ঢাকা রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

এভেরোজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল লালমাটিয়া’র বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত 

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:০৩ পিএম
এভেরোজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল লালমাটিয়া’র বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

বরাবরের মতো বর্ণিল আয়োজনের মধ্যদিয়ে ‘এভেরোজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল লালমাটিয়া’র বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হয়েছে। ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের ডিসপ্লে ও খেলাধুলা দর্শক-অভিভাবকদের মুগ্ধ করেছে।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে দিনব্যাপী রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজ মাঠে এ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্কুলটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক খান মো. আক্তারুজ্জামান।

সকালে বাংলা ও ইংরেজিতে তরজমাসহ কোরআন তেলাওয়াত পরবর্তী জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং কবুতর ও রঙিন বেলুন উড়িয়ে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধান অতিথি।

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী স্কুলটির লালমাটিয়া ক্যাম্পাসের প্রায় ২৩০০ শিক্ষার্থী ২৪২টি খেলায় অংশ নেয়। খেলা শেষে বিজয়ী ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয়ার্ধে এভেরোজ অ্যালামনাই, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহণ করেন। সবমিলিয়ে দিনটি ছিল বর্ণিল, কর্মব্যস্ত ও আনন্দঘন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর মানববিদ্যা গবেষণা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট ইসলামিক চিন্তাবিদ প্রফেসর ড. মো. আতাউর রহমান মিয়াজী, ইসলামিক স্কলার মুফতি কাজী ইব্রাহিম, অনলাইন গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং এভেরোজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল লালমাটিয়ার ভাইস-চেয়ারম্যান সাজেদা আক্তার, পিয়ারসন পিএলসির রিজিওনাল ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার (বাংলাদেশ ও নেপাল) লিটন আব্দুল্লাহ, ক্যামব্রিজ এসেসমেন্ট ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার সারওয়াত মাসুদা রেজা ও অক্সফোর্ড একিউএ বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর শাহীন রেজা।

অনুষ্ঠানটি পরিকল্পনা, ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা করেন স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল ডালিয়া নওরীন।

আরও পড়ুন

প্রধান অতিথির বক্তব্যে খান মো. আক্তারুজ্জামান বলেন, সুস্থ দেহ ও সুন্দর মনের জন্য পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চাই। আমাদের শিশুরাই হবে সেই নিরাপদ, স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের দেশপ্রেমিক কারিগর। আর এভেরোজ লালমাটিয়া দেশকে নিরাপদ, স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ করতে তেমনি একটি আদর্শ ও শিক্ষিত জেনারেশন তৈরি করছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের একটাই স্লোগান বা কমিটমেন্ট- ‘কোয়ালিটি অ্যান্ড সার্ভিস’।

তিনি দাবি করেন, এভেরোজ লালমাটিয়া দেশ সেরা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল এবং একইসঙ্গে বাংলাদেশের ইসলামিক ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের তালিকায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কেননা এভেরোজ লালমাটিয়া ‘ও’ লেভেল এবং ‘এ’ লেভেলের রেজাল্টে বহু শিক্ষার্থী হাই অ্যাচিভার অ্যাওয়ার্ড ও পিয়ারসন আউটস্ট্যান্ডিং লার্নার্স অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী হয়েছে। এভেরোজ লালমাটিয়ার শিক্ষার্থীরা ‘ও’ লেভেল এবং ‘এ’ লেভেলের রেজাল্টে বিশ্বসেরা, দেশসেরা হচ্ছে। এর পাশাপাশি তারা আবার পবিত্র কোরআনের হাফেজ হচ্ছে। ইতোমধ্যেই আমাদের প্রায় ৬০ জন শিক্ষার্থী ৩০ পারা কোরআনের হাফেজ হয়েছে। আরও অনেকেই হিফজ সম্পন্ন করার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে।

আক্তারুজ্জামান বলেন, এভেরোজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল লালমাটিয়ার শিক্ষার্থীরা বর্তমানে বিশ্বের ১০টি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ মেডিকেলসহ দেশসেরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়েও তারা অধ্যায়ন করছে। আমাদের অন্যান্য অ্যালামনাই যারা দেশে আছে, তারাও এভেরোজ লালমাটিয়াকে হৃদয়ে ধারণ করে আজকের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় উপস্থিত হয়েছে। আমাদের ছাত্র, শিক্ষক, অভিভাবক ও পরিচালনা পর্ষদ মিলে ‘এভেরোজ ফ্যামিলি’। এভাবে একতাবদ্ধ হয়ে আমরা এগিয়ে যেতে চাই সাফল্যের পথ ধরে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের বিমূর্ত লক্ষ্যে।

এছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে অনেকেই মূল্যবান বক্তব্য দেন।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জাবিতে প্রথম দেখা মিলল উত্তুরে হনুমানের
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ক্যাম্পাসে প্রথমবারের মতো দেখা গেছে বিপন্ন প্রজাতির নর্দার্ন প্লেইনস ল্যাঙ্গুর বা উত্তুরে হনুমানের। এটি বাংলাদেশে ‘যশোরের হনুমান’ নামেও পরিচিত। রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াইল্ডলাইফ রেসকিউ সেন্টার (ডব্লিউআরসি) সংলগ্ন এলাকায় প্রাণীটিকে দেখতে পান বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী। রসায়ন বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী শাহাদাত হোসেন সুমন কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে ওয়াইল্ডলাইফ রেসকিউ সেন্টার এলাকার পাশ দিয়ে ক্যাম্পাসের মনপুরা এলাকার দিকে যাচ্ছিলেন। দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে তারা প্রাণীটিকে দেখতে পান এবং এর ভিডিও ধারণ করেন। শাহাদাত হোসেন সুমন বলেন, ‘আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে মনপুরার দিকে যাচ্ছিলাম। এ সময় ওয়াইল্ডলাইফ রেসকিউ সেন্টারের কাছাকাছি প্রাণীটিকে দেখতে পাই। পরে আমরা এর ভিডিও ধারণ করি।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মনিরুল এইচ খান বলেন, জাবিতে আগে কখনো হনুমান দেখা যাওয়ার রেকর্ড নেই। মাঝে মাঝে ক্যাম্পাসে বানর দেখা গেলেও এ ধরনের হনুমান এর আগে দেখা যায়নি। তিনি জানান, জাবিতে দেখা প্রাণীটি নর্দার্ন প্লেইনস ল্যাঙ্গুর বা যশোরের হনুমান নামে পরিচিত। এ প্রজাতির মূল উৎস বৃহত্তর যশোর অঞ্চলের কেশবপুর ও মনিরামপুর উপজেলায় রয়েছে। মনিরুল এইচ খান বলেন, বাংলাদেশে তিন প্রজাতির হনুমান রয়েছে। এটি একটি আরবান হনুমান। বন্যপ্রাণী হলেও এটি সাধারণত বনে থাকে না, বরং বসতিপূর্ণ এলাকায় থাকে। মানুষের খাবার এবং মানুষের লাগানো গাছপালার ফল ও ফসল খাওয়ার কারণে এরা প্রায়ই লোকালয়ে বিচরণ করে বলেও জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, খাবার বা ফল পরিবহনকারী ট্রাকে উঠে এ প্রাণীগুলো অনেক সময় দূর-দূরান্তে চলে যেতে পারে। ট্রাক গন্তব্যে পৌঁছানোর পর সুযোগ বুঝে নেমে নতুন এলাকায় অবস্থান করতে পারে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে দেখা যাওয়াটিও এভাবেই হয়ে থাকতে পারে। সম্প্রতি বাগেরহাটের মোংলাতেও এ প্রজাতির একটি হনুমান দেখা গেছে, যেখানে এর আগে প্রাণীটির উপস্থিতির কোনো রেকর্ড ছিল না বলে জানান মনিরুল। প্রাণীবিশেষজ্ঞদের তথ্যমতে, নর্দার্ন প্লেইনস ল্যাঙ্গুরের বৈজ্ঞানিক নাম সেমনোপিথেকাস এন্টেল্লাস। বাংলাদেশে এ প্রজাতির হনুমান মূলত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় দেখা যায়। বিশেষ করে যশোরের কেশবপুর ও মনিরামপুর উপজেলায় এদের উল্লেখযোগ্য আবাসস্থল রয়েছে। এরা সাধারণত মানুষের বসতবাড়ির আশপাশের গাছপালা, বাগান ও ফলের বাগানে বিচরণ করে।  বাংলাদেশের জাতীয় লাল তালিকায় নর্দার্ন প্লেইনস ল্যাঙ্গুরকে বিপন্ন হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। আবাসস্থল সংকট, খাদ্যের অভাব এবং মানুষের সঙ্গে সংঘাত এ প্রজাতির অস্তিত্বের জন্য উল্লেখযোগ্য হুমকি।  জাবির প্রাণিবিদ্যা বিভাগের আওতাধীন ওয়াইল্ডলাইফ রেসকিউ সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক অধ্যাপক মো. কামরুল হাসান বলেন, প্রাণীটি বন্যপ্রাণী হওয়ায় এটিকে উদ্ধার করে ওয়াইল্ডলাইফ রেসকিউ সেন্টারে নেওয়ার চেষ্টা করা হবে। তিনি বলেন, আমি আমার টিমকে যথাসম্ভব চেষ্টা করতে বলব, যাতে নির্দিষ্ট এলাকায় খোঁজ করে এটিকে উদ্ধার করা যায়। আরটিভি/এসআর
জাবিতে প্রথম দেখা মিলল উত্তুরে হনুমানের
আত্মপক্ষ সমর্থনের আগেই আজীবন বহিষ্কার, হাইকোর্টের রায়ে সনদ ফিরে পেয়ে মাস্টার্সে প্রথম এমি 
মাস্টার্সের সব পরীক্ষা শেষ, বাকি শুধু ফল প্রকাশ।
আত্মপক্ষ সমর্থনের আগেই আজীবন বহিষ্কার, হাইকোর্টের রায়ে সনদ ফিরে পেয়ে মাস্টার্সে প্রথম এমি 
আইইবি নির্বাচন ঘিরে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স ফোরামের ‘ইঞ্জিনিয়ার্স গেট টুগেদার’
আসন্ন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) নির্বাচন-২০২৬ উপলক্ষে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স ফোরাম, বাংলাদেশের উদ্যোগে ‘ইঞ্জিনিয়ার্স গেট টুগেদার’ শীর্ষক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজধানীর উত্তরা ক্লাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (এ্যাব)-এর আহ্বায়ক প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন এ্যাব'র সদস্যসচিব ইঞ্জিনিয়ার শোয়েব বশরী হাবলু। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স ফোরামের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও আইটিইটি'র সভাপতি প্রকৌশলী মো. এনায়েত হোসেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী খান মঞ্জুর মোরশেদ, প্রকৌশলী মিয়া মো. কাইয়ুম, প্রকৌশলী মহিউদ্দিন আহমেদ সেলিম, অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. জুলহাস উদ্দিন, অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী এস. এম. মোমিনুল আলম, প্রকৌশলী এ. কে. এম. মহসিন আহমেদ এবং আয়োজক কমিটির পক্ষে প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহীনুল হক ও আশিক ইসতিয়াক লিখন। অনুষ্ঠানে বক্তারা টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া বাস্তবায়ন, পেশাগত অধিকার সংরক্ষণ এবং আইইবি নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী এস এম মমিনুল আলম বলেন, টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নে হলুদ প্যানেলের প্রার্থীরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিসিএস (টেক্সটাইল) ক্যাডার চালু, পদোন্নতি জটিলতা নিরসন এবং অনলাইন ভোটিং ব্যবস্থা চালুর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাঁরা কাজ করার আশ্বাস দিয়েছেন। এ্যাব'র সদস্যসচিব প্রকৌশলী শোয়েব বশরী হাবলু বলেন, টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের অনেক দাবি-দাওয়া রয়েছে। এসব দাবি বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধ থাকা জরুরি। নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রতি দলীয় সিদ্ধান্তের সঙ্গে সমন্বয় করে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিভিশন, আইইবি'র সহ সভাপতি পদপ্রার্থী প্রকৌশলী এ কে এম মহসিন আহমেদ বলেন, আগামী ১২ নভেম্বরের আইইবি নির্বাচনে একমাত্র পূর্ণাঙ্গ প্যানেল হিসেবে হলুদ প্যানেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এ প্যানেলে যোগ্য ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। আগামী দুই বছর টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য ভোটাররা যোগ্য প্রার্থীদের বেছে নেবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মো. জুলহাস উদ্দিন বলেন, বিগত নির্বাচন সুশৃঙ্খল, গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছিল। আসন্ন নির্বাচনও একইভাবে সুন্দর ও সুষ্ঠু হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি টেক্সটাইল শিক্ষার্থীদের সমস্যা, সরকারি চাকরিতে পদ বৃদ্ধি, পরিবেশগত সংকট ও কর্মসংস্থানসংক্রান্ত সমস্যাগুলো সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ্যাব'র আহ্বায়ক প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কার্বন ফাইবারের মতো আধুনিক উদ্ভাবনের ক্ষেত্রেও তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। আইইবি'র ওয়াশিংটন অ্যাকর্ডের সদস্যপদ অর্জনেও টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের অবদান উল্লেখযোগ্য, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাঁদের পেশাগত স্বীকৃতি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়েছে। প্রকৌশলীদের পেশাগত স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় আগামী নির্বাচনে প্রকৌশলী খান মঞ্জুর মোরশেদ ও প্রকৌশলী মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন হলুদ প্যানেলকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান। সভাপতির বক্তব্যে প্রকৌশলী মো. এনায়েত হোসেন বলেন, দীর্ঘ ১৪ বছর পর আইইবি'তে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের ক্যাডার প্রতিষ্ঠা, আইটিইটি'র নিজস্ব ভবন নির্মাণসহ পেশাজীবীদের বিভিন্ন দাবি আদায়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আগামী ১২ নভেম্বরের নির্বাচনে হলুদ প্যানেলের সকল প্রার্থীকে বিজয়ী করতে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি সঠিক নিয়মে ভোট প্রদানের পরামর্শ দেন। অনুষ্ঠানে আইইবি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী বিভিন্ন পদের প্রার্থীদের পরিচয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয় এবং উপস্থিত ভোটারদের কাছে ভোট ও সমর্থন প্রত্যাশা করেন।
আইইবি নির্বাচন ঘিরে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স ফোরামের ‘ইঞ্জিনিয়ার্স গেট টুগেদার’
বিদেশে ক্যারিয়ার গড়তে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য আসছে বড় সুযোগ!
দেশের অনেক শিক্ষার্থীই ক্যারিয়ার গড়তে চান বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রগুলোতে। তাদের জন্য বড় এক সুখবর নিয়ে হাজির হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।   
বিদেশে ক্যারিয়ার গড়তে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য আসছে বড় সুযোগ!
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ইবি ইউট্যাবের শ্রদ্ধা নিবেদন
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লবে শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ইবি ইউট্যাবের শ্রদ্ধা নিবেদন
আরও পড়ুন
ময়মনসিংহে ৯ম বিভাগীয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত