ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

কার্ড থেকে বিকাশ-নগদে 'অ্যাড মানি' বাস্তবায়নের সময় বাড়ল

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৫ পিএম
প্রতীকী ছবি

ব্যক্তিগত মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাকাউন্টে ব্যাংক কার্ড থেকে ‘অ্যাড মানি’ সুবিধা চালুর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ন্ত্রক নির্দেশনা বাস্তবায়নের সময়সীমা চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট (পিএসডি) এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।

ব্যাংকের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড থেকে সাধারণত বিভিন্ন এমএফএস যেমন বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায়- প্রভৃতি অ্যাকাউন্টে অ্যাড মানি করা হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক পিএসডি-১ সার্কুলার লেটার নম্বর-০৩/২০২৬ জারি করে এ নির্দেশনা দেয়। এর মাধ্যমে, গত ১৯ মে জারি করা পূর্ববর্তী সার্কুলারের ক্রমিক নং ২ ও ৩-এর নির্দেশনা বাস্তবায়নের সময়সীমা সংশোধন করা হয়েছে।

সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, সংশোধিত সময়সীমার মধ্যে যেসব এমএফএস সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ও তফসিলি ব্যাংক নির্ধারিত শর্ত পূরণে ব্যর্থ হবে, তাদের কার্ড থেকে এমএফএসে 'অ্যাড মানি' সেবা ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে স্থগিত করা হবে।

আরও পড়ুন

পরিশোধ ও নিষ্পত্তি ব্যবস্থা আইন, ২০২৪-এর ১৮ ধারা অনুযায়ী এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্তটি কেবল উল্লিখিত দুটি নির্দেশনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে।

গত ১৯ মে জারি করা মূল সার্কুলারের অন্যান্য সব নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে এবং সেগুলো যথারীতি অনুসরণ করতে হবে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বন্ধ সরকারি কারখানায় ফিরেছে উৎপাদন
বছরের পর বছর বন্ধ পড়ে থাকা সরকারি শিল্পকারখানায় আবারও উৎপাদনের চাকা ঘুরছে। সরকারের উদ্যোগে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় এসব কারখানা ইজারা নিয়ে উৎপাদনে ফিরিয়ে আনছে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ। ইতোমধ্যে রাজশাহীর দুটি বন্ধ কারখানায় উৎপাদন শুরু হয়েছে। সেখানে কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের, যাদের প্রায় ৯০ শতাংশই নারী। বন্ধ হয়ে থাকা সরকারি কলকারখানা পুনরায় চালু করে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম অঙ্গীকার ছিল। সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানাগুলোকে বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে আবার উৎপাদনে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ইতোমধ্যে কয়েকটি কারখানা বেসরকারি উদ্যোক্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল বলেন, রাজশাহীতে বরেন্দ্র রাজশাহী টেক্সটাইল লিমিটেড ও রাজশাহী জুট মিলস লিমিটেড ইজারা নিয়ে সেখানে ফুটওয়্যার, লাগেজ, লেডিস ব্যাগ, তাঁবু ও ছাতা উৎপাদন করা হচ্ছে। এসব কারখানায় উৎপাদিত পণ্য দেশের বাজারের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে। উৎপাদন লাইন আরও সম্প্রসারণ করে আগামী দিনে আরও ১৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। তিনি জানান, গত আগস্টে পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন আরও দুটি জুট মিলও সরকারের কাছ থেকে ইজারা পেয়েছে প্রাণ-আরএফএল। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে মিল দুটি প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের কাছে হস্তান্তর করা হয়। খুব শিগগিরই এসব মিলেও উৎপাদন শুরু হবে। কামরুজ্জামান কামাল বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে বছরের পর বছর বন্ধ থাকা সরকারি শিল্পকারখানাগুলোকে আবার উৎপাদনের আওতায় আনার ফলে একদিকে অব্যবহৃত সরকারি সম্পদের ব্যবহার বাড়ছে, অন্যদিকে তৈরি হচ্ছে কর্মসংস্থান ও রপ্তানির নতুন সুযোগ। এসব কারখানায় আগে থেকেই বিদ্যুৎ, গ্যাস, সড়ক যোগাযোগ ও ভবনসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর বড় অংশ থাকায় নতুন করে শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার তুলনায় দ্রুত এবং কম খরচে উৎপাদনে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে। প্রাণ-আরএফএলের এই পরিচালক জানান, পিপিপি'র আওতায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা মিলগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়ে সরকার আবেদন আহ্বান করে। প্রাণ-আরএফএল আবেদন করার পর সরকারের নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে প্রাথমিকভাবে ৩০ বছরের জন্য এসব মিল বরাদ্দ পায়। তিনি বলেন, ‘মূলত উৎপাদন দ্রুত বাড়ানো এবং অবকাঠামোগত ব্যয় কমানোর লক্ষ্যেই’ বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানাগুলো ইজারা নেওয়া হয়েছে। এসব কারখানা শুধু ইট-পাথরের স্থাপনা নয়; একসময় এগুলো ছিল হাজারো মানুষের জীবিকার উৎস। উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে স্থানীয় অর্থনীতি, ক্ষুদ্র ব্যবসা এবং সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলো। কারখানাগুলো আবার চালু হওয়ায় সেই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও নতুন গতি তৈরি হচ্ছে। বন্ধ কারখানাগুলো পুনরায় চালুর ক্ষেত্রে সরকারের সহযোগিতাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করে কামরুজ্জামান কামাল বলেন, বন্ধ মিলগুলো দ্রুত উৎপাদনে ফিরিয়ে আনতে সরকার প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা করছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে, যা এ ধরনের বিনিয়োগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। রাজশাহীর কারখানাগুলোতে উৎপাদনের পাশাপাশি স্থানীয় কর্মসংস্থানের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কামরুজ্জামান কামাল বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত এসব শিল্পকারখানা চালু হওয়ায় স্থানীয় মানুষ, বিশেষ করে নারীরা নিজ এলাকাতেই কাজের সুযোগ পাচ্ছেন। ফলে জীবিকার জন্য তাদের ঢাকা বা অন্য বড় শহরে যেতে হচ্ছে না। এতে পরিবারের আয় বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় বাজার ও অর্থনীতিতেও কর্মচাঞ্চল্য তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন, শ্রমঘন এসব শিল্পে ইতোমধ্যে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। এর প্রায় ৯০ শতাংশই নারী কর্মী। উৎপাদন লাইন সম্প্রসারণের মাধ্যমে আরও ১৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরির কাজ চলছে। প্রাণ-আরএফএল মনে করছে, বন্ধ কারখানাগুলো চালুর এই উদ্যোগ আরও বড় পরিসরে নেওয়া গেলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বাড়ানো সম্ভব। বিশেষ করে নারী কর্মসংস্থান বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এসব কারখানা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে কিছু কারখানায় যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে বলেও জানান কামরুজ্জামান কামাল। বিশেষ করে খুলনার স্টার জুট মিলের যোগাযোগ সড়ক দ্রুত সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি। তার মতে, সড়ক যোগাযোগের সমস্যা সমাধান করা গেলে সেখানে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ আরও বাড়বে। এছাড়া একটি কারখানায় বড় পরিসরে বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করার ওপরও জোর দেন তিনি। বন্ধ সরকারি কারখানাগুলো পুনরায় চালু করতে আগ্রহী উদ্যোক্তাদের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা, সহজ বন্ডেড ওয়্যারহাউস ব্যবস্থা, প্রণোদনা এবং স্বল্প সুদের ঋণ সুবিধা দেওয়া গেলে এসব শিল্পকারখানায় আরও বেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন কামরুজ্জামান কামাল। তিনি বলেন, এ ধরনের নীতিসহায়তা নিশ্চিত করা গেলে দীর্ঘদিন অব্যবহৃত সরকারি শিল্পসম্পদকে কাজে লাগিয়ে একই সঙ্গে উৎপাদন, রপ্তানি ও কর্মসংস্থান- তিন ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করা সম্ভব। আরটিভি/টিআর
বন্ধ সরকারি কারখানায় ফিরেছে উৎপাদন
বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম
পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলা বাড়ায় মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান তেল উৎপাদনকারী অঞ্চল থেকে সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বিশ্ববাজারে যার ফলে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ২৭ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুডের ফিউচার মূল্য ব্যারেলপ্রতি ২ দশমিক ২৮ ডলার বা ২ দশমিক ২৮ শতাংশ বেড়ে ১০২ দশমিক ২৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে মার্কিন বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ১ দশমিক ৬৬ ডলার বা ১ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেড়ে ৮৯ দশমিক ৯৪ ডলারে পৌঁছেছে। এর আগে বুধবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কিছুটা কমেছিল। ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানির রেকর্ড মূল্য ও সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঠেকাতে উপসাগরীয় দেশগুলোর বিভিন্ন উদ্যোগের প্রভাবেই ওই দরপতন হয়েছিল। মার্চে চালু করা একটি পরিকল্পনার আওতায় কৌশলগত মজুত থেকে তেল ছাড়ার পাশাপাশি ডিজেল সরবরাহে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছিল আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)। তবে ইরানকে ঘিরে মার্কিন-ইসরায়েল সংঘাত অষ্টম মাসে গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে অক্টোবরে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজের ওপর হামলার ঝুঁকি বেড়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও জ্বালানি এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে পরিবহন করা হতো। উপসাগরীয় দেশগুলোর উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়লেও গত সপ্তাহে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী ট্যাঙ্কারে হামলার সংখ্যা যুদ্ধ শুরুর পর যেকোনো সময়ের তুলনায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ফলে উপসাগর থেকে বেশি পরিমাণ অপরিশোধিত তেল পরিবহন হলেও হামলার কারণে পণ্য ও নাবিকদের নিরাপত্তা ব্যয় এবং ঝুঁকি দুটিই বেড়েছে। সর্বশেষ হামলায় কাতারের উত্তরে একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার একাধিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস এজেন্সি। এমএসটি মার্কির জ্বালানি বিভাগের প্রধান সল কাভোনিক বলেন, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে জাহাজে ইরানি হামলার হার এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে এবং তা আরও বাড়তে পারে। সীমিত পণ্য প্রবাহ, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং ইরানের পক্ষ থেকে আরও মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা তেলের দামকে ঊর্ধ্বমুখী রাখছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এদিকে এএনজেডের বিশ্লেষক ড্যানিয়েল হাইন্স এক নোটে জানিয়েছেন, আইইএ যে তেল ছাড়ছে, তা সম্ভবত মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরুর সময় সংস্থাটির ঘোষিত ৪০ কোটি ব্যারেল তেল ছাড়ার পরিকল্পনারই অংশ। কৌশলগত মজুত থেকে অতিরিক্ত তেল উত্তোলন করা হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে না। তেলের দাম বাড়ার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের মজুতের তথ্যও ভূমিকা রেখেছে। বিশ্বের বৃহত্তম তেল ভোক্তা দেশটিতে অপরিশোধিত তেলের মজুত বিশ্লেষকদের প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কমেছে। অন্যদিকে ডিজেলসহ ডিস্টিলেট জ্বালানির মজুতও সামান্য কমেছে। যুক্তরাষ্ট্রের এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ইআইএ) তথ্য অনুযায়ী, ২ অক্টোবর শেষ হওয়া সপ্তাহে দেশটির অপরিশোধিত তেলের মজুত ৩২ লাখ ব্যারেল কমে ৪২ কোটি ৪১ লাখ ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে। অথচ রয়টার্সের এক জরিপে বিশ্লেষকেরা মজুত ১৭ লাখ ব্যারেল কমার পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। এ সময়ে ডিজেল ও জেট ফুয়েলসহ ডিস্টিলেট জ্বালানির মজুত ৪২ হাজার ব্যারেল কমে ১০ কোটি ৫১ লাখ ৪০ হাজার ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে। গত পাঁচ বছরের একই সময়ের গড়ের তুলনায় এই মজুতও উল্লেখযোগ্যভাবে কম। আরটিভি/এসকে
বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম
চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ১৫ বছরের জন্য পরিচালনায় সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে কনসেশন চুক্তি সই হয়েছে। 
চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি
বিদ্যুৎ উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে রূপপুর
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট বি-টু বা ক্রিটিক্যালিটিতে যাওয়ার অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বাডরা) এই অনুমোদন দেবে। 
বিদ্যুৎ উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে রূপপুর
রপ্তানি বহুমুখীকরণে নতুন উদ্যোগ
তৈরি পোশাকনির্ভরতা কমিয়ে রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে এবার দেশের প্রতিটি জেলা থেকে সম্ভাবনাময় পণ্যের তালিকা সংগ্রহ করছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত যেসব পণ্যের দেশে-বিদেশে বাজার তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে ধাপে ধাপে রপ্তানিযোগ্য শিল্পে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রপ্তানি বহুমুখীকরণে নতুন উদ্যোগ
আরও পড়ুন
বিকাশের দোকানে ‘সেন্ড মানি’ করে টাকা না দিয়েই দৌড়...
ড. আসমা চৌধুরী স্মরণে আজ স্মারক বক্তৃতা
আগস্টের ৩০ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৩৪ হাজার ৮০৯ কোটি টাকা
খেলাপি ব্যবসায়ীদের আবারও সুবিধা দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক