
নবম জাতীয় পে স্কেল অনুযায়ী সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা চলতি অক্টোবর মাস থেকে কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা কবে থেকে নতুন বেতন কাঠামোর সুবিধা পাবেন, তা এখনো নিশ্চিত নয়। এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা।
তবে, নতুন পে স্কেল অনুযায়ী শিক্ষকদেরকে দ্রুত বেতন দেওয়ার বিষয়ে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নিজ দপ্তরে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য দেন তিনি।
মাউশি মহাপরিচালক বলেন, ‘নতুন পে স্কেল অনুযায়ী শিক্ষক-কর্মচারীরা যেন দ্রুত সময়ের মধ্যে বেতন পান, সেজন্য কাজ চলছে।’
তিনি জানান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক বর্তমানে দেশের বাইরে রয়েছেন। তিনি দেশে ফেরার পর বিষয়টি নিয়ে অর্থ বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় দ্রুত এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেবে বলে আশা প্রকাশ করেন মাউশি ডিজি।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে বিলম্বের অন্যতম কারণ মাদ্রাসায় কর্মরত জনবলের বেতন হিসাবের পদ্ধতি। মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের হিসাব এখনো হাতে-কলমে করতে হয়। অন্যদিকে, স্কুল, কলেজ ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতার হিসাব কম্পিউটারের মাধ্যমে করা হয়। মাদরাসার বেতন হিসাব সম্পন্ন করতে তুলনামূলক বেশি সময় লাগায় নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নেও বিলম্ব হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে অর্থ বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল অনুযায়ী বেতন পেতে কিছুটা সময় লাগবে। আমরা চেষ্টা করছি আগামী নভেম্বর অথবা ডিসেম্বর মাসের মধ্যে শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন স্কেলে বেতন দেওয়ার। তবে সেটি সম্ভব নাও হতে পারে।
শুধু স্কুল, কলেজ ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন পে স্কেলে বেতন দিয়ে মাদ্রাসার জনবলকে পরে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা বলেন, এটি আসলে সম্ভব নয়। দুটি আলাদা বিভাগ হলেও মন্ত্রণালয় একই। এজন্য সবাই একসঙ্গেই নতুন পে স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাবেন।
আরটিভি/এসএইচএম


-1792054739-409829_1792054766.jpg)
