ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

আলিম পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ মে ২০২৬, ০৯:১৮ এএম
ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের আলিম পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করেছে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড।

শনিবার (২ মে) বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী ২ জুলাই থেকে এই পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। সূচি অনুযায়ী, পরীক্ষার প্রথম দিন বৃহস্পতিবার পরীক্ষার্থীরা ‘কুরআন মাজিদ’ বিষয়ে অংশগ্রহণ করবেন।

তত্ত্বীয় পর্যায়ের সৃজনশীল ও বহুনির্বাচনী পরীক্ষাগুলো চলবে আগামী ৮ আগস্ট পর্যন্ত। এরপর ৯ আগস্ট থেকে ১৪ আগস্টের মধ্যে সকল ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বর ১৫ আগস্টের মধ্যে অনলাইনে বোর্ডে পাঠাতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন

পরীক্ষার্থীদের জন্য বোর্ড বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করেছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীকে নিজ আসনে উপস্থিত হতে হবে। প্রথমে বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) এবং পরবর্তীতে সৃজনশীল বা রচনামূলক (সিকিউ) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এই দুই অংশের পরীক্ষার মাঝখানে কোনো বিরতি থাকবে না। প্রতিটি অংশে পরীক্ষার্থীকে আলাদাভাবে পাস করতে হবে।

পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন বা কোনো ধরণের প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর সঙ্গে রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে পরীক্ষার্থীরা সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবেন। কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কেবল জরুরি প্রয়োজনে একটি নন-অ্যান্ড্রয়েড বা বাটন মোবাইল ফোন ব্যবহার করার অনুমতি পাবেন।

পরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ মাদ্রাসা থেকে পরীক্ষা শুরুর অন্তত সাত দিন আগে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, বিশেষ প্রয়োজনে কর্তৃপক্ষ এই সময়সূচিতে যেকোনো পরিবর্তন আনার অধিকার সংরক্ষণ করে। সুশৃঙ্খলভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেছে বোর্ড কর্তৃপক্ষ।

মাদরাসা বোর্ডের দেওয়া নির্দেশনাগুলি হলো—

পরীক্ষা শুরুর ৩০ (ত্রিশ) মিনিট পূর্বে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদেরকে পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে; প্রথমে বহুনির্বাচনি ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে; ৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনি (MCQ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট, ব্যবহারিক বিষয় সম্বলিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে ২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনি অংশের জন্য সময় ২৫ মিনিট এবং ৫০ নম্বরের সৃজনশীল অংশের জন্য সময় ২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট; পরীক্ষা বিরতিহীনভাবে প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় পর্যন্ত চলবে। বহুনির্বাচনি এবং সৃজনশীল উভয় অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।

পরীক্ষা কক্ষে প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র বিতরণ: সকাল ১০টা থেকে অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে— সকাল ৯.৩০ মিনিটে অলিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনি ওএমআরা শিট বিতরণ; সকাল ১০.০০টা বহুনির্বাচনি প্রশ্নপত্র বিতরণ; সকাল ১০.৩০ মিনিটে বহুনির্বাচনি উত্তরপত্র সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ (২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনি পরীক্ষার ক্ষেত্রে এ সময় ১০.২৫ মিনিট এবং ৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনি পরীক্ষার ক্ষেত্রে এ সময় ১০.৩০ মিনিট)।

পরীক্ষার্থীগণ তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ মাদরাসা প্রধানের নিকট হতে পরীক্ষা শুরু হওয়ার কমপক্ষে ৭ (সাত) দিন পূর্বে সংগ্রহ করবেন; প্রত্যেক পরীক্ষার্থী সরবরাহকৃত মূল উত্তরপত্র এবং MCQ-OMR ফরমে তার পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয়কোড ইত্যাদি যথাযথভাবে লিখে কালো কালির বলপয়েন্ট কলম দ্বারা বৃত্ত ভরাট করবে। কোনভাবেই মার্জিনের মধ্যে লেখা কিংবা অন্য কোন প্রয়োজনে উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না; ব্যবহারিক সম্বলিত বিষয়ে তত্ত্বীয়, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে।

প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবল রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশপত্রে উল্লিখিত বিষয়/বিষয়সমূহের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। কোনো অবস্থাতেই অন্য বিষয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না। ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা স্ব-স্ব কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। তবে কেন্দ্রস্থিত মাদরাসায় বিজ্ঞান বিভাগ না থাকলে বিজ্ঞান বিভাগ আছে এমন নিকটস্থ মাদরাসায় ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে: পরীক্ষার্থীগণ পরীক্ষায় সাধারণ সাইন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে। প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যতীত অন্য কেউ পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে ও ব্যবহার করতে পারবেন না। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যোগাযোগের প্রয়োজনে সাধারণ (নন-এনড্রয়েড) মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন; তত্ত্বীয়/সৃজনশীল/বহুনির্বাচনি, ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষায় একই স্বাক্ষরলিপি ব্যবহার করতে হবে। পরীক্ষার্থীর স্বাক্ষরলিপি পরীক্ষায় তার উপস্থিতির নির্ভরযোগ্য দলিল হিসাবে বিবেচিত হবে; মুজাব্বিদ মাহির বিভাগের কিরআতে তারতিল (বিষয় কোড-২৩৪) ও কিরআতে হাদর (বিষয় কোড-২৩৫) এর মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে; পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর বোর্ড নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্তরপত্র পুনরায় নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যাবে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মাভাবিপ্রবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। 
মাভাবিপ্রবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন
হাবিপ্রবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি)।  
হাবিপ্রবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
‘আজ যা কিছু সুন্দর, যা কিছু সফল; সমস্ত অবদান জিয়াউর রহমানের’
‘আজ যা কিছু সুন্দর, যা কিছু সফল, তার সমস্ত অবদান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের’ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।  তিনি বলেন, ৭ নভেম্বর না ঘটলে বাংলাদেশ নামের দেশটির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব থাকত না। এমনকি বাংলাদেশ হয়ত অন্য কোনো দেশের প্রদেশ হিসেবে পরিচিত হতো।  শনিবার (৭ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ছাত্রদলের দুই দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। উপাচার্য বলেন, ৭ নভেম্বর না ঘটলে বাংলাদেশ নামক দেশটির স্বাধীনতা থাকত না। সার্বভৌমত্ব থাকত না এবং একই সাথে এটি অন্যের প্রদেশের অন্য দেশের দেশ হিসেবে হয়ত আমাদের পরিচিত হতে হতো। মাওলা রাব্বুল আলামীনের কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। সেই দিনটি আজকে ৭ নভেম্বর। আজকে সেই বিপ্লব এবং সংহতি দিবস। জিয়াউর রহমানকে রাষ্ট্রের দায়িত্বে বসানোর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের পরিবর্তন সূচিত হয়। ওই সময় দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। দেশি-বিদেশি আধিপত্যবাদ, পাল্টাপাল্টি অভ্যুত্থান এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে ৩ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত দেশ চরম দুর্বিষহ সময় পার করেছে। তিনি আরও বলেন, তৎকালীন সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বন্দি করা হয়েছিল। পরে সিপাহি ও জনতা একসঙ্গে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে এবং জাতির প্রয়োজনে রাষ্ট্রের দায়িত্বে বসায়। অনেকে ৭ নভেম্বরের ঘটনাকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটি ছিল সিপাহী জনতার বিপ্লব এবং সবাই সংহতি প্রকাশ করে সবাই মিলে এক কাজে কাঁধ মিলে তাকে নিয়ে আসে। সেটি ছিল ৭ নভেম্বর। জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শনের কথা তুলে ধরে উপাচার্য বলেন, বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধারণা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। এই পরিচয়ের মধ্যে বাঙালির পাশাপাশি চাকমা, মারমা, মগ, মুরং, গারো ও খাসিয়াসহ দেশের সব জাতিগোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম আরও বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে উন্নয়নের শীর্ষে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করেছেন। তার হাত ধরেই তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও স্বনির্ভরতার পথে এগিয়েছে। দেশের বর্তমান উন্নয়নের পেছনেও তার অবদান রয়েছে। জিয়াউর রহমানের হাত ধরে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরে এসেছে। তার মতে, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের রাজনীতির সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রেও জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ছিল। ৭ নভেম্বরকে জাতীয় ঐক্য ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা এই দিনটিকে ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই। এই দিনটি আমাদেরকে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে দেখতে হবে। এই দিনটি একটি দিন না। এই দিনটি একদিন মনে রাখলে হবে না। এই দিনটি প্রতিটি মুহূর্তে মনে রাখতে হবে। বাংলাদেশ আমার সবার আগে বাংলাদেশ।’ বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।  আরটিভি/এসকে
‘আজ যা কিছু সুন্দর, যা কিছু সফল; সমস্ত অবদান জিয়াউর রহমানের’
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ইবি জিয়া পরিষদের শুভেচ্ছা
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেশবাসী, সরকার, বাহিনী ও সাধারণ জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা জিয়া পরিষদ।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ইবি জিয়া পরিষদের শুভেচ্ছা
শহীদ জিয়ার প্রতিষ্ঠাকালীন লক্ষ্য-আদর্শে ইবিকে পুনঃপ্রতিষ্ঠায় কাজ চলছে: উপাচার্য
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সেই মূল লক্ষ্য ও আদর্শে বিশ্ববিদ্যালয়কে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান।
শহীদ জিয়ার প্রতিষ্ঠাকালীন লক্ষ্য-আদর্শে ইবিকে পুনঃপ্রতিষ্ঠায় কাজ চলছে: উপাচার্য
আরও পড়ুন
অনলাইন ও মোবাইলে যেভাবে জানা যাবে আলিম পরীক্ষার ফল
আলিম পরীক্ষার কন্ট্রোল রুম স্থাপন
আলিম পরীক্ষায় সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ
আলিম পরীক্ষার কেন্দ্র নিয়ে নতুন নির্দেশনা