ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

আন্দোলনরত এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের যে আশ্বাস শিক্ষামন্ত্রীর

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৫ পিএম
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছবি: সংগৃহীত

আন্দোলনরত এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফেরার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষার্থীদের অনুরোধ যার যার পড়ার টেবিলে ফিরে যাক। সঠিকভাবে পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন। আমি আশ্বাস দিচ্ছি যেসব কেন্দ্রে ভুল-ত্রুটি হয়েছে সেখানে পুনরায় পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এদিন শফিকুল ইসলাম মাসুদ শিক্ষামন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন, গতকাল যেসব এইচএসসি পরীক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের বিশেষ মূল্যায়ন সহায়তা ব্যবস্থা এবং যেসব কেন্দ্র এখনো পানির নিচে, সে বিষয়ে বিকল্প ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কি না, একই সঙ্গে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফেরাতে কী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে?

আরও পড়ুন


জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, বর্ষা মৌসুমে পরীক্ষা নিয়ে আমরা সবাই উদ্বিগ্ন। আমরা সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ে ছিলাম এবং আছি। যেসব কেন্দ্রে পানি উঠেছে তাৎক্ষণিক আমরা কেন্দ্র সরিয়ে দিয়েছি। স্থানীয় প্রশাসনকে এই দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এ যাবৎ শুধু কুমিল্লা সরকারি কলেজের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তাছাড়া অন্যান্য যেসব গুটি কয়েক কেন্দ্রে সমস্যা হয়েছে, সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্র পাল্টানো হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সুবিধা দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা মনে করি, যেসব শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের শুধরে দেয়া বিরাট কোনো কাজ নয়। কারণ আমরা অনেক জায়গায় পরীক্ষা বন্ধ করেছি, আবার তাদের পরীক্ষা নেবো। আমরা পর্যলোচনা করছি, যদি কোথাও প্রশাসনের দুর্বলতার কারণে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি ওঠার পর শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে না পারে। তাহলে এই জরিপটা পেলে আমরা পুনরায় পরীক্ষাও নিতে পারি।

এসময় শিক্ষামন্ত্রী জানান, বর্ষা মৌসুম এড়াতে পরীক্ষা কীভাবে এগিয়ে নেয়া যায়, তা নিয়ে কাজ করছে সরকার। ২০২৭ সালে এসএসসি থেকে বেজ ধরে ধীরে ধীরে এগিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এ বছরও এক মাস এগোনো হয়েছে। ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে শিক্ষাবর্ষ আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। সিলেবাস কীভাবে শেষ করবে সে বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীকে ১ টাকা জরিমানা, জমা দিতে যেতে হয় ব্যাংকে
মাত্র ১ টাকা জরিমানা, অথচ তা পরিশোধ করতে যেতে হলো ব্যাংকে, দাঁড়াতে হলো লাইনে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান গ্রন্থাগার থেকে বই জমা দিতে দেরি হওয়ায় এক শিক্ষার্থীর এমন অভিজ্ঞতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নাবিলা হক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার এক টাকা জরিমানা হওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরলে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। জানা গেছে, প্রায় ৫০ বছরের পুরোনো নিয়মে এখনো ব্যাংকের মাধ্যমে জরিমানা আদায় করা হচ্ছে। তবে এ প্রক্রিয়া অনলাইনে চালুর উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার পরিচালক। পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাবিলা হক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখেন, ‌ঢাকা ইউনিভার্সিটি লাইব্রেরি একটা বই ৮-৯ দিন দেরিতে জমা দেওয়ার কারণে আমাকে ১ টাকা জরিমানা করেছে! এখন আমাকে টিএসসি জনতা ব্যাংকে যেতে হবে, লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে, আর তারপর একটা মাত্র কয়েন দিয়ে সেই জরিমানা পরিশোধ করতে হবে। তিনি লেখেন, আমি পূজার ছুটির আগে বিজ্ঞান গ্রন্থাগার থেকে বই নিয়েছিলাম। বই ফেরত দেওয়ার শেষ সময় ২২ তারিখ থাকলেও আমি পরের মাসের ৩ তারিখে বই জমা দিতে যাই। তখন ২২ তারিখ থেকে হিসাব করে আমাকে ১ টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি আরও লেখেন, আমার হল কাছে, তাই ব্যাংকে টাকা দিতে আমার অতটা প্যারা হয়নি। কিন্তু জিনিসটা বেশ অদ্ভুত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারের পরিচালক অধ্যাপক ড. কাজী মোস্তাক গাউসুল সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আসলে আমারও জানা ছিল না এক টাকা হলেও ব্যাংকে দিতে হয়। এই জরিমানায় নিয়ম অনেক পুরোনো। আমি কাগজ ঘেঁটে দেখলাম ১৯৭৫ সাল বা স্বাধীনতার আগ থেকেই এই নিয়ম রয়েছে। আমাদের সামনে লাইব্রেরি কমিটির মিটিংও আছে, আমি কথা বলব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। এটা যেহেতু সামান্য অর্থ, আমরা হয়তো অনলাইনে নিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করব। তিনি বলেন, গ্রন্থাগারে বই নির্ধারিত সময়ের পর জমা দেওয়া কিংবা হারিয়ে ফেললে বিভিন্ন নিয়ম আছে। বইটা যদি খুব সাম্প্রতিক হয়, তাহলে বইয়ের দাম দিলেই হয়। কিন্তু বইটা যদি ১৯৬০ সালের হয়, ওখানে দাম লেখা আছে ৫০ পয়সা। তাহলে এইটার জন্য আমাদের ভিন্ন নিয়ম আছে। আরটিভি/টিআর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীকে ১ টাকা জরিমানা, জমা দিতে যেতে হয় ব্যাংকে
এমপিওভুক্ত হলেন ৩৭৬ শিক্ষক-কর্মচারী
দেশের বিভিন্ন বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত আরও ৩৭৬ জন শিক্ষক-কর্মচারী নতুন করে এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। একই সঙ্গে ১ হাজার ৫৯৪ শিক্ষককে বিএড স্কেল এবং ৫ হাজার ৪৭৪ শিক্ষককে উচ্চতর গ্রেড বা টাইম স্কেল দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এমপিওভুক্ত হলেন ৩৭৬ শিক্ষক-কর্মচারী
যবিপ্রবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে টার্গেট করে প্রতারণার চেষ্টা, দাবি করা হচ্ছে বড় অঙ্কের টাকা
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে প্রতারণার চেষ্টা করছে একটি চক্র। বিকাশ, নগদ ও রকেটের এজেন্ট কিংবা স্থানীয় দোকানদারের পরিচয় ব্যবহার করে ফোনে জাল নোট লেনদেনের অভিযোগ তোলা হচ্ছে। পরে থানায় মামলা করার হুমকি দিয়ে চক্রটি দাবি করছে বড় অঙ্কের টাকা।
যবিপ্রবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে টার্গেট করে প্রতারণার চেষ্টা, দাবি করা হচ্ছে বড় অঙ্কের টাকা
বেরোবিতে ‘নবম বাংলাদেশ মার্কেটিং দিবস’ উদ্‌যাপন
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) মার্কেটিং বিভাগের আয়োজন এবং ‘মার্কেটার্স ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ’ (এমআইবি)-এর উদ্যোগে জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে পালিত হয়েছে ‘নবম বাংলাদেশ মার্কেটিং দিবস’।
বেরোবিতে ‘নবম বাংলাদেশ মার্কেটিং দিবস’ উদ্‌যাপন
রাবিতে ব্যাডমিন্টন কোর্ট তৈরি নিয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ
ব্যাডমিন্টন খেলার কোর্ট তৈরি নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই বিভাগের তিন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।  আহত শিক্ষার্থীরা হলেন— নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের মো. আলী চৌধুরী আবিদ ও শাওন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের তানভীর হোসাইন। প্রত্যক্ষদর্শী ও দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভবনটির সামনে ব্যাডমিন্টন খেলার কোর্ট তৈরি নিয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়।  এক পক্ষের দাবি, কয়েক দিন আগে তারা সেখানে কোর্ট তৈরির জন্য বাঁশ পুঁতে জায়গা নির্ধারণ করে রেখেছিলেন। পরে অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা একই জায়গায় কোর্ট তৈরির উদ্যোগ নিলে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। একপর্যায়ে কথাকাটাকাটি থেকে মারামারির ঘটনা ঘটে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের আহত এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, ঘটনার সময় অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা দলবদ্ধ হয়ে তাদের ওপর হামলা চালান। এ সময় ব্যাডমিন্টন কোর্টের বাঁশ দিয়ে তাকে আঘাত করা হয়। এতে তার নাক ও চোখের নিচে আঘাত লাগে এবং নাক দিয়ে রক্তপাত হয়। পরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।  ওই শিক্ষার্থীর দাবি, কয়েক দিন আগে তারা সেখানে কোর্ট তৈরি করেছিলেন। অন্য পক্ষের কোর্ট তৈরির দাবির পক্ষে কোনো দৃশ্যমান চিহ্ন বা প্রমাণ ছিল না। অন্যদিকে নৃবিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা কোর্ট তৈরি করব বলে সেখানে বাঁশ পুঁতে জায়গাটি নির্ধারণ করে রেখেছিলাম। কিছুদিন আগে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অ্যালামনাই অনুষ্ঠানের কারণে সেখানে আরও কিছু বাঁশ পোঁতা হয়। পরে অনুষ্ঠান শেষে তাদের বাঁশের সঙ্গে আমাদের বাঁশও তুলে নেওয়া হয়। এরপর আমাদের নির্ধারিত জায়গায় তারা কোর্ট তৈরি করতে চায়। বিষয়টি জানালে তারা মেনে নেওয়ার কথা বলে।  ‘কিন্তু আজ আমাদের বিভাগের কয়েকজন জুনিয়র কোর্ট তৈরি করতে গেলে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ১৫-২০ জন শিক্ষার্থী তাদের সঙ্গে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে মারধর করেন। পরে প্রক্টর স্যার এসে বিষয়টি মীমাংসা করলে আমরা চলে যেতে চাই। এ সময় আবারও আমাদের ওপর হামলা করা হয়।’ এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক এএইচএম খুরশিদ আলম বলেন, এ ঘটনায় মোট তিন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনের নাকে আঘাত লেগেছে, একজনের মাথায় সামান্য ক্ষত হয়েছে এবং অন্যজনের হাতে ব্যথা পেয়েছেন। আহতদের বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।  ‘হাতে আঘাত পাওয়া শিক্ষার্থীর হাড় ভাঙার আশঙ্কায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে এক্স-রে করানো হয়। তবে পরীক্ষার ফল স্বাভাবিক এসেছে। মাথায় আঘাত পাওয়া শিক্ষার্থীর ক্ষতেও ব্যান্ডেজ করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনজনই প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে নিজ নিজ আবাসস্থলে ফিরেছেন। তাদের কারও অবস্থা গুরুতর নয়।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক স্বপ্নিল রহমান বলেন, পরিস্থিতি শান্ত করতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষকদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আলোচনায় বসেছেন। এখনো ঘটনার চূড়ান্ত মীমাংসা হয়নি। আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি ঘটনার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।  আরটিভি/এসআর  
রাবিতে ব্যাডমিন্টন কোর্ট তৈরি নিয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ
আরও পড়ুন
‘কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নে চীনের সঙ্গে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি করতে হবে’
বক্তব্যের সময় ‘ট্রান্সজেন্ডার’ শব্দ ব্যবহারের বিষয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
মন্ত্রীর হাতে পুরস্কার পেলেন শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ‘মেধাবী সন্তান’, গবেষকদের ভাগ্যে জুটল ফটোসেশন
১ জানুয়ারি নয়, ২৪ ডিসেম্বরই নতুন পাঠ্যবই পাবে শিক্ষার্থীরা