ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

দেশের রিজার্ভ কত বিলিয়ন ডলার, জানালো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ০৫:৩৪ এএম
ছবি: সংগৃহীত

দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বর্তমানে ৩৪ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বুধবার (২০ মে) এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বুধবার পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৩৭৬ দশমিক ৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। একই সময়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ হয়েছে ২৯ হাজার ৭১৯ দশমিক ৪৪ মিলিয়ন ডলার।

এর আগের দিন অর্থাৎ ১৯ মে দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৪ হাজার ৩২৪ দশমিক ১২ মিলিয়ন ডলার। আর বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২৯ হাজার ৬৬৫ দশমিক ৪৬ মিলিয়ন ডলার।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয়ের প্রবাহ বাড়ায় সাম্প্রতিক সময়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক ধারা দেখা যাচ্ছে।

আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে স্বল্পমেয়াদি বৈদেশিক দায় বাদ দিয়ে নিট বা ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ হিসাব করা হয়।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় লাফ
আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের মুনাফা বৃদ্ধি এবং ফেডারেল রিজার্ভ কর্তৃক সুদের হার বাড়ানোর জোরালো আশঙ্কার কারণে সোনার বাজারে কিছুটা অস্থিরতা বিরাজ করছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টা ৪৩ মিনিটে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩০৪ দশমিক ৭১ ডলারে দাঁড়ায়। অন্যদিকে মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দাম ১ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৩৪০ ডলারে পৌঁছেছে। জেফ্রিজের মালিকানাধীন ট্রাডু ডটকমের জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক নিকোস জাবোরাস বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, মার্কিন-ইরান চুক্তির আশায় তেলের দাম কমায় আজ (শুক্রবার) স্বর্ণের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে তা সত্ত্বেও মূল্যবান এই ধাতু সাপ্তাহিক দরপতনের দিকেই যাচ্ছে। কারণ ফেডের উচ্চ সুদের হার এবং বন্ডের বাড়তি মুনাফা স্বর্ণ ধরে রাখার সুযোগ-ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে। গত সপ্তাহে সুদের হার ০ দশমিক ২৫ শতাংশ বাড়িয়েছে ফেড। সেই সঙ্গে ভবিষ্যতে আরও সুদের হার বাড়ানোর ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।  সিএমই ফেডওয়াচ টুল অনুযায়ী, ট্রেডাররা অক্টোবরে সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা ৭১ শতাংশ এবং ডিসেম্বরে ৯৫ শতাংশ ধরে হিসেব কষছেন। সাধারণত সোনাকে মূল্যস্ফীতি প্রতিরোধের হাতিয়ার হিসেবে দেখা হলেও সুদের হার বাড়লে বিনিয়োগকারীরা মুনাফাসমৃদ্ধ সম্পদের দিকে ঝুঁকে পড়েন। ফলে স্বর্ণের চাহিদা কিছুটা কমে যায়। অন্যান্য ধাতুর মধ্যে রুপার দাম ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬৪ দশমিক ৯০ ডলার এবং প্ল্যাটিনামের দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৭৬৭ দশমিক ৫৫ ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে প্যালাডিয়ামের দাম ০ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ১ হাজার ২৬৫ দশমিক ০৩ ডলারে নেমে এসেছে। এদিকে দেশের বাজারে এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়ছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আরটিভি/এসআর
বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় লাফ
‘গ্যাসের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে, শিগগিরই আরও উন্নতি হবে’
প্রায় দুই মাস পর আগের মতো স্বাভাবিক হয়ে এসেছিল গ্যাস সরবরাহ। সমুদ্রে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে গতকাল বৃহস্পতিবার তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ কমে যায়।
‘গ্যাসের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে, শিগগিরই আরও উন্নতি হবে’
সবজির বাজারে আগুন, ঘি ঢালছে জ্বালানি তেলের দাম
চলতি সপ্তাহে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর রাজধানীর বাজারে নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে সবজির দাম। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেগুন, ঝিঙা, পটোল, ধুন্দল, করলা ঢ্যাঁড়শসহ বিভিন্ন সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
সবজির বাজারে আগুন, ঘি ঢালছে জ্বালানি তেলের দাম
সরকার চামড়া ও পাদুকা শিল্পের রপ্তানি বাড়াতে রোডম্যাপ তৈরী করছে
সরকার চামড়া ও পাদুকা শিল্পের সমস্যা চিহ্নিত করে দেশীয় বাজারের সম্ভাবনা কাজে লাগানো এবং রপ্তানি বাড়াতে বাস্তবায়নযোগ্য রোডম্যাপ তৈরি করছে। রোডম্যাপের খসড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত নেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) ‘দশম বাংলাদেশ লেদার অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপো ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান এ কথা জানান। তিনি বলেন, চামড়া শিল্পের সামগ্রিক উন্নয়নে বাণিজ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বাণিজ্য মন্ত্রণালয় শিল্পটির জন্য কর্মমুখী রোডম্যাপ তৈরির কাজ করছে। এতে ট্যানারি মালিক, প্রস্তুতকারক, ব্যবসায়ী, প্রযুক্তিবিদসহ সংশ্লিষ্টদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও চাহিদা প্রতিফলিত করা হবে। বাণিজ্য সচিব বলেন, দেশে চামড়া শিল্পের প্রয়োজনীয় কাঁচামাল রয়েছে এবং এ খাতে দেশীয় প্রযুক্তিবিদদের সক্ষমতাও বেড়েছে। দেশের মানুষকে দেশীয় চামড়াজাত পণ্য ব্যবহারে উৎসাহিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি বাড়ানোরও সুযোগ রয়েছে। রপ্তানি বৃদ্ধিতে বিদেশি ক্রেতাদের চাহিদা ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণে সরকারের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরিবেশ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা সম্পর্কে উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা দিতে হবে। এ লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক আচরণের কাঠামো এবং জাতীয় ট্রেসেবিলিটি কাঠামো তৈরির কাজ করছে। অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতগুলোর জন্য পৃথক ট্রেসেবিলিটি ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান তিনি। চামড়া শিল্পে গবেষণা জোরদারে শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন মো. আতাউর রহমান খান। তিনি বলেন, চামড়া প্রযুক্তির শিক্ষার্থী ও গবেষকদের সঙ্গে ট্যানারি মালিক ও উদ্যোক্তাদের সংযোগ আরও কার্যকর করা প্রয়োজন। বিষয়টি রোডম্যাপে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হবে। অনুষ্ঠানে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে তৈরি পোশাক শিল্পের পরই চামড়া শিল্পের অবস্থান। নতুন বাজারে প্রবেশ এবং বিদ্যমান বাজারে অবস্থান শক্তিশালী করারও সম্ভাবনা রয়েছে এ শিল্পে।  বাংলাদেশ থেকে প্রক্রিয়াজাত চামড়ার পাশাপাশি জুতা, ভ্রমণব্যাগ, বেল্ট ও মানিব্যাগ রপ্তানি হচ্ছে। চামড়াজাত শৌখিন পণ্যেরও আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা রয়েছে। আয়োজকরা জানান, দেশে বড় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি প্রায় ৫ হাজার ৫০০টি ক্ষুদ্র পাদুকা কারখানা রয়েছে। পাদুকা উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম দেশ এবং ভোক্তাবাজার হিসেবে নবম। প্রতিবছর দেশে আনুমানিক ২৭ কোটি বর্গফুট চামড়া উৎপাদিত হয়। এর বড় অংশ রপ্তানি এবং অবশিষ্ট অংশ দেশীয় চামড়াজাত পণ্য শিল্পে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশের চামড়া প্রধানত ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, চীন, হংকং ও তাইওয়ানে রপ্তানি হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদ। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. সাখাওয়াত উল্লাহ। বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ), লেদার ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড টেকনোলজিস্টস সোসাইটি, বাংলাদেশ (লেটস’বি) এবং লিমরা ট্রেড ফেয়ারস অ্যান্ড এক্সিবিশনস প্রাইভেট লিমিটেডের উদ্যোগে আয়োজিত এক্সপোটি ২৪ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আইসিসিবিতে চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রদর্শনী খোলা থাকবে। দেশি-বিদেশি ২৫০টির বেশি প্রতিষ্ঠান এতে অংশ নিচ্ছে। আরটিভি/এসআর
সরকার চামড়া ও পাদুকা শিল্পের রপ্তানি বাড়াতে রোডম্যাপ তৈরী করছে
ঢাকায় চলছে চতুর্থ ‘মেড ইন পাকিস্তান’ পণ্য প্রদর্শনী
রাজধানীতে পাকিস্তানি বস্ত্র, খাদ্য ও পানীয়, প্রসাধনী, হারবাল ও ওয়েলনেস পণ্য, হস্তশিল্প এবং ফ্যাশন সামগ্রী প্রদর্শন করছে দেশটির শতাধিক প্রতিষ্ঠান। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) চতুর্থ ‘মেড ইন পাকিস্তান’ পণ্য প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। চলবে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসান আরিফ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, সাংবাদিক, স্থানীয় দর্শনার্থী এবং বাংলাদেশে বসবাসরত প্রবাসী পাকিস্তানি জনগোষ্ঠীর সদস্যরা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পাকিস্তানের হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও জানান, বাংলাদেশে পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি ফ্যাশন আউটলেট চালু হওয়া, প্রয়োজনীয় পণ্যের বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে আনারস রপ্তানির জন্য কারিগরি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া-দু’দশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের সাম্প্রতিক অগ্রগতির উদাহরণ। বাণিজ্য বাধা দূর করে দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে দুই দেশের ব্যবসায়ীরা পাকিস্তান হাইকমিশন ও ইপিবির কাছে নীতিগত প্রস্তাব দিতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ প্রদর্শনী আয়োজনের জন্য আয়োজকদের অভিনন্দন জানান। দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ আরও জোরদার করতে ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও প্রদর্শক বিনিময় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তিনি জানান, বাংলাদেশের প্রদর্শকেরা পাকিস্তানে অনুষ্ঠেয় আগামী বিভিন্ন প্রদর্শনীতে অংশ নেবেন। এ সময় যৌথ সেমিনার ও সম্মেলন আয়োজনে ইপিবির পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাসও দেন। এ ছাড়া পাকিস্তানি প্রতিনিধিদের বাংলাদেশে অনুষ্ঠেয় ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ এবং ২০২৭ সালের ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান হাসান আরিফ । অর্থনীতির পারস্পরিক পরিপূরকতার ভিত্তিতে যৌথ উদ্যোগসহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক সুযোগ কাজে লাগানোর জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। এ সময় ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান ও পাকিস্তানের হাইকমিশনার প্রদর্শনী আয়োজনের জন্য আয়োজকদের প্রশংসা করেন। আরটিভি/এসআর
ঢাকায় চলছে চতুর্থ ‘মেড ইন পাকিস্তান’ পণ্য প্রদর্শনী
আরও পড়ুন
রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৩.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, ২৩ দিনে এল ৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি
ডলারের বিপরীতে সাড়ে পাঁচ বছরে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে টাকা
সেপ্টেম্বরের ১৯ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৩ হাজার কোটি টাকা
দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে ক্রেডিট কার্ডে নির্ভরতা বাড়ছে মার্কিন পরিবারগুলোর