ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে মাউশির নির্দেশনা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৩২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতাধীন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সরকারি নির্দেশিকা কঠোরভাবে মেনে চলার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন উইংয়ের এক চিঠিতে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এতে বলা হয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)’ এবং সরকারি আচরণবিধি মেনে চলা সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য বাধ্যতামূলক। অধিদপ্তর ও এর আওতাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোতে কর্মরত শিক্ষা পরিবারের সদস্যরা এ নির্দেশিকা যথাযথভাবে অনুসরণ করছেন কি না, তা নিবিড়ভাবে পরিবীক্ষণের লক্ষ্যে মাউশির উদ্যোগে ইতোমধ্যে একটি ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মনিটরিং কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

নির্দেশনায় বলা হয়, মাউশি অধিদপ্তরের আওতাধীন শিক্ষা পরিবারের কোনো সদস্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারি নির্দেশিকা পরিপন্থী, আপত্তিকর, বিভ্রান্তিকর, অসত্য, নেতিবাচক কিংবা দাপ্তরিক শৃঙ্খলা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে, এমন কোনো স্ট্যাটাস, মন্তব্য, ছবি, ভিডিও, পোস্ট বা অন্য কোনো কনটেন্ট প্রকাশ কিংবা প্রচারের বিষয় নজরে এলে, তা যথাযথভাবে সংরক্ষণপূর্বক অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মনিটরিং কমিটির আহ্বায়ককে ই-মেইলের ([email protected]) মাধ্যমে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।

অবহিতকরণের ক্ষেত্রে যে তথ্যসমূহ সংযুক্ত করতে বলা হয়েছে, এগুলো হচ্ছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নাম, পদবি ও কর্মস্থল; সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নাম ও সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট বা প্রোফাইলের লিংক; পোস্ট বা স্ট্যাটাস প্রকাশের তারিখ ও সময়; সংশ্লিষ্ট পোস্ট বা স্ট্যাটাসের স্ক্রিনশটসহ অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য-প্রমাণ।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৭ দফা দাবিতে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন
২০২১-২০২২ থেকে ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করে এবং পরীক্ষা শেষে নির্ধারিত সময়ে ফলাফল প্রকাশসহ সাত দফা দাবি জানিয়েছে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা।
৭ দফা দাবিতে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন
ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের ব্রোঞ্জ জয়
ভারতের হায়দরাবাদে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াড এশিয়া-প্যাসিফিক ওপেন চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬’-এ ব্রোঞ্জ পদক জিতেছে বাংলাদেশের টিম ব্লুপ্রিন্ট। একই প্রতিযোগিতার ফিউচার ইনোভেটরস সিনিয়র ক্যাটাগরিতে ‘টিম অডিসি এক্স’ সপ্তম স্থান অর্জন করেছে। ২৫ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় ২৫টি দেশের ১৪৯টি দল অংশ নেয়। ব্রোঞ্জজয়ী টিম ব্লুপ্রিন্টের সদস্যরা হলেন সৈয়দ সুবেহ-সাদিক শোলক, মো. আজমাইন শাক ও সাম্মান রাহিন। ‘টিম অডিসি এক্স’-এর সদস্য আবিদা ওয়াদুদ ও সাদমান আল হক। এ ছাড়া বাংলাদেশের হয়ে ‘টিম নেবুকোডার্স’ ও ‘টিম রোবোম্যানিয়া’ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। ৯ জন প্রতিযোগীসহ ১৩ সদস্যের বাংলাদেশ দলের দলনেতা ছিলেন প্রমি নাহিদ। কোচের দায়িত্বে ছিলেন নাসির খান সৈকত। বিশ্বমঞ্চে এই সাফল্যে ভবিষ্যতের জন্য বড় অনুপ্রেরণা দেখছেন বিজয়ী ও আয়োজকরা। এর আগে গত ১৪ আগস্ট ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রংপুরে ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াড বাংলাদেশ ২০২৬-এর জাতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। ৪টি ক্যাটাগরিতে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় ৭২টি দলের ২০০-এর বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেয়। জাতীয় পর্বের ফলাফলের ভিত্তিতেই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য দলগুলো নির্বাচিত হয়। প্রতিযোগিতায় এ বছরের প্রতিপাদ্য ছিল ‘রোবট মিটস কালচার’। জাতীয় পর্বের আগে শিক্ষার্থীদের রোবোটিকসে আগ্রহী করে তুলতে জুন মাসে দেশের ৫টি জেলায় ১৪টি অ্যাকটিভেশন প্রোগ্রাম আয়োজন করা হয়। আরটিভি/টিআর
ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের ব্রোঞ্জ জয়
শিক্ষক-অধ্যক্ষদের জন্য মাউশির নতুন নির্দেশনা
শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা অর্থ নির্ধারিত খাত পরিবর্তন করে অন্য খাতে ব্যয় না করার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
শিক্ষক-অধ্যক্ষদের জন্য মাউশির নতুন নির্দেশনা
সত্য ও ন্যায়বিচারের পক্ষে অবস্থান নেওয়াই স্বাধীন গণমাধ্যমের দায়িত্ব: ইরানের রাষ্ট্রদূত
সত্য, ন্যায়বিচার ও আন্তর্জাতিক আইনের পক্ষে অবস্থান নেওয়াই স্বাধীন গণমাধ্যমের দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত ‘পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ, বিশ্ব গণতন্ত্র, নৈতিক জবাবদিহি ও আত্মসমালোচনা’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন ইরানের রাষ্ট্রদূত। ফারসি ভাষায় দেওয়া তার বক্তব্য পরে ইংরেজিতে অনুবাদ করা হয়। সেমিনারে বক্তাদের ন্যায়বিচারের পক্ষে অবস্থান এবং ইরানের জনগণের প্রতি সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ইরানের জনগণের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। দুই দেশের জনগণের বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুদ্ধ শুধু সামরিক, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বিষয়েই সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে গণমাধ্যমও গুরুত্বপূর্ণভাবে যুক্ত। তার ভাষ্য, পশ্চিমা মূলধারার গণমাধ্যমে অনেক সময় যুদ্ধের ঘটনাগুলো একপেশেভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে। স্বাধীন গণমাধ্যমের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইসরায়েল—কোনো পক্ষের হয়ে অবস্থান নেওয়া সাংবাদিকতার কাজ নয়। সত্য, ন্যায়বিচার ও আন্তর্জাতিক আইনের পক্ষে অবস্থান নেওয়াই স্বাধীন গণমাধ্যমের দায়িত্ব। আন্তর্জাতিক আইনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি প্রশ্ন রাখেন, যুদ্ধের আইন অনুযায়ী হাসপাতাল, শিশু, স্কুল, নারী ও ঐতিহাসিক স্থাপনায় হামলা কতটা বৈধ। বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন। জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, আত্মরক্ষার অধিকার আন্তর্জাতিক আইনে স্বীকৃত। ইরান নিজেদের দেশ ও জনগণকে রক্ষায় সেই অধিকার প্রয়োগ করছে। তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘ সনদের ৪২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য কোনো রাষ্ট্র হুমকি সৃষ্টি করলে নিরাপত্তা পরিষদ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে, যার মধ্যে বলপ্রয়োগের অনুমোদনও থাকতে পারে। তবে ইরানে হামলার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা পরিষদ এমন কোনো অনুমোদন দেয়নি। বেসামরিক মানুষের ওপর হামলার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ধরে নিন, আমরা সবাই সন্ত্রাসী। ইরানের শিক্ষার্থীরাও সন্ত্রাসী। তারপরও কি যুদ্ধের কোনো আইন থাকবে না? বেসামরিক মানুষের ওপর হামলা করা কি বৈধ? হাসপাতাল কিংবা শিশুদের ওপর হামলা কি বৈধ? যুদ্ধের বাস্তবতা তুলে ধরতে বিশ্বের স্বাধীন গণমাধ্যমগুলোকে ইরান সফরের আহ্বান জানান তিনি। সাংবাদিকদের সরেজমিনে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ এবং নিজেদের মতো করে যুদ্ধের পরিস্থিতি তুলে ধরার আহ্বান জানান ইরানি রাষ্ট্রদূত। উল্লেখ্য, সেমিনারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, গবেষক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
সত্য ও ন্যায়বিচারের পক্ষে অবস্থান নেওয়াই স্বাধীন গণমাধ্যমের দায়িত্ব: ইরানের রাষ্ট্রদূত
ইসরায়েলকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র নিজের আধিপত্যই ক্ষয় করছে: গেগরি জে. সিমনস
ইসরায়েলকে সমর্থন করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যাপী তার দীর্ঘদিনের আধিপত্যই ক্ষয় করছে বলে মন্তব্য করেছেন সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গেগরি জে. সিমনস। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত ‘পশ্চিম এশিয়া যুদ্ধ, বিশ্ব গণতন্ত্র, নৈতিক জবাবদিহি ও আত্মসমালোচনা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। বক্তব্যে গেগরি জে. সিমনস বলেন, পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতকে শুধু ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার সংঘাত হিসেবে দেখলে এর প্রকৃত ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বোঝা যাবে না। এর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক প্রভাব, ইসরায়েলের আঞ্চলিক কৌশল এবং আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার পরিবর্তনের বিষয়ও জড়িত। তিনি বলেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সামরিক সহযোগিতা থাকলেও দুই দেশের স্বার্থ সব ক্ষেত্রে এক নয়। যুক্তরাষ্ট্র মূলত তার দীর্ঘদিনের বৈশ্বিক নেতৃত্ব বা ‘Pax Americana’ ধরে রাখার চেষ্টা করছে। তবে পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাত সেই প্রভাবকে আরও দুর্বল করে দিচ্ছে বলে তিনি মনে করেন। ইরান প্রসঙ্গে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন বক্তব্যের সমালোচনা করেন। তার ভাষ্য, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সাফল্যের যে বয়ান দেওয়া হচ্ছে, বাস্তব পরিস্থিতি তার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। গেগরি জে. সিমনস পশ্চিমা দেশগুলোর পররাষ্ট্রনীতিতে ‘দ্বৈত মানদণ্ডের’ অভিযোগও তোলেন। বিশেষ করে ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার ও নৈতিক জবাবদিহির ক্ষেত্রে পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোর অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রসঙ্গ টেনে তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে জারি হওয়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিয়ে পশ্চিমা প্রতিক্রিয়ার তুলনা করেন। তার দাবি, আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োগে রাষ্ট্রভেদে ভিন্ন মানদণ্ড দেখা যাচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতৃত্বের সমালোচনা করে তিনি বলেন, গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকারের কথা বলা হলেও পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের ক্ষেত্রে এসব নীতির প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর ইসরায়েল যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে, সেটিকে বৃহত্তর আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক লক্ষ্য বাস্তবায়নের সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন। এ সময় তিনি ‘Greater Israel’ ধারণার কথাও উল্লেখ করেন। সেমিনারে পশ্চিম এশিয়ার চলমান যুদ্ধ, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নৈতিক জবাবদিহি, গণতন্ত্রের বর্তমান সংকট এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ভূরাজনৈতিক স্বার্থ নিয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে ইরানের রাষ্ট্রদূত, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইস উদ্দীন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
ইসরায়েলকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র নিজের আধিপত্যই ক্ষয় করছে: গেগরি জে. সিমনস
আরও পড়ুন
নাটোরে সোনালী ব্যাংকের ৫ কর্মকর্তা বরখাস্ত
এক ইলিশ সাড়ে ৬ হাজার টাকায় বিক্রি
নড়াইলে মাদকসেবনে বাধা দেওয়ায় কৃষককে কুপিয়ে হত্যা
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর বৈঠক