ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

সাফল্যের ৪৫ পেরিয়ে ৪৬ বছরে বেপজা

বাসস

প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৭ পিএম
বেপজার লোগো। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) সাফল্যের ৪৫ বছর পূর্ণ করে আজ ৪৬তম বছরে পদার্পণ করছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন এ প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই দেশের শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় অনন্য অবদান রেখে আসছে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী সিদ্ধান্তে আশির দশকের শুরুতে বেপজার যাত্রা শুরু হয়। ১৯৭০-এর দশকের শেষভাগে যুদ্ধ-পরবর্তী বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ ছিল খুবই সীমিত। এই প্রেক্ষাপটে বিশ্বব্যাংকের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রবার্ট ম্যাকনামারা বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য বাংলাদেশেকে রপ্তানিমুখী শিল্পাঞ্চল প্রতিষ্ঠার পরামর্শ দেন। এরপর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে ১৯৮০ সালে ‘বেপজা আইন’ পাস হয়। এরপর ১৫ এপ্রিল, ১৯৮১ সালে গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি।

১৯৮৩ সালে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে দেশের প্রথম ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে রপ্তানিমুখী উৎপাদনের বাস্তব প্রয়োগ শুরু হয়। পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ইপিজেড কার্যক্রম দেশজুড়ে সম্প্রসারিত হয়। ১৯৯৩ সালে ঢাকা ইপিজেড প্রতিষ্ঠার ফলে সাভার-আশুলিয়া অঞ্চল একটি প্রাণবন্ত শিল্পাঞ্চলে পরিণত হয়। এ ছাড়া আদমজী জুট মিলস ও কর্ণফুলী স্টিল মিলসকে ইপিজেডে রূপান্তরের কৌশলগত সিদ্ধান্ত দেশের শিল্পখাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মোংলা, কুমিল্লা, উত্তরা ও ঈশ্বরদীসহ মোট ৮টি ইপিজেড সুষম আঞ্চলিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।

২০১৮ সালে চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ‘বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল’ স্থাপনের কাজ শুরু হয়, যেখান থেকে ইতোমধ্যে পণ্য রপ্তানি শুরু হয়েছে।

এই অঞ্চলে ৮টি প্রতিষ্ঠান উৎপাদনে গেছে এবং আরও ৫টি পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু করেছে। এ ছাড়া ৩৪টি প্রতিষ্ঠান বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। এ বছরেই পটুয়াখালী ও যশোর ইপিজেডের প্লট বরাদ্দ শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বেপজার অধীনে ৮টি ইপিজেড ও অর্থনৈতিক অঞ্চলের মোট আয়তন মাত্র ৩ হাজার ৫৫০.৩৩ একর (১৪.৩৭ বর্গ কিলোমিটার), যা দেশের মোট আয়তনের ০.০০১ শতাংশেরও কম। তবে এই ক্ষুদ্র এলাকা থেকেই দেশের মোট রপ্তানির প্রায় ১৫-২০ শতাংশ আসছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জাতীয় রপ্তানিতে বেপজার অবদান ছিল ১৭.০৩ শতাংশ।

বিগত ৪৫ বছরে বেপজা ৭২৯ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ আকর্ষণ করেছে এবং ১২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে। এসব জোনে বর্তমানে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে, যার বড় একটি অংশই নারী। এই কর্মসংস্থান শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিই নয়, সামাজিক পরিবর্তন ও নারী ক্ষমতায়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

ইপিজেডের প্রতি একর জমি থেকে বছরে ১৩ কোটি ৮২ লাখ টাকা অর্থনীতিতে যোগ হচ্ছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জাতীয় অর্থনীতিতে বেপজার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অবদান ছিল প্রায় ৩৪ হাজার ৮শ’ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন

বেপজাধীন জোনসমূহে বর্তমানে ৪৫০টি চালু কারখানার মধ্যে মাত্র ৩২ শতাংশ তৈরি পোশাক উৎপাদন করে। বাকি ৬৮ শতাংশে গাড়ির যন্ত্রাংশ, ক্যামেরা লেন্স, প্রিন্টারের টোনার, বাইসাইকেল, চশমার ফ্রেম, উইগ, জুতা এমনকি কফিনও তৈরি হচ্ছে। বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে গড়ে উঠছে দেশের প্রথম বাণিজ্যিক ড্রোন কারখানা।

২০২৫ সালের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বেপজা দেশি-বিদেশি ৩৮টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিনিয়োগ চুক্তি করেছে। ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত অর্থাৎ চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে ৩০টি দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে, যেখানে প্রস্তাবিত বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ৬৩ কোটি মার্কিন ডলার। এতে প্রায় ৬৪ হাজার বাংলাদেশির কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং সবুজ শিল্পায়নকে এগিয়ে নিতে বেপজা ২০৩০ সালের মধ্যে তার মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২৫ শতাংশ সৌর শক্তি থেকে পূরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এ ছাড়া শ্রমিকদের কল্যাণে প্রতিটি ইপিজেডে হাসপাতাল, মেডিকেল সেন্টার রয়েছে যেখানে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ দেওয়া হয়। এ ছাড়া ডে-কেয়ার সেন্টারও স্থাপন করা হয়েছে। শ্রমিকদের সন্তানদের জন্য রয়েছে ‘বেপজা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ’, যেখানে তারা ৫০ শতাংশ ভর্তুকিতে পড়াশোনার সুযোগ পায়। শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইএলও-র সঙ্গে ‘এমপ্লয়মেন্ট ইনজুরি স্কিম’ চুক্তিও স্বাক্ষর করেছে বেপজা।

সাফল্যের ৪৫ বছর পেরিয়ে ৪৬তম বছরে পদার্পণ করা বেপজা আজ এক সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সরকার চামড়া ও পাদুকা শিল্পের রপ্তানি বাড়াতে রোডম্যাপ তৈরী করছে
সরকার চামড়া ও পাদুকা শিল্পের সমস্যা চিহ্নিত করে দেশীয় বাজারের সম্ভাবনা কাজে লাগানো এবং রপ্তানি বাড়াতে বাস্তবায়নযোগ্য রোডম্যাপ তৈরি করছে। রোডম্যাপের খসড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত নেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) ‘দশম বাংলাদেশ লেদার অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপো ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান এ কথা জানান। তিনি বলেন, চামড়া শিল্পের সামগ্রিক উন্নয়নে বাণিজ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বাণিজ্য মন্ত্রণালয় শিল্পটির জন্য কর্মমুখী রোডম্যাপ তৈরির কাজ করছে। এতে ট্যানারি মালিক, প্রস্তুতকারক, ব্যবসায়ী, প্রযুক্তিবিদসহ সংশ্লিষ্টদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও চাহিদা প্রতিফলিত করা হবে। বাণিজ্য সচিব বলেন, দেশে চামড়া শিল্পের প্রয়োজনীয় কাঁচামাল রয়েছে এবং এ খাতে দেশীয় প্রযুক্তিবিদদের সক্ষমতাও বেড়েছে। দেশের মানুষকে দেশীয় চামড়াজাত পণ্য ব্যবহারে উৎসাহিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি বাড়ানোরও সুযোগ রয়েছে। রপ্তানি বৃদ্ধিতে বিদেশি ক্রেতাদের চাহিদা ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণে সরকারের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরিবেশ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা সম্পর্কে উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা দিতে হবে। এ লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক আচরণের কাঠামো এবং জাতীয় ট্রেসেবিলিটি কাঠামো তৈরির কাজ করছে। অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতগুলোর জন্য পৃথক ট্রেসেবিলিটি ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান তিনি। চামড়া শিল্পে গবেষণা জোরদারে শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন মো. আতাউর রহমান খান। তিনি বলেন, চামড়া প্রযুক্তির শিক্ষার্থী ও গবেষকদের সঙ্গে ট্যানারি মালিক ও উদ্যোক্তাদের সংযোগ আরও কার্যকর করা প্রয়োজন। বিষয়টি রোডম্যাপে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হবে। অনুষ্ঠানে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে তৈরি পোশাক শিল্পের পরই চামড়া শিল্পের অবস্থান। নতুন বাজারে প্রবেশ এবং বিদ্যমান বাজারে অবস্থান শক্তিশালী করারও সম্ভাবনা রয়েছে এ শিল্পে।  বাংলাদেশ থেকে প্রক্রিয়াজাত চামড়ার পাশাপাশি জুতা, ভ্রমণব্যাগ, বেল্ট ও মানিব্যাগ রপ্তানি হচ্ছে। চামড়াজাত শৌখিন পণ্যেরও আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা রয়েছে। আয়োজকরা জানান, দেশে বড় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি প্রায় ৫ হাজার ৫০০টি ক্ষুদ্র পাদুকা কারখানা রয়েছে। পাদুকা উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম দেশ এবং ভোক্তাবাজার হিসেবে নবম। প্রতিবছর দেশে আনুমানিক ২৭ কোটি বর্গফুট চামড়া উৎপাদিত হয়। এর বড় অংশ রপ্তানি এবং অবশিষ্ট অংশ দেশীয় চামড়াজাত পণ্য শিল্পে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশের চামড়া প্রধানত ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, চীন, হংকং ও তাইওয়ানে রপ্তানি হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদ। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. সাখাওয়াত উল্লাহ। বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ), লেদার ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড টেকনোলজিস্টস সোসাইটি, বাংলাদেশ (লেটস’বি) এবং লিমরা ট্রেড ফেয়ারস অ্যান্ড এক্সিবিশনস প্রাইভেট লিমিটেডের উদ্যোগে আয়োজিত এক্সপোটি ২৪ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আইসিসিবিতে চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রদর্শনী খোলা থাকবে। দেশি-বিদেশি ২৫০টির বেশি প্রতিষ্ঠান এতে অংশ নিচ্ছে। আরটিভি/এসআর
সরকার চামড়া ও পাদুকা শিল্পের রপ্তানি বাড়াতে রোডম্যাপ তৈরী করছে
ঢাকায় চলছে চতুর্থ ‘মেড ইন পাকিস্তান’ পণ্য প্রদর্শনী
রাজধানীতে পাকিস্তানি বস্ত্র, খাদ্য ও পানীয়, প্রসাধনী, হারবাল ও ওয়েলনেস পণ্য, হস্তশিল্প এবং ফ্যাশন সামগ্রী প্রদর্শন করছে দেশটির শতাধিক প্রতিষ্ঠান। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) চতুর্থ ‘মেড ইন পাকিস্তান’ পণ্য প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। চলবে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসান আরিফ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, সাংবাদিক, স্থানীয় দর্শনার্থী এবং বাংলাদেশে বসবাসরত প্রবাসী পাকিস্তানি জনগোষ্ঠীর সদস্যরা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পাকিস্তানের হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও জানান, বাংলাদেশে পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি ফ্যাশন আউটলেট চালু হওয়া, প্রয়োজনীয় পণ্যের বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে আনারস রপ্তানির জন্য কারিগরি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া-দু’দশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের সাম্প্রতিক অগ্রগতির উদাহরণ। বাণিজ্য বাধা দূর করে দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে দুই দেশের ব্যবসায়ীরা পাকিস্তান হাইকমিশন ও ইপিবির কাছে নীতিগত প্রস্তাব দিতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ প্রদর্শনী আয়োজনের জন্য আয়োজকদের অভিনন্দন জানান। দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ আরও জোরদার করতে ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও প্রদর্শক বিনিময় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তিনি জানান, বাংলাদেশের প্রদর্শকেরা পাকিস্তানে অনুষ্ঠেয় আগামী বিভিন্ন প্রদর্শনীতে অংশ নেবেন। এ সময় যৌথ সেমিনার ও সম্মেলন আয়োজনে ইপিবির পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাসও দেন। এ ছাড়া পাকিস্তানি প্রতিনিধিদের বাংলাদেশে অনুষ্ঠেয় ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ এবং ২০২৭ সালের ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান হাসান আরিফ । অর্থনীতির পারস্পরিক পরিপূরকতার ভিত্তিতে যৌথ উদ্যোগসহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক সুযোগ কাজে লাগানোর জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। এ সময় ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান ও পাকিস্তানের হাইকমিশনার প্রদর্শনী আয়োজনের জন্য আয়োজকদের প্রশংসা করেন। আরটিভি/এসআর
ঢাকায় চলছে চতুর্থ ‘মেড ইন পাকিস্তান’ পণ্য প্রদর্শনী
রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৩.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, ২৩ দিনে এল ৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই দেশের প্রবাসী আয়ে (রেমিট্যান্স) বড় ধরনের উর্ধমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে। ১ জুলাই থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে দেশে ৮০২ কোটি ২০ লাখ (৮.০২২ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।
রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৩.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, ২৩ দিনে এল ৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি
বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন
সরকার দেশের বিমান পরিবহন খাত সম্প্রসারণের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি নতুন বিমান কেনার চুক্তি করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন
অনুমোদন পেল চার ডিজিটাল ব্যাংক
দেশে প্রাথমিকভাবে চারটি প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রস্তাবিত এসব ব্যাংককে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অনুমোদন পেল চার ডিজিটাল ব্যাংক
আরও পড়ুন
বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-২ থেকে রপ্তানি শুরু
বেপজায় ৩০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ চীনা প্রতিষ্ঠানের
১ অর্থবছরে ৭১৮ মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব পেয়েছে বেপজা 
বেপজায় বিশাল নিয়োগ, আবেদন করবেন যেভাবে