
আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভারসিটি বাংলাদেশে (এআইইউবি) ফিলিপ সি. জেসাপ ইন্টারন্যাশনাল ল মুট কোর্ট প্রতিযোগিতা ২০২৬ এর দশম বাংলাদেশ কোয়ালিফাইং রাউন্ডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) আয়োজিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র এডভোকেট ব্যারিস্টার নিহাদ কবীর, এআইইউবি এর প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ডক্টর এমডি আব্দুর রহমান এবং জেসাপ বাংলাদেশ কোয়ালিফাইং রাউন্ড ২০২৬ এর ন্যাশনাল এডমিনিস্ট্রেটর মাইমুনা সৈয়দ আহমেদ। অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য দিয়েছেন এআইইউবি এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম।
এ ছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এআইইউবি এর ডিন, শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিযোগীরা।
শুরুতেই মাইমুনা সৈয়দ আহমেদ উপস্থিত সকল অতিথি, বিচারক, অংশগ্রহণকারী ও সংশ্লিষ্টদের স্বাগত জানান এবং উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি বৃহত্তম জাতীয় রাউন্ড হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এআইইউবি এর প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ডক্টর এমডি আব্দুর রহমান বলেন, টানা তৃতীয় বছরের মতো জেসাপ প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে পেরে এআইইউবি গর্বিত এবং ভবিষ্যতেও এ উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে আগ্রহী।
সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট ব্যারিস্টার নিহাদ কবীর তার বক্তব্যে আইন পেশার মানবিক দিকের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, আইনজীবীদের অবশ্যই তাদের মক্কেলের সংকটময় মুহূর্তে পাশে দাঁড়াতে হবে, মনোযোগ দিয়ে তাদের সমস্যাগুলো শুনতে হবে এবং সৎ ও বাস্তবসম্মত পরামর্শ দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় যখন সত্য ও প্রতিষ্ঠানের উপর জনগের আস্থা হ্রাস পাচ্ছে, তখন সংবিধান ও আন্তর্জাতিক আইন কেবল তাত্ত্বিক কাঠামো হিসেবে নয়, বরং বাস্তব প্রয়োগের মাধ্যমেই তাদের শক্তি ও গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করতে পারে।
জেসাপ প্রতিযোগিতার বাংলাদেশ কোয়ালিফাইং রাউন্ডে এই বছর ৪৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের দল এবং ১৯২ জন প্রতিযোগী অংশ নিচ্ছে, যা বাংলাদেশের আইন শিক্ষার ক্রমবর্ধমান সক্ষমতার পরিচায়ক। এই সালের বাংলাদেশ কোয়ালিফাইং পর্ব আয়োজনের পৃষ্ঠপোষকতায় রয়েছে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এআইইউবি), ইন্টারন্যাশনাল ল স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন এবং হার্থ বাংলাদেশ। অনুষ্ঠানটি বিচারক, আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয় এবং এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয় যে, এই প্রতিযোগিতা ভবিষ্যৎ আইনজীবীদের মধ্যে যুক্তি, শৃঙ্খলা ও আইনের শাসনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা গড়ে তুলবে।
আরটিভি/একে




