ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রশ্নপত্র বিতরণে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি: মাহদী আমিন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৩ এএম
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন। ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, চলমান এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিতরণে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।

একই সঙ্গে, তিনি জানিয়েছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব বন্ধে সার্বক্ষণিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

রোববার (২৬ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন। তাঁর পোস্টের শিরোনা– ‘প্রশ্নপত্র বিতরণে জিরো টলারেন্স নীতি: অপপ্রচার থেকে সচেতন থাকা জরুরি।’

মাহদী আমিন লিখেছেন, প্রশ্নপত্র দেওয়ার নামে ভুয়া প্রশ্ন সাজিয়ে, এসএসসি পরীক্ষার্থীদের থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার কারণে, প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গত কয়েক দিনে গ্রেপ্তার করেছে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)। গতকাল ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গ্রেপ্তারকৃতরা অবৈধভাবে অর্থনৈতিক লেনদেনের উদ্দেশ্যে একটি স্বচ্ছ, সুন্দর ও সুষ্ঠু পরীক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যাহত করার চেষ্টা করেছে। পাশাপাশি তারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়িয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে নৈরাজ্য, হতাশা, উদ্বেগ ও নৈতিক বিপর্যয় সৃষ্টি করার অপচেষ্টা চালায়।

তিনি লিখেছেন, সরকার প্রশ্নপত্র বিতরণে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। পাশাপাশি গুজব রটানো রোধে সার্বক্ষণিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। অপপ্রচার রোধে সাইবার নজরদারি ও ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। কোনো চক্র ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে অপতৎপরতা চালানোর চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে, ইনশাআল্লাহ। শিক্ষার্থীদেরও উচিত ফলাফলের আশায় এসব অসৎ কৌশলে জড়িয়ে না পড়া, কারণ গণমানুষের সরকার ‘আনন্দময় শিক্ষা’র যে সংস্কৃতি গড়ে তুলছে, তা এই ধরনের প্রতারণামূলক মানসিকতার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা লিখেছেন, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে যে, একটি অসাধু চক্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তি, আতঙ্ক ও নৈতিক অবক্ষয় সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। চক্রটি অবৈধ অর্থ এবং সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে চলমান পরীক্ষা কার্যক্রমকে ব্যাহত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিষয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।

তিনি লিখেছেনে, একটি টেলিভিশন চ্যানেলের প্রতিবেদনে প্রশ্নফাঁস নিয়ে যে বিষয়টি সামনে এসেছে, তা বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট হয়, এটি প্রকৃত কোনো প্রশ্নফাঁস নয়, বরং একটি সুপরিকল্পিত প্রতারণা চক্রের কাজ। চলমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে নানান সীমাবদ্ধতার মধ্যেও সরকারের মাত্র দুই মাসেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে দৃশ্যমান অগ্রগতি ও ইতিবাচক উদ্যোগ সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছে। আর এই প্রেক্ষাপটে একটি গোষ্ঠী মিসইনফরমেশন ও অপতথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করছে, যা দুঃখজনক।

প্রতিবেদনে এক পরীক্ষার্থীর বর্ণনায় দেখা যায়, প্রতারকরা রাতে প্রশ্ন দেওয়ার কথা বলে নানা অজুহাত দেয়, এবং বলে “টেকনিক্যাল সমস্যা”, “অল্পক্ষণ পর দেওয়া হবে” ইত্যাদি। অথচ পরদিন দাবি করা হয় আগেই প্রশ্ন দেওয়া হয়েছিল। এতে পরিষ্কার বোঝা যায়, তাদের আসলে প্রশ্ন দেওয়ার কোনো সক্ষমতাই ছিল না।

চক্রটি প্রথমে লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে টাকা নেয়, এরপর সময়ক্ষেপণ করে এবং শেষপর্যন্ত গ্রুপ বন্ধ করে উধাও হয়ে যায়। তাদের আরেকটি কৌশল হলো, পরীক্ষা শুরুর পর প্রশ্ন সংগ্রহ করে সেটিকে আগে আপলোড করা হয়েছিল, এমনভাবে উপস্থাপন করা, যাতে শিক্ষার্থীরা বিভ্রান্ত হয়ে পরে তাদের ফাঁদে পা দেয়।

মাহদী আমিন আরও লিখেছেন, মূলত তারা পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর আগের রাতের আপলোড করা ভুয়া প্রশ্নের ছবি সরিয়ে মূল প্রশ্ন রিপ্লেস করে, যাতে পরবর্তীতে যারা প্রশ্ন কিনতে চাইবে, তাদেরকে দেখানো যায় যে তাদের ফাঁস করা প্রশ্ন সঠিক ছিল। ফ্যাসিবাদের সময় থেকেই ঘৃণ্য অপকৌশল গ্রহণ করে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছিল এই অপচক্র, এবং বর্তমান নির্বাচিত সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই বিষয়ে সজাগ রয়েছে।

তিনি লিখেছেন, উল্লেখ্য, সত্যিকার প্রমাণ না থাকায় সেই বেসরকারি টেলিভিশন নিজ দায়িত্বে প্রতিবেদন সরিয়ে নেয়। তারা বক্তব্য প্রদান করে: ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচারিত এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস সম্পর্কিত প্রতিবেদনটিতে কিছু ত্রুটি ও ঘাটতি থাকায় বোর্ডের প্রতিবাদলিপির পূর্বেই তা প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। আমরা দর্শক ও পাঠকদের নিকট সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পৌঁছে দিতে সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তবে এরই মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হয়েছে। বিভিন্ন ফ্যাক্ট-চেকিং প্ল্যাটফর্মও নিশ্চিত করেছে, এটি প্রশ্নফাঁস নয়, বরং পরিকল্পিত প্রতারণা। প্রযুক্তিগত নানা চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও, প্রশ্নপত্রের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে কোনোভাবেই প্রশ্নফাঁস না ঘটে। এই প্রচেষ্টা সফল করতে সকল অংশীজনের সম্মিলিত সহযোগিতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য।

মাহদী আমিন লিখেছেন, সুতরাং, অপপ্রচারের কান না দিয়ে সচেতন থাকা জরুরি। তথ্য যাচাই ছাড়া কিছু বিশ্বাস না করা উচিত, আর সমালোচনাও হওয়া উচিত তথ্যভিত্তিক ও দায়িত্বশীল। সরকার শিক্ষাখাতকে ঢেলে সাজাতে সর্বদা সচেষ্ট, আমরা চাই রাষ্ট্র গঠনের সাথে প্রত্যেকে যে যার জায়গা থেকে অংশগ্রহণ করুক।

তিনি লিখেছেন, ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয়েছিল। সেই সময়ে শিক্ষকদের সম্মান, মর্যাদা ও অবস্থান নষ্ট করা, পাঠ্যপুস্তকে বিকৃত ইতিহাস, বিতর্কিত বিষয়বস্তু অন্তর্ভুক্তি এবং মেধার চেয়ে দলীয় আনুগত্যকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে জাতির চিন্তাশক্তি ও যুক্তি প্রবণতা ধ্বংস করার হাতিয়ার হিসেবে কাজ করেছে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা লিখেছেন, অন্যদিকে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করাই জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের মূল লক্ষ্য। তারই ফলে মাত্র দুই মাসে দেশের মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবায়নে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বহুবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। সুনাগরিকের গুণাবলী সম্বলিত শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ইনশাআল্লাহ আমরা গড়ে তুলবো একটি মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বুড়িগঙ্গার তীরে লালকুঠি: শহরের কোলাহল পেরিয়ে এক টুকরো প্রশান্তি
মনটা আজ একটু ভার হয়ে ছিল। প্রতিদিনের একঘেয়েমি আর অহেতুক ক্লান্তি কাটানোর তাগিদে বিকেলের দিকে একাই পা বাড়ালাম ঘরের বাইরে। বাসাটা নদীর কাছাকাছি হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই বুড়িগঙ্গার তীর ঘেঁষে হাঁটতে শুরু করি। কিছুটা পথ পেরোতেই চোখে পড়ে এক অবিশ্বাস্য নীরব স্থাপত্য। লাল ইটে সাদা রঙের কারুকাজ করা বিশাল এক প্রাচীন দেয়াল স্থানীয়দের কাছে যা 'লালকুঠি' নামে পরিচিত।
বুড়িগঙ্গার তীরে লালকুঠি: শহরের কোলাহল পেরিয়ে এক টুকরো প্রশান্তি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা
দেশের সব মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাদকের কুফল, কিশোর গ্যাং রোধ, ইভটিজিং ও ‘র‌্যাগ ডে’-র নামে বিশৃঙ্খলা বন্ধ এবং রাতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী করতে বিশেষ সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। 
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা
শিক্ষার্থীদের অদৃশ্য লড়াই ও মানসিক স্বাস্থ্যের সংকট: প্রয়োজন এক সহমর্মী ক্যাম্পাস
মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মনে জমে থাকা দীর্ঘদিনের না-বলা কথা, ক্ষোভ, হতাশা এবং প্রত্যাশার বহিঃপ্রকাশ ঘটে তাদের নানা অভিব্যক্তিতে। পড়াশোনার প্রচণ্ড চাপ, পারিপার্শ্বিক পরিবেশের টানাপোড়েন এবং ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা ছাপিয়ে আজ বড় হয়ে উঠেছে মনের যত্ন নেওয়ার বিষয়টি। শারীরিক অসুস্থতা প্রকাশ পেলেও মানসিক কষ্টগুলো কীভাবে নীরবে একজন শিক্ষার্থীকে ভেতর থেকে ভেঙে দেয় তার এক বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে সবার কথায়।  ​ক্যাম্পাসের ভৌত পরিবেশ ও মানসিক শান্তির সংকট লেখা: হামিম শেখ, শিক্ষার্থী, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমি মনে করি, শারীরিক স্বাস্থ্যের মতোই মানসিক স্বাস্থ্যও সমান অপরিহার্য, কারণ মন ভালো না থাকলে পড়াশোনা, সম্পর্ক, এমনকি শরীরও ভেঙে পড়ে। শরীর অসুস্থ হলে আমরা ডাক্তারের কাছে যাই, কিন্তু মনের কষ্ট অনেক সময় চেপে রাখি, অথচ সেটাই ধীরে ধীরে আমাদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে। আমাদের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান পুরান ঢাকায়, যেখানে সমস্যার শেষ নেই। চারপাশে বদ্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, ক্যাম্পাসের আশপাশে নিম্নমানের খাবার,  সব মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের শরীর ও মনের ওপর প্রতিনিয়ত চাপ পড়ছে। সারাদিন ক্লাস শেষে একটু নির্মল পরিবেশে নিশ্বাস নেওয়ার জায়গাটুকুও আমরা পাই না। আমাদের ক্যাম্পাসটাও আকারে বেশ ছোট, তবু পরিচ্ছন্নতার দিকে যথেষ্ট নজর দেওয়া হয় না। অনেক সময় ময়লা-আবর্জনার ভাগাড় তৈরি হয়ে যায়, যা মানসিক প্রশান্তিও নষ্ট করে। প্রশাসনের কাছে আমার বার্তা, ক্যাম্পাসটি নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং যেখানে-সেখানে আবর্জনা জমতে না দিতে বিশেষ নজর দিতে হবে। আমাদের মতো ছোট ক্যাম্পাসে ফুলের গাছ লাগাতে হবে, কারণ সুন্দর ও সবুজ পরিবেশই শিক্ষার্থীদের মানসিক পরিতৃপ্তি এনে দিতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যান্টিনে নিম্নমানের খাবার পরিবেশন করা হয়, যা শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ, তাই ক্যান্টিনের খাবারের মান উন্নত করতে এবং নিয়মিত তদারকি করতে হবে। ক্যাম্পাসে বিশুদ্ধ ও নিরাপদ খাবার পানির সুব্যবস্থা থাকা শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকার, তাই এ বিষয়ে প্রশাসনকে অবশ্যই আন্তরিক হতে হবে। একই সাথে ডেঙ্গুর প্রকোপ কমাতে ফগার মেশিনের মাধ্যমে নিয়মিত স্প্রে করতে হবে, যাতে আমরা নিশ্চিন্তে ক্যাম্পাসে সময় কাটাতে পারি। পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে নিয়মিত সেমিনার, কর্মশালা বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে, যাতে কেউ মনের কথা বলতে সংকোচ না করে। কারণ সুস্থ পরিবেশ আর সচেতন মনই পারে একটি সুন্দর ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে। অব্যক্ত অবসাদ ও অকাল বিদায়ের বেদনা লেখা: তামান্না ফেরদৌসী, শিক্ষার্থী, সমাজকর্ম বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় একটি ভাঙা মন নিয়ে আর যাই হোক, অন্তত বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে বেঁচে থাকা যায় না.. আর এই কঠিন সত্যটিই আজ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রতিটি শিক্ষার্থীর প্রাণের উপলব্ধি। সম্প্রতি ক্যাম্পাসের চারুকলা অনুষদের মেধাবী শিক্ষার্থী অনিক চন্দ্র পালের অকাল ও বেদনাদায়ক বিদায় জবিয়ানদের মনে এক গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে। যে হাত ক্যানভাসে রঙের জাদুতে জীবন ফুটিয়ে তুলত, সেই হাতই এক বুক নীরব অভিমান আর তীব্র মানসিক অবসাদের কাছে হেরে গিয়ে আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছে। এই নির্মম ট্র্যাজেডি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, শরীর ভালো থাকলেও যদি মন বিষণ্ণতার অতল গহ্বরে তলিয়ে যায়, তবে জীবনই থমকে যায়। বেঁচে থাকার জন্য এবং স্বপ্নের আঙিনায় ডানা মেলার জন্য একটি সুস্থ মন সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি। বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসে জবি প্রশাসনের প্রতি শিক্ষার্থীদের আকুল আবেদন ক্যাম্পাসে মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা ও নিবিড় কাউন্সিলিং সেবা আরও জোরদার করা হোক। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য পেশাদার মানসিক সহায়তা পাওয়ার পথকে সম্পূর্ণ সংকোচহীন, সহজলভ্য ও আন্তরিক করে তোলা এখন সময়ের দাবি। প্রশাসন যদি প্রতিটি শিক্ষার্থীর মনের নীরব হাহাকার শোনার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং অবসাদ দূর করতে নিয়মিত মনস্তাত্ত্বিক সেমিনারের আয়োজন করে, তবে আর কোনো প্রাণ এভাবে অকালে ঝরে পড়বে না। "মানসিক স্বাস্থ্য কোনো বিলাসিতা নয়, এটি বেঁচে থাকার মৌলিক অধিকার" এই চিরন্তন সত্যকে ধারণ করে জবি প্রশাসন শিক্ষার্থীদের মানসিক সুরক্ষায় দ্রুত ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেবে, এটাই প্রতিটি জবিয়ানের বুকভরা প্রত্যাশা। ​হাসিমুখের আড়ালে লুকিয়ে থাকা নীরব হাহাকার লেখা: নুসাইবা আনজুমান, শিক্ষার্থী, দর্শন বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমি মনে করি, সুস্থ থাকার অর্থ শুধু শারীরিকভাবে ভালো থাকা নয়, বরং মানসিকভাবেও ভালো থাকা। আমরা শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন ক্লাস, পরীক্ষা, অ্যাসাইনমেন্ট, ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা এবং ব্যক্তিগত নানা সমস্যার মধ্য দিয়ে যাই। অনেক সময় বাইরে থেকে আমাদের স্বাভাবিক ও হাসিখুশি মনে হলেও ভেতরে ভেতরে আমরা কতটা মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি, তা কেউ বুঝতে পারে না। কখনো ভালো ফলাফলের প্রত্যাশা, কখনো পরিবারের স্বপ্ন পূরণের চাপ, আবার কখনো নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা আমাদের নীরবে ক্লান্ত করে তোলে। সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো, মানসিকভাবে ভেঙে পড়লেও অনেকে নিজের অনুভূতির কথা কাউকে বলতে পারে না; যদি কেউ দুর্বল ভাবে, সেই ভয়ও কাজ করে। অথচ আমাদেরও মন খারাপ হয়, হতাশা আসে, কখনো একটু সহমর্মিতা আর নির্ভরতার প্রয়োজন হয়। যদি আমি নিজের ব্যক্তিগত জীবনের কথা বলি , তাহলে কিছুদিন আগেও আমি মানসিক চাপে ছিলাম যে কারণে খুব বাজে চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল । আল্লাহর ইবাদত করে, ব্যক্তিগত কাউন্সিলিং, বন্ধুদের সাহায্যে আলহামদুলিল্লাহ অনেকটাই সুস্থ আছি এখন। আজ বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আমার অনুরোধ, শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টিকে যেন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে সহজলভ্য ও গোপনীয় কাউন্সেলিং সেবা চালু করা, নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম আয়োজন করা এবং শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। আমি চাই, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এমন একটি জায়গা হয়ে উঠুক, যেখানে একজন শিক্ষার্থী শুধু ভালো ফলাফল করার জন্য নয়, মানুষ হিসেবেও ভালো থাকার সুযোগ পাবে। কারণ, প্রতিটি শিক্ষার্থীর হাসির পেছনে যেমন স্বপ্ন থাকে, তেমনি কিছু না-বলা কষ্টও থাকতে পারে। সেই কষ্টগুলো বোঝার মতো একটি সহমর্মী পরিবেশই আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। ​রাষ্ট্রীয় অবহেলা, কুসংস্কার এবং জবিয়ান জীবনের জটিল বাস্তবতা ​লেখা: ফারিহা মল্লিক, শিক্ষার্থী, দর্শন বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস, যা পালন করা হয় প্রতিবছর ১০ ই অক্টোবর। কিন্তু বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার মাঝে আসলেই কি মূল বিষয়ে নজর দেওয়া হচ্ছে? পরিসংখ্যান বলে দেশের ৯২ শতাংশ মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত রোগী প্রয়োজনীয় চিকিৎসার বাইরে। এটা কি শুধু আমাদের রাষ্ট্রীয় ব্যাবস্থার সমস্যা না আমাদের নিজেদের সচেতনতার অভাব? বিষয় টা এমন না যে আমাদের চিকিৎসা খাতে মানসিক রোগের চিকিৎসা দেওয়ার মতো স্বয়ংসম্পূর্ণতা আছে আবার আমাদের দেশের বিভিন্ন কুসংস্কার, ওঝা, ঝাড়ফুঁক, কবিরাজ, অসচেতনতা'র আড়ালে মানসিক স্বাস্থ্য বা মানসিক সমস্যা বলতে যে বিষয়গুলো বোঝায় তা হারিয়ে যায়।  এবার আসি মানসিক সমস্যা বা মানসিক রোগ কিভাবে সৃষ্টি হয়। জন্ম থেকেই কেও এই ধরনের সমস্যা নিয়ে জন্মায় না। পৃথিবীর বিভিন্ন বিষয় অবলোকন করতে গিয়ে এবং বিভিন্ন অভিজ্ঞতার স্বীকার হতে হতে মানুষ এর নিজের ইচ্ছা বা নিজের নীতি বিরোধী অনেক কিছু যখন তার সামনে ঘটতে থাকে এবং যখন সে এই বিষয়গুলোকে আর ঠিক ভাবে মানিয়ে নিতে পারে না তখনই তার মানসিক সমস্যা শুরু হয় এবং এভাবে একটা পর্যায়ে যাওয়ার পর তার সমস্যা বিভিন্ন রোগ এ পরিণত হয় এবং তার চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। একজন বাংলাদেশি এবং দেশপ্রেমী হলে দেশের বিভিন্ন অবস্থা অবলোকন করতে গিয়ে মানসিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় আবার যেহেতু আমি একজন জবিয়ান হিসেবে লিখছি তাই আমার এবং আমাদের ক্ষেত্রে বিষয় টা আরও জটিল। প্রশাসন কি করতে পারে বা পারবে এ বিষয়ে তা জানিনা তবে, আবেদন থাকবে যে, একজন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থী হিসেবে যে সুবিধা এবং প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো পাওয়ার কথা তার সব না হলেও যেন অধিকাংশ নিশ্চিত করে আমাদের পড়াশোনার যোগ্য পরিবেশ গড়ে তোলা হয়। সর্বোপরি, এবারের মানসিক স্বাস্থ্য দিবসে প্রত্যাশা থাকবে যেন একদম মূল থেকে সর্বোচ্চ পর্যন্ত সবাই যেন এ বিষয়ে সচেতন হতে পারি এবং করতে পারি আর নিজেরা ভালো থাকি এবং অপরকে ভালো রাখি। ​মার্কশিটের ভিড়ে মানুষের অস্তিত্বের মূল্যায়ন ​লেখা: অহিদুজ্জামান রোহান, শিক্ষার্থী, মনোবিজ্ঞান বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর হাতে বই থাকে, কাঁধে থাকে ভবিষ্যতের বোঝা, আর মনের ভেতর জমতে থাকে অসংখ্য অপ্রকাশিত গল্প। পরীক্ষার খাতায় নম্বরের হিসাব হয়, কিন্তু সেই নম্বরের পেছনে হারিয়ে যাওয়া ঘুমের হিসাব কে রাখে? একটি খারাপ ফলাফল কখনো কখনো একজন শিক্ষার্থীর কাছে নিজের যোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন তোলার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অথচ একটি ফলাফল কখনোই একটি মানুষের সম্পূর্ণ সম্ভাবনার প্রতিচ্ছবি হতে পারে না। আমরা শিক্ষার্থীদের জিজ্ঞেস করি, “ভবিষ্যতে কী হবে?” কিন্তু খুব কমই জিজ্ঞেস করি, “বর্তমানে কেমন আছো ?” প্রতিযোগিতার এই পৃথিবীতে সবাইকে এগিয়ে যেতে বলা হয়, অথচ পিছিয়ে পড়লে পাশে থাকার মানুষ ক্রমেই কমে যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের সাফল্য দেখতে দেখতে অনেকেই নিজের জীবনের স্বাভাবিক গতিকেও ব্যর্থতা ভাবতে শুরু করে। কেউ নীরব হয়ে যায়, কেউ অতিরিক্ত হাসে, কেউবা স্বাভাবিক থাকার অভিনয় করতে করতেই ভেতরে ভেতরে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। মনে রাখতে হবে, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হওয়া দুর্বলতার পরিচয় নয়; সাহায্য চাওয়া বরং নিজের প্রতি দায়িত্বশীলতার প্রকাশ। একজন শিক্ষার্থীর প্রয়োজন শুধু ভালো শিক্ষক কিংবা উন্নত পাঠ্যক্রম নয়, প্রয়োজন এমন একটি পরিবেশ, যেখানে তার অনুভূতিও গুরুত্ব পায়। যেখানে কান্না লুকাতে হয় না, ব্যর্থতা নিয়ে লজ্জিত হতে হয় না, আর নিজের কষ্ট প্রকাশ করার জন্য কাউকে বিচার সহ্য করতে হয় না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেবল মেধা তৈরির কারখানা নয়, বরং সুস্থ মানুষ গড়ে ওঠারও আশ্রয় হওয়া উচিত। এই বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হোক, শুধু সাফল্যের গল্প শুনব না, সংগ্রামের গল্পগুলোকেও জায়গা দেব। কারণ প্রতিটি শিক্ষার্থী প্রথমে একজন মানুষ, তারপর একজন পরীক্ষার্থী; তার অস্তিত্বের মূল্য কোনো মার্কশিটের চেয়ে বড়। চলুন, এমন একটি প্রজন্ম গড়ে তুলি, যারা শুধু ভালো ফলাফল করতে নয়, ভালো থাকতেও শিখবে। ​প্রাতিষ্ঠানিক গুরুত্ব এবং সহমর্মিতাপূর্ণ পরিবেশের তাগিদ লেখা: নাহিসা আক্তার ফাতেমা, শিক্ষার্থী, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমি মনে করি, শারীরিক সুস্থতার মতো মানসিক সুস্থতাও আমাদের জীবনের অপরিহার্য অংশ। কারণ একজন শিক্ষার্থী শুধু বই, পরীক্ষা কিংবা ফলাফলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; তারও নানা অনুভূতি, দুশ্চিন্তা, অনিশ্চয়তা ও ব্যক্তিগত লড়াই রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়জীবন একদিকে যেমন স্বপ্ন পূরণের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করে, অন্যদিকে পড়াশোনার চাপ, ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা, পারিবারিক প্রত্যাশা, আর্থিক সীমাবদ্ধতা ও সম্পর্কের টানাপোড়েন অনেক সময় শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তোলে। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, অনেক শিক্ষার্থী নিজের ভেতরের কষ্টগুলো আড়াল করে স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করে, কারণ আমাদের সমাজে মানসিক সমস্যাকে এখনো অনেক ক্ষেত্রে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয় না। বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আমার প্রত্যাশা, শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতাকে প্রাতিষ্ঠানিক গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি বিদ্যমান কাউন্সেলিং সেবাকে আরও সহজলভ্য, পরিচিত ও কার্যকর করা হোক। একই সঙ্গে এমন একটি সহমর্মিতাপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তোলা প্রয়োজন, যেখানে একজন শিক্ষার্থী বিচারিত হওয়ার ভয় ছাড়াই নিজের সমস্যার কথা বলতে পারবে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা পাবে। আমি বিশ্বাস করি, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্য শুধু শিক্ষার্থীদের অর্জন কিংবা ফলাফলে নয়, বরং তারা কতটা সুস্থ, নিরাপদ ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারছে, তার মধ্যেও প্রতিফলিত হয়। শিক্ষার্থীদের মনের যত্ন নেওয়া কোনো অতিরিক্ত দায়িত্ব নয়; বরং তাদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আরটিভি/ এসকেডি
শিক্ষার্থীদের অদৃশ্য লড়াই ও মানসিক স্বাস্থ্যের সংকট: প্রয়োজন এক সহমর্মী ক্যাম্পাস
রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে আম্মারের কটূক্তি, প্রতিবাদে রাকসুতে পোস্টার সাঁটাল ছাত্রদল
রবীন্দ্রসংগীতকে ব্যঙ্গ করে ‘রঠা সংগীত’ নামে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার। ভিডিওতে তিনি ব্যঙ্গাত্মকভাবে রবীন্দ্রসংগীত উপস্থাপন করেছেন।
রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে আম্মারের কটূক্তি, প্রতিবাদে রাকসুতে পোস্টার সাঁটাল ছাত্রদল
নজরুল কলেজে ইংরেজি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির কবি নজরুল সরকারি কলেজ ক্যাম্পাস ইংরেজি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা (ফেয়ারওয়েল) অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
নজরুল কলেজে ইংরেজি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
আরও পড়ুন
এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য আসছে প্রধানমন্ত্রীর নতুন পলিসি
‘স্থপতিদের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, কর্মসংস্থান ও উচ্চশিক্ষার পথ সহজ করতে চায় সরকার’
জাতিসংঘে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রার বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন
সরকারের নাম ভাঙিয়ে অপকর্ম করলে বিন্দুমাত্র ছাড় নয়: মাহদী আমিন