ঢাকা রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

পোশাকের ট্যাবু ভাঙতে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তা

যবিপ্রবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২২ পিএম
ছবি: আরটিভি

পোশাকের ভিত্তিতে মানুষকে বিচার করার সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো এবং বাঙালির লোকজ ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান জানানোর বার্তা নিয়ে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’। ‘সংস্কৃতির সমতা’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ শোভাযাত্রায় লুঙ্গি, শাড়ি, ফতুয়া ও গামছা পরে অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। আয়োজকদের মতে, পোশাকের ভিন্নতা নয়, বরং সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা ও মানুষের সমমর্যাদাই এ আয়োজনের মূল বার্তা।

রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইকেল মধুসূদন দত্ত কাম একাডেমিক ভবনের সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। ইংরেজি বিভাগের ‘লার্নিং ল্যাঙ্গুয়েজ থ্রু লিটারেচার’ কোর্সের উদ্যোগে আয়োজিত প্যারেডটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়ক হয়ে স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সামনে দিয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একাডেমিক ভবন প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শুরুর স্থানে ফিরে এসে শেষ হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, পোশাক নয়, মানুষের মানবিকতা, দায়িত্ববোধ ও শৃঙ্খলাবোধ দিয়েই তার প্রকৃত মর্যাদা নির্ধারিত হয়। পোশাক সংস্কৃতির পরিচয় বহন করলেও তা কখনো একজন মানুষের একমাত্র পরিচয় হতে পারে না। এ ধরনের ব্যতিক্রমী আয়োজনের প্রশংসা করে তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আয়োজনটির পরিচালক ও ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, লুঙ্গি শুধু এক টুকরো কাপড় নয়, এটি বাংলার মাঠ-ঘাট ও পূর্বপুরুষদের ঐতিহ্যের প্রতীক। সাহিত্য কেবল বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়; তা মানুষের সংস্কৃতি ও পোশাকেও প্রকাশ পায়। স্কটল্যান্ডের কিল্ট কিংবা জাপানের কিমোনোর মতো লুঙ্গিও বাঙালির পরিচয়ের গর্বিত অংশ। প্যান্ট-শার্টকেই স্মার্টনেসের একমাত্র মাপকাঠি না ভেবে নিজের শিকড় ও ঐতিহ্যকে ধারণ করা জরুরি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আয়োজকদের মতে, সমাজে কিছু পোশাককে অভিজাত এবং সাধারণ মানুষের পরিধেয় পোশাককে তুলনামূলক নিম্নমানের হিসেবে দেখার প্রবণতা রয়েছে। পোশাককেন্দ্রিক এ ধরনের মানসিকতা ও সামাজিক বিভাজন দূর করতেই ‘সংস্কৃতির সমতা’ প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। কোনো সংস্কৃতি বা পোশাকই ছোট নয়; সব ঐতিহ্যের প্রতি সমান সম্মান প্রদর্শনই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

অনুষ্ঠানে এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মরিয়ম জামিলা, ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. ফারজানা নাসরিন, প্রক্টর ড. মো. হামিদুর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক ড. মুনিবুর রহমান, ড. ফারহানা ইয়াসমিন, ড. আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জবি হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার সোসাইটির সভাপতি লাবিব, সম্পাদক রাকিবুল
হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডারস সোসাইটির (এইচআরডিএস) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখার ২০২৬–২৭ সেশনের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ২৬ সদস্যের এই কমিটিতে সভাপতি হয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জুহার আলমাস লাবিব। সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন একই শিক্ষাবর্ষের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাকিবুল ইসলাম। রোববার (১১ অক্টোবর) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক সিফাত উল্লাহ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে সহসভাপতি হয়েছেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাকেরুল ইসলাম এবং প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের নুরে হাসানা ও আসাদুল্লাহ ওয়াকিফ। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন একই বিভাগের নিলাঞ্জলা হালদার, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের মোস্তাফিজুর রহমান এবং আইন বিভাগের মো. সাখাওয়াত হোসেন। কোষাধ্যক্ষ হয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের মিনহাজুর রহমান। এ ছাড়া কর্মসূচি সম্পাদক হয়েছেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের হাসিব সরদার, যুগ্ম কর্মসূচি সম্পাদক হয়েছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মো. ফারহান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক হয়েছেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের নুসরাত আফিন নাফিয়া এবং ডকুমেন্টেশন সম্পাদক হয়েছেন একই বিভাগের মো. সাবিক। সংখ্যালঘুবিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের সুজন প্রামাণিক। অন্যান্য পদে প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হয়েছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মো. সাইফুল ইসলাম রিয়ন, নারী ও শিশুবিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের খাদিজা আক্তার ঈশিতা এবং দপ্তর সম্পাদক হয়েছেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের মো. সিদ্দিকুর রহমান সায়েদ। আইনি সহায়তা ও ভুক্তভোগী সহায়তা সম্পাদক হয়েছেন আইন বিভাগের মো. লিমন মিয়া এবং তথ্য ও যোগাযোগ সম্পাদক হয়েছেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শরীফ উদ্দিন সিয়াম। যুগ্ম আইনি সহায়তা ও ভুক্তভোগী সহায়তা সম্পাদক হয়েছেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের রাফিয়া রাইহানা রিশা। গবেষণা ও পরিকল্পনা সম্পাদক হয়েছেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মো. মাহমুদুর রহমান এবং তথ্য অনুসন্ধান ও তদন্ত সম্পাদক হয়েছেন সমাজকর্ম বিভাগের মো. মানিক চৌধুরী। কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে কমিটিতে রয়েছেন দর্শন বিভাগের ফাহিমা আক্তার, মনোবিজ্ঞান বিভাগের শাজিয়া খান, অর্থনীতি বিভাগের অন্তরা আক্তার নদী এবং বাংলা বিভাগের বিন ইয়ামিন। নবনিযুক্ত সভাপতি জুহার আলমাস লাবিব বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শুধু জ্ঞান অর্জনের স্থান নয়, বরং মুক্তচিন্তা ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চারও গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। শিক্ষার্থীদের মানবাধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করে নিরাপদ, মানবিক ও বৈষম্যহীন ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে তাঁরা কাজ করবেন। পাশাপাশি অন্যায়, অবিচার ও হয়রানির বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি, ভুক্তভোগীদের পাশে দাঁড়ানো এবং শিক্ষার্থীদের আইনি ও সামাজিক সহায়তা পাওয়ার সুযোগ সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। সাধারণ সম্পাদক মো. রাকিবুল ইসলাম বলেন, তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব শিক্ষার্থীদের আস্থার প্রতিফলন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবাধিকার বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি অধিকারবঞ্চিত মানুষের সহায়তায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও জনকল্যাণমুখী করে তুলতে সবার সহযোগিতায় এইচআরডিএসকে মানবাধিকার সুরক্ষায় একটি শক্তিশালী ও অনুকরণীয় সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে চান তিনি। আরটিভি/টিআর
জবি হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার সোসাইটির সভাপতি লাবিব, সম্পাদক রাকিবুল
ডিন’স অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন ইবির ৩৬ শিক্ষার্থী
অনুষদভিত্তিক অবস্থানের ভিত্তিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের ৩৬ শিক্ষার্থী ‘ডিন’স অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন। আগামী ১৪ অক্টোবর তাদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে প্রকাশিত তালিকায় আটটি অনুষদের ৩৬ শিক্ষার্থীর নাম রয়েছে। থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের নয় শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের মোহাম্মদ আল-ফাইদ ও আলি আহসান মোহাম্মদ জুবায়ের। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এবং দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের নাজমুল ইসলাম। তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের আব্দুল্লাহ ইহসান ভুঁইয়া, আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের মো. দেলওয়ার হোসেন, মো. শরিফুল ইসলাম ও নাইমুর রহমান এবং দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের নোমান আল হাদি। কলা অনুষদের তিন শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের মোসা. তানজিলা খাতুন। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন একই বিভাগের মো. হাফিজুল ইসলাম এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন জেবা রহমান। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের চার শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন লোকপ্রশাসন বিভাগের মো. মুনতাকিম রহমান। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন অর্থনীতি বিভাগের মো. টগর আলী ও জেসিয়া খাতুন এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন মোসা. সিরাজুম মুনিরা। আইন অনুষদের তিন শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের সাদিয়া। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন একই বিভাগের রাফিয়া খাতুন এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন মোসা. হাফসা খানম সন্ধানী। ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ছয় শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সুমি খাতুন। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের প্রত্যয় সানা। তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের মো. সিরাজুল ইসলাম ও অনিন্দ সাহা, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ফয়সাল আহমেদ ফাহিম এবং অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের মেহেদী হাসান শিকদার। বিজ্ঞান অনুষদের তিন শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন পরিসংখ্যান বিভাগের মো. মেহেদী হাসান লিমন। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন একই বিভাগের মো. মাহমুদুল হাসান এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন গণিত বিভাগের আরিফুল ইসলাম। প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের পাঁচ শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মোসা. মহুয়া রহমান নাইস ও জান্নাতুন নাইম এবং ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মো. আহসান হাবিব। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের মো. মাহফুজুর রহমান এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন নাফিজ রহমান সায়িম। জীববিজ্ঞান অনুষদের তিন শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন ফার্মেসি বিভাগের আব্দুল্লাহ আল মামুন। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন একই বিভাগের মো. আব্দুল বাশার এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মো. মেহেদী হাসান। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান বলেন, ডিন’স অ্যাওয়ার্ডে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন এবং তাদের আগামীর জন্য শুভকামনা জানাচ্ছি। এ পুরস্কার জুনিয়রদের কাছে অনুপ্রেরণা জোগায়। যথাসময়ে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুরস্কার প্রদান করা হবে। আরটিভি/টিআর
ডিন’স অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন ইবির ৩৬ শিক্ষার্থী
বুটেক্সে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘ফুটবল ফিয়েস্তা ৩.০’
বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) স্পোর্টস ক্লাবের আয়োজনে শুরু হয়েছে আন্তবিভাগীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা ‘ফুটবল ফিয়েস্তা ৩.০’। রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুর ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইটিইটির মহাসচিব এ.এস.এম. হাফিজুর রহমান নিক্সন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ময়দুল ইসলাম মঈদ, বায়োস্ফিয়ার কনসার্নের পরিচালক মঞ্জুস সাত্তার মো. রাসেল, আইটিইটির ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এ.এস.এম. আশিক ইস্তিয়াক লিখন এবং আসুটেক্সের ডেপুটি ম্যানেজার মোহাম্মদ মোহেবুল ইসলাম (টিটু)। আইটিইটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ময়দুল ইসলাম মঈদ বলেন, জয়-পরাজয় খেলারই অংশ। খেলাধুলা মানসিক প্রশান্তি ও প্রফুল্লতার অন্যতম মাধ্যম। শিক্ষার্থীদের শুধু পড়াশোনায় সীমাবদ্ধ না থেকে সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমেও অংশ নেওয়া উচিত। এর মাধ্যমে নেতৃত্বের গুণাবলি বিকশিত হয়, যা পরবর্তী সময়ে পেশাগত জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও নেতৃত্বের অভাবে অনেকেই কর্মক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়েন। আইটিইটির মহাসচিব এ.এস.এম. হাফিজুর রহমান নিক্সন বলেন, খেলাধুলা শুধু শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করে না, বরং নেতৃত্বের গুণাবলি ও দলগত কাজের মানসিকতাও গড়ে তোলে। বিশ্ববিদ্যালয়ের দল যেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে, সে লক্ষ্যে আমাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিন খেলায় ক্রীড়াসুলভ মনোভাব বজায় রাখা এবং প্রতিযোগিতা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, আমাদের প্রতিটি বিভাগেই দল ও ভালো খেলোয়াড় রয়েছে। কারও কিছু দুর্বলতা থাকতে পারে। তবে ফলাফল যা-ই আসুক, তা মেনে নিতে হবে। এটাই স্পোর্টসম্যানশিপ। হারলাম নাকি জিতলাম, সেটি বড় বিষয় নয়; খেলাটা ভালো হয়েছে কি না, সেটিই মূল বিষয়। অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে অতিথিদের উপস্থিতিতে প্রতিযোগিতার ট্রফি ও জার্সি উন্মোচন করা হয়। পরে অনুষ্ঠিত হয় গ্রুপ ড্র। এতে ১০টি বিভাগকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হয়। গ্রুপ ‘এ’-তে রয়েছে ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং, টেক্সটাইল মেশিনারি ডিজাইন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, টেক্সটাইল ফ্যাশন অ্যান্ড ডিজাইন এবং অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ। অন্যদিকে, গ্রুপ ‘বি’-তে রয়েছে ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং, ডাইস অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজমেন্ট এবং টেক্সটাইল ম্যাটেরিয়ালস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০টি বিভাগের অংশগ্রহণে তৈরি ‘ফুটবল ফিয়েস্তা ৩.০’-এর প্রোমো ভিডিও প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রতিনিধিরা অতিথিদের কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন। আরটিভি/টিআর
বুটেক্সে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘ফুটবল ফিয়েস্তা ৩.০’
কুবির ‘চিঠি উৎসবে’ অপ্রতিমের হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবি
ডিজিটাল যোগাযোগের যুগে চিঠির আবেগ ও ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘চিঠি উৎসব’। এ উৎসবে কুবির এক শিক্ষকের ছেলে অপ্রতিমের হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবি এবং বয়স নির্ণয়ে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর চিঠি লিখেছেন বাংলা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাডমিন্টন কোর্টে কুমিল্লা পোস্টাল ডিভিশনের আয়োজনে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবের প্রতিপাদ্য ছিল—‘সমন্বিত ডাক নেটওয়ার্ক, সীমাহীন সম্ভাবনা’। উৎসবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আয়োজনস্থলে অপ্রতিমের নামে একটি স্টল উৎসর্গ করা হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন স্টল, মেডিকেল বুথ ও পোস্টার প্রদর্শন করা হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশ ডাক বিভাগের বিভিন্ন সেবা সম্পর্কেও তথ্য তুলে ধরা হয়। উৎসবে অংশ নিয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী আয়েশা আক্তার বলেন, চিঠি এমন একটি মাধ্যম, যার সাহায্যে মুখে না বলেও মনের গভীরে লুকিয়ে থাকা অনুভূতিগুলো লেখার মাধ্যমে প্রকাশ করা যায়। আজ চিঠি দিবস। এই বিশেষ দিনে প্রিয়জন কিংবা বন্ধুবান্ধবের কাছে মনের না-বলা কথাগুলো চিঠির মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া এক অন্যরকম অনুভূতি। তাই চিঠি দিবসে এসে আমার অন্যরকম ভালো লাগছে। এখানে এসে শব্দের মাধ্যমে মনের কথাগুলো প্রকাশের সুযোগ তৈরি হয়েছে। আয়োজনের বিষয়ে কুমিল্লা পোস্টাল ডিভিশনের ডেপুটি পোস্টমাস্টার জেনারেল মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, গত ৯ অক্টোবর বিশ্ব চিঠি দিবস উপলক্ষে আজ ১১ অক্টোবর কুমিল্লা পোস্টাল ডিভিশনের পক্ষ থেকে আমরা চিঠি-লিখন উৎসবের আয়োজন করেছি। আমাদের আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো বর্তমান ডিজিটাল যোগাযোগের যুগে চিঠি লেখার অভ্যাস ও আবেগঘন যোগাযোগের ঐতিহ্যকে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ডাকসেবার গুরুত্ব ও কার্যক্রম নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া। আরটিভি/টিআর
কুবির ‘চিঠি উৎসবে’ অপ্রতিমের হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবি
রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: চিহ্নিত হলেও গ্রেপ্তার হয়নি কেউ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের পরিচয় শনাক্ত হওয়ার সাত দিন পেরিয়ে গেলেও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার ভিডিও ফুটেজ, ছবি ও অন্যান্য তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা গেলেও গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিটি কয়েকজনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে। তবে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাংবাদিকেরা। সাংবাদিকদের অভিযোগ, হামলার পরও অভিযুক্ত ব্যক্তিরা অনলাইন ও অফলাইনে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছেন। এতে ক্যাম্পাসে তাঁদের নিরাপত্তাহীনতা আরও বেড়েছে। এদিকে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। তাঁদের অভিযোগ, হামলার ভিডিও ফুটেজ, ছবি ও অন্যান্য তথ্যপ্রমাণ প্রশাসন ও পুলিশের কাছে থাকার পরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। সরকারদলীয় ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মী হওয়ায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে গড়িমসি করা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁদের। দ্রুত অভিযুক্তদের আইনের আওতায় এনে ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা। অভিযুক্তদের পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পরও গ্রেপ্তার না করায় প্রশাসনের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক নেতারা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের জিসান বলেন, ‘সাংবাদিকদের মারধরের ঘটনার সাত দিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। এটা পুলিশের বড় একটা ব্যর্থতা। ঘটনার অভিযুক্তদের সব ধরনের ডকুমেন্ট থাকার পরেও কেন যে তাদের আটক করা হচ্ছে না, এটা বড় প্রশ্ন। আমরা পুলিশ প্রশাসনকে বলতে চাই, আপনারা অতি দ্রুত তাদের আটক করুন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানাতে চাই, আপনারা পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত তাদের শাস্তির আওতায় নিয়ে আসুন।’ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (রাবিসাস) সভাপতি মীর কাদির বলেন, ‘সন্ত্রাসীরা চিহ্নিত হলেও প্রশাসন তাদের গ্রেপ্তার করছে না। সরকারদলীয় ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মী হওয়ায় প্রশাসন তাদের ধরছে না। প্রশাসন স্পষ্টভাবে সন্ত্রাসীদের পক্ষ নিচ্ছে। যদি সন্ত্রাসীরা অতি দ্রুত গ্রেপ্তার না হয়, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীরা বৃহত্তর আন্দোলনের দিকে যেতে বাধ্য হবে।’ এর আগে গত ৪ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হামলার শিকার হন সাংবাদিকেরা। এতে ক্যাম্পাস সাংবাদিক জাহিদুল ইসলাম, মাঈনুল ইসলাম রাজু, আরিফ উজ জামান কোরবান ও নূর আহসান মৃদুল আহত হন। এ ঘটনায় সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। ঘটনার পরদিন হল প্রশাসন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করে। একই সঙ্গে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করতে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে হামলার পর থেকেই অভিযুক্তদের নাম উল্লেখ করে মামলা ও দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে আসছেন সাংবাদিকেরা। মামলায় আসামিদের নাম উল্লেখ না থাকায় তাঁদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। ঘটনার ভিডিও ফুটেজ, ছবি ও বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণে হামলায় জড়িত হিসেবে যাঁদের শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি ও আইন বিভাগের ২০১৩–১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এম আহসান হাবীব, ছাত্রদলকর্মী ও অর্থনীতি বিভাগের ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী বিশাল চক্রবর্তী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইতিহাস বিভাগের ২০১৭–১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হাসিবুল ইসলাম, সহদপ্তর সম্পাদক ও সংগীত বিভাগের ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম অথী, সহসভাপতি ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৩–১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শরিফুল ইসলাম, সহসভাপতি ও আইবিএর ২০১৭–১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তাকবীর আহমেদ ইমন, সহসাধারণ সম্পাদক ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সৈয়দ সাজহারুল ইসলাম এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলকর্মী তানিম রহমান। গত ৯ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিটি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলামের কাছে প্রতিবেদন ও সুপারিশ জমা দেয়। এতে শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি এম আহসান হাবীব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম, কর্মী বিশাল চক্রবর্তী এবং শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আরিফুল ইসলামের ছাত্রত্ব সাময়িকভাবে বাতিলের সুপারিশ করা হয়। এ ছাড়া আরও চারজনের বিরুদ্ধে অধিকতর তদন্ত এবং তিনজনকে সতর্ক করার সুপারিশ করেছে কমিটি। তবে এসব সুপারিশের পরও মামলায় কাউকে গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি। এর আগে হামলার ঘটনায় সাংগঠনিক ব্যবস্থা হিসেবে শাখা ছাত্রদলের তিন নেতাকর্মীকে পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। একই সঙ্গে আরও ছয়জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। এদিকে পুলিশ বলছে, তদন্ত শেষে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কাজলা পুলিশ ফাঁড়ির কর্মকর্তা মোস্তাক জানান, তদন্ত এখনো চলছে। ভুক্তভোগীদের মেডিকেল সনদের জন্য আবেদন করা হয়েছে। সনদ সংগ্রহের পর সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করতে হবে। পুরো প্রক্রিয়ায় কিছুটা সময় লাগছে। তদন্ত শেষে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি পুলিশ এখনো তদন্ত করছে। তবে আমাদের সিন্ডিকেটের বিষয়টির ডেট ঠিক করেছি। যদিও বন্ধের পরে ডাকব ভেবেছিলাম। তবে আগেই ডেকেছি, যাতে যত দ্রুত সম্ভব এটা সুরাহা হয়। বাকি গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিয়ে আমি প্রক্টরের সঙ্গে কথা বলেছি। আরটিভি/টিআর
রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: চিহ্নিত হলেও গ্রেপ্তার হয়নি কেউ
আরও পড়ুন
যবিপ্রবির ছাদে সোলার প্যানেল, মাসে ৪ লাখ টাকা সাশ্রয়