ঢাকা রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

সড়ক দুর্ঘটনায় আইসিইউতে ভর্তি হাবিপ্রবির জিতু, বাঁচাতে প্রয়োজন আর্থিক সহযোগিতা

হাবিপ্রবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৬ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

স্বপ্নের ক্যাম্পাসে হেঁটে বেড়ানোর দিনগুলোতে হঠাৎ নেমে এলো অন্ধকার। দিনাজপুর শহরের বালুবাড়িতে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) পরিসংখ্যান বিভাগের ২৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী অনন্যা চৌধুরী জিতু।

গত ২৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ক্যাম্পাস থেকে বাসায় যাওয়ার সময় বালুবাড়ি এলাকায় রাস্তায় একটি দ্রুতগামী ট্রাকের চাকার নিচে পিষ্ট হন তিনি। ট্রাকের ভারী চাকায় তার দুটি পা পুরোপুরি থেঁতলে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। বর্তমানে তাকে ঢাকার ন্যাশনাল বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে (ICU) রাখা হয়েছে, যেখানে প্রতি মুহূর্তে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন এই মেধাবী শিক্ষার্থী।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) তার একটি পা কেটে ফেলা হয়েছে।

আইসিইউ বেডে শুয়ে জিতুর প্রতিটি মুহূর্ত কাটছে চরম অনিশ্চয়তায়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার পা ও শরীরের ক্ষয়ক্ষতি অত্যন্ত গুরুতর। তাকে বাঁচাতে দীর্ঘমেয়াদী, জটিল এবং অত্যন্ত ব্যয়বহুল একাধিক অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন। কিন্তু সাধারণ পরিবারের পক্ষে এই বিপুল অংকের চিকিৎস খরচ একা বহন করা কোনোভাবেই সম্ভব হচ্ছে না।

জিতুর স্বপ্নের প্রদীপ নিভে যেতে বসেছে। তাকে আবার আমাদের মাঝে ফিরিয়ে আনতে, সহপাঠী ও পরিবারের পক্ষ থেকে দেশ-বিদেশের সর্বস্তরের সহৃদয় ও মানবিক মানুষের কাছে বিনীত আর্থিক সহায়তার আকুল আবেদন জানানো হয়েছে। আপনার সামান্য সহযোগিতাই পারে জিতুকে নতুন করে বাঁচার আলো দেখাতে।

আর্থিক সাহায্য পাঠানোর মাধ্যমঃ

বিকাশ- 01795621117, 01923936554

নগদ- 01585971633, 01886542793

রকেট- 01892210717

Dutch-Bangla Bank: Mst Wazida Nazrin Rini, 1721050147122, Routing Number- 090280672

Dutch-Bangla Bank: Rashid Anjum Shajid, 1721050153527, Routing Number- 090280672

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ পাচ্ছে জবির ২৯ শিক্ষার্থী
‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ ২০২২, ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫-এর জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২৯ শিক্ষার্থীকে প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের এসব শিক্ষার্থীকে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে।
‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ পাচ্ছে জবির ২৯ শিক্ষার্থী
ববি ছাত্রদল নেতার উদ্যোগে ২৫ বিভাগে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করা এবং মাদকমুক্ত ক্যাম্পাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২৫টি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফুটবল, ক্রিকেট ব্যাট-বল, ব্যাডমিন্টন সহ বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. ওয়াহিদুজ্জামানের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কীর্তনখোলা হলে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফুটবলসহ ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন শান্তর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. মো. আবদুল আলিম বছির। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বর্তমান সভাপতি মোশাররফ হোসেন ও সাবেক সভাপতি রেজা শরিফ সহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। আয়োজক মোঃ ওয়েহেদুজ্জামান জানান, আমরা যে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করছি, এটি শুধু কিছু ক্রিকেট ব্যাট, ফুটবল বা ব্যাডমিন্টন র্যাকেট নয় — এটি মাদকের অন্ধকার থেকে তরুণ প্রজন্মকে ফিরিয়ে আনার এক একটি হাতিয়ার। খেলাধুলা একজন শিক্ষার্থীর শরীরকে সুস্থ রাখে, মনকে প্রফুল্ল রাখে এবং তাকে মাদকের মতো ভয়ানক ব্যাধি থেকে দূরে রাখে। মাদক ছাড়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আমি সবাইকে একটি প্রতিজ্ঞা করতে বলব — আসুন, আমরা সবাই মিলে আমাদের প্রিয় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি মাদকমুক্ত, সুস্থ ও ক্রীড়ামুখী ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তুলি। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘আজকের এই আয়োজন কেবলই কিছু ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণের অনুষ্ঠান নয়—এটি মাদকের কালো অন্ধকারের বিরুদ্ধে আলোর এক মহাযুদ্ধের সূচনা। মাদক হলো ধ্বংসের অতল গহ্বর, আর খেলাধুলা হলো সৃষ্টির সিঁড়ি। মাদক একটি পরিবারের স্বপ্ন ভাঙে, একটি সমাজের শিকড় কেটে দেয়। আর এই বিষদাঁত ভাঙতে তরুণদের হাতে ক্রিকেট ব্যাট, ফুটবল আর র্যাকেটের চেয়ে বড় অস্ত্র আর নেই। তিনি আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের হাতে যে সামগ্রী তুলে দেওয়া হচ্ছে, তা কেবল খেলনা নয়—এ এক একটি আলোকবর্তিকা, যা তাদের মাদকের অন্ধকার থেকে আলোর পথে ফিরিয়ে আনবে। তাই মাঠে ফিরে যাও, ঘামে ভিজে যাও। তোমাদের সুস্থ দেহ আর প্রাণবন্ত মনই গড়ে দেবে একটি মাদকমুক্ত, স্বপ্নময় বাংলাদেশ। আরটিভি/ এসকেডি  
ববি ছাত্রদল নেতার উদ্যোগে ২৫ বিভাগে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ
পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে যবিপ্রবিতে চালু হচ্ছে কোডিং পদ্ধতি
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে শিক্ষার্থীর পরিচয় গোপন রাখতে ‘কোডিং পদ্ধতি’ চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ পদ্ধতিতে উত্তরপত্রে শিক্ষার্থীর নাম বা রোল নম্বরের পরিবর্তে নির্দিষ্ট কোড ব্যবহার করা হবে।
পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে যবিপ্রবিতে চালু হচ্ছে কোডিং পদ্ধতি
ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি বাস্তবায়নের দাবি ইবি ছাত্রদলের 
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ক্যাম্পাসে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি বাস্তবায়নের দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে শাখা ছাত্রদল।
ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি বাস্তবায়নের দাবি ইবি ছাত্রদলের 
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সড়কগুলো যেন একেকটি মরণফাঁদ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় বেহাল হয়ে পড়েছে। কোথাও ছোট-বড় খানাখন্দ, কোথাও ভাঙা সড়কে জমে আছে পানি। আবার পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় অনেক জায়গায় সড়কের ওপর দিয়েই প্রবাহিত হচ্ছে পানি। সব মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক যেন একেকটি মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন এসব সড়ক দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে পড়ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২৭ হাজার শিক্ষার্থীসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, পথচারী ও যানবাহনচালকেরা। প্রতিবছর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষাকে সামনে রেখে বিভিন্ন সড়কে সাময়িক সংস্কার করা হলেও তা দীর্ঘমেয়াদি কোনো সমাধান আনতে পারছে না বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেট থেকে জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত সংযোগ সড়কের অবস্থাও নাজুক। প্রায় ২০টি স্থানে তৈরি হয়েছে ছোট-বড় খানাখন্দ। এসব গর্ত এড়িয়ে চলতে গিয়ে রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন প্রায়ই দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে পড়ছে। একই অবস্থা বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোরও। জিরো পয়েন্ট থেকে ২ নম্বর গেট এবং সোহরাওয়ার্দী হলের মোড় থেকে সমাজবিজ্ঞান অনুষদ পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন অংশ ভেঙে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন এসব সড়ক ব্যবহার করতে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুলের সামনের সড়কে রয়েছে বড় একটি ভাঙা অংশ, যেখানে প্রায় সব সময় পানি জমে থাকে। সড়কের ওপর দিয়েই পানি প্রবাহিত হওয়ায় বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীদেরও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। একই সঙ্গে পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত ও কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সড়কের পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে সড়কের ওপর দিয়েই নিয়মিত পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মনিরুজ্জামান রাজ বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম ব্যস্ত সড়ক হলো ২ নম্বর গেট থেকে সোহরাওয়ার্দী হল পর্যন্ত রাস্তাটি। এখানে বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল ও বেশ কয়েকটি আবাসিক হল রয়েছে। এ ছাড়া ২ নম্বর গেটের সঙ্গে সংযোগকারী প্রধান সড়ক হওয়ায় প্রতিদিন হাজার হাজার শিক্ষার্থী এ রাস্তা দিয়ে ক্লাসে যাতায়াত করেন। তিনি বলেন, ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকার কারণে এখানে প্রায় সব সময় পানি জমে থাকে। বৃষ্টি হোক বা না হোক, সড়কে পানি দেখা যায়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরের সড়কগুলো যেন দ্রুত মেরামত করা হয়। অটোরিকশাচালক সুমন বলেন, এই রাস্তা দিয়ে গাড়ি চালাতে গিয়ে আমাদের যেমন সমস্যা হচ্ছে, তেমনি যাত্রীদেরও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। রাস্তার ভাঙা অংশ ও গর্ত এড়িয়ে চলতে গিয়ে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে পড়ছি। আমরা চাই, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দ্রুত রাস্তাটি ঠিক করে দিক। ১ নম্বর গেট থেকে জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত সড়ক নিয়েও একই অভিযোগ চালকদের। এ সড়কে চলাচলকারী এক সিএনজিচালক বলেন, রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। প্রতিমুহূর্তে দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে আমাদের গাড়ি চালাতে হয়। আমাদের দাবি, যত দ্রুত সম্ভব রাস্তাটি মেরামত করা হোক। এদিকে, সড়কগুলোর দুরবস্থার বিষয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আল ফোরকান আরটিভি নিউজকে বলেন, জিরো পয়েন্ট থেকে ২ নম্বর গেট পর্যন্ত সড়কের কাজ খুব অল্প সময়ের মধ্যেই শুরু হবে। আমরা বর্ষাকাল চলে যাওয়ার অপেক্ষায় আছি। বর্ষা শেষ হলে দ্রুত কাজ শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, প্রথমে চলাচলের উপযোগী করার জন্য রাস্তা মেরামত করা হবে। পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি রাস্তা পূর্ণাঙ্গভাবে কার্পেটিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। আশা করছি, ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যেই এসব রাস্তার মেরামতকাজ শুরু হবে। আরটিভি/টিআর
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সড়কগুলো যেন একেকটি মরণফাঁদ
আরও পড়ুন
সাপের ছোবলে আইসিইউতে রাবি শিক্ষার্থী
হাবিপ্রবিতে ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবিতে মানববন্ধন
হাবিপ্রবি প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ
হাবিপ্রবির ডিবেটিং সোসাইটির নেতৃত্বে আর্নিকা ও তন্ময়