ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

আবাসিক হোটেলে যাওয়ার আগেই ক্যাম্পাসে আপত্তিকর অবস্থায় যুগল ধরা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৪ এএম
ছবি: সংগৃহীত

বরিশালের সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ ক্যাম্পাসে বহিরাগত তরুণ-তরুণীকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেছে শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে কলেজের হিন্দু হলের সামনের সড়ক থেকে তাদের আটক করে ক্যাম্পাসের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

আটক তরুণের নাম শুভ দাস (২১)। তার বাড়ি ভোলায়। অন্যদিকে, তরুণীর বাড়ি পিরোজপুর বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, রাতে কলেজের হিন্দু হলের সামনের সড়কে তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পেয়ে শিক্ষার্থীরা আটক করেন।

এ সময় শুভর মুঠোফোন পরীক্ষা করে একটি গোপন ফোল্ডারে তিন শতাধিক ব্যক্তিগত ভিডিও পাওয়া যায় বলে দাবি করেছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, ভিডিওগুলোতে একাধিক নারীর সঙ্গে শুভর অন্তরঙ্গ মুহূর্ত ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া নিজের বড় ভাইয়ের স্ত্রীর সঙ্গেও অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ওই ফোনে পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।

শুভর বরাত দিয়ে জানা গেছে, বিএম কলেজে আসার আগে তিনি বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনের একটি আবাসিক হোটেলে কক্ষ বুক করেছিলেন। সেখানে তরুণীকে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তার।

এদিকে, শিক্ষার্থীদের হাতে আটক হওয়ার পর শুভ পুলিশে কর্মরত তার বোনকে ফোন করেন। পরে তার বোন বরিশাল পুলিশকে বিষয়টি জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। এরপর বিএম কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের উপস্থিতিতে তাদের থানায় নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে বিএম কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক কাজী জাবের আহমেদ বলেন, ছেলে-মেয়ে দুজনকেই পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মেয়েটির এক ভাই এসেছে, তারা সবাই থানায় গিয়েছে।

ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা জোরদার প্রসঙ্গে তিনি জানান, এ ধরনের ঘটনা এড়াতে আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে রাত ৮টার পর ক্যাম্পাসে সব ধরনের যানবাহন চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি রাতে ক্যাম্পাসে চলাচলের সময় শিক্ষার্থীদের পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক করার বিষয়টিও ভাবা হচ্ছে।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঢাবিতে ছাত্রদলের আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন, চলবে রোববার পর্যন্ত
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) প্রাঙ্গণে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।  শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়। প্রদর্শনীটি রোববার পর্যন্ত চলবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস, সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন এবং আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক আনিসুর রহমান খন্দকার অনিকসহ সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। অনুষ্ঠানে বক্তব্যে হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা অনেক স্বপ্ন নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিলেন। তারা এমন একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, যেখানে জুলুম-অত্যাচার থাকবে না, দারিদ্র্য ও মানুষের কষ্ট কমবে এবং সবার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত হবে। বিশ্বদরবারে বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়াবেএমন প্রত্যাশাও ছিল তাদের। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়নি। মানুষের কথা বলার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল এবং দেশে নানা ধরনের বৈষম্য ও সংকট তৈরি হয়েছিল। তৎকালীন নেতৃত্বের সমালোচনা করে তিনি বলেন, দেশের মানুষের দুর্দশার মধ্যেও নেতাদের বিলাসী জীবনযাপনের চিত্র দেখা গেছে। বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশকে অন্য একটি দেশের ওপর নির্ভরশীল করে রাখার চেষ্টা হয়েছিল। তবে শহীদদের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশের নিজস্ব শক্তি ও স্বকীয়তা রয়েছে। কোনো দেশের কাছে বাংলাদেশকে পরাধীন হতে দেওয়া হবে না এমন অবস্থান থেকেই ৭ নভেম্বরের ঘটনা ঘটেছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। ২০২৪ সালের গণআন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর বাংলাদেশকে অন্য একটি দেশের ওপর নির্ভরশীল করে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বিপ্লব অনিবার্য হয়ে উঠেছিল। তিনি বলেন, এ সময় তারেক রহমান একজন নেতা হিসেবে সামনে এসেছেন। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল হতে দেওয়া হবে না। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে এ দেশের জনগণ। অন্য কোনো দেশে বসে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের বিষয়টি দেশের মানুষ মেনে নেবে না। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে সংশ্লিষ্ট ঐতিহাসিক ঘটনাবলি ও স্মৃতিচিত্র তুলে ধরা হয়েছে। আরটিভি/এসকে
ঢাবিতে ছাত্রদলের আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন, চলবে রোববার পর্যন্ত
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে দুই দিনব্যাপী জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করা হচ্ছে।
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন
মাভাবিপ্রবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। 
মাভাবিপ্রবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন
হাবিপ্রবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি)।  
হাবিপ্রবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
‘আজ যা কিছু সুন্দর, যা কিছু সফল; সমস্ত অবদান জিয়াউর রহমানের’
‘আজ যা কিছু সুন্দর, যা কিছু সফল, তার সমস্ত অবদান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের’ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।  তিনি বলেন, ৭ নভেম্বর না ঘটলে বাংলাদেশ নামের দেশটির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব থাকত না। এমনকি বাংলাদেশ হয়ত অন্য কোনো দেশের প্রদেশ হিসেবে পরিচিত হতো।  শনিবার (৭ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ছাত্রদলের দুই দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। উপাচার্য বলেন, ৭ নভেম্বর না ঘটলে বাংলাদেশ নামক দেশটির স্বাধীনতা থাকত না। সার্বভৌমত্ব থাকত না এবং একই সাথে এটি অন্যের প্রদেশের অন্য দেশের দেশ হিসেবে হয়ত আমাদের পরিচিত হতে হতো। মাওলা রাব্বুল আলামীনের কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। সেই দিনটি আজকে ৭ নভেম্বর। আজকে সেই বিপ্লব এবং সংহতি দিবস। জিয়াউর রহমানকে রাষ্ট্রের দায়িত্বে বসানোর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের পরিবর্তন সূচিত হয়। ওই সময় দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। দেশি-বিদেশি আধিপত্যবাদ, পাল্টাপাল্টি অভ্যুত্থান এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে ৩ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত দেশ চরম দুর্বিষহ সময় পার করেছে। তিনি আরও বলেন, তৎকালীন সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বন্দি করা হয়েছিল। পরে সিপাহি ও জনতা একসঙ্গে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে এবং জাতির প্রয়োজনে রাষ্ট্রের দায়িত্বে বসায়। অনেকে ৭ নভেম্বরের ঘটনাকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটি ছিল সিপাহী জনতার বিপ্লব এবং সবাই সংহতি প্রকাশ করে সবাই মিলে এক কাজে কাঁধ মিলে তাকে নিয়ে আসে। সেটি ছিল ৭ নভেম্বর। জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শনের কথা তুলে ধরে উপাচার্য বলেন, বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধারণা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। এই পরিচয়ের মধ্যে বাঙালির পাশাপাশি চাকমা, মারমা, মগ, মুরং, গারো ও খাসিয়াসহ দেশের সব জাতিগোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম আরও বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে উন্নয়নের শীর্ষে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করেছেন। তার হাত ধরেই তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও স্বনির্ভরতার পথে এগিয়েছে। দেশের বর্তমান উন্নয়নের পেছনেও তার অবদান রয়েছে। জিয়াউর রহমানের হাত ধরে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরে এসেছে। তার মতে, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের রাজনীতির সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রেও জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ছিল। ৭ নভেম্বরকে জাতীয় ঐক্য ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা এই দিনটিকে ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই। এই দিনটি আমাদেরকে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে দেখতে হবে। এই দিনটি একটি দিন না। এই দিনটি একদিন মনে রাখলে হবে না। এই দিনটি প্রতিটি মুহূর্তে মনে রাখতে হবে। বাংলাদেশ আমার সবার আগে বাংলাদেশ।’ বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।  আরটিভি/এসকে
‘আজ যা কিছু সুন্দর, যা কিছু সফল; সমস্ত অবদান জিয়াউর রহমানের’
আরও পড়ুন
প্রবাসী স্বামীর টাকায় পড়াশোনা-চাকরি, সহকর্মীর সঙ্গে ‘সম্পর্কে’ জড়িয়ে কারাগারে শিক্ষিকা
বরিশাল মহানগরীর উন্নয়নে ৭৩০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন
ফেসবুকে ‘ঢাকা দখলের’ ঘোষণা দিয়ে ধরা নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতা
জেলা-উপজেলায় নেই চক্ষু বিশেষজ্ঞ, প্রায় এক কোটি মানুষের ভরসা শেবাচিম