ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

সাত কলেজের চূড়ান্ত কর্মসূচি ঘোষণা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৪৪ পিএম
ফাইল ছবি

রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজকে একীভূত করে প্রস্তাবিত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠার আইনের খসড়া উপদেষ্টা পরিষদে উত্থাপিত হতে যাচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি)। গুরুত্বপূর্ণ এ সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে আন্দোলনের চূড়ান্ত কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার যদি প্রস্তাবিত আইনের খসড়াটি চূড়ান্ত অনুমোদন পায়, তবে বড় ধরনের বিজয় মিছিল করবেন শিক্ষার্থীরা। আর যদি অনুমোদনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা বা বিলম্ব তৈরি হয়, তবে কঠোর আন্দোলনের অংশ হিসেবে পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করবেন তারা।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে এই কর্মসূচির কথা নিশ্চিত করেছেন সাত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তর আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাঈম হাওলাদার।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন-২০২৫’ নামের খসড়াটি ইতিমধ্যে উপদেষ্টা পরিষদে উত্থাপনের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে বলে তারা জানতে পেরেছেন। এই উপলক্ষ্যে আজ বেলা ১১টায় ঢাকা কলেজের মূল ফটকের সামনে অবস্থিত ‘অধ্যাদেশ মঞ্চে’ বিশাল এক শিক্ষার্থী সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনটি চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার খবর আসা মাত্রই সমাবেশটি একটি বিজয় মিছিলে রূপ নেবে এবং তা ঢাকা কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হবে। তবে যদি কোনো কারণে অনুমোদন আটকে যায়, তবে শিক্ষার্থীরা সেখান থেকেই প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’ অথবা সচিবালয় অভিমুখে শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা শুরু করবেন।

সমন্বয়ক নাঈম হাওলাদার উল্লেখ করেছেন যে, সরকারের অবস্থান যদি শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি ইতিবাচক থাকে, তবে আজকের সমাবেশটি হবে আনন্দমুখর। অন্যথায় নিজেদের অধিকার ও দাবি আদায়ে তারা শান্তিপূর্ণ কিন্তু কঠোর আন্দোলন অব্যাহত রাখবেন।

প্রসঙ্গত, সাত কলেজের সমন্বয়ে প্রস্তাবিত এই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ জারির দাবিতে গত সোমবার (১৯ জানুয়ারি) থেকে চার দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা। এই সময়ের মধ্যে বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করা হয়েছে, যার চূড়ান্ত অংশ হিসেবে আজকের এই গণজমায়েতের ডাক দেওয়া হয়েছে।

রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজকে একটি স্বতন্ত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নিয়ে আসার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে জানিয়েছে, ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ নামে একটি স্বতন্ত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অধ্যাদেশের খসড়া চূড়ান্ত করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
চুয়েটে অবরুদ্ধ উপাচার্যকে খাবার দিলেন আন্দোলনকারীরা
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) প্রশাসনিক ভবন-২ এ প্রায় ২৪ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ রয়েছেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমসহ ১১ জন।  মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকা ব্যক্তিদের জন্য সকালের নাস্তা পৌঁছে দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের দেওয়া আলটিমেটামের সময়সীমা শেষ হওয়ার পরও উপাচার্য ভবন না ছাড়ায় গতকাল সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভবনের ভেতরের ফটকে তালা লাগিয়ে দেন আন্দোলনকারীরা।  একই সঙ্গে ভবনটির বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এ সময় তারা ‘তালা, তালা, তালা হবে, ভিসি ভবন তালা হবে’ এবং ‘প্রত্যাখ্যান, প্রত্যাখ্যান, অনলাইন ভিসি প্রত্যাখ্যান’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ বিষয়ে পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ইজাজ মাহমুদ খাঁন বলেন, নবনিযুক্ত উপাচার্য পদত্যাগ না করা পর্যন্ত অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকবেন। গতকাল তাঁকে বের হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার পরও তিনি স্বেচ্ছায় অবরুদ্ধ থেকেছেন। আমরা অবরুদ্ধ সবাইকে সকালের খাবার পৌঁছে দিয়েছি। এর আগে, গতকাল সোমবার সকালে উপাচার্য ভবনের তালা ভেঙে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। পরে দুপুর ১২টার দিকে তাঁকে ভবন ছেড়ে যাওয়ার জন্য সময় বেঁধে দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভবন না ছাড়ায় তাঁকে অবরুদ্ধ করে রাখেন তাঁরা। আরটিভি/এসআর
চুয়েটে অবরুদ্ধ উপাচার্যকে খাবার দিলেন আন্দোলনকারীরা
প্রশাসনের সহায়তা চেয়েছি, কী করবে সেটা তাদের ব্যাপার: অবরুদ্ধ চুয়েট উপাচার্য
দীর্ঘ সময় অবরুদ্ধ থাকায় প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড.শেখ শরীফুল ইসলাম। তবে প্রশাসন কীভাবে তাকে সহায়তা করবে, সেটি তাদের নিজস্ব বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় চুয়েট শিক্ষার্থীরা নতুন উপাচার্যকে পদত্যাগপূর্বক সম্মানের সাথে বের হয়ে যাওয়ার আল্টিমেটামের ঘোষণা প্রদান করলেও এখন পর্যন্ত সে বিষয়ে কোনো কিছু বলেননি চুয়েট উপাচার্য। গণমাধ্যমকর্মীরা এবিষয়ে আজ সকালে উপাচার্যের সাথে সরাসরি কথা বলতে চাইলেও তিনি রাজি হননি। নিজ কক্ষের সামনে থেকে তিনি বলেন, আমরা এখানে খুবই অমানবিক অবস্থায় আছি। এ অবস্থায় আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছি।তারা কীভাবে সহযোগিতা করবে এটা তাদের ব্যাপার। প্রসঙ্গত, গত সোমবার দুপুর সাড়ে বারোটা থেকে উপাচার্য ভবনে অবরুদ্ধ অবস্থায় আছে নতুন উপাচার্য। বিকেলে হাটহাজারী এলাকায় স্থানীয় ছাত্রদল কর্তৃক চুয়েটগামী বাসের উপর হামলার অভিযোগের প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীদের এই আল্টিমেটাম আন্দোলন আরও তীব্র হয়। আরটিভি/এসআর
প্রশাসনের সহায়তা চেয়েছি, কী করবে সেটা তাদের ব্যাপার: অবরুদ্ধ চুয়েট উপাচার্য
২১ ঘন্টা পেরিয়ে চুয়েটে ২য় দিনের মতো অবরুদ্ধ উপাচার্য
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট)  উপাচার্য ভবনে এখনও অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম, যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আরাফাত রানা, চুয়েট ছাত্রদলের সভাপতি, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অনেক শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত এখনো উপাচার্য ভবন থেকে বের হতে পারেননি তারা।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় উপাচার্য ভবনে তালা ঝুলছে। গতকাল সোমবার দুপুর ১ টা থেকে অবরুদ্ধ থাকার পর রাত আটটায় চুয়েট শিক্ষার্থীরা নতুন উপাচার্যকে পদত্যাগপূর্বক উপাচার্য ভবন ত্যাগ করার আল্টিমেটাম প্রদান করলেও উপাচার্য এখন পর্যন্ত এরকম কোনো সিদ্ধান্ত নেননি।  ভেতরে আটকে পড়া নতুন উপাচার্য জানান,তার কাছে শিক্ষার্থীদের কোনো লিখিত দাবি নেই তার কাছে। কোনো বক্তব্যও নেই। তারা যদি লিখিত আকারে দেয়, তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা ইউজিসিকে অবহিত করতেন। এছাড়া জানা যায়, অবরুদ্ধ অবস্থায় গতকাল অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তার সাথে থাকা দুজন।  এ ব্যাপারে তিনি বলেন, আমার সাথে চারজন এলামনাই সদস্য আছেন, একজন আমার বন্ধু, দুজন বড়ভাই। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্রও আছে ৬-৭ জন। তারা আন্দোলন করুক, সমস্যা নাই। কিন্তু আমি দপ্তরে আসলাম নয়টায়, তাঁর দুই-তিন ঘন্টার মধ্যেই এভাবে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস লাইন বন্ধ করে দেয়াটা অমানবিক। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, গত সোমবার সকাল নয়টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের ফটকের তালা ভেঙে চুয়েট ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নিজ কার্যালয়ে প্রবেশ করেন উপাচার্য। এ খবর পেয়ে শিক্ষার্থীরা তাঁকে দুপুর ১২টার মধ্যে ভবন ছেড়ে যাওয়ার সময়সীমা বেঁধে দেন। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি ভবন ত্যাগ না করায় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন আন্দোলনকারীরা। গত ২১ সেপ্টেম্বর খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে অপসারণের প্রতিবাদ এবং তাকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা।  ২২ সেপ্টেম্বর থেকে তাঁরা সর্বাত্মক ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করে আসছেন। একই দাবিতে কর্মবিরতি পালন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও। গতকাল সোমবার তাঁরা অসহযোগ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এ পরিস্থিতিতে প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম, পরীক্ষা ও অন্যান্য শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। আরটিভি/এসআর
২১ ঘন্টা পেরিয়ে চুয়েটে ২য় দিনের মতো অবরুদ্ধ উপাচার্য
চুয়েটে দীর্ঘসময় অবরুদ্ধ উপাচার্য
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) অবরুদ্ধ উপাচার্য ভবনের ভেতরে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন দুইজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী।
চুয়েটে দীর্ঘসময় অবরুদ্ধ উপাচার্য
নজরুল কলেজে ‘শরৎ উৎসব ও নবীনবরণ’ অনুষ্ঠিত
উৎসবমুখর পরিবেশে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সংযুক্ত ঐতিহ্যবাহী কবি নজরুল সরকারি কলেজে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘শরৎ উৎসব ও নবীনবরণ-২০২৬’।
নজরুল কলেজে ‘শরৎ উৎসব ও নবীনবরণ’ অনুষ্ঠিত
আরও পড়ুন
মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি নিয়ে ‘নতুন নির্দেশনা’
স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মসূচি ঘোষণা
জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
হাসনাত আবদুল্লাহ ক্ষমা না চাইলে এনসিপির কর্মসূচি প্রতিহতের ঘোষণা