ঢাকা শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

হাবিপ্রবিতে নেই স্বাস্থ্যবিমা, তবুও শিক্ষার্থীদের থেকে আদায় ২৭০ টাকা 

হাবিপ্রবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাহাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) একটি বেসরকারি জীবনবিমা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে করা স্বাস্থ্যবিমা চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর প্রায় দুই বছর পেরিয়ে গেলেও তা নবায়ন করা হয়নি। তবে অভিযোগ উঠেছে, চুক্তি কার্যকর না থাকলেও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতি সেমিস্টারে এনরোলমেন্টের সময় স্বাস্থ্যবিমার নামে ২৭০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনা করে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিমার আওতায় আনতে যমুনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছিল। তবে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সেটি আর নবায়ন করা হয়নি। এদিকে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে স্বাস্থ্যবিমা বাবদ অর্থ আদায় অব্যাহত থাকলেও বর্তমানে কোনো বিমা কোম্পানির সঙ্গে কার্যকর চুক্তি না থাকার বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, অসুস্থতা বা দুর্ঘটনায় চিকিৎসার প্রয়োজন হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার থেকে সীমিত পরিসরে সেবা ছাড়া বড় ধরনের চিকিৎসা ব্যয়ে কার্যকর কোনো স্বাস্থ্যবিমা সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি কেউ স্বাস্থ্যবিমার আওতায় চিকিৎসা বা ক্ষতিপূরণ দাবি করলে তাকে জানানো হচ্ছে, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো বিমা কোম্পানির চুক্তি নেই। কোনো কোনো ক্ষেত্রে নামমাত্র অর্থ দিয়ে বিষয়টি সামাল দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

সম্প্রতি সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত এক হাবিপ্রবি শিক্ষার্থীকে ঢাকা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউট এ ভর্তি করা হলে তার চিকিৎসার জন্য বিপুল অর্থের প্রয়োজন হয়। এ সময় শিক্ষার্থীর চিকিৎসায় স্বাস্থ্যবিমার অর্থের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমানে শিক্ষার্থীদের জন্য এ ধরনের কোনো কার্যকর স্বাস্থ্যবিমা চুক্তি নেই। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব তহবিল থেকে আর্থিক সহযোগিতার চেষ্টা করা হবে বলে জানানো হয়।

জানা যায়, ওই শিক্ষার্থীর চিকিৎসার জন্য প্রথমে ৫০ হাজার টাকা সহায়তার কথা বলা হলেও পরবর্তীতে তা বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতার কারণে সহায়তার অর্থ দেওয়ার আগেই ওই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, স্বাস্থ্যবিমার নামে নিয়মিত অর্থ নেওয়া হলেও কার্যকর বিমা চুক্তি না থাকলে ওই অর্থের ব্যবস্থাপনা ও ব্যবহার কীভাবে হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীরা এর বিনিময়ে কী সুবিধা পাচ্ছেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বক্তব্য জানতে চাইলে তারা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্যবিমা চুক্তি নবায়ন না হওয়ায় তারা দুঃখিত। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিভিন্ন বিমা প্রতিষ্ঠানের স্বাস্থ্যবিমা পলিসি যাচাই-বাছাই করার উদ্যোগ নিয়েছে। একটি বিশেষ টিম গঠন করে বিভিন্ন কোম্পানির পলিসি ও সুবিধাগুলো পর্যালোচনা করা হবে। শিক্ষার্থীরা যাতে সহজে ও কার্যকরভাবে স্বাস্থ্যসেবা ও বিমাসুবিধা পেতে পারেন, এমন কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নতুন করে চুক্তি করার পরিকল্পনা রয়েছে প্রশাসনের।

এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সঙ্গেও চুক্তি করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এর মাধ্যমে হাবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা তুলনামূলক কম খরচে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ পাবেন বলে আশা করছে প্রশাসন।

তবে শিক্ষার্থীদের দাবি, নতুন চুক্তির পরিকল্পনার পাশাপাশি গত দুই বছরে স্বাস্থ্যবিমার নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থের স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে দ্রুত কার্যকর স্বাস্থ্যবিমা চুক্তি সম্পন্ন করে দুর্ঘটনা বা গুরুতর অসুস্থতার সময় শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ভরযোগ্য আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাস্থ্যবিমা শুধু একটি আনুষ্ঠানিক সুবিধা নয়; দুর্ঘটনা বা গুরুতর অসুস্থতার মতো সংকটময় সময়ে এটি একজন শিক্ষার্থী ও তার পরিবারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক নিরাপত্তা হিসেবে কাজ করতে পারে। তাই চুক্তি নবায়ন, সংগৃহীত অর্থের স্বচ্ছতা এবং দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ চান তারা।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ববিতে ‘স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট’ কর্মশালা
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ মোকাবিলা ও সুস্থ জীবনযাপন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) Organization of Disaster Management (ODM)-এর উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি)-তে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক ড. রেহেনা পারভীন। এতে একই বিভাগের ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের ১৫তম ব্যাচের ৩৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। কর্মশালায় মানসিক চাপের কারণ, চাপ মোকাবিলার বিভিন্ন কৌশল, আত্মসচেতনতা এবং প্রয়োজনের সময় যথাযথ সহায়তা নেওয়ার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত ও একাডেমিক জীবনের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। ODM-এর কেন্দ্রীয় বোর্ড সদস্য মো. জুনায়েদ রাব্বি প্রকাশ বলেন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে আমরা প্রথমবারের মতো ডেডিকেটেডভাবে ‘স্ট্রেস ম্যানেজমেন্টের’ ওপর কর্মশালা আয়োজন করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক মেহেদী হাসান সোহাগ আমাদের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং কর্মশালাটি আয়োজনে প্রশাসনিক সহযোগিতা দিয়েছেন। তিনি বলেন, যুবদের মধ্যে দ্রুতগতিতে মানসিক অবসাদ বৃদ্ধি এবং অনেকের অজান্তেই বিভিন্ন মানসিক সমস্যার দিকে ঝুঁকে পড়ার বিষয়টি উদ্বেগের। একজন মানুষের সুস্থ জীবনের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিজের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী যথাযথ চিকিৎসা ও সহায়তার আওতায় আসার জন্য মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে জানা জরুরি। ODM-এর সভাপতি জয় দাস বলেন, আমাদের সমাজে, বিশেষ করে গ্রামীণ পর্যায়ে, কেউ Mental Disorder, Depression বা Anxiety-এর মতো বিষয় নিয়ে কথা বললে অনেক সময় তাকে নেতিবাচকভাবে দেখা হয়। আমাদের মূল উদ্দেশ্য ছাত্রসমাজ থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের কাছে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দেওয়া। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা যেন কঠিন সময়ে কীভাবে নিজেকে ভালো রাখতে ও পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারে, সে বিষয়ে সচেতন হয়—আমরা সেই জায়গায় কাজ করতে চাই। হয়তো এটি খুব বড় কোনো উদ্যোগ নয়, কিন্তু এই ছোট উদ্যোগই কারও জীবনে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে। আয়োজকেরা জানান, শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতা, আত্মসচেতনতা ও ব্যক্তিগত দক্ষতা উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এ ধরনের কার্যক্রম নিয়মিত আয়োজনের প্রয়োজন রয়েছে। ভবিষ্যতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিয়ে পৃথকভাবে ‘স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট’ কর্মশালা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে সংগঠনটির। আরটিভি/টিআর
ববিতে ‘স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট’ কর্মশালা
বসতভিটা না থাকায় নিয়োগে বাদ পড়লেন ইবি শিক্ষার্থী
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে উপজেলা পর্যায়ে ১৭তম হয়ে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাবেক শিক্ষার্থী মিশন আচার্য। তবে স্থায়ী ঠিকানায় নিজের বসতভিটা না থাকায় শেষ পর্যন্ত নিয়োগ থেকে বাদ পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কলাবাগান এলাকায়। তার দাবি, জন্মের পর থেকে একই এলাকায় বসবাস করলেও নিজের নামে কোনো বসতভিটা না থাকায় চাকরি পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। মিশন আচার্য জানান, তার স্থায়ী ঠিকানায় কোনো বসতভিটা নেই। তার বাবা বহু বছর আগে পরিবার ছেড়ে চলে যাওয়ায় বাবার ঠিকানা থেকে তিনি বঞ্চিত হন। এরপর থেকে তিনি মায়ের সঙ্গে ঝিনাইদহে ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন। কলাবাগান এলাকাতেই তার জন্ম এবং জন্মের পর থেকে সেখানেই তিনি বসবাস করে আসছেন। তিনি জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ১৮২ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে ১৮০ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। দুজন নিয়োগপত্র পাননি। তাদের একজনের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে এবং অপরজন তিনি নিজে। উপজেলা পর্যায়ে তিনি ১৭তম স্থান অধিকার করেন বলে জানান। মিশন আচার্যের দাবি, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে জমিজমা-সংক্রান্ত কাগজপত্র প্রয়োজন হতে পারে—এমন ধারণা থেকে তার খালু গ্রামের এলাকায় তার নামে দুই শতক জমি লিখে দেন। পুলিশ তদন্তের সময় তিনি ওই জমির দলিলও জমা দেন। তবে সেখানে তার কোনো বসতবাড়ি নেই এবং তিনি কখনো ওই জমিতে বসবাস করেননি। তিনি আরও জানান, পুলিশকে প্রথমে ভূমিহীন সনদ দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তাকে জমির দলিল জমা দিলেই হবে বলে জানানো হয়। সে অনুযায়ী তিনি দলিল জমা দেন। পরে স্থায়ী ঠিকানায় বসতভিটা না থাকায় তাকে নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। মিশন আচার্য বলেন, আমার মা বাসাবাড়িতে কাজ করে আমাকে বড় করেছেন। আমাদের আর্থিক অবস্থা খুবই শোচনীয়। আমি কোনো রাজনৈতিক দল বা কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নই। আমি সরকারের কাছে আমার চাকরিটি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সদয় বিবেচনার অনুরোধ করছি। তিনি আরও বলেন, আমার কী দোষ? ভাড়া বাসায় জন্মেছি, এটাই কি আমার দোষ? রাষ্ট্র আমার ভোট নিচ্ছে, আমাকে খাওয়াচ্ছে, পড়াচ্ছে; কিন্তু চাকরি দিচ্ছে না। মনে হচ্ছে, রাষ্ট্রের কাছে আমার মেধা ও পরিশ্রমের চেয়ে জমিজমার মূল্য বেশি। এর থেকে কষ্টের আর কী হতে পারে? নতুন করে পড়াশোনা করে অন্য কিছু করার বয়সও প্রায় শেষের দিকে। এ বিষয়ে ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন বলেন, মিশন আচার্যের নিয়োগের বিষয়ে স্থায়ী ঠিকানা নিয়ে একটি জটিলতা দেখা দিয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে ইতোমধ্যে বিষয়টি লিখিতভাবে শিক্ষা অধিদপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে। আশা করছি, বিষয়টি সমাধান হবে। আরটিভি/টিআর
বসতভিটা না থাকায় নিয়োগে বাদ পড়লেন ইবি শিক্ষার্থী
উপাচার্য পুনর্বহালের দাবি: বৃষ্টি উপেক্ষা করে ছুটির দিনেও চুয়েটে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
ছুটির দিনও টানা বৃষ্টিকেও উপেক্ষা করে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
উপাচার্য পুনর্বহালের দাবি: বৃষ্টি উপেক্ষা করে ছুটির দিনেও চুয়েটে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
সরকারের গুণী শিক্ষক সম্মাননা পাচ্ছেন রাবির ৩ শিক্ষক
বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে এবার দেশের ১০০ জন গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দিতে যাচ্ছে সরকার।
সরকারের গুণী শিক্ষক সম্মাননা পাচ্ছেন রাবির ৩ শিক্ষক
হাটহাজারীতে কৃষক কার্ড বিতরণে অংশ নিলেন চবি উপাচার্য 
চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে কৃষকদের হাতে কার্ড তুলে দিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান।
হাটহাজারীতে কৃষক কার্ড বিতরণে অংশ নিলেন চবি উপাচার্য 
আরও পড়ুন
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হাবিপ্রবির শিক্ষার্থী সেই জিতু মারা গেছেন
সড়ক দুর্ঘটনায় আইসিইউতে ভর্তি হাবিপ্রবির জিতু, বাঁচাতে প্রয়োজন আর্থিক সহযোগিতা
হাবিপ্রবিতে ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবিতে মানববন্ধন
হাবিপ্রবি প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ