ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

ওয়ালটন এসিতে এক বছরের রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা

আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ১২ মে ২০২০, ১১:২৭ পিএম
ওয়ালটন এসি

এয়ার কন্ডিশনারে এক বছরের রিপ্লেসমেন্ট দিচ্ছে বাংলাদেশি মাল্টিন্যাশনাল ব্র্যান্ড ওয়ালটন। ওয়ালটনের যেকোনো মডেলের স্প্লিট এসি কিনলে এক বছরের রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা পাবেন ক্রেতারা। পাশাপাশি ওয়ালটনের ইনভার্টার এসির কমপ্রেসরে রয়েছে ১০ বছরের গ্যারান্টি। আর নন-ইনভার্টার কম্প্রেসরের গ্যারান্টি ৩ বছর থেকে বাড়িয়ে ৫ বছর করেছে ওয়ালটন। বাংলাদেশে একমাত্র ওয়ালটনই এসিতে এক বছরের রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা দিচ্ছে।

এদিকে মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে ঘরবন্দী মানুষ। গরমে অনেকেই নাজেহাল। সীমিত আকারে মার্কেট খুলে দিলেও অনেকেই ঘর থেকে বের হতে চাচ্ছেন না। এমন অবস্থায় ঘরে বসেই এয়ার কন্ডিশনার কেনার সুযোগ দিচ্ছে ওয়ালটন। এক্ষেত্রে অনলাইনে ওয়ালটন এসি কেনায় রয়েছে ১০ শতাংশ মূল্যছাড়। আছে ফ্রি ইন্সটলেশনসহ অসংখ্য সুবিধা। থাকছে হোম ডেলিভারির ব্যবস্থা।

জানা গেছে, দেশেই নিজস্ব কারখানায় নিবিড় তত্ত্বাবধানে এসি তৈরি করছে ওয়ালটন। এসির মান উন্নয়ণে ওয়ালটনের রয়েছে শক্তিশালী আরএন্ডডি (গবেষণা ও উন্নয়ন) টিম। যারা প্রতিনিয়ত এসির ডিজাইন এবং মান নিয়ে গবেষণা করছেন। ফলে ওয়ালটন এসিতে যুক্ত হচ্ছে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচার। বেড়েছে মান। যার ফলে এসির রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি এক বছরে উন্নীত করেছে ওয়ালটন।

ওয়ালটন এসির চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) মো. তানভীর রহমান বলেন, ক্রেতাচাহিদা অনুযায়ী বিশ্বের যেকোনো দেশের ভৈৗগোলিক অবস্থান ও আবহাওয়া উপযোগী এসি তৈরিতে সক্ষম ওয়ালটন। কাঁচামাল থেকে শুরু করে উৎপাদনের প্রতিটি ধাপে কঠোরভাবে মান নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। ফলে ওয়ালটন এসিতে সমন্বয় ঘটেছে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচারের। দেশের এসি বাজারে এখন শীর্ষে ওয়ালটন। এরই প্রেক্ষিতে একমাত্র ওয়ালটন এসিতেই দেয়া হচ্ছে ১ বছরের রিপ্লেসমেন্ট সুবিধা। বাংলাদেশে ওয়ালটনের নিজস্ব কারখানায় সর্বাধুনিক প্রযুক্তি, মেশিনারিজ, আনুষঙ্গিক যন্ত্রাংশ ও কাঁচামালে তৈরি আন্তর্জাতিকমানের এসব এসি রপ্তানি হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।

ওয়ালটন এসির চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, বিশ্বের যে কোনো স্থান থেকে ঘরে বসেই এসিসহ সব ধরনের ওয়ালটন পণ্য কেনা যাচ্ছে। গ্রাহকরা ‘ইপ্লাজা ডট ওয়ালটনবিডি ডটকম’ থেকে তাদের পছন্দের পণ্যটি কিনতে পারছেন। ইপ্লাজা থেকে কেনা সব মডেলের এসিতে ১০ শতাংশ মূল্যছাড় পাচ্ছেন গ্রাহক। যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থা অনুসরণ করে দেয়া হচ্ছে হোম ডেলিভারি। ওয়ালটনের দক্ষ টেকনিশিয়ানগণ বিনামূল্যে গ্রাহকদের এসি ইন্সটলেশন করে দিচ্ছেন।

এদিকে, যেকোনো মডেলের পুরাতন এসির বদলে ২৫ শতাংশ মূল্যছাড়ে ওয়ালটনের নতুন এসি কেনার সুযোগ রয়েছে। মাত্র ৪,৯০০ টাকা ডাউন পেমেন্টে নতুন এসি, ৩৬ মাসের সহজ কিস্তি, জিরো ইন্টারেস্টে ১২ মাসের ইএমআই, এসিতে এক বছরের রিপ্লেসমেন্ট, ইনভার্টার এসির কম্প্রেসরে ১০ বছরের গ্যারান্টিসহ অসংখ্য সুবিধা দিচ্ছে ওয়ালটন।

ওয়ালটন এসির আরএন্ডডি বিভাগের প্রধান সন্দীপ বিশ্বাস বলেন, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য ওয়ালটনের রয়েছে আইওটি বেজড ব্যাপক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী স্মার্ট ও ইনভার্টার এসি। এসব এসিতে ব্যবহৃত ইনভার্টার প্রযুক্তির কম্প্রেসর বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত। কম্প্রেসরে ব্যবহৃত হচ্ছে বিশ্বস্বীকৃত সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব এইচএফসি গ্যাসমুক্ত আর৪১০এ এবং আর৩২ রেফ্রিজারেন্ট। রয়েছে টার্বোমুড ও আয়োনাইজার প্রযুক্তি, যা দ্রুত ঠাণ্ডা করার পাশাপাশি রুমের বাতাসকে ধুলা-ময়লা ও ব্যাকটেরিয়া থেকে মুক্ত করে। কন্ডেন্সারে ব্যবহার করা হচ্ছে মরিচারোধক গোল্ডেন ফিন কালার প্রযুক্তি। যার ফলে ওয়ালটন এসি টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী।

, ১.৫ এবং ২ টনের স্প্লিট এসির পাশাপাশি স্কুল-কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, হাসপাতাল, হোটেলের মতো মাঝারি স্থাপনার জন্য ৪ ও ৫ টনের ক্যাসেট ও সিলিং টাইপ এসি ব্যাপকভাবে বাজারজাত করছে ওয়ালটন। আর বড় স্থাপনার জন্য ওয়ালটনের রয়েছে ভেরিয়্যাবল রেফ্রিজারেন্ট ফ্লো বা ভিআরএফ এবং চিলার এসি।

দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা দিতে আইএসও সনদপ্রাপ্ত সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের আওতায় সারা দেশে রয়েছে ৭৪টি সার্ভিস সেন্টার। ওয়ালটনের দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রকৌশলী এবং টেকনিশিয়ানগণ প্রতি ১০০ দিন পর পর এসির ক্রেতাদের ফ্রি সার্ভিসিং দিচ্ছেন।

এদিকে, যেসব এসির ওয়ারেন্টি ২৫ মার্চ থেকে ৩১ মে’র মধ্যে শেষ হয়েছে বা হবে, করোনা দুর্যোগের কারণে সেগুলোর মেয়াদ ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়িয়েছে ওয়ালটন। এ সময়ে অনলাইনে গ্রাহকদের সেবা দেয়া হচ্ছে। পণ্য সংক্রান্ত যে কোনো সমস্যায় ওয়ালটনের হটলাইন ১৬২৬৭ ও ০৯৬১২৩১৬২৬৭ নম্বরে এবং অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে সেবা পাওয়া যাচ্ছে।

জিএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘স্বপ্ন’ এখন লালবাগে
দেশের বৃহত্তম রিটেইল চেইন শপ ‘স্বপ্ন’র নতুন আউটলেটের যাত্রা শুরু হলো ঢাকার লালবাগে। এটি ৫০ লালবাগ রোডে (লালবাগ কেল্লার প্রবেশ গেটের বিপরীতে) অবস্থিত। ৩০ ডিসেম্বর বিকেল ৪টায় নতুন এ আউটলেটের উদ্বোধন হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ‘স্বপ্ন’র রিটেইল এক্সপ্যানশন বিভাগের ডিরেক্টর সামসুদ্দোহা শিমুল, ‘স্বপ্ন’ ফ্র্যাঞ্চাইজির হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট মোহাম্মদ রাজিবুল হাসান, ব্যবসায়ী শামিমা হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মান্নানসহ অনেকে। ‘স্বপ্ন’ এর রিটেইল এক্সপ্যানশন বিভাগের পরিচালক সামসুদ্দোহা শিমুল বলেন, আমরা আশা করছি, স্বাস্থ্যসম্মত এবং নিরাপদ পরিবেশে বাজার করার জন্য লালবাগের মানুষ স্বপ্ন’তে নিয়মিত বাজার করবেন। স্থানীয়দের চাহিদার কথা মাথায় রেখে পণ্য রাখা হয়েছে, আমাদের আউটেলেটে। আমরা তাদের কাছ থেকে পরামর্শ এবং মূল্যায়নও আশা করব। গ্রাহকের চাহিদা ও সন্তুষ্টিকে সবসময় অগ্রাধিকার দেয় স্বপ্ন। এ ছাড়া গ্রাহকদের জন্য রয়েছে বিশেষ হোম ডেলিভারি সেবা। হোম ডেলিভারি নম্বর ০১৬৩০-৫১৩৮১৭। এম
‘স্বপ্ন’ এখন লালবাগে
মাস্ক ব্যবহারে উৎসাহিত করতে সেন্টার ফ্রেশের ভিন্নধর্মী উদ্যোগ
বাংলাদেশের কোভিড-১৯ সংক্রমণের বর্তমান অবস্থা খুবই আশংকাজনক। এই অবস্থা হবার পরও সাধারণ মানুষের মুখে মাস্ক ব্যবহার করার ব্যাপারে অবহেলা দেখা যায়। তাই তাদেরকে উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করার জন্য সেন্টার ফ্রেশ নতুন একটি উদ্যোগ নিয়েছে।  গুলশান ১, বনানী বাজার, বনানী ১১, গ্রিন রোড , মিরপুর ১, ১০, ১১ ও ১২- তে অবস্থিত স্বপ্ন আউটলেট থেকে কেনাকাটার সময় যারা মুখে মাস্ক ব্যবহার করছেন, সেন্টার ফ্রেশ তাদেরকে আউটলেট থেকে বের হবার সময় ৪টি করে সেন্টার ফ্রেশ উপহার হিসেবে দিচ্ছে। উপহার পাওয়া অনেকেই এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।     সেন্টার ফ্রেশ ব্যবহারে অনেকক্ষণ ধরে মাস্ক ব্যবহার করার সময় মুখে সতেজতা বজায় থাকবে ও অস্বস্তি বোধ দূর হবে। সম্প্রতি সেন্টার ফ্রেশ-এর একটি বিজ্ঞাপনে বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা সিয়াম কাজ করেছেন। 'লাইফের জার্নিতে চাই কনফিডেন্স আর ফ্রেশনেস। তাই সাথে রাখো সেন্টার ফ্রেশ, যা দেয় মাস্কের পেছনেও ফ্রেশনেস যখন তখন'- এই ট্যাগলাইন নিয়েই সেন্টার ফ্রেশ মাস্ক ব্যবহারে সাধারণ জনগণকে উৎসাহিত করছে।  জিএ
মাস্ক ব্যবহারে উৎসাহিত করতে সেন্টার ফ্রেশের ভিন্নধর্মী উদ্যোগ
দুষ্প্রাপ্য রক্তের জন্য \'বি নেগেটিভ ব্লাড ডোনার বাংলাদেশ\'
বি নেগেটিভ রক্তকে বলা হয় দুষ্প্রাপ্য রক্ত। এই রক্তের ডোনার সহজে খুঁজে পাওয়া যায় না। এ কারণে অল্পতে ঝরে যায় অনেক প্রাণ। বিষয়টি উপলব্ধি করে এবার এগিয়ে এলো একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠন। তারাই সহজে এই রক্তের ব্যবস্থা করে দেবে। সংগঠনের নামই 'বি নেগেটিভ ব্লাড ডোনার বাংলাদেশ'।  সংগঠনের মুখপাত্র রফিকুল ইসলাম তাজবীর বলেন, বি নেগেটিভ ব্লাড ডোনার বাংলাদেশ খুব সহজে রক্তের চাহিদা মেটাতে একটি মোবাইল অ্যাপস এবং ওয়েবসাইট তৈরি করেছে। আমাদের দেশে অনেক বি নেগেটিভ রক্তবহনকারী আছেন, সবার কাছে আমাদের সংগঠনের বার্তা পৌঁছে দিতে আমরা উদ্যোগ নিয়েছি। বি নেগেটিভ রক্তবহনকারীদের আমাদের ছায়ায় আনতে চাই। সবাই মিলেই একদিন বড় আকারে মানুষের সেবা করতে পারব।  জিএ 
দুষ্প্রাপ্য রক্তের জন্য \'বি নেগেটিভ ব্লাড ডোনার বাংলাদেশ\'
প্রত্যন্ত অঞ্চলে ডিজিটাল স্বাস্থ্য সেবায় \'দুয়ারে ডাক্তার\'
দেশের জনপ্রিয় টেলিহেলথ কোম্পানি বেস্ট এইডের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ প্রজেক্ট 'দুয়ারে ডাক্তার'। বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ভার্চুয়াল প্লাটফার্মে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই প্রজেক্টের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ ২৪ ঘণ্টায় যেকোনো সময় 'বেস্ট এইডের'  কল সেন্টারে  অথবা মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে টেলিমেডিসিনের সাহায্যে দেশ সেরা ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারবেন। এমনকি ই প্রেসক্রিপশন গ্রহণ করতে পারবেন মোবাইল ও মেইলের মাধ্যমে। এছাড়াও অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস, ইমার্জেন্সি মেডিসিনসহ আরও একাধিক সেবা পাওয়া যাবে এই এক প্লাটফর্মে। অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা.  আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশিদ আলম বলেন, 'স্বাস্থ্য খাতকে উন্নত করতে তরুণ উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসতে হবে। বেস্ট এইডের তরুণ এই টিমকে সাধুবাদ জানাই। প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ দেশের স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করতে টেলিমেডিসিনের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। আমরা বেস্ট এইডের এই 'দুয়ারে ডাক্তার' প্রজেক্টের সাথে একত্বতা ঘোষণা করতে চাই এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে যতটুকু সাহায্য করা যায় আমরা করব। বেস্ট এইডের সিইও মীর হাসিব মাহমুদ বলেন, আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশের সকল মানুষের দ্বারপ্রান্তে স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দেওয়া। আমাদের একক প্রচেষ্টায় আমরা যুদ্ধ করে যাচ্ছি এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য। বেস্ট এইড করনার শুরু থেকেই দেশের মানুষদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে ২৪ ঘণ্টা। আমরা চাই ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবার মাধ্যমে দেশের প্রতিটি দুয়ারে ডাক্তার পৌঁছে দিতে। এতে দেশের একটি মানুষও স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হবে না।  আন্তর্জাতিক সংস্থা USAID এর ডিজিটাল হেলথ সংযুক্তি স্পেশালিষ্ট ফিডা মেহরান বলেন,  বেস্ট এইডের দুয়ারে ডাক্তার একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী পরিপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবার আওতায় চলে আসবে। USAID থেকে আপনারা যদি কোন সাহায্য চান এই প্রজেক্টের জন্য  আমরা সার্বিকভাবে সাহায্য করব। বাংলাদেশ ডায়াবেটিস এসোসিয়েশন ল্যাবরেটরি ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক প্রফেসর সুভাগত চৌধুরী বলেন,  তরুণরা নতুন উদ্ভাবন নিয়ে আসবে। যেকোনো দেশের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি একত্রিত উদ্যোগ প্রয়োজন। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বেস্ট এইডের দুয়ারে ডাক্তার অনেকাংশেই সফল হবে বলে আমি মনে করি। মাদারীপুর সদর উপজেলায় দুয়ারে ডাক্তার প্রজেক্টের পাইলট প্রজেক্ট অনুষ্ঠিত হবে। এই নিয়ে মাদারীপুর সদর উপজেলার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. একরাম হোসেন বলেন, আমরা এই প্রকল্পের অংশীদার হতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। এই পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে মাদারীপুর সদর উপজেলা একটি মডেল উপজেলায় রূপ গ্রহণ করবে। এল আই সি এর প্রধান বিপণন কর্মকর্তা অভিজিৎ ভট্টাচার্য বলেন, এই মহৎ উদ্যোগের সাথে থাকতে পেরে আমরা সত্যিই গর্বিত। আমরা বেস্ট এইডের এই প্রকল্পের সাথে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত থাকতে চাই।  করবী শিহাবের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বেস্ট এইডের উপদেষ্টা ডা, হাসান মাহমুদ ও মৌসুমি কবির, কো ফাউন্ডার মেহেদী হাসান ও সাদেকুল ইসলাম। ইমুল হক সজিব(COO, Sheba xyz), জহুরুল হক (সিন্ডিকেট মেম্বার, বিএসএমএমইউ), রাশেদ রাব্বিসহ (সেক্রেটারি, বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টাস ফোরাম) আরও অনেকে। জিএ
প্রত্যন্ত অঞ্চলে ডিজিটাল স্বাস্থ্য সেবায় \'দুয়ারে ডাক্তার\'
‘স্বপ্ন’ এখন বরিশালে
দেশের বৃহত্তম রিটেইল চেইন শপ ‘স্বপ্ন'র নতুন আউটলেটের যাত্রা শুরু হলো বিভাগীয় শহর বরিশালে। নতুন শাখা শহরের কবি জীবনানন্দ দাশ রোডের শীতলখোলা মোড়ে। শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন এ আউটলেটের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বপ্ন’র হেড অব অপারেশন ফ্র্যাঞ্চাইজ সমীর ঘোষ সানি, ইন্টারন্যাল অপারেশনের এজিএম হিল্লোল মাশরেকী, স্বপ্ন’র ডেপুটি ম্যানেজার (কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স) মুহাম্মদ তামিম খান, নতুন এই আউটলেটের বিজনেস পার্টনার শাহ্  বোরহান উদ্দিন আদনান ও শাহ্ তানভীর শাহরিয়ারসহ আরও অনেকে।   ‘স্বপ্ন’ ২০০৮ সালে যাত্রা শুরু করে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে স্বপ্ন’র এখন ফ্র্যাঞ্চাইজিসহ ১৪৭টি আউটলেট রয়েছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি মাছ, শাক-সবজি, ফল, ডেইরিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় আরও অনেক পণ্য সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে সংগ্রহ করছে। উত্তরবঙ্গের বগুড়াসহ বেশ কয়েকটি জায়গায় কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি সবজি ও মাছ সংগ্রহ করে ‘স্বপ্ন’। পণ্যের গুণগত মান, দাম ও সর্বোত্তম সেবার জন্য ‘স্বপ্ন’র চাহিদা ও জনপ্রিয়তা প্রতিনিয়ত ক্রেতাদের মাঝে বেড়েই চলেছে। ‘স্বপ্ন' এর রিটেইল এক্সপ্যানশন বিভাগের পরিচালক সামসুদ্দোহা শিমুল বলেন, আমরা আশা করছি স্বাস্থ্যসম্মত এবং নিরাপদ পরিবেশে বরিশালের সকল গ্রাহকরা স্বপ্ন’তে নিয়মিত বাজার করবেন। গ্রাহকদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে পণ্য রাখা হয়েছে আমাদের আউটেলেটে। আমরা তাঁদের কাছ থেকে পরামর্শ এবং মূল্যায়নও আশা করবো। গ্রাহকের চাহিদা ও সন্তুষ্টিকে সবসময় অগ্রাধিকার দেয় ‘স্বপ্ন' । এছাড়া গ্রাহকদের জন্য রয়েছে বিশেষ হোম ডেলিভারি সেবা। হোম ডেলিভারি নম্বর- ০১৮৪৭-২৬৫২৪৬ । জিএ
‘স্বপ্ন’ এখন বরিশালে
আরও পড়ুন
হিলিতে ভিজিডির চাল বিতরণ
বাণিজ্য সুবিধা পেতে ১১ দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে : বাণিজ্যমন্ত্রী
বাইডেন সরকারে প্রবাসীদের সুবিধা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী (ভিডিও)
বাড়ি বসেই ‘ফেস টু ফেস’ ডেটিংয়ের সুবিধা!