
গত বছরের নভেম্বরে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) এক্সাম হল বিল্ডিংয়ের চতুর্থ তলার সোলার সিস্টেমের আইপিএসের ব্যাটারি বিস্ফোরণে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে থমকে যায় সোলার সিস্টেমের বিদ্যুৎ উৎপাদন। অগ্নিকাণ্ডের পর প্রায় বছর পেরোলেও এখনও হয়নি কার্যকর সমাধান।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত বছরের ১৩ নভেম্বর এক্সাম হল বিল্ডিংয়ের চতুর্থ তলার সোলার সিস্টেমের আইপিএসের ব্যাটারি বিস্ফোরণে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এরপর থেকেই ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন এই সোলার সিস্টেম মডেলটি অকেজো হয়ে পড়ে আছে। অগ্নিকান্ডের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং দপ্তর, নিরাপত্তা শাখা ও ফায়ার সার্ভিসের অফিসারদের নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। অগ্নিকাণ্ডের কারণ, ক্ষয়ক্ষতি ও পরবর্তীতে সমাধান করতে কি পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হতে পারে এসব বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হলেও এক বছরেও তা আলোর মুখ দেখেনি।
খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, বর্তমানে ওই ভবনটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহনপুল ও দুইটি সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয় রয়েছে। সার্বক্ষনিক বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকায় এবং বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং দপ্তর সূত্রে জানা যায়, ভবনের ছাদে ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সোলার সিস্টেমের ব্যবস্থা ছিল। যা দিয়ে বিদ্যুৎ চলে গেলেও ওই ভবনের লাইট, ফ্যানসহ অন্যান্ন বিষয়ে ব্যাকআপ পাওয়া যেত। তবে, অগ্নিকান্ডের পর থেকে সেটা আর পাওয়া যাচ্ছে না।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-প্রকৌশলী (তড়িৎ) মো. রিপন আলী বলেন, এক্সাম হল বিল্ডিংয়ের সোলার সিস্টেমটি ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ছিল। খুব সম্ভাবত ব্যাটারির লুজ কানেকশনজনিত কারণে আগুন লেগেছিল। তারপর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ আছে। তবে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুরো ক্যাম্পাসের সোলার সিস্টেম নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে এবং তারা এ নিয়ে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে মিটিং করছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাম্মদ শামীম বলেন, আমরা সোলার সিস্টেম নিয়ে কাজ শুরু করেছি। বর্তমান সরকার এবং ইউজিসির পক্ষ থেকেও সোলার সিস্টেম নিয়ে পজিটিভ চিন্তাভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে আমরা বিদ্যুৎ অফিস সহ বেশ কয়েকটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথেও মিটিং করেছি। তাদের এবং স্বার্থের বিষয়টি বিবেচনা করে যেটা আমাদের জন্য ভালো হবে সেই বিবেচনায় আমরা সামনে অগ্রসর হব।
আরটিভি/ এসকেডি




