ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

বিদেশে উচ্চশিক্ষায় সুযোগ পাওয়া প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল যবিপ্রবি

যবিপ্রবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ আগস্ট ২০২৬, ১০:০৭ এএম
বিদেশে উচ্চশিক্ষায় সুযোগ পাওয়া প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল যবিপ্রবি । ছবি: আরটিভি

চলতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণ বৃত্তি নিয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাওয়া যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ সময় অর্জিত জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা দেশের উন্নয়নে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের উদ্যোগে ‘চলতি বছর পূর্ণ বৃত্তিপ্রাপ্ত প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে পূর্ণ বৃত্তিপ্রাপ্ত প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ফুল, ক্রেস্ট ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মারক উপহার তুলে দেন যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর এবং উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, উচ্চশিক্ষার মূল উদ্দেশ্য শুধু সনদ অর্জন নয়, বরং জ্ঞান, দক্ষতা ও ইতিবাচক মানসিকতা দিয়ে দেশের সেবায় আত্মনিয়োগ করা। বিদেশে অধ্যয়নরত প্রতিটি শিক্ষার্থী বাংলাদেশের প্রতিনিধি। তাই তাদের গবেষণা, মেধা, সততা ও আচরণের ওপর দেশের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনামও নির্ভর করে।

আরও পড়ুন

তিনি বলেন, শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়ন নয়, নৈতিকতা, সুশাসন ও ইতিবাচক সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমেই একটি দেশ সত্যিকারের উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হয়। শিক্ষার্থীদের বিদেশের ভালো দিকগুলো গ্রহণ করে সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার আহ্বান জানান তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ নিঃসন্দেহে গর্বের বিষয়। তবে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা নিয়ে দেশে ফিরে দেশের উন্নয়নে কাজ করাই হওয়া উচিত একজন শিক্ষার্থীর প্রধান লক্ষ্য। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি দেশ গঠনে অবদান রাখার মধ্যেই প্রকৃত সার্থকতা নিহিত।

এর আগে একই দিনে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের উদ্যোগে উচ্চশিক্ষাবিষয়ক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্বের বিভিন্ন খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণ বৃতি নিয়ে অধ্যয়নরত যবিপ্রবির প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার আবেদন প্রক্রিয়া, বৃত্তি অর্জনের প্রস্তুতি, গবেষণার সুযোগ, ভাষা দক্ষতা পরীক্ষার প্রস্তুতি, বিশ্ববিদ্যালয় ও বিষয় নির্বাচনসহ বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

এ সময় তারা উপস্থিত শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি ও আবেদন প্রক্রিয়া নিয়ে বাস্তবভিত্তিক দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
হলের কক্ষে ‘সুইসাইড নোট' রেখে নিখোঁজ জাবি শিক্ষার্থী, থানায় জিডি
রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেল ৩টা ৮ মিনিটে হলের সামনে থেকে বাসে ওঠেন মোহাইমিনুল। এরপর থেকেই তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। 
হলের কক্ষে ‘সুইসাইড নোট' রেখে নিখোঁজ জাবি শিক্ষার্থী, থানায় জিডি
আল্টিমেটাম পার হওয়ায় উপাচার্যকে তালাবদ্ধ করলেন চুয়েট শিক্ষার্থীরা
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে উপাচার্য ভবনের ভেতরে রেখেই ভবনের ফটকে তালা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুর ১২টার মধ্যে ভবন ছাড়ার আলটিমেটাম দেওয়া হলেও নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর তারা এ পদক্ষেপ নেন। এর আগে, চলমান ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির মধ্যেই সোমবার সকালে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। পরে উপাচার্য ভবনের ফটকের তালা ভেঙে নিজের দপ্তরে প্রবেশ করেন তিনি। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন চুয়েট শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ওয়াসিফ রাশেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান আল সাবিত ও সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লব হোসাইন। উপাচার্য ভবনে প্রবেশের পর আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাঁকে দুপুর ১২টার মধ্যে ভবন ছাড়ার আলটিমেটাম দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভবন না ছাড়লে সেটিকে ‘ভ্যাকেন্ট’ ঘোষণা, ফটকে তালা দেওয়া এবং বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছিলেন তাঁরা। এরপর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপাচার্য ভবনের ভেতরের ফটকে তালা লাগিয়ে দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা ‘তালা, তালা, তালা হবে, ভিসি ভবন তালা হবে’ এবং ‘প্রত্যাখ্যান, প্রত্যাখ্যান, অনলাইন ভিসি প্রত্যাখ্যান’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। উপাচার্য নিয়োগের প্রতিবাদ এবং সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। একই দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও কর্মবিরতি পালন করছেন। আন্দোলন ও কর্মবিরতির কারণে টানা ২০ দিন ধরে চুয়েটে ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। উপাচার্য ভবনে তালা দেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। আরটিভি/এসকে
আল্টিমেটাম পার হওয়ায় উপাচার্যকে তালাবদ্ধ করলেন চুয়েট শিক্ষার্থীরা
প্রশাসনিক ভবনের তালা ভেঙে চুয়েট ক্যাম্পাসে প্রবেশ নতুন উপাচার্যের
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) চলমান অচলাবস্থার মধ্যেই প্রশাসনিক ভবনের তালা ভেঙে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেছেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম।
প্রশাসনিক ভবনের তালা ভেঙে চুয়েট ক্যাম্পাসে প্রবেশ নতুন উপাচার্যের
ঢাবি ভিসির প্রতীকী দায়িত্বে এইচএসসি পড়ুয়া শীতল 
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভিসি হিসেবে একদিনের জন্য প্রতীকী দায়িত্ব পালন করেছেন উচ্চমাধ্যমিক পড়ুয়া শীতল। 
ঢাবি ভিসির প্রতীকী দায়িত্বে এইচএসসি পড়ুয়া শীতল 
হাবিপ্রবিতে তিন দফা দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’
দেশের সর্বোত্তরের স্থান বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু হওয়া ইনকিলাব মঞ্চের দীর্ঘ পদযাত্রা ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলা অতিক্রম করে রোববার (১১ অক্টোবর) দিনাজপুরে প্রবেশ করেছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ তারা হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) এসে পৌঁছান। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পৌঁছানোর পর আয়োজিত এক সমাবেশে বক্তব্য দেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। বক্তব্যে আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, গত পাঁচ দিন ধরে দেশের সর্বোত্তরের স্থান বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট থেকে আমরা আমাদের এই ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ পদযাত্রা শুরু করেছি। সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সরকারের কাছে আমরা এই বার্তা দিতে চাই যে, বিচারের দাবিতে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ। সমাবেশে ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি তুলে ধরা হয় ১. আগামী ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দিল্লি থেকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার নিশ্চিত করা। ২. গণভোটে জনগণের দেওয়া ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার রায় বাস্তবায়ন করা। ৩. জুলাই গণহত্যা, শাপলা চত্বর ও পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করা। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে আয়োজিত এ সমাবেশে তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে তরুণেরা সব রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধ থাকবেন। সমাবেশ শেষে শহীদ ওসমান হাদির রুহের মাগফিরাত এবং আন্দোলনকারীদের সুস্থতা ও নিরবচ্ছিন্ন পদযাত্রার জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়। দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে জাবের জানান, ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্য জনসমর্থন তৈরি করে সরকারকে সহযোগিতা করা। তবে এ বিষয়ে কোনো টালবাহানা বা চক্রান্ত বরদাশত করা হবে না বলে সতর্ক করে তিনি বলেন, কোনো চক্রান্ত হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথেই প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল জাবের আরও জানান, দিনাজপুরের কর্মসূচি শেষ করে টেকনাফ অভিমুখে তাদের দীর্ঘ পদযাত্রা অব্যাহত থাকবে। আরটিভি/টিআর
হাবিপ্রবিতে তিন দফা দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’
আরও পড়ুন
ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষার সুযোগ, মাসে মিলবে ১ লাখ ৩৮ হাজার টাকা
যবিপ্রবিতে ইকো অলিম্পিয়াড ও নবীনবরণ ১৩ অক্টোবর
যবিপ্রবির বীর প্রতীক তারামন বিবি হলে আন্তঃক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু
‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’-এর যবিপ্রবির ১৬ শিক্ষার্থী মনোনীত