
সিগারেট খেতে নিষেধ করায় সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) মাদার বখশ হলের এক ছাত্রলীগ নেতাকে হল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার (৩০ মে) বিকেলে হল প্রশাসনের এক জরুরি সভা শেষে এই বহিষ্কারাদেশ দিয়েছেন হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক শামীম হোসেন।
বহিষ্কারাদেশ উল্লেখ করা হয়, গত ২৯ মে দিবাগত রাতে মাদার বখশ হলের টিভি রুমে অনাকাঙ্ক্ষিত একটি ঘটনা ঘটে। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে সে হলের গিয়াস উদ্দিন কাজল নামের এক আবাসিক ছাত্রকে হল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হলো এবং হলের আবাসিক শিক্ষকদের মধ্যে থেকে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হলো। এ ছাড়া অতিসত্বর তদন্তের প্রতিবেদন প্রদান করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম কনকে আহ্বায়ক করে গঠিত এই তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটির অন্যরা হলেন হলেন ড. মেজবা উস সালেহীন এবং ড. আলী আহম্মদ সৈয়দ মোস্তফা জাহিদ।
জানতে চাইলে হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক শামীম হোসেন বলেন, জরুরি সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে গিয়াসউদ্দিনকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে এবং তদন্ত কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, গতকাল রোববার রাত ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদার বখ্শ হলের টিভি রুমে সিগারেট খেতে নিষেধ করায় শাহাবুদ্দিন নামের এক সাংবাদিককে মারধরের ঘটনা ঘটে। এঘটনায় ক্যাম্পাসে কর্মরত সংবাদকর্মীরা সেসময় প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে গিয়াসউদ্দিন কাজলসহ তার দুজন সহযোগীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করাসহ ৩ দফা দাবি পেশ করেন। সংবাদকর্মীদের অন্য দাবিগুলো হল- দায়িত্বে অবহেলার জন্য মাদার বখ্শ হল প্রাধ্যক্ষকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিতে হবে এবং হলে হলে ছাত্রলীগের দখলদারিত্ব, শিক্ষার্থীদের নির্যাতন-নিপীড়ন বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।




