ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

৭ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে চীনা প্রতিষ্ঠান কেপিএসটি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৯ পিএম
চীনা বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান কেপিএসটির সঙ্গে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) চুক্তি স্বাক্ষর। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে ব্যবসা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-১ এ দ্বিতীয় কারখানা স্থাপন করতে যাচ্ছে চীনা প্রতিষ্ঠান কেপিএসটি। এ লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি ৭.০১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে। নতুন কারখানাটিতে প্রায় ২০০ বাংলাদেশির কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকায় বেপজা কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) সঙ্গে কেপিএসটি নিউ ম্যাটেরিয়াল (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের ভূমি ইজারা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

বেপজার সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. তানভীর হোসেন এবং প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ঝ্যাং ইউগিউ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ।

নতুন কারখানাটি বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-১ এ ৭ হাজার ২০০ বর্গমিটার জমিতে স্থাপন করা হবে। সেখানে ফুটওয়্যার অ্যাকসেসরিজ, ব্যাগ ও লাগেজের যন্ত্রাংশ, কাগজজাত পণ্য, মুদ্রিত সামগ্রী এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক পণ্য উৎপাদন করা হবে। কারখানাটিতে বছরে ১১ মিলিয়ন জোড়া ফুটওয়্যার অ্যাকসেসরিজ, ২৪ হাজার ঘনমিটার ফোম, দুই লাখ পিস কাটিং বোর্ড এবং আড়াই লাখ পিস কাটিং ডাইস ও মোল্ড উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। উৎপাদিত পণ্য ভারত ও কম্বোডিয়ার জুতা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী জুতা কারখানাগুলোতে সরবরাহ করা হবে।

বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান এ বিনিয়োগকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশে কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং বেপজার ওপর অব্যাহত আস্থা রাখার জন্য কেপিএসটিকে ধন্যবাদ জানান।

কেপিএসটি নিউ ম্যাটেরিয়াল (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক ঝ্যাং ইউগিউ বলেন, ‘আমাদের প্রথম কারখানায় উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা ও ক্রয়াদেশ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন আরেকটি কারখানা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সার্বিক বিনিয়োগ পরিবেশ বিবেচনায় এ সম্প্রসারণের জন্য বেপজাকে বেছে নিয়েছি। আমরা আশাবাদী, এ নতুন উদ্যোগ আমাদের ব্যবসা সম্প্রসারণে আরও সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।’

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেপজার সদস্য (প্রকৌশল) আবদুল্লাহ আল মামুন, নির্বাহী পরিচালক (নিরাপত্তা) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মোহসীন হাসান, নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন) সমীর বিশ্বাস, নির্বাহী পরিচালক (এন্টারপ্রাইজ সার্ভিসেস) মসিহউদ্দিন বিন মেসবাহ, নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) এ.এস.এম. আনোয়ার পারভেজসহ বেপজার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কেপিএসটি নিউ ম্যাটেরিয়াল (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এফবিসিসিআই রপ্তানি গবেষণা সেলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত
রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণ, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি গ্রহণের লক্ষ্যে বিভিন্ন খাত ভিত্তিক অ্যাসোসিয়েশন এবং চেম্বারসমূহকে নিয়ে সভা করেছে এফবিসিসিআইয়ের রপ্তানি গবেষণা সেল।  বুধবার (১৪ অক্টোবর) এফবিসিসিআই’র মতিঝিল কার্যালয়ে উক্ত গবেষণা সেলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রশাসক মো. ফজলুল হক। এক সংবাদ বিপ্তিতে বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংগঠনটি। এতে বলা হয়, রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণ, সম্ভাবনাময় খাতসমূহের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সুযোগ-সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে সম্প্রতি সকল চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনে রপ্তানি গবেষণা সেল গঠণের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায়, দেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) একটি রপ্তানি গবেষণা সেল গঠন করে। সেলটি মূলত বাজার বিশ্লেষণ, পলিসি অ্যাডভোকেসি এবং বিভিন্ন চেম্বার ও খাতভিত্তিক অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে বাস্তবসম্মত গবেষণা ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করবে। সেলের কার্যক্রমকে গতিশীল করতে এফবিসিসিআইয়ের সদস্যভুক্ত সকল চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনকে নিজ নিজ খাতের বস্তুনিষ্ঠ তথ্য ও পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা প্রদানের আহ্বান জানায় সংগঠনের প্রশাসক মো. ফজলুল হক।  সভায় রপ্তানি গবেষণা সেলের কার্যক্রমের ওপর একটি বিষদ প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন এফবিসিসিআই’র মহাসচিব মো. আলমগীর। সভার মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ তাদের মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন। সভায় সরাসরি এবং ভার্চুয়্যালি অংশগ্রহণ করেন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, এমসিসিআইর প্রতিনিধি, চাঁদপুর উইমেন চেম্বার, কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন, ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, অ্যালুমিনিয়াম ম্যানুফেকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনসহ হালকা প্রকৌশল এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের নেতারা। আরটিভি/এসআর  
এফবিসিসিআই রপ্তানি গবেষণা সেলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপন
পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা (এপিসিএস) স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। পাশাপাশি, প্রথম ইউনিটের পরীক্ষামূলক চালনা কার্যক্রমে সহায়তা দিতে যুক্ত করা হয়েছে অপারেটর ইনফরমেশন সাপোর্ট সিস্টেম (ওআইএসএস)। রাশিয়ার বাইরে রোসাটমের নির্মিত কোনও পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রথমবারের মতো এ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপন
গ্যাসকূপ খনন নিয়ে সরকারের ‘বড় পরিকল্পনা’
চলতি অর্থবছরে ৩০টি কূপ খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি কূপ খননের কাজ চলছে। স্থলভাগে (অনশোরে) মোট ১৫০টি গ্যাসকূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
গ্যাসকূপ খনন নিয়ে সরকারের ‘বড় পরিকল্পনা’
বন্ধ সরকারি কারখানায় ফিরেছে উৎপাদন
বছরের পর বছর বন্ধ পড়ে থাকা সরকারি শিল্পকারখানায় আবারও উৎপাদনের চাকা ঘুরছে। সরকারের উদ্যোগে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় এসব কারখানা ইজারা নিয়ে উৎপাদনে ফিরিয়ে আনছে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ। ইতোমধ্যে রাজশাহীর দুটি বন্ধ কারখানায় উৎপাদন শুরু হয়েছে। সেখানে কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের, যাদের প্রায় ৯০ শতাংশই নারী। বন্ধ হয়ে থাকা সরকারি কলকারখানা পুনরায় চালু করে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম অঙ্গীকার ছিল। সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানাগুলোকে বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে আবার উৎপাদনে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ইতোমধ্যে কয়েকটি কারখানা বেসরকারি উদ্যোক্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল বলেন, রাজশাহীতে বরেন্দ্র রাজশাহী টেক্সটাইল লিমিটেড ও রাজশাহী জুট মিলস লিমিটেড ইজারা নিয়ে সেখানে ফুটওয়্যার, লাগেজ, লেডিস ব্যাগ, তাঁবু ও ছাতা উৎপাদন করা হচ্ছে। এসব কারখানায় উৎপাদিত পণ্য দেশের বাজারের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে। উৎপাদন লাইন আরও সম্প্রসারণ করে আগামী দিনে আরও ১৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। তিনি জানান, গত আগস্টে পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন আরও দুটি জুট মিলও সরকারের কাছ থেকে ইজারা পেয়েছে প্রাণ-আরএফএল। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে মিল দুটি প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের কাছে হস্তান্তর করা হয়। খুব শিগগিরই এসব মিলেও উৎপাদন শুরু হবে। কামরুজ্জামান কামাল বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে বছরের পর বছর বন্ধ থাকা সরকারি শিল্পকারখানাগুলোকে আবার উৎপাদনের আওতায় আনার ফলে একদিকে অব্যবহৃত সরকারি সম্পদের ব্যবহার বাড়ছে, অন্যদিকে তৈরি হচ্ছে কর্মসংস্থান ও রপ্তানির নতুন সুযোগ। এসব কারখানায় আগে থেকেই বিদ্যুৎ, গ্যাস, সড়ক যোগাযোগ ও ভবনসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর বড় অংশ থাকায় নতুন করে শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার তুলনায় দ্রুত এবং কম খরচে উৎপাদনে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে। প্রাণ-আরএফএলের এই পরিচালক জানান, পিপিপি'র আওতায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা মিলগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়ে সরকার আবেদন আহ্বান করে। প্রাণ-আরএফএল আবেদন করার পর সরকারের নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে প্রাথমিকভাবে ৩০ বছরের জন্য এসব মিল বরাদ্দ পায়। তিনি বলেন, ‘মূলত উৎপাদন দ্রুত বাড়ানো এবং অবকাঠামোগত ব্যয় কমানোর লক্ষ্যেই’ বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানাগুলো ইজারা নেওয়া হয়েছে। এসব কারখানা শুধু ইট-পাথরের স্থাপনা নয়; একসময় এগুলো ছিল হাজারো মানুষের জীবিকার উৎস। উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে স্থানীয় অর্থনীতি, ক্ষুদ্র ব্যবসা এবং সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলো। কারখানাগুলো আবার চালু হওয়ায় সেই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও নতুন গতি তৈরি হচ্ছে। বন্ধ কারখানাগুলো পুনরায় চালুর ক্ষেত্রে সরকারের সহযোগিতাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করে কামরুজ্জামান কামাল বলেন, বন্ধ মিলগুলো দ্রুত উৎপাদনে ফিরিয়ে আনতে সরকার প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা করছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে, যা এ ধরনের বিনিয়োগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। রাজশাহীর কারখানাগুলোতে উৎপাদনের পাশাপাশি স্থানীয় কর্মসংস্থানের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কামরুজ্জামান কামাল বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত এসব শিল্পকারখানা চালু হওয়ায় স্থানীয় মানুষ, বিশেষ করে নারীরা নিজ এলাকাতেই কাজের সুযোগ পাচ্ছেন। ফলে জীবিকার জন্য তাদের ঢাকা বা অন্য বড় শহরে যেতে হচ্ছে না। এতে পরিবারের আয় বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় বাজার ও অর্থনীতিতেও কর্মচাঞ্চল্য তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন, শ্রমঘন এসব শিল্পে ইতোমধ্যে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। এর প্রায় ৯০ শতাংশই নারী কর্মী। উৎপাদন লাইন সম্প্রসারণের মাধ্যমে আরও ১৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরির কাজ চলছে। প্রাণ-আরএফএল মনে করছে, বন্ধ কারখানাগুলো চালুর এই উদ্যোগ আরও বড় পরিসরে নেওয়া গেলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বাড়ানো সম্ভব। বিশেষ করে নারী কর্মসংস্থান বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এসব কারখানা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে কিছু কারখানায় যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে বলেও জানান কামরুজ্জামান কামাল। বিশেষ করে খুলনার স্টার জুট মিলের যোগাযোগ সড়ক দ্রুত সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি। তার মতে, সড়ক যোগাযোগের সমস্যা সমাধান করা গেলে সেখানে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ আরও বাড়বে। এছাড়া একটি কারখানায় বড় পরিসরে বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করার ওপরও জোর দেন তিনি। বন্ধ সরকারি কারখানাগুলো পুনরায় চালু করতে আগ্রহী উদ্যোক্তাদের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা, সহজ বন্ডেড ওয়্যারহাউস ব্যবস্থা, প্রণোদনা এবং স্বল্প সুদের ঋণ সুবিধা দেওয়া গেলে এসব শিল্পকারখানায় আরও বেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন কামরুজ্জামান কামাল। তিনি বলেন, এ ধরনের নীতিসহায়তা নিশ্চিত করা গেলে দীর্ঘদিন অব্যবহৃত সরকারি শিল্পসম্পদকে কাজে লাগিয়ে একই সঙ্গে উৎপাদন, রপ্তানি ও কর্মসংস্থান- তিন ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করা সম্ভব। আরটিভি/টিআর
বন্ধ সরকারি কারখানায় ফিরেছে উৎপাদন
উৎপাদন শুরুর ২ দিনের মাথায় আবারও বন্ধ যমুনা সার কারখানা 
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে যমুনা সার কারখানা দীর্ঘ আট মাস পর চালু হওয়ার দুই দিনের মাথায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আবারও বন্ধ হয়েছে।
উৎপাদন শুরুর ২ দিনের মাথায় আবারও বন্ধ যমুনা সার কারখানা 
আরও পড়ুন
চীন সফরে চবির ভিসি ও দুই প্রোভিসি
তিন দিনের সফরে চীন গেলেন শিক্ষামন্ত্রী
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান, চালু হচ্ছে চীন-উত্তর কোরিয়ার নতুন সেতু
বাংলাদেশ-চীন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে সহযোগিতার উদ্যোগ