযাপন পরিষদ’। পরে মূলত কাজের ব্যাপ্তির দিকে লক্ষ্য রেখে সবার মতামতের ভিত্তিতে ২০১৫ সালে নামকরণ করা হয় 'একুশে পরিষদ নওগাঁ।'

একুশে পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন লিটন বলেন, এই গ্রন্থে উঠে এসেছে নওগাঁ সদরের ধামকুড়ি, পার-নওগাঁ মধ্যপাড়া, পার-নওগাঁ, মোহনপুর, দোগাছি, পার-বোয়ালিয়া, খাগরকুড়ি, নওগাঁ স্টেডিয়ামপাড়া, শেখপুরা, ফতেপুর গড়েরহাট, খাস-নওগাঁ, বলিহার চকদেব পাড়া, আরজি-নওগাঁ, হাট-নওগাঁ, মহাদেবপুর উপজেলার দেবীপুর, মহিষবাথান, মহাদেবপুর, নদীর পূর্বপাড়, আখেরা ও সিদ্দিকপুর, বাজিতপুর ও চকদৌলত; বদলগাছি উপজেলার কোলাহাট, ঐতিহাসিক পাহাড়পুর, ডাঙ্গিসার, গয়েশপুর, সেনপাড়া, লাবণ্য প্রভা; মান্দা উপজেলার পাকুড়িয়া, কবুলপুর, দেলুয়াবাড়ি-কিত্তলী, মনোহরপুর; পত্নীতলার হালিমনগর, মধইল গণহত্যা, আমন্ত, গগনপুর, দুর্গাপুর (জঙ্গলপাড়া), নজিপুরচর, মোবারকপুর, আত্রাই উপজেলার তারাটিয়া, মহাদীঘি, জালুপোঁতা-কচুয়া, পাইকড়া, সিংসাড়া, মিরাপুর, বেড়াহাসন, শিমুলিয়া, বান্দাইখাড়া, বাউল্লাহ, তারানগর, গোয়ালবাড়ি, বৈঠাখালী, রাণীনগর উপজেলার বড়বড়িয়া, আতাইকুলা, হরিপুর (রানী ভবানী জঙ্গল), ধামইরহাট উপজেলার কুলফতপুর, পাগল দেওয়ান, ফার্সিপাড়া, নিয়ামতপুর উপজেলার ভাবিচা, কারালিপাড়া (সোনারপাড়া), সাপাহার উপজেলার সাপাহার, কুচিন্দা, আশড়ন্দ, কল্যাণপুর, আইহাই, রসুলপুর সীমান্ত, পাহাড়িপুকুর, পোরশা উপজেলার শিশার গণহত্যার ঘটনাবলি।

একুশে পরিষদের এই প্রয়াস সম্পর্কে জানতে চাইলে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নওগাঁ জেলা ইউনিটের সাবেক কমান্ডার হারুল-অল-রশিদ বলেন, একুশে পরিষদ যে কাজ করছে নিঃসন্দেহে এটি ভালো উদ্যোগ। কিন্তু গণকবরগুলো শুধু চিহ্নিত করলেই হবে না। সংরক্ষণও করতে হবে। এগুলো সংরক্ষণ করা প্রশাসনের দায়িত্ব।

জেবি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ইসমাঈল ও সম্পাদক জাহির
হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের ১৬ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে মো. ইসমাঈল হোসেন (স্বদেশ বার্তা) সভাপতি ও সায়েদুজ্জামান জাহির (আরটিভি) সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভা শেষে সকলের সর্বসম্মতিক্রমে প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট আবু জাহির নতুন কমিটি ঘোষণা করেন। নতুন কমিটির অন্যান্যরা হলেন, সহ-সভাপতি আব্দুল মঈন টিপু (দৈনিক করতোয়া), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্রীকান্ত গোপ (নিউজ ২৪ টিভি), কোষাধ্যক্ষ শরীফ চৌধুরী (ইসলামি টিভি), দপ্তর ও প্রকাশনা সম্পাদক এসএম সুরুজ আলী (এশিয়ান টিভি), ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোহাম্মদ নূর উদ্দিন (জিটিভি)। আর কার্যনির্বাহী  সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন, মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল (ইত্তেফাক), মোহাম্মদ নাহিজ (বাংলাভিশন), মো. ফজলুর রহমান (দৈনিক জনতার এক্সপ্রেস), শোয়েব চৌধুরী (দেশ রূপান্তর), গোলাম মোস্তফা রফিক  (দৈনিক হবিগঞ্জ সমাচার), রাশেদ আহমদ খান (মানবজমিন), আলমগীর খান (বিটিভি), হারুনুর রশিদ চৌধুরী (এনটিভি), সৈয়দ এখলাছুর রহমান খান (যুগান্তর)। এর আগে প্রেসক্লাবের বিদায়ী কমিটির সভাপতি হারনুর রশিদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকনের পরিচালনায় বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন ক্লাবের সিনিয়র সদস্য মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল, গোলাম মোস্তফা রফিক, ফজলুর রহমান, মোহাম্মদ নাহিজ, মোহাম্মদ শাবান মিয়া প্রমুখ। এজে
হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ইসমাঈল ও সম্পাদক জাহির
ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইমতিয়াজ, সম্পাদক নির্মলেন্দু
ফরিদপুর প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এতে ইমতিয়াজ হাসান রুবেল সভাপতি  এবং নির্মলেন্দু চক্রবর্তী শঙ্কর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হয়। বিকেল তিনটা থেকে ভোট গণনা শুরু হয়। নির্বাচনে ৯১ জন সদস্যের মধ্যে ৮৪জন সদস্য ভোট দেন। দুই বছর মেয়াদী নতুন কমিটিতে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন শেখ ফয়েজ আহমেদ, আমিনুর রহমান ও জুবায়ের জাকির। সহ-সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন শেখ মনির হোসেন, অর্থ সম্পাদক হয়েছেন জাকির হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হয়েছেন সঞ্জিব দাস, দপ্তর সম্পাদক হয়েছেন বি কে সিকদার, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক হয়েছেন মাহবুব হোসেন। নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন এস এম মনিরুজ্জামান, রুহুল আমিন, মনিরুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, বিজয় পোদ্দার ও এম এ আজিজ। এজে
ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইমতিয়াজ, সম্পাদক নির্মলেন্দু
দেশের উন্নয়নের সঙ্গে ইনস্যুরেন্স সেক্টরও এগিয়ে যাচ্ছে: মোরশেদ আলম (ভিডিও)
ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান আলহাজ মোরশেদ আলম এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সব দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে, সেই সঙ্গে ইনসুরেন্স সেক্টরও তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রামের ফয়স লেকে ন্যাশনাল লাইফ ইনসুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের বৃহত্তর চট্টগ্রামের কর্মী সম্মেলন ও আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন।   এ সময় আলহাজ মোরশেদ আলম বলেন, ইনসুরেন্স ব্যবসার ভবিষ্যৎ আছে। সরকার বীমা খাত নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ন্যাশনাল লাইফ সরকারকে বিরাট অংকের ট্যাক্স দিয়ে থাকে। ন্যাশনাল লাইফে ২০ হাজারের মতো লোক কাজ করে। অনুষ্ঠানে কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা জামাল এম. এ. নাসের বলেন,  ন্যাশনাল লাইফ ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে। সাড়ে সাতশ কোটি টাকার বীমা দাবীর টাকা পরিশোধ করেছে। এ সময় ন্যাশনাল লাইফের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি।   অনুষ্ঠানে আলহাজ মোরশেদ আলমের সহধর্মিণী বিলকিস নাহার উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও কোম্পানির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক খসরু চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পরিচালক নাদের খান, ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমদসহ কোম্পানির উধ্বর্তন কর্মকর্তারা। এজে/ এমকে
দেশের উন্নয়নের সঙ্গে ইনস্যুরেন্স সেক্টরও এগিয়ে যাচ্ছে: মোরশেদ আলম (ভিডিও)
নিটিং ব্যবসায়ীদের প্রতি মাসে ৮০০ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে
সময়মতো বায়াররা ক্রয়কৃত নিটিং পণ্যের মূল্য পরিশোধ না করায় নারায়ণগঞ্জে নিটিং ব্যবসায় মাসে ৮০০ কোটি টাকা লোকসান গুনছেন ব্যবসায়ীরা। এতে এই ব্যবসা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন প্রায় অর্ধশতাধিক ব্যবসায়ী। সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে ফতুল্লার বিসিক শিল্পনগরীতে অবস্থিত বাংলাদেশ নিটিং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভবনে বার্ষিক প্রতিবেদন সভায় ব্যবসায়ীদের বক্তব্যে এ তথ্য উঠে এসেছে। এ সময় বক্তারা বলেন, ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঐক্য না থাকায় কোনও কোনও ব্যবসায়ী কম মজুরিতে ওয়ার্ক অর্ডার নিচ্ছেন। যে মজুরিতে তারা অর্ডার নিচ্ছেন ওই মজুরিতে তাদের লাভ তো দূরের কথা প্রায় ৩ থেকে ৪ টাকা লোকসান গুনতে হয়। ফলে গত ছয় মাসে নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রায় অর্ধশত নিটিং কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ নিটিং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সেলিম সারোয়ার বলেন, নিটিং ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঐক্য নেই। ফলে কেউ কেউ গোপনে কম মজুরিতে কাজের অর্ডার নিচ্ছেন। ফলে মাসে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা নিটিং ব্যবসায়ীদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, নিটিং ব্যবসায়ীদের মন্দা কাটিয়ে উঠতে নিটিং মূল্য নির্ধারণে ৭৮ সদস্য উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল বাশার ও রকিবুল হাসান রাকিব, পরিচালক আবু বক্কর সিদ্দিক, নিজাম মুন্সি, নির্মল চন্দ্র রায়সহ আরও অনেকে। এজে
নিটিং ব্যবসায়ীদের প্রতি মাসে ৮০০ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে
কথা বলুন আপনার ওসির সঙ্গে
‘কথা বলুন আপনার ওসির সঙ্গে। আপনার যে কোনও সমস্যা নির্ভয়ে বলুন।’ জনসম্মুখে এমনই ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসীম উদ্দীন। সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) দত্তপাড়া ইউনিয়নের আজিজিয়া মাদ্রাসার সামনে ও চন্দ্রগঞ্জ বাজারে ‘কথা বলুন আপনার ওসির সাথে’ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় বাজারে আগত জনসাধারণের মধ্যে অনেকে সরাসরি ওসির কাছে তাদের সমস্যা তুলে ধরেন। ওসি জসীম উদ্দীন তাদের সমস্যা লিখে নেন এবং সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, তাদের থানা এলাকায় চুরি, ডাকাতি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, যৌন হয়রানি, মাদক এ বিষয়ে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। এ সময় তিনি পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মফিজ উদ্দিন ও চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. আলী হোসেন। এজে
কথা বলুন আপনার ওসির সঙ্গে
আরও পড়ুন
এমপি লিটনের মৃত্যুর তিন বছর আজ
কাজে যাওয়া হলো না গোলাপের
মাদরাসা থেকে রশি বেয়ে পালানোর সময় ছাত্রের মৃত্যু
রামুতে মাটির ঘরের দেয়াল ধসে গৃহবধূর মৃত্যু