
তিনটি অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাপের ছোবলে আহত হওয়া শিক্ষার্থী নূরনবী ইসলাম আশঙ্কামুক্ত বলে নিশ্চিত করেছেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসক শামীম আহমেদ।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের আইসিইউ থেকে সর্পদংশন ইউনিটে (৫৮) স্থানান্তর করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শামীম আহমেদ বলেন, ওই শিক্ষার্থীর শারীরিক অবস্থার যেন অবনতি না হয়, সে জন্য রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছিল। তাকে তিনটি অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়েছে। তিনি এখন সম্পূর্ণ আশঙ্কামুক্ত। আগামীকাল (২৯ সেপ্টেম্বর) তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান বলেন, আজ (২৮ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ওই শিক্ষার্থীকে আইসিইউ থেকে সর্পদংশন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়েছে। তার শরীরে ব্যথা আছে। আরও সুস্থ হওয়ার জন্য আজকেও হাসপাতালে রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এর আগে রোববার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হলের ১৩৮ নম্বর কক্ষে ঘুমন্ত অবস্থায় নূরনবী ইসলামকে একটি সাপ কামড় দেয়। পরে সহপাঠীরা তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখান থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে তাকে অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়।
এরপর ওই কক্ষ থেকে প্রায় তিন ফুট লম্বা একটি পাতি কালাচ সাপ উদ্ধার করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাপ উদ্ধারকারী সংস্থা সোয়ান। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শামীম আহমেদ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে কমন ক্রেইট বা পাতি কালাচ সাপে দংশনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আরটিভি/এমএইচজে




