ঢাকা শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

মেগা মাস্টারপ্ল্যানে বদলে যাচ্ছে কক্সবাজার

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক পর্যটন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের কেন্দ্র হিসেবে কক্সবাজারকে গড়ে তুলতে নেওয়া হচ্ছে মেগা মাস্টারপ্ল্যান। ২০২৬ সালের মধ্যেই এ মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত করার লক্ষ্য রয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে নগর ব্যবস্থাপনা, পর্যটন অবকাঠামো, যোগাযোগ, পরিবেশ ও নাগরিক সেবায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে।

পর্যটনের পাশাপাশি শিক্ষা, গবেষণা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়িয়ে কক্সবাজারকে জাতীয় অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ গ্রোথ হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। শৈবাল ও লাবণী বিচ এলাকাকে ঘিরে প্রায় ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে বিশ্বমানের পর্যটন অঞ্চল গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে।

মাস্টারপ্ল্যানে পরিবেশবান্ধব পর্যটনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সমুদ্রসৈকত, পাহাড়, বনাঞ্চল ও জীববৈচিত্র্য বিবেচনায় নিয়ে ইকো-রিসোর্ট, হোটেল ও বিনোদনকেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় বিদ্যমান ৫০ মিটার ও ৫০০ মিটারের বিধিনিষেধ পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজারকে স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে আধুনিক বর্জ্য ও পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা, নিরাপদ পানি, পানি শোধনাগার, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা ও পর্যটন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

যোগাযোগব্যবস্থায়ও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বিমানবন্দর ও রানওয়ে সম্প্রসারণ, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল যোগাযোগ এবং মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করার উদ্যোগকে। প্রায় ৮০ কিলোমিটার মেরিন ড্রাইভ, ইনানী, পাটুয়ারটেক ও টেকনাফে ইকো-ট্যুরিজমের সম্ভাবনাও কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

এদিকে কক্সবাজারে দেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল স্টেশন স্থাপনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল অর্থনীতির নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন গণমাধ্যমকে জানান, পরিবেশের ভারসাম্য, পর্যটন অবকাঠামো, আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনা ও নাগরিক সুবিধাকে সমন্বয় করেই মাস্টারপ্ল্যান করা হচ্ছে। এটি চূড়ান্ত হলে অপরিকল্পিত উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি পর্যটন ও বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

তবে স্থানীয় ও পর্যটন ব্যবসায়ীরা চান, উন্নয়নের সুফল যেন স্থানীয় জনগণও পান। আর পরিবেশবাদীদের দাবি, উন্নয়নের নামে সৈকত ও জীববৈচিত্র্য নষ্ট করা যাবে না। সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিকল্পনার সঠিক বাস্তবায়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক পর্যটন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিশ্ব পর্যটন দিবস / খাগড়াছড়িতে পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়ছে
পাহাড়, ঝরনা, গুহা আর সবুজের হাতছানিতে প্রতিবছরই বাড়ছে খাগড়াছড়িমুখী পর্যটকের আগ্রহ। আলুটিলা, রিছাং ঝর্ণা, হর্টিকালচার পার্ক, দেবতাপুকুর, মায়াবিনী লেকসহ বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে ছুটে যাচ্ছেন দেশের নানা প্রান্তের মানুষ। 
খাগড়াছড়িতে পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়ছে
বিশ্ব পর্যটন দিবস / কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি বান্দরবানের পর্যটন শিল্প
বান্দরবানে পর্যটন শিল্প এখনও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি। সম্ভাবনাময় এই পর্যটন অঞ্চল সঠিক পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের অভাবে পিছিয়ে পড়ছে। এই শিল্পকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি। পাহাড়, ঝরনা আর বৈচিত্র্যময় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতির কারণে বান্দরবান পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয়। কিন্তু অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সমন্বিত পরিকল্পনার অভাবে এটি কাঙ্ক্ষিত রূপ নিতে পারেনি। স্থানীয় প্রশাসন, পর্যটন করপোরেশন এবং হোটেল-রিসোর্ট মালিকদের মধ্যে কোনো কার্যকর যৌথ রূপরেখা না থাকায় সবকিছু যেন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে— এমনটাই মনে করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা। বান্দরবানে নীলাচল, নীলগিরি, মেঘলা, শৈলপ্রপাত, চিম্বুক ও প্রান্তিক লেকসহ সরকারি ও বেসরকারি অসংখ্য পর্যটন স্পট রয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার অপ্রতুলতার কারণে এই খাতের কাঙ্ক্ষিত বিকাশ সম্ভব হচ্ছে না। ভ্রমণে আসা পর্যটকদের মতে, বান্দরবানে পর্যটন শিল্পের বিকাশে কাজ করার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। এর জন্য দরকার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও কিছু কার্যকর উদ্যোগ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক রূপ ও অপার সৌন্দর্য সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারলে প্রচুর দেশি-বিদেশি পর্যটক আসবে। তবে বর্তমানে বান্দরবান ভ্রমণ বেশ ব্যয়বহুল এবং যোগাযোগ ব্যবস্থাও পুরোপুরি সুবিধাজনক নয়। অসাধু ব্যবসায়ীদের একটি মহল এই সুযোগটি নিচ্ছে। আবাসন ব্যবস্থা ও যাতায়াতে আরও স্বচ্ছতা আনা গেলে পর্যটক যেমন বাড়বে, তেমনি সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি, পর্যটকদের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশের তৎপরতা আরও বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা। বান্দরবান ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিশ্বজিৎ দাশ (বাপ্পা) বলেন, বান্দরবানে বিদেশি পর্যটকদের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। তবে নির্দিষ্ট কয়েকটি স্পট ছাড়া অন্য কোথাও ভ্রমণের অনুমতি না থাকায় দিন দিন বিদেশি পর্যটক কমে যাচ্ছে। নির্দিষ্ট স্থানগুলোতে একদিনেই ঘোরা শেষ হয়ে যাওয়ায় তারা এক দিনের বেশি থাকতে চান না। বান্দরবান হোটেল-মোটেল ও ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, পর্যটন শহর হিসেবে বাস্তবে বান্দরবানকে সঠিকভাবে সাজানো হয়নি। জেলা শহরের বর্তমান অবস্থা দেখে পর্যটকরা একদিনের বেশি থাকতে চান না। শহরে ময়লা-আবর্জনা, যত্রতত্র পার্কিং এবং চলাচলের ভালো কোনো সুযোগ-সুবিধা নেই। সন্ধ্যার পরে জেলা শহরে বিনোদনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় পর্যটকরা একদিন থেকেই কক্সবাজারমুখী হয়ে যান।  তিনি আরও বলেন, পর্যটকদের মনে আস্থার পরিবেশ তৈরি করা যাচ্ছে না। পর্যটন দিবস এলেই সভা, সেমিনার ও র‍্যালির মতো কিছু কর্মসূচির মধ্যেই সব সীমাবদ্ধ থাকে। আবাসিক হোটেল-মোটেল ও পরিবহনের ভাড়ার কোনো নির্দিষ্ট তালিকা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্ধারিত না থাকায় অতিরিক্ত খরচ গুণতে হয়। ঢাকা-কক্সবাজার বাস ভাড়ার চেয়ে ঢাকা-বান্দরবান বাস ভাড়া অনেক বেশি নেওয়ার কারণে ভ্রমণ ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে। তাছাড়া দুর্গম পাহাড়ি রাস্তা এবং বর্ষায় ধসের কারণে যাতায়াত ঝুঁকিপূর্ণ। পাহাড়ে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক ও জাতিগত অস্থিরতায় পর্যটক আগমন ব্যাহত হলেও বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক স্বাভাবিক রয়েছে। তবে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখার পাশাপাশি বিকল্প বিনোদনের সুযোগ না থাকায় পর্যটক সীমিত হয়ে পড়ছে। এসব বিষয়ে সঠিক নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে দেশি-বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা বহুগুণ বাড়বে। বান্দরবান ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক মাহবুবুর রহমান বলেন, এখানকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগের চেয়ে অনেকটাই স্বাভাবিক রয়েছে। বর্তমানে পর্যটকদের জন্য একটি নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন পরিবেশ তৈরি করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। বিশ্ব পর্যটন দিবসে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তায় পর্যটন স্পটগুলোতে বিশেষ পুলিশ ফোর্স মোতায়েন করা হবে। পাশাপাশি মোবাইল টিমও নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে। আরটিভি/এসএস
কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি বান্দরবানের পর্যটন শিল্প
সুন্দরবন ঘিরে তৈরি হচ্ছে নতুন পর্যটন সম্ভাবনা
আসন্ন পর্যটন মৌসুমে সুন্দরবনে নতুন করে পর্যটকদের আগমন বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরতে আরও উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পর্যটনসংশ্লিষ্টরা।
সুন্দরবন ঘিরে তৈরি হচ্ছে নতুন পর্যটন সম্ভাবনা
‘ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে এভিয়েশন খাত শক্তিশালী করা হচ্ছে’
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতি ট্রিলিয়ন ডলারে রূপান্তরের লক্ষ্যে এভিয়েশন খাতকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে পরিণত করতে সরকার কাজ করছে।
‘ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে এভিয়েশন খাত শক্তিশালী করা হচ্ছে’
সাজেকে পর্যটক ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার
রাঙামাটির বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ায় সাজেকে পর্যটক ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে জেলা প্রশাসন। বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসন। এতে জানানো হয়, ৭ জুলাই গণবিজ্ঞপ্তিতে জারিকৃত নির্দেশনা পরিবর্তনক্রমে সাজেক ভ্যালিসহ বাঘাইছড়ি উপজেলার সব পর্যটনকেন্দ্র পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য উন্মুক্ত করা হলো। তবে চলতি মৌসুমে এ জেলায় চলাচলের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন এবং জেলা প্রশাসনের জারীকৃত নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছে প্রশাসন। আরও পড়ুন চোখের সামনে ভিটেমাটি গিলে খাচ্ছে পদ্মা, নিঃস্ব হচ্ছে নদীপাড়ের মানুষ সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি সুপর্ণ দেব বর্মণ বলেন, রাঙামাটি জেলা প্রশাসন সাজেকে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়ায় আমরা জেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই। নোটিশ পাওয়ার পর পরই আমরা আমাদের পেইজে জানিয়ে দিয়েছি। আশা করছি দ্রুতই বুকিং শুরু হবে। বন্ধকালীন সময়ে যে ক্ষতি হয়ে আশা করছি তা কাটিয়ে উঠতে পারবো। তিনি আরও বলেন, দেশের সব ভ্রমণপিপাসুদের প্রতি আহ্বান জানাই, আপনারা আসুন, এই বর্ষায় মেঘের রাজ্য সাজেকের সৌন্দর্য উপভোগ করুন। প্রসঙ্গত, গত ৭ জুলাই রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় ভারী বর্ষণের কারণে বিভিন্ন স্থানে ভূমিধস ও পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। একইসঙ্গে পাহাড়ি ঢল ও ধসের কারণে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থাও মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়। ঝুঁকি বিবেচনা করে পর্যটক ও জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে রাঙামাটি জেলাধীন বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্যালি পর্যটন কেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে প্রশাসন। সেসময় সাজেকে আটকা পড়ে ৫ শতাধিক পর্যটক। পরে অবশ্য সেনাবাহিনীর সহায়তায় তাদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনা হয়। আরটিভি/এমএইচজে
সাজেকে পর্যটক ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার
আরও পড়ুন
কক্সবাজার থেকে ঢাকায় বিমানবন্দরে নামতেই গ্রেপ্তার স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা
সেন্ট মার্টিনে বাড়ছে রাত্রিযাপনের সুযোগ, নতুন নিয়ম নিয়ে যা জানা গেল
আবাসিক হোটেলের বাথরুমে মিলল নারীর গলাকাটা মরদেহ
১৪ টুকরো করার হুমকির পর মিলল ছাত্রদল নেতার লাশ