ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

চলতি সপ্তাহে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা তিন দিনের ছুটি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫৫ এএম
ছবি: আরটিভি

চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে টানা তিন দিনের ছুটি পেতে যাচ্ছেন দেশের স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস এবং শ্যামাপূজা উপলক্ষে সরকারি ছুটির সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় এ সুযোগ তৈরি হয়েছে।

ছুটির সূচি অনুযায়ী, শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস এবং রোববার (৮ নভেম্বর) হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব শ্যামাপূজা উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এর আগে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় সব মিলিয়ে টানা তিন দিন ছুটি কাটানোর সুযোগ পাবেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

২০২৬ সালের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের প্রকাশিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী, সরকারি ও এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজে শ্যামাপূজা উপলক্ষে ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। একই সঙ্গে দেশের সরকারি-বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও কারিগরি পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকবে। বন্ধ থাকবে দেশের প্রায় ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

তবে এ ছুটির আওতায় থাকছে না সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজস্ব ছুটির তালিকা ও কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত ছুটির তালিকায় শ্যামাপূজা উপলক্ষে ছুটির তথ্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকাশিত ছুটির তালিকায় শ্যামাপূজা উপলক্ষে ছুটির উল্লেখ না থাকায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা এ ছুটি পাচ্ছে না।

উল্লেখ্য, কালীপূজা বা শ্যামাপূজা হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব। কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের অমাবস্যা তিথিতে দেবী কালীর আরাধনার মধ্য দিয়ে এ পূজা উদ্‌যাপন করা হয়। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, ওড়িশা, বিহারসহ বিভিন্ন অঞ্চলে উৎসবটি ব্যাপকভাবে পালিত হয়। একই দিনে দীপাবলি উৎসবও উদ্‌যাপন করা হয়।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এবার বেসরকারি শিক্ষকদের পে-স্কেল নিয়ে নতুন খবর
রোববার (১ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়।
এবার বেসরকারি শিক্ষকদের পে-স্কেল নিয়ে নতুন খবর
এইচএসসির ফল / সেনাবাহিনী পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অসাধারণ সাফল্য
এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে। 
সেনাবাহিনী পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অসাধারণ সাফল্য
এইচএসসিতে ক্যাডেট কলেজগুলোর ঈর্ষণীয় ফলাফল
এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় বাংলাদেশের ক্যাডেট কলেজগুলোর শিক্ষার্থীরা চমকপ্রদ ফল অর্জন করেছে। ১২টি ক্যাডেট কলেজ থেকে ৫৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৩৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে, পাসের হার শতভাগ এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার ৯৪ দশমিক ২০ শতাংশ।
এইচএসসিতে ক্যাডেট কলেজগুলোর ঈর্ষণীয় ফলাফল
এইচএসসিতে যশোর বোর্ডের ফলাফলে এগিয়ে মেয়েরা
যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। তবে বোর্ডে পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা আগের তুলনায় কমেছে। এ বছর বোর্ডে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ।
এইচএসসিতে যশোর বোর্ডের ফলাফলে এগিয়ে মেয়েরা
এইচএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষার সময় না ফেরার দেশে ছেলে, ফল দেখে কাঁদলেন বাবা
এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন মিনহাজুল ইসলাম রোজান। তবে জীববিজ্ঞানের ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার আগেই অসুস্থ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন এই শিক্ষার্থী। কিন্তু ছেলের ফলাফল দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন বাবা সাজ্জাদুল মিরাজ। শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, জীববিজ্ঞান ছাড়া অন্য বিষয়গুলোতে জিপিএ ৪ দশমিক ৩৩ পেয়েছেন রোজান। তবে জীববিজ্ঞানের ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারায় এ বিষয়ে তাকে অকৃতকার্য দেখানো হয়েছে। রোজান ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ইংরেজি ভার্সনের শিক্ষার্থী ছিলেন। গত ১২ আগস্ট এইচএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষা চলাকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে হাসপাতালে টানা ১০ দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ছেলের ফল প্রকাশের দিনে স্মৃতিকাতর হয়ে বাবা সাজ্জাদুল মিরাজ বলেন, ছেলের ফলাফল বের হয়েছে। আজ ওর কথা খুব মনে পড়ছে। অসুস্থ হয়ে পড়ার কারণে ও দুটি ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। পরীক্ষা দিতে পারলে ওর ফলাফল আরও ভালো হতো। স্কুলের এক শিক্ষক রোজানের ফলাফলের কপি তার বাবার কাছে পাঠান। ফল দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন সাজ্জাদুল মিরাজ। তিনি জানান, চতুর্থ বিষয় বাদ দিয়ে রোজানের জিপিএ ৪ দশমিক ৩৩ হয়েছে। জীববিজ্ঞানের ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে এ বিষয়ে এ প্লাস পেলে তার চূড়ান্ত জিপিএ হতো ৪ দশমিক ৮৩। ছেলের অসুস্থতা ও মৃত্যুর আগের ঘটনাগুলো নিয়েও আক্ষেপ রয়েছে পরিবারের। তার মা ফাহমিদা আক্তার জানান, পরীক্ষার চাপের পাশাপাশি রোজানের ডায়াবেটিস ছিল, যা তারা আগে জানতেন না। এর আগে, গত ৬ আগস্ট অসুস্থ হওয়ার পর রোজানকে বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকদের কেউ পরীক্ষার দুশ্চিন্তা থেকে অসুস্থ হওয়ার কথা বলেন, কেউ প্যানিক অ্যাটাকের কথা জানান। আবার কেউ মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে বলেন। পরিবারের অভিযোগ, তখন ডায়াবেটিসসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা না করেই স্যালাইন ও ঘুমের ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করা হয়েছিল। পরে ১৩ আগস্ট রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় রোজানের রক্তে শর্করার মাত্রা বিপজ্জনকভাবে বেড়ে ৩৮ মিলিমোল/লিটারে পৌঁছায়। সেদিনই প্রথম ছেলের ডায়াবেটিসের বিষয়টি জানতে পারেন তার মা-বাবা। আরটিভি/এসআর
এইচএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষার সময় না ফেরার দেশে ছেলে, ফল দেখে কাঁদলেন বাবা