
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে স্থানান্তর করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তাকে সার্কিট হাউসে নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
এর আগে, প্রায় ৩০ ঘন্টা যাবত চুয়েটের উপাচার্য ভবনে অবরুদ্ধ থাকার পর গত মঙ্গলবার তাকে ও সাথে থাকা ছাত্রদল নেতাদের উদ্ধারের জন্য চট্রগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ও পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম ক্যাম্পাসে উপস্থিত হন। অতঃপর সেদিন সন্ধ্যায় পুলিশি পাহারায় তারা তাকে ক্যাম্পাস থেকে সরাসরি চট্রগ্রাম মেডিকেলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
এসময় শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, উপাচার্যকে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে শর্ত ছিল, তিনি আর ক্যাম্পাসে ফিরবেন না।
তবে শিক্ষার্থীদের দাবিকে ভিত্তিহীন আখ্যায়িত করে এক ভিডিও বার্তায় উপাচার্য শেখ শরীফুল আলম জানান, ভবিষ্যতে কখনো চুয়েটে আসব না-এমন বিবৃতি তিনি দেননি।
তার এই ভিডিও বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় গতকাল বুধবার প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষার্থীরা বলেন, "উপাচার্যকে নিরাপদে বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়াকে তাদের আন্দোলনের দাবি থেকে সরে আসা হিসেবে দেখার কোনো সুযোগ নেই। অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে উপাচার্য হিসেবে মেনে নিচ্ছেন না জানিয়ে তারা সতর্ক করেন, তার পুনরায় ক্যাম্পাসে প্রবেশের চেষ্টা নতুন করে সংকট সৃষ্টি করতে পারে।"
উল্লেখ্য, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে গত ২১ সেপ্টেম্বর থেকে চুয়েটে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানান, অধ্যাপক সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে চলমান শাটডাউন এবং ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে চলমান সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
আরটিভি/ এসকেডি


