ঢাকা শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

দেশের বাজারে সোনার নতুন দাম নির্ধারণ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৮ এএম
ফাইল ছবি

দুইদিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও কমেছে সোনার দাম। এবারের দফায় ভরিপ্রতি ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ভালো মানের; অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনস (বাজুস)।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং এন্ড প্রাইস মিনিটরিং-এর সভা শেষে সোনার নতুন এই দাম নির্ধারণ করে বাজুস।

নতুন নির্ধারিত এ দাম এদিন সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।

স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে নতুন এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস।

নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম এখন দুই লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা।

এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম দুই হাজার ৯৯ টাকা কমিয়ে দুই লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম এক হাজার ৮০৭ টাকা কমিয়ে এক লাখ ৯০ হাজার ১২৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৫১৬ টাকা কমিয়ে এক লাখ ৫৫ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।

এর আগে, গত ৯ ও ৬ সেপ্টেম্বর দুই দফায় সোনার গহনার দাম কমানো হয় দেশের বাজারে।

আরটিভি/এসএইচএম


আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কোরিয়ার সঙ্গে সুদৃঢ় অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সম্পর্ক স্থাপনের আশা হুমায়ুনের
সিউলে মন্ত্রী পর্যায়ের পৃথক বৈঠকে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।
কোরিয়ার সঙ্গে সুদৃঢ় অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সম্পর্ক স্থাপনের আশা হুমায়ুনের
সিঙ্গাপুর থেকে এলো এলএনজির নতুন আরও এক কার্গো
মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনালে ‘ওয়েন চেং’ নামের ওই জাহাজ থেকে ইতোমধ্যে এলএনজি খালাস শুরু হয়েছে।
সিঙ্গাপুর থেকে এলো এলএনজির নতুন আরও এক কার্গো
জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস আজ
আজ ২ অক্টোবর জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস।
জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস আজ
চড়ামূল্যের বাজারে ভোগান্তি বাড়াচ্ছে কৃত্রিম সংকট
রাজধানীর কাঁচামালের বাজারে শীতের আগাম সবজি হিসেবে দাপট দেখাচ্ছে শিম। ইতোমধ্যে ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে এই সবজি। সেই সঙ্গে ক্রেতা সাধারণের ভোগান্তি বাড়িয়েছে এলপিজি গ্যাস, সয়াবিন তেল ও চিনির সরবরাহ সংকট। নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের (এমআরপি) চেয়ে বেশি দামে এসব পণ্য বিক্রি হচ্ছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাজধানীর রায়ের বাজার, রামপুরা, হাজীপাড়া, মালিবাগ, সেগুনবাগিচা ও মোহাম্মদপুর কৃষি বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এখন বেশিরভাগ দোকানে প্যাকেটজাত এক কেজি চিনির খুচরা মূল্য ১১০ টাকা হলেও তা ১২০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। আবার এক লিটার সয়াবিন তেল ২০৪ টাকার পরিবর্তে ২১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কোথাও প্যাকেট চিনি ও বোতলের তেল মিলছে না। খোলা তেল-চিনি বিক্রি হচ্ছে প্যাকেটজাত পণ্যের দামে। এদিকে সবজির বাজারে দেখা যায়, বেগুন, করলা, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, পটল ও কাঁকরোলসহ বেশির ভাগ সাধারণ সবজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। শসা তুলনামূলক কিছুটা কম দামে ৫০ থেকে ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।  দাম সবচেয়ে বেশি এমন সবজির মধ্যে লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা ও টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। বরবটি, ঝিঙে ও করলার কেজি ৮০ টাকা। লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৭০ টাকা, কচুরমুখি বিক্রি করা হচ্ছে ৮০ টাকায়। তবে দেশি শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আর শীতের আগাম সবজি শিম বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজিতে। ৩০ টাকা কেজিতে সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁপে। সবজির উচ্চমূল্যের মধ্যে একমাত্র স্বস্তি এসেছে কাঁচা মরিচের বাজারে। কয়েক সপ্তাহ আগে যে কাঁচা মরিচ কেজিপ্রতি ২০০ টাকায় ঠেকেছিল, সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় তা এখন মানভেদে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবজি ক্রেতা ইদ্রিস মিয়া বলেন, আজ বেগুন কিনেছি ১০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ছোট লাউ ৫০ টাকা ও এক পোয়া মরিচ কিনেছি ৪০ টাকায়। সব কিছুর দাম বেশি। এদিকে মুরগি বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই। রাজধানীর বাজারে ব্রয়লার মুরগি কেজি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ডিমের দামও আগের উচ্চমূল্যেই রয়েছে। প্রতি ডজন ১৫৫ টাকা ও চারটি ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।  মাছের বাজারেরও একই চিত্র। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০, পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি। পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে।  মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া, রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে। তবে মাছের সাইজ এবং মাছ জীবিত বা মৃত হওয়ার উপরও দাম নির্ভর করে। প্রতিটি বাজারে ১০ থেকে ২০ টাকা কেজিপ্রতি কম বেশি হতে পারে। মাছ বিক্রেতা নাজিম বলেন, মাছের দাম আগের মতোই আছে। আজকে তেলাপিয়া ২৫০ টাকা আর পাঙাশ ২২০ টাকা কেজি বিক্রি করছি। মাছের দাম সরবরাহের উপর নির্ভর করে। এখন এক দাম, বিকেলে আরেক দাম। আবার মাছ বেশি আসলেও দাম কমে যায়। আবার ক্রেতা বেশি আসলেও দাম বেড়ে যায়।  বাজারের কড়া উত্তাপের মধ্যে ক্রেতাদের নতুন করে বিপাকে ফেলেছে এলপিজি গ্যাসের অতিরিক্ত দাম বৃষ্টি ও কৃত্তিম সংকট। প্রতি মাসেই সরকারের পক্ষ থেকে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হলেও, সেই দামের চেয়ে বেশিতে ভোক্তাদের কাছে তা বিক্রি আসছেন খুচরা পর্যায়ের বিক্রেতারা। জানতে চাইলেই তারা বলেন, ডিলারদের কাছ থেকে বেশি দামে কিনতে হয় বলে সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে বিক্রি করা সম্ভব হয় না তাদের পক্ষে। সম্প্রতি আরও খারাপ হয়েছে পরিস্থিতি। সবশেষ যেখানে প্রতিটি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা বেঁধে দিয়েছে সরকার, সেখানে সংকটের কথা বলে একেকটি এলপিজির সিলিন্ডারের জন্য ভোক্তাদের কাছ থেকে ২২০০ থেকে ২৬০০ টাকা নিয়ে নিচ্ছেন খুচরা বিক্রেতারা। অর্থাৎ, সরকার নির্ধারিত দামের চেয়েও ৬০০ থেকে ১০০০ টাকা বেশি দিয়ে এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন ক্রেতারা। আরটিভি নিউজ/এসআর
চড়ামূল্যের বাজারে ভোগান্তি বাড়াচ্ছে কৃত্রিম সংকট
সৌরবিদ্যুৎ কেনার দাম নির্ধারণ করল বিইআরসি
বেসরকারি বাণিজ্যিক সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র (মার্চেন্ট পাওয়ার প্ল্যান্ট) থেকে বিদ্যুৎ ক্রয়ের পাইকারি দর এবং জাতীয় সঞ্চালন ও বিতরণ লাইন ব্যবহারের মাশুল (ওপেন অ্যাকসেস ট্যারিফ) নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
সৌরবিদ্যুৎ কেনার দাম নির্ধারণ করল বিইআরসি
আরও পড়ুন
রসমালাইয়ে চেতনানাশক খাইয়ে চুরি, ১৫ ভরি সোনা উদ্ধার
শাহজালালে বিমানকর্মীর কাছ থেকে ১ কেজি সোনা উদ্ধার
দেশে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
সোনারগাঁ অতিক্রম করলেন প্রধানমন্ত্রী, নেতাকর্মীদের অভিবাদন