ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
গোরস্তানের ভেতর থেকে বেরিয়ে এলো ‘খ্যাপা’ শেয়াল, নারী-শিশুসহ আহত ১০
গোরস্তানের ভেতর থেকে বেরিয়ে এলো ‘খ্যাপা’ শেয়াল, নারী-শিশুসহ আহত ১০
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় খ্যাপা শেয়ালের আক্রমণে নারী ও শিশুসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
সীমান্তে আনা হলো ভারতীয় নারীর মরদেহ, শেষবার মাকে দেখলেন বাংলাদেশ থাকা মেয়ে
সীমান্তে আনা হলো ভারতীয় নারীর মরদেহ, শেষবার মাকে দেখলেন বাংলাদেশ থাকা মেয়ে
মেহেরপুরে বাসের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত
মেহেরপুরে বাসের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত
সীমান্তে ৬ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের, রুখে দিলো বিজিবি
সীমান্তে ৬ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের, রুখে দিলো বিজিবি
জ্বালানি তেলের দাম কবে কমাবে সরকার, জানালেন প্রতিমন্ত্রী
জ্বালানি তেলের দাম কবে কমাবে সরকার, জানালেন প্রতিমন্ত্রী
‘সরল বিশ্বাসে’ জুয়েলের সঙ্গে আমবাগানে গিয়ে বিপদে ১২ বছরের শিশু 
‘সরল বিশ্বাসে’ জুয়েলের সঙ্গে আমবাগানে গিয়ে বিপদে ১২ বছরের শিশু 
ভারতে যাওয়ার পথে দর্শনা ইমিগ্রেশনে আটক আ.লীগ নেতা
ভারতে যাওয়ার পথে দর্শনা ইমিগ্রেশনে আটক আ.লীগ নেতা
উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় নকল / বহিষ্কার ৪ পরীক্ষার্থী, পরীক্ষা কার্যক্রম থেকে ২ শিক্ষককে অব্যাহতি
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাজিপুর ডিগ্রি কলেজে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি প্রথমবর্ষের ইংরেজি প্রথমপত্রের পরীক্ষায় বই দেখে লেখার ঘটনায় চার পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই শিক্ষককে পরীক্ষা-সংক্রান্ত সব কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য জানানো হয়। আরও পড়ুন জানা গেল ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ সম্প্রতি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাজিপুর ডিগ্রি কলেজে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ডিগ্রি প্রথম বর্ষের ইংরেজি প্রথম পত্রের পরীক্ষায় বই দেখে পরীক্ষা দেওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। উক্ত ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিক হামলা ও মারধরের শিকার হন। এ ছাড়া তাদের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়ারও অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় হামলার শিকার বাংলাদেশ বেতার ও নাগরিক টেলিভিশনের মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি রাব্বি আহমেদ শুক্রবার (২৮ আগস্ট) গাংনী থানায় রফিকুজ্জামান ও মনিরুজ্জামান বিপ্লবসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। আরটিভি/এমএ
গভীর রাতে ঘরে ঢুকে প্রেমিকার হাত কেটে নিলো প্রেমিক
মেহেরপুরে গভীর রাতে ঘরে ঢুকে প্রেমিকাকে কুপিয়ে ডান হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছেন সায়ন নামে এক যুবক। এ সময় মেয়েকে বাঁচাতে গেলে তার বাবা-মাকেও কুপিয়ে আহত করা হয়। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টার দিকে শহরের লর্ড মার্কেট এলাকায় ইলেকট্রনিক ব্যবসায়ী সেলিম হোসেনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন লর্ড মার্কেট এলাকার ইলেকট্রনিক ব্যবসায়ী সেলিম হোসেন, তার স্ত্রী রেবেকা খাতুন এবং তাদের মেয়ে স্মৃতি আক্তার। অন্যদিকে, অভিযুক্ত সায়ন হোসেন শহরের মল্লিকপাড়া এলাকার হোটেল ব্যবসায়ী আবু তালেবের ছেলে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সায়নের সঙ্গে স্মৃতিকে বিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানান স্মৃতির মা-বাবা। এ নিয়ে বিরোধ চলছিল। স্মৃতি তার বাবা-মায়ের সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন। এর জেরে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে স্মৃতির বাড়িতে হামলা করেন সায়ন। একপর্যায়ে ধারালো রামদা দিয়ে স্মৃতির ডান হাতে কোপ দিলে কবজির নিচ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। মেয়ের চিৎকারে মা-বাবা এগিয়ে গেলে তাদেরকেও উপুর্যপরি কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যান সায়ন। স্মৃতির পরিবারের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে গিয়ে তাদেরকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। আরও পড়ুন ঘাস কাটার মেশিনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, স্মৃতি আক্তারের ডান হাতের কব্জির নিচ থেকে আলাদা হয়ে গেছে। বাম হাতেও কোপ লেগেছে। মাথা ও বুকে গুরুতর  আঘাতের ক্ষত রয়েছে। স্মৃতির বাবা সাইদুর রহমানের বুকে এবং বাম হাতে জখম হয়েছে। তার মায়ের বুক এবং ডান চোখে দায়ের কোপের গুরুতর ক্ষত রয়েছে। হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রাতেই তাদেরকে ঢাকায় রেফার করা হয়েছে।  এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে মেহেরপুর সদর থানা পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সায়নকে ধরতে রাতেই মাঠে নামে। মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবীর জানান, হামলাকারী সায়নকে ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে। তাকে গ্রেপ্তার করতে পারলেই ঘটনার মোটিভ জানা যাবে।  আরটিভি/আইএম
রায় শুনে আদালতেই জ্ঞান হারালেন আওয়ামী লীগ নেতা
মেহেরপুরের পিরোজপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি সদস্য মো. কলিম উদ্দিন ওরফে কালুর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায় শুনে ইজলাস থেকে নেমে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন তিনি।   রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে মেহেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আলী মাসুদ শেখ এ রায় ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে আসামিকে পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। মেহেরপুর জেলার পিরোজপুর এলাকার মৃত আব্দুল মন্ডলের ছেলে দণ্ডপ্রাপ্ত মো. কলিম উদ্দিন ওরফে কালু। তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা এবং পিরোজপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার। মামলা সূত্রে জানা গেছে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত-২০০৩)-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করেন আদালত। এরপর তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাকে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। রায়ে বিচারক উল্লেখ করেন, আসামির ওপর আরোপিত অর্থদণ্ড ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে গণ্য হবে। আসামির বর্তমান সম্পদ থেকে ওই অর্থ আদায় করা সম্ভব না হলে ভবিষ্যতে তার মালিকানাধীন বা অধিকারভুক্ত সম্পদ থেকে তা আদায় করা যাবে। এ ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের দাবিটি অন্য যেকোনো দাবির চেয়ে অগ্রাধিকার পাবে। এ ছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৬ ধারার বিধান অনুযায়ী আসামির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে বিক্রয়লব্ধ অর্থ ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়ার জন্য মেহেরপুরের ডেপুটি কালেক্টরকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ওই অর্থ ট্রাইব্যুনালে জমা হওয়ার পর তা মামলার ভুক্তভোগীকে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আসামি চাইলে রায়ের তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারবেন। বিচারাধীন সময়ে আসামির হাজতবাসের সময় ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ৩৫এ ধারার বিধান অনুযায়ী সাজা থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন মহিলা মেম্বারের বাড়ির সামনে রাখা হলো বোমা, ঘটনা কী রায় ঘোষণার পর আসামির বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করে তাকে মেহেরপুর জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে রায় ঘোষণার পরপরই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য তাকে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। আদালত সূত্রে আরও জানা যায়, রায়ের অনুলিপি প্রয়োজনীয় কার্যার্থে মেহেরপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠানো হয়েছে। জব্দকৃত আলামত বিধি অনুযায়ী নিষ্পত্তির জন্য রায়ের অনুলিপি মেহেরপুরের কোর্ট ইন্সপেক্টরের কাছেও পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন বলেন, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া এবং সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্ত পিরোজপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা কালুর অপরাধ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। এই রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট। আরটিভি/ এমএ
টাঙ্গাইলে কবর খুঁড়ে সাপে কাটা মরদেহকে ‘জীবিত’ করার চেষ্টা, অতঃপর...
টাঙ্গাইলের সখীপুরে সাপের কামড়ে মারা যাওয়া হাসনা বেগম (৫৮) নামে এক নারীকে দাফনের দুই দিন পর ‘জীবিত’ করার চেষ্টা করেছেন এক ওঝা। কবরের একপাশ সামান্য খুঁড়ে গন্ধ শুঁকে তিনি দাবি করেন, লাশে পচন না ধরলে ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে তাকে জীবিত করা সম্ভব। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। হাসনা বেগম সখীপুর উপজেলার হতেয়া-ভাতকুড়াচালা এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। তার বাবার নাম মৃত ওয়াজেদ আলী। তিনি স্বামী পরিত্যক্তা ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সাপে কাটার পর স্বজনেরা হাসনা বেগমকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইসিজি করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে উপজেলার চতলবাইদ গ্রামে মেয়ে খালেদা বেগমের বাড়ির পাশে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।  এর মধ্যে সাপে কাটার খবর পেয়ে বাসাইল উপজেলার কৈলানপুর গ্রামের গাজী মিয়া নামে এক ওঝা সেখানে যান। তিনি দাবি করেন, হাসনা বেগম মারা যাননি। শনিবার তিনি কবরের একপাশে সামান্য মাটি খুঁড়ে সুরঙ্গের মতো করে সেখানে গন্ধ শুঁকে দেখেন। পরে দাবি করেন, তিনি ‘তেলের গন্ধ’ পেয়েছেন। তার এমন দাবিতে উৎসুক কয়েকজনও কবরের পাশে গিয়ে গন্ধ শোঁকার চেষ্টা করেন। ওঝা গাজী মিয়া হাসনা বেগমের মেয়ে খালেদা বেগমকে জানান, আগামী মঙ্গলবার তিনি আবার কবরের পাশে আসবেন। তখন কবরের গন্ধ শুঁকে দুর্গন্ধ না পাওয়া গেলে মরদেহ উত্তোলন করে ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে সাপের বিষ নামিয়ে তাকে জীবিত করা সম্ভব। তবে লাশে পচন ধরে গেলে তাকে আর জীবিত করা সম্ভব নয় বলেও দাবি করেন তিনি। খালেদা বেগম বলেন, গতকাল আমার মধ্যে আশার সৃষ্টি হয়েছিল। মাকে আবার জীবিত পাওয়ার আশায় অপেক্ষাও করছিলাম। কিন্তু আধা ঘণ্টা আগে ওই ওঝা আমাকে ফোন করে জানিয়েছেন, রাতে ধ্যানে বসে তিনি দেখেছেন মা বেঁচে নেই। এখন আশাহত হলাম। শনিবার কবরের পাশে ওঝার ঝাড়ফুঁক ও গন্ধ শোঁকার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে খালেদা বেগমের কাছ থেকে নম্বর নিয়ে ওঝা গাজী মিয়ার সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, গতকাল তিনি জীবিত ছিলেন। এখন ওই রোগীকে বাঁচানো সম্ভব নয়। তিনি চলে গেছেন। এর বেশি কিছু বলতে রাজি হননি তিনি। এ বিষয়ে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা রেহেনা পারভীন বলেন, এটা একটি অকল্পনীয় বিষয়। একজন মৃত ব্যক্তিকে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেছেন এবং তাকে কবরও দেওয়া হয়েছে। এরপর ওই নারী আবার বেঁচে উঠবেন এমন দাবি হাস্যকর ও অকল্পনীয়। ওই ওঝাকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা দরকার। আরও পড়ুন ফরিদপুরে ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার তিনি আরও বলেন, সাপে কাটার পর কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলে কবর দেওয়ার পর ঝাড়ফুঁক করে তাকে জীবিত করার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। এ ধরনের প্রচারণায় বিভ্রান্ত না হয়ে সাপে কাটার পর দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনমও রয়েছে। আরটিভি/এসকে
মহিলা মেম্বারের বাড়ির সামনে রাখা হলো বোমা, ঘটনা কী
মেহেরপুরের আমতৈল গ্রামের মহিলা মেম্বার আফরোজা খাতুনের বাড়ির সামনে থেকে বোমা সাদৃশ্য ২টি বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে লাল স্কচ টেপ দিয়ে মোড়ানো বস্তু দুটি উদ্ধার করে থানায় হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। আফরোজা খাতুন ষোলটাকা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার স্বামী আবুল হোসেন ষোলটাকা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি। ইউনিয়ন পরিষদের আধিপত্য বিস্তারের জেরে ভীতি সৃষ্টির লক্ষ্যে দুর্বৃত্তরা এগুলো রাখতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আমতৈল গ্রামের আফরোজা খাতুনের বাড়ির সামনে ২টি বোমা সাদৃশ্য বস্তুর সন্ধান পান স্থানীয়রা। বোমা সাদৃশ্য বস্তু বোমা কিনা, তা নিয়ে সংশয় দেখা দেয়। তবে বোমা সন্দেহে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ইউপি মেম্বারের পরিবারের সদস্যরা। খবর পেয়ে হেমায়েতপুর ‍পুলিশ ক্যাম্পের একটি দল গিয়ে বোমা সাদৃশ্য বস্তু দুটি উদ্ধার করে। আরও পড়ুন ৫ দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন বৃদ্ধা, অতঃপর... গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহাদ্দিস মোর্শেদ চৌধুরী জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে পুলিশ। আরটিভি/এসএস
ভোর থেকে বোমা আতঙ্ক, অতঃপর বেজে উঠল ভাষণ
ভোর থেকে মেহেরপুর শহরের বিভিন্ন স্থানে তারে লাগানো ছিল বোমা সাদৃশ্য বস্তু। আতঙ্ক ছড়িয়ে পাড়ে পুরো এলাকা। শেষ পর্যন্ত বোমা সাদৃশ্য বস্তু থেকে বেজে ওঠে শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ।  শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে, শহরের কোর্টমোড় ও ড. শহীদ সামসুজ্জোহা পার্কের সামনে থেকে উদ্ধার করা হয় ঐ বস্তুগুলো। তবে পুলিশ বলছে, আতঙ্কিত হবার কিছু নেয়, এগুলো বোমা নয়। পুলিশ জানায়, সকালে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বৈদ্যুতের খুঁটির বিভিন্ন তারের সাথে একটি বক্স আকৃতির বস্তু দেখতে পায় সাধারণ মানুষ। বোমা সাদৃশ্য বস্তু বলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। উৎসুক মানুষের ভিড় জমতে থাকে সেখানে। খবর দেয় পুলিশে। সদর থানা পুলিশের একটি দল যায় ঘটনাস্থলে। সাধারণ মানুষের সহায়তায় বক্সটি নামানো হয়। রাখা হয় পানি ভর্তির একটি বালতির ভেতর। কিছুক্ষণ পর কেটে দেওয়া হয় ব্যাটারির সঙ্গে তারের সংযোগগুলো। বক্সটি খুলে দেখা যায় সাউন্ড বক্স আকৃতির এক বস্তু।  এরপর শহরের কোর্টমোড় ও ড. শহীদ সামসুজ্জোহা পার্কের সামনে বৈদ্যুতিক খুঁটির তারের সঙ্গে আরও দুটি বস্তু রাখার খবর পাওয়া যায়। পরে উদ্ধার করা হয় কোর্টমোড়ের বস্তুটি। পথচারীরা জানায়, সকাল সোয়া ৯টা থেকে পার্কের সামনের বক্স থেকে বাজতে থাকে শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ। দ্রুত পুলিশ সেখানে এসে বক্সটি নামিয়ে আনে। তিনটি বস্তু উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন আজ দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবীর জানান, আতঙ্কিত হবার কিছু নয়। এগুলো কোনো বোমা সাদৃশ্য বস্তু নয়। বস্তুগুলো উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। কে বা কারা রেখেছে তার অনুসন্ধান চলছে। এর সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।  আরটিভি/এসএস
আরও