ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক অণুজীব দিবসে ইবি শিক্ষার্থীদের সচেতনতামূলক কর্মসূচি

ইবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৯ পিএম
ছবি: আরটিভি

আন্তর্জাতিক অণুজীব দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আমেরিকান সোসাইটি ফর মাইক্রোবায়োলজি স্টুডেন্ট চ্যাপ্টার, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘অণুজীব জানুন, নিরাপদ থাকুন’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শতাধিক স্থানীয় মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন শ্রীরামপুরের তমালতলা এলাকায় স্থানীয় জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে এ কর্মসূচি পালন করেন সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ।

কর্মসূচির শুরুতে সংগঠনের সেক্রেটারি অভিনন্দন পাল সীমান্ত অণুজীবের পরিচয়, দৈনন্দিন জীবনে এর ভূমিকা ও গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। পরবর্তীতে ভাইস প্রেসিডেন্ট হাফসা বিজ্ঞানভিত্তিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও জনস্বাস্থ্য-সম্পর্কিত সঠিক তথ্য সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে এলাকার বাসিন্দা ফজলুল হক গ্রামাঞ্চলের স্যানিটেশন ব্যবস্থার পরিবর্তন সম্পর্কে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, প্রায় ১০ বছর আগে আমাদের এই নিশ্চিতপুর গ্রামের মানুষ কাঁচা পায়খানা ব্যবহার করতেন। কিন্তু এখন অনেকের বাড়িঘর অনুন্নত হলেও প্রত্যেক ঘরে বাথরুম রয়েছে।

পরে সংগঠনের প্রেসিডেন্ট খন্দকার মেহেদী হাসান অণুজীব সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন, স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি ও বিজ্ঞানমনস্ক সমাজ গঠনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কর্মসূচির পরবর্তী পর্বে অর্গানাইজিং সেক্রেটারি মুরশিদা পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে ক্ষতিকর অণুজীব, সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি ও সংক্রমণ প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে আলোচনা করেন। সহজ ও বোধগম্য ভাষায় উপস্থাপিত এ আলোচনার মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের মধ্যে অণুজীব ও স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির চেষ্টা করা হয়।

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক অভিনন্দন পাল সীমান্ত গণমাধ্যমকে জানান, এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল শিক্ষার্থীদের অর্জিত বৈজ্ঞানিক জ্ঞান কমিউনিটি পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়া এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি, স্যানিটেশন ও নিরাপদ জীবনযাপন সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা। শতাধিক মানুষের অংশগ্রহণ কর্মসূচিটিকে একটি অর্থবহ জনসচেতনতামূলক উদ্যোগে পরিণত করেছে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
১৫ অক্টোবর থেকে রাবি স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেবে দুই ট্রেন
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) রেলস্টেশনে আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে যাত্রাবিরতি দেবে তিতুমীর ও সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস। একই সঙ্গে রাতে চলাচলকারী আরও তিনটি আন্তঃনগর ট্রেনের জন্য শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে ক্যাম্পাস থেকে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে শাটল বাসের ব্যবস্থা করবে রাবি প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় রাকসু ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার। এ সময় সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, শিক্ষার্থীরা মনে করছে, অনুমোদন হওয়ার পর থেকেই ট্রেন যাত্রাবিরতি দেবে। কিন্তু বিষয়টি ভিন্ন। এটি দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ আছে। সুতরাং এটি সংস্কার করতে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন। সে সময়টুকু আপনারা শিক্ষার্থীসুলভ আচরণ করুন। তিনি আরও বলেন, আনুমানিক আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে তিতুমীর ও সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস নামের দুটি আন্তঃনগর ট্রেন যাত্রাবিরতি দেবে। গভীর রাতে চলাচলকারী আরও তিনটি আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির জন্যও আমরা আলোচনা করছি। ততদিন শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাত্রিকালীন ট্রেনের সঙ্গে সমন্বয় করে ক্যাম্পাস থেকে রাজশাহী স্টেশনে শাটল বাসের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করে আরও বলেন, আপনারা দয়া করে টিকিট ছাড়া ভ্রমণ করবেন না এবং সর্বদা শিক্ষার্থীবান্ধব আচরণ করবেন। উল্লেখ্য, প্রায় দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে অকার্যকর অবস্থায় পড়ে আছে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেলস্টেশনটি। শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে আগামী ৬ আগস্ট দুটি আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ রেলওয়ে মন্ত্রণালয়। আরটিভি/টিআর
১৫ অক্টোবর থেকে রাবি স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেবে দুই ট্রেন
কুবিতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি ছাত্রদলের
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণের দাবিতে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করিমের কাছে শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাছিম বিল্লাহ পাটোয়ারী রিফাত স্বাক্ষরিত এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সাশ্রয়, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালন ব্যয় কমানো সম্ভব। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন একাডেমিক ভবন, আবাসিক হল, প্রশাসনিক ভবন ও অন্যান্য উপযুক্ত স্থাপনার ছাদে পর্যায়ক্রমে সৌর প্যানেল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। স্মারকলিপিতে ছাত্রদলের উপস্থাপিত প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে—একটি সমন্বিত ‘সোলার পাওয়ার মাস্টার প্ল্যান’ প্রণয়ন, আধুনিক ও জ্বালানি-সাশ্রয়ী প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সম্ভাবনা যাচাই এবং সরকারি বরাদ্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব অর্থায়ন ও করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিলের মাধ্যমে অর্থায়নের সুযোগ অনুসন্ধান। এ ছাড়া প্রত্নতত্ত্ব, বিজ্ঞান, প্রকৌশল, পরিবেশ ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে গবেষণা ও ব্যবহারিক শিক্ষার ক্ষেত্র হিসেবে কাজে লাগানো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে কারিগরি কমিটি গঠনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়। শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাছিম বিল্লাহ পাটোয়ারী রিফাত বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক, টেকসই ও পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবন ও স্থাপনার ছাদে পর্যায়ক্রমে সৌর প্যানেল স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছি। এর মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ ব্যয় কমানো এবং পরিবেশ সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব। আমরা আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে একটি সমন্বিত সৌরবিদ্যুৎ পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেবে। আরটিভি/টিআর
কুবিতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি ছাত্রদলের
ইবির ৫ম সমাবর্তন বাস্তবায়নে স্টিয়ারিং কমিটি গঠন
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ৫ম সমাবর্তন আয়োজন উপলক্ষে একটি স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে সভাপতি হিসেবে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান এবং সদস্যসচিব হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। তথ্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠিতব্য সমাবর্তন সুষ্ঠু, সুন্দর ও সফলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। গঠিত স্টিয়ারিং কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ডিন, সব বিভাগের সভাপতি, আবাসিক হলগুলোর প্রভোস্ট, বিভিন্ন অফিসের প্রধান এবং সিনিয়র শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা সমাবর্তন আয়োজনের সার্বিক পরিকল্পনা, প্রস্তুতি, সমন্বয় ও বাস্তবায়নে দায়িত্ব পালন করবেন। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে সমাবর্তন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের ১, ২ অথবা ৩ তারিখের মধ্যে যেকোনো একটি দিন চূড়ান্ত করে সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হতে পারে। তবে নির্ধারিত তারিখ প্রস্তুতি ও অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত করা হবে। জনসংযোগ দপ্তর বলছে, সমাবর্তনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে ডিগ্রি প্রদান এবং একাডেমিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ এ আয়োজনকে ঘিরে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। স্টিয়ারিং কমিটি গঠনের মাধ্যমে সমাবর্তন আয়োজনের প্রস্তুতি আরও গতিশীল হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে একটি সফল ও স্মরণীয় সমাবর্তন আয়োজনের লক্ষ্যে কাজ করবে কমিটি। আরটিভি/টিআর
ইবির ৫ম সমাবর্তন বাস্তবায়নে স্টিয়ারিং কমিটি গঠন
খুবিতে প্লাস্টিক বোতলের বিনিময়ে গাছের চারা বিতরণ
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ক্লাবের উদ্যোগে ব্যবহৃত প্লাস্টিক বোতলের বিনিময়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে গাছের চারা বিতরণ করা হচ্ছে। কর্মসূচিতে ঔষধি, ফুল ও ফলের বিভিন্ন প্রজাতির চারা দেওয়া হচ্ছে। দুই দিনব্যাপী এ কর্মসূচি আগামীকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদী চত্বরে দুই দিনব্যাপী ‘গিভ অ্যান্ড টেক সেশন-৪’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম। উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। আমি এই অনুষ্ঠানের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। প্লাস্টিক পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। প্লাস্টিকের ব্যবহার কমিয়ে আনার পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমও চলমান রাখতে হবে। তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতোমধ্যে অনেক গাছ লাগানো হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে। গাছ নেওয়ার সময় এক শিক্ষার্থী উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, ব্যবহৃত প্লাস্টিক বোতল জমা দিয়ে গাছের চারা নেওয়ার উদ্যোগটি খুবই ভালো লেগেছে। এতে একদিকে প্লাস্টিকের সঠিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতন হওয়া যাচ্ছে, অন্যদিকে নিজের হাতে একটি গাছ লাগানোর সুযোগও তৈরি হচ্ছে। ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ক্লাবের সভাপতি আসিফ মাহমুদ বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য হলো মানুষকে প্লাস্টিক ব্যবহারের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করা। একই সঙ্গে গাছের চারা বিতরণের মাধ্যমে পরিবেশের জন্য বৃক্ষের গুরুত্ব তুলে ধরা। বৈশ্বিক উষ্ণতা মোকাবিলায় কার্বন সিকোয়েস্ট্রেশনের জন্য বেশি বেশি বৃক্ষরোপণ প্রয়োজন। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতেই আমাদের এ উদ্যোগ। গত বছরের আয়োজনে আমরা ১৫ শতাধিক গাছের চারা বিতরণ করেছিলাম। এবার দুই হাজারের অধিক চারা বিতরণের আশা করছি। আরটিভি/টিআর
খুবিতে প্লাস্টিক বোতলের বিনিময়ে গাছের চারা বিতরণ
রাবিতে দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল মারামারি, আহত ৩
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) আন্তঃবিভাগ ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান ও ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় স্টেডিয়ামে এ ঘটনা ঘটে। এতে দুই বিভাগের অন্তত তিনজন খেলোয়াড় আহত হয়েছেন। জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলে খেলা ড্র হওয়ায় টাইব্রেকারে গড়ায়। এতে ইতিহাস বিভাগ ৩-১ গোলে জয়লাভ করে। ম্যাচ শেষে ইতিহাস বিভাগের খেলোয়াড়দের উদযাপনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা এবং পরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ইতিহাস বিভাগের খেলোয়াড় জীম ও চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের তানভীর আহত হন। জানতে চাইলে ইতিহাস বিভাগের খেলোয়াড় সানাউল্লাহ রাফসান বলেন, ম্যাচের শুরু থেকেই চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের খেলোয়াড়রা আক্রমণাত্মক আচরণ করছিলেন এবং বিভিন্ন অকথ্য ভাষায় গালাগালি করছিলেন। তবে আমরা সেটাকে ম্যাচেরই একটি অংশ হিসেবে ধরে নিয়েছিলাম। ম্যাচ জেতার পর আমরা যখন উদযাপন করছিলাম, তখন তারা সেটা নিতে পারেনি। চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের খেলোয়াড় হৃদয় আমাদের এক খেলোয়াড়কে বুট দিয়ে আক্রমণ করেন। এতে আমাদের এক খেলোয়াড়ের মাথা ফেটে যায়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের খেলোয়াড় তানভীর জামান বলেন, ইতিহাস বিভাগ ম্যাচ জিতেছে, আমরা তাদের অভিনন্দন জানাচ্ছি। কিন্তু ম্যাচ জেতার পরই ইতিহাস বিভাগের গ্যালারি থেকে আমাদের গোলকিপারের ওপর ইট নিক্ষেপ করা হয়। ওই ইটটি আমাদের গোলকিপার ইতিহাস বিভাগের অধিনায়ককে দেখাতে গেলে তারা দাবি করে, আমাদের খেলোয়াড় নাকি ইট নিয়ে তাদের মারতে গিয়েছেন। তখন তাদের সব খেলোয়াড় মিলে আমাদের গোলকিপারের ওপর আক্রমণ করে। পরবর্তীতে আমরা ছুটে গেলে সেখানে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। তাদের বিভাগের শিক্ষার্থীরাও গ্যালারি ভেঙে আমাদের দর্শকদের ওপর তেড়ে আসে। আমরা চাই, এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচার করা হোক। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর গিয়াস উদ্দীন আহমেদ বলেন, খেলা শেষে মারামারির কথা শুনে আমরা দ্রুত স্টেডিয়ামে চলে আসি। খুব দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি। স্টেডিয়াম এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যারা মারামারির ঘটনায় জড়িত ছিল, তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/টিআর
রাবিতে দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল মারামারি, আহত ৩
আরও পড়ুন
নবায়নযোগ্য জ্বালানির জন্য ১৫০০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে সরকার
ডেঙ্গু প্রতিরোধে যুবদলের ৭ দিনব্যাপী কর্মসূচি
ইবিতে ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়: ছাত্রদল
স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মসূচি ঘোষণা