ঢাকা বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

সরকারের বড় সাফল্য: ৭ মাসে ৩২ কূপ খনন, পাওয়া গেছে বিপুল গ্যাস

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪১ পিএম
নোয়াখালীর একটি গ্যাস কূপ। ছবি: সংগৃহীত

জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার ও আমদানিনির্ভরতা কমাতে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগে গতি এসেছে। বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত সাত মাসে দ্রুত গতিতে ৩২টি কূপের খননকাজ সম্পন্ন হয়েছে। এসব কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ১৪৮ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফ) গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

২০৩১ সালের মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে ১৫০টি কূপ খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ২০৩১-৩৫ মেয়াদে আরও ১৫০টি কূপ খননের পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে দেশের অভ্যন্তরীণ গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি আমদানিনির্ভরতার চাপও কমানো সম্ভব হবে।

পেট্রোবাংলার হিসাবে, লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ইতোমধ্যে ৩২টি কূপ খনন সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের (এসজিএফএল) ১৪টি হলো— বিয়ানীবাজার-১, বিয়ানীবাজার-২, কৈলাশটিলা-১, কৈলাশটিলা-২, কৈলাশটিলা-৭, কৈলাশটিলা-৮, রশিদপুর-৩, রশিদপুর-৫, রশিদপুর-১১, সিলেট-৭, সিলেট-১০, সিলেট-১১, সিলেট-১০ এক্স ও রশিদপুর-২।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) ১১টি কূপ হলো— টবগি-১, শ্রীকাইল নর্থ-১, শরীয়তপুর-১, ভোলা নর্থ-২, ইলিশা-১, সুন্দলপুর-৩, বেগমগঞ্জ-৪ ওয়েস্ট, জামালপুর-১, শ্রীকাইল-৫, সেমুতাং-৬ ও রূপগঞ্জ-১।

অপরদিকে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের (বিজিএফসিএল) সাতটি কূপ হলো—তিতাস-১৪, তিতাস-১৬, তিতাস-২৪, তিতাস-২৮, হবিগঞ্জ-৫, বাখরাবাদ-৭ ও কামতা-২।

পেট্রোবাংলা জানায়, সম্পন্ন হওয়া কূপগুলো থেকে দৈনিক ১৩৪ দশমিক ৪ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফ) গ্যাস পাওয়ার সম্ভাব্যতা ছিল। কিন্তু হবিগঞ্জ-৫ কূপে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি গ্যাস পাওয়ায় বর্তমানে ৩২টি কূপ থেকে প্রায় ১৪৭ দশমিক ৯ এমএমসিএফ গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ হচ্ছে।

পেট্রোবাংলার রিজার্ভার এন্ড ডাটা ম্যানেজমেন্ট বিভাগ জানিয়েছে, কূপ খননের মাধ্যমে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়লেও এর পুরোটা এখনও কাজে লাগানো যাচ্ছে না। সম্পন্ন হওয়া কূপগুলো থেকে আরও প্রায় ৬০ এমএমসিএফ গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার কথা থাকলেও পাইপলাইন-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে তা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সঞ্চালন অবকাঠামো নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এদিকে ১৫০টি কূপ খননের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আরও সাতটি কূপের খননকাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। এগুলো হলো—রশিদপুর-১৩, সুন্দলপুর-১ ও ৪, তিতাস-২৯ ও ৩১, ভোলা নর্থ এবং বাখরাবাদ-৬। পেট্রোবাংলার হিসাবে, জানুয়ারি নাগাদ এসব কূপের খননকাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

খননকাজ শেষ হলে এসব কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ৯৬ এমএমসিএফ গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পাইপলাইন ও প্রসেসিং প্ল্যান্টের সক্ষমতার ভিত্তিতেই এ গ্যাসের পুরোটা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, বর্তমানে ১৯টি প্রকল্প চলমান রয়েছে। এ ছাড়া আরও নয়টি প্রকল্প অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এসব প্রকল্পের আওতায় ৩১টি কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি পেট্রোবাংলার বোর্ডের মাধ্যমে আরও চারটি কূপ খননের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিক্স অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের (আইইইএফএ) লিড এনার্জি অ্যানালিস্ট শফিকুল আলম বলেন, সরকারের দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনাটি ভবিষ্যতে আমদানি করা এলএনজির ওপর দেশের নির্ভরতা কমানোর একটি উদ্যোগ। একদিকে যেমন দ্রুত দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানো প্রয়োজন, অন্যদিকে নতুন গ্যাস যাতে সময়মতো জাতীয় গ্যাস গ্রিডে সরবরাহ করা যায়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, নতুন করে গ্যাসের মজুত শনাক্ত হওয়ার পর তা গ্রিডে সরবরাহের অবকাঠামোর অভাবে যেন অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে না থাকে, সেজন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সময়মতো সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বিষয়টি জরুরি, কারণ বর্তমানে গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ঘাটতি ইতোমধ্যে প্রতিদিন ১ হাজার এমএমসিএফেরও বেশি।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সরকার স্থলভাগের পাশাপাশি সমুদ্রেও গ্যাস অনুসন্ধানে জোর দিয়েছে। এজন্য বঙ্গোপসাগরে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য আন্তর্জাতিক কোম্পানির কাছে মোট ২৬টি অফশোর ব্লক উন্মুক্ত করে বাংলাদেশ অফশোর বিডিং রাউন্ড ২০২৬ চালু করেছে। একইসঙ্গে নতুন কূপের সুনির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণে সার্ভে কার্যক্রম চলছে। প্রকল্প গ্রহণের আগে তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের মাধ্যমে সম্ভাবনাময় স্থানে কূপ খননের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

গ্যাস উৎপাদন বাড়লেও চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে এখনও কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। বর্তমানে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ এমএমসিএফ। এর বিপরীতে সরবরাহ করা হচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৬০০ এমএমসিএফ। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ৬০০ এমএমসিএফ দেশীয় উৎস থেকে এবং ৯০০ থেকে ১ হাজার এমএমসিএফ এলএনজি থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে।

দেশীয় উৎসের মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন গ্যাস উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলো থেকে বর্তমানে দৈনিক প্রায় ৭০০ এমএমসিএফ গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। নতুন কূপ থেকে গ্যাস যুক্ত হওয়ায় রাষ্ট্রীয় কোম্পানিগুলোর সরবরাহ দৈনিক প্রায় ৫৬৬ এমএমসিএফ থেকে বেড়ে বর্তমানে প্রায় ৭০০ এমএমসিএফে উন্নীত হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক তেল-গ্যাস কোম্পানিগুলো (আইওসি) থেকে দৈনিক প্রায় ৯০০ এমএমসিএফ গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে।

এ বিষয়ে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নান বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন বাড়াতে সরকার নতুন কূপ খনন ও বিদ্যমান কূপের ওয়ার্কওভার কার্যক্রমকে গুরুত্ব দিচ্ছে। ইতোমধ্যে ৩২টি কূপের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এসব কূপ থেকে গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। তবে পাইপলাইন-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে উৎপাদন সক্ষমতার পুরোটা কাজে লাগানো যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, আরও সাতটি কূপের খননকাজ চলমান রয়েছে। এসব কূপের কাজ শেষ হলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি ১৯টি প্রকল্প চলমান এবং আরও নয়টি প্রকল্প অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এসব প্রকল্পের আওতায় ৩১টি কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে। দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের সরবরাহ বাড়াতে অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধান কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নে জোর দেওয়া হচ্ছে। ২০৩১ সালের মধ্যে ১৫০টি এবং পরবর্তী ২০৩১-৩৫ মেয়াদে আরও ১৫০টি কূপ খননের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে অভ্যন্তরীণ গ্যাস উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সূত্র: বাসস

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সার আমদানি কমাতে ৩ বন্ধ কারখানা চালুর উদ্যোগ
দেশে সার উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানিনির্ভরতা কমাতে বন্ধ থাকা রাষ্ট্রীয় তিনটি সার কারখানা আগামী নভেম্বরের মধ্যে চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
সার আমদানি কমাতে ৩ বন্ধ কারখানা চালুর উদ্যোগ
টেকসই পোশাকশিল্পের রূপান্তর তুলে ধরবে বাটেক্সপোর ইমপ্যাক্ট জোন
বিশ্ববাজারে পোশাক উৎপাদনের মানদণ্ড ও প্রত্যাশার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পের টেকসই উন্নয়ন, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও সুশাসন সংক্রান্ত উদ্যোগ তুলে ধরবে বাটেক্সপো ২০২৬-এর  ‘ইমপ্যাক্ট জোন’। বাটেক্সপোর  এ ‘ইমপ্যাক্ট জোনে’ কার্বন নিঃসরণ হ্রাস, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পুনর্ব্যবহার, চক্রাকার অর্থনীতি ও সম্পদের দক্ষ ব্যবহারে পোশাকশিল্পের বিভিন্ন উদ্যোগ ও অর্জন তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি লিঙ্গসমতা, শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, শিশুযত্ন এবং মাতৃসেবার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায় বিজিএমইএ। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিবর্তনশীল নীতিমালা এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ডিজিটাল পণ্য পরিচিতিপত্রসহ বিভিন্ন ডিজিটাল অনুসরণযোগ্যতা ও পণ্য শনাক্তকরণ প্রযুক্তিও প্রদর্শন করা হবে এবারের বাটেক্সপোতে। প্রচলিত নিয়মনীতি পরিপালনের গণ্ডি ছাড়িয়ে টেকসই উৎপাদন, স্বচ্ছতা ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতার মাধ্যমে পোশাকশিল্পের ভবিষ্যৎ প্রস্তুতি তুলে ধরাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। ইমপ্যাক্ট জোন সম্পর্কে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, জলবায়ু সুরক্ষা, সম্পদের দক্ষ ব্যবহার ও চক্রাকার অর্থনীতির যুগে বাংলাদেশের পোশাকশিল্প যে সামগ্রিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তার পূর্ণাঙ্গ প্রতিফলন ঘটবে এ আয়োজনে। এটি কেবল নিয়মনীতি পরিপালনের বিষয় নয় বরং বৈশ্বিক বাজারে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে শিল্পের দায়িত্বশীল অগ্রযাত্রার প্রতিফলন। এবিষয়ে বিজিএমইএর সহ-সভাপতি ভিদিয়া অমৃত খান বলেন, বৈশ্বিক টেকসই উৎপাদনের পরিবর্তনশীল চাহিদা পূরণের পাশাপাশি এ রূপান্তরে নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতাও বাংলাদেশের পোশাকশিল্পকে অর্জন করতে হবে। এ আয়োজনে কার্বন নিঃসরণ হ্রাস, চক্রাকার অর্থনীতি, শ্রমিককল্যাণ ও ডিজিটাল অনুসরণযোগ্যতায় শিল্পের অগ্রগতি তুলে ধরা হবে। উল্লেখ্য, পিডিএসের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং বিজিএমইএর ব্যবস্থাপনায় বাটেক্সপোর রজতজয়ন্তী সংস্করণ আগামী ১৮ ও ১৯ নভেম্বর ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। আরটিভি/এসআর
টেকসই পোশাকশিল্পের রূপান্তর তুলে ধরবে বাটেক্সপোর ইমপ্যাক্ট জোন
একীভূত বিনিয়োগ কাঠামোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করলেন আশিক চৌধুরী 
পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও অন্যান্য অগ্রাধিকারমূলক খাতে আন্তর্জাতিক পুঁজি আকর্ষণের লক্ষ্যে বিনিয়োগ প্রচার কার্যক্রমকে সুবিন্যস্ত করা, প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় জোরদার করা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রচেষ্টার ওপর আলোকপাত করেছেন ইনভেস্ট বাংলাদেশ অথরিটির চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।
একীভূত বিনিয়োগ কাঠামোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করলেন আশিক চৌধুরী 
জাপানের বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ‘নতুন সম্ভাবনা’
জাপানের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি বাড়ানোর নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) দেশটিতে ৩৪ কোটি ৩৬ লাখ ৫০ হাজার ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ।
জাপানের বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ‘নতুন সম্ভাবনা’
হংকংয়ে ‘বাংলাদেশ অ্যাপারেল রোডশো’ বুধবার
হংকংয়ে বাংলাদেশের কনস্যুলেট জেনারেলের সহযোগিতায় হংকংয়ের আইল্যান্ড শাংরি-লা হোটেলে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। 
হংকংয়ে ‘বাংলাদেশ অ্যাপারেল রোডশো’ বুধবার
আরও পড়ুন
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতেই হবে, বিকল্প নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১৯০০ কেজি সরকারি চাল জব্দ, ‘মাশুল’ গুনলেন ১১ ব্যবসায়ী
নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে আরও ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার
সরকারের সমালোচনা করে গ্রেপ্তার সেই নারীকে জামিন দিলেন আদালত