ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১২ হাজার ৫৫৫ শিক্ষক-কর্মচারীর জন্য সুখবর

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত ১২ হাজার ৫৫৫ শিক্ষক-কর্মচারীকে এমপিওভুক্তি, বিএড স্কেল, উচ্চতর গ্রেড, পদোন্নতি ও অন্যান্য সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে অনুষ্ঠিত মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এমপিও কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মাউশি থেকে প্রাপ্ত নথি অনুযায়ী, সভায় স্কুলে নতুন করে এমপিওভুক্ত হয়েছেন ৩৭৮ শিক্ষক-কর্মচারী। আর কলেজে এমপিওভুক্ত হয়েছেন ২৬৩ জন।

এ ছাড়া ৩ হাজার ৯৫ জন শিক্ষক-কর্মচারী বিএড স্কেল পেয়েছেন। উচ্চতর গ্রেড পেয়েছেন ২ হাজার ৩৭১ জন। তাদের মধ্যে স্কুলের ২ হাজার ৮০ জন এবং কলেজের ২৯১ জন।
আরটিভি/এসকে

পদোন্নতি পেয়েছেন ২৯৫ জন। পদোন্নতি পাওয়া সবাই স্কুলে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারী।

এমপিও সংশোধনের অনুমোদন পেয়েছেন ১ হাজার ৩৫৪ জন। এর মধ্যে স্কুলের ১ হাজার ১৯১ জন এবং কলেজের ১৬৩ জন রয়েছেন।

এ ছাড়া ৮০৫ জনের ইনডেক্স ডিলিট করা হয়েছে। তাদের মধ্যে স্কুলের ৬৭০ জন এবং কলেজের ১৩৫ জন।

এরিয়া বিল পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৯১ জন শিক্ষক-কর্মচারী। এর মধ্যে স্কুলের ৩ হাজার ৪১৫ জন এবং কলেজের ৫৭৬ জন রয়েছেন।

এদিকে, সভায় স্কুলের তিনজন শিক্ষককে বদলির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলেও মাউশির নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ সিদ্ধান্তের ফলে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত বিপুলসংখ্যক শিক্ষক-কর্মচারীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হলো।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য বড় সুখবর
উচ্চশিক্ষায় পিএইচডিধারী শিক্ষকের ঘাটতি কমানো, গবেষণার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় উন্নয়নে গবেষণালব্ধ জ্ঞান কাজে লাগানোর লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে দেশে-বিদেশে অন্তত ৩ হাজার বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনে সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য বড় সুখবর
বৃত্তির তথ্য ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সংশোধনের সুযোগ দিয়ে মাউশির বিজ্ঞপ্তি
২০২৬-২৭ অর্থবছরে মেধা ও সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি ও সংশোধনের সুযোগ দিতে এমআইএস সফটওয়্যার চালু করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
বৃত্তির তথ্য ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সংশোধনের সুযোগ দিয়ে মাউশির বিজ্ঞপ্তি
স্কুল-কলেজে জরুরি নির্দেশনা
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটি গঠন কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখতে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা স্তরের ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি গঠন সংক্রান্ত প্রবিধানমালা, ২০২৬’ চূড়ান্ত হয়নি। এর পরিপ্রেক্ষিতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের ‘গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটি’ গঠন কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখার জন্য অনুরোধ করা হলো। চিঠির অনুলিপি অবগতি ও কার্যার্থে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, মাউশি মহাপরিচালক, সব বোর্ডের চেয়ারম্যান, সব বিভাগীয় কমিশনার, সব জেলা প্রশাসক এবং জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক এবং সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ এবং প্রধান শিক্ষকদের কাছে পাঠানো হয়েছে। আরটিভি/এমএ
স্কুল-কলেজে জরুরি নির্দেশনা
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শনিবারের ছুটি নিয়ে যা জানা গেলো
দুর্গাপূজা উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি শুরু হলেও আগামী শনিবার (১৭ অক্টোবর) সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অফিস খোলা থাকবে। এদিন শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও শিক্ষার্থীরা ফরম পূরণসহ বিভিন্ন জরুরি প্রশাসনিক কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শনিবারের ছুটি নিয়ে যা জানা গেলো
‘স্কুলবাসের নিচে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে ছেলে, গলায় ঝুলছে আইডি কার্ড’
রাজধানীর আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের জলসিঁড়ি শাখার ক্যাম্পাসে বাসচাপায় দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শাহরিয়ার সায়ন (৮) নিহতের ঘটনায় স্কুল কর্তৃপক্ষের গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন তার বাবা সাজু আহমেদ সেলিম। এ ঘটনায় তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি। তবে আইনি প্রক্রিয়ায় জড়াতে চান না বলে জানিয়েছেন নিহত শিশুটির বাবা। বুধবার (১৪ অক্টোবর) ভোরে সায়নের মরদেহ নিয়ে ঢাকার খিলক্ষেত থেকে পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার মাজপাড়া ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামে পৌঁছান স্বজনরা। পরে সকাল ৯টার দিকে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে স্কুল ক্যাম্পাসে বাসচাপায় প্রাণ হারায় শিশু সায়ন। সে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের জলসিঁড়ি শাখার দ্বিতীয় শ্রেণির ‘সি’ শাখার শিক্ষার্থী ছিল। সায়নের বাবা সাজু আহমেদ সেলিম ঢাকার খিলক্ষেতের বটতলা এলাকায় বসবাস করেন। তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তার স্ত্রী শারমিন খাতুন গৃহিণী। দুই সন্তানের মধ্যে সায়ন ছিল বড়। ছোট মেয়ে শাহরিনের বয়স চার বছর। নিহত সায়নের চাচা সোহেল রানা জানান, আগামী ১২ নভেম্বর সায়নের নবম জন্মদিন উদ্‌যাপনের কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় শিশুটিকে হারিয়ে পুরো পরিবার ভেঙে পড়েছে। তিনি বলেন, ‘সবাই খুব ভেঙে পড়েছে। সায়নের বাবা-মাকে সান্ত্বনা দিতে পারছি না। বাসচালকের অবহেলায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।’ ছেলের মৃত্যুর ঘটনা বর্ণনা করতে গিয়ে বাবা সাজু আহমেদ সেলিম বলেন, প্রতিদিন বেলা ৩টায় সায়নের ক্লাস শেষ হতো। এরপর ৩টা ১৫ থেকে ৩টা ২০ মিনিটের মধ্যে স্কুলবাস ছাড়ত। দুর্ঘটনার সময় তিনি ধানমন্ডিতে নিজের কর্মস্থলে ছিলেন। তিনি বলেন, ‘স্কুল থেকে বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে আমাকে ফোন দিয়ে দ্রুত স্কুলে যেতে বলা হয়। মোটরসাইকেল নিয়ে ৪০ মিনিটের মধ্যে স্কুলে পৌঁছাই। সেখানে গিয়ে যা দেখলাম, তা দেখার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। বাসের নিচে আমার ছেলে সায়ন রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। স্কুলড্রেস পরা, গলায় আইডি কার্ড ঝুলানো। আমার দুনিয়া যেন অন্ধকার হয়ে গেল।’ সাজু আহমেদ জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ ও সেনাসদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তিনি ছেলের মরদেহ বুঝে নেন। পরে স্কুলব্যাগ ও স্কুলড্রেসও তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। তিনি আরও জানান, পরে স্কুলের অধ্যক্ষের সহায়তায় সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখেন। তার দাবি, ফুটেজে একটি বাসকে ক্যাম্পাস থেকে বের হতে দেখা যায়। ওই বাসে কোনো সহকারী ছিলেন না। এ সময় তার ছেলে হয়তো খেলাধুলা করছিল। বাসটি বাম দিকে বাঁক নেওয়ার সময় সায়ন বাম পাশের চাকার নিচে চাপা পড়ে। সাজু আহমেদ সেলিম বলেন, ‘এত বড় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রায় ২০টি বাস এবং কয়েক হাজার শিক্ষার্থী। সেখানে এমন অবহেলা মেনে নেওয়া যায় না। ক্যাম্পাসের ভেতরে চালক বাস চালাচ্ছেন, অথচ তার সঙ্গে কোনো হেলপার বা সহকারী নেই। হাজারো শিশুর উপস্থিতিতে চালক কীভাবে সতর্কতা ছাড়া বাস চালান? এ ঘটনায় স্কুল কর্তৃপক্ষ ও বাসচালকের গাফিলতি রয়েছে।’ ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ না নেওয়ার কারণ জানিয়ে তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য সন্তানের মরদেহ কাটাছেঁড়া করা, মামলা পরিচালনার ঝামেলা, চাকরির ব্যস্ততা ও সময়ের অভাব সব মিলিয়ে তিনি আইনি প্রক্রিয়ায় জড়াতে চান না। দেশের বিচারব্যবস্থার প্রতিও তার আস্থা নেই বলে জানান তিনি। সাজু আহমেদ বলেন, ‘তাই লিখিত দিয়ে সন্তানের মরদেহ নিয়ে এসেছি। তবে ওই লিখিতপত্রে দাবি জানিয়েছি, এ ঘটনা তদন্ত করে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে যেন স্কুল কর্তৃপক্ষ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।’ সন্তান হারানোর শোকের মধ্যেও সায়নের মৃত্যুর ঘটনায় যথাযথ তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি। আরটিভি/এসকে
‘স্কুলবাসের নিচে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে ছেলে, গলায় ঝুলছে আইডি কার্ড’
আরও পড়ুন
স্কুলে ভর্তিতে বয়স নির্ধারণ, কোন শ্রেণিতে কত বছর হতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবল ও ক্যাম্পাস উৎসবে বাড়ছে গুলির আতংক
অনুমোদনের আবেদন আরও ১১ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের, যাচাই-বাছাইয়ে ইউজিসি
বন্ধ সরকারি কারখানায় ফিরেছে উৎপাদন