ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

যে কারণে মার্শাল আর্ট শিখছেন অনন্ত জলিল

বিনোদন ডেস্ক : আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ নভেম্বর ২০২২, ০৩:১৭ পিএম

মার্শাল আর্ট শিখছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক অনন্ত জলিল। তার পরবর্তী ‘কিল হিম’ সিনেমার জন্যই তিনি এই প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই ছবিতে মারদাঙ্গা ভূমিকায় দেখা যাবে তাকে। ঢাকাই সিনেমার আরেক জনপ্রিয় অ্যাকশন হিরো রুবেলের বিপরীতে লড়বেন অনন্ত। তাই নিজেকে সঠিকভাবে পর্দায় উপস্থাপন করতেই তার এই প্রচেষ্টা।
সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে অনন্ত বলেন, ‘কিল হিম’ সিনেমার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করে তুলছেন। এই সিনেমার জন্য বডি বিল্ডিং করছেন। শুধু তাই নয়, শিখছেন মার্শাল আর্টও।
অনন্ত আরও জানান, আমি ‘কিল হিম’ সিনেমার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। বডি বিল্ডিং শুরু করেছি আরও স্ট্রংভাবে। সঙ্গে মার্শাল আর্ট প্র্যাকটিস করছি, যেহেতু এটা অ্যাকশন মুভি। আবার এটাতে আমাদের মহাগুরু রুবেল ভাই আছেন। আপনারা জানেন রুবেল ভাই মার্শাল আর্টের কিং। ওনার সঙ্গে অবশ্যই অ্যাকশন হবে মুভিতে। তো তারই প্রস্তুতি নিচ্ছি।
আলাপকালে তার কাছে জানতে চাওয়া হয় ‘নেত্রী-দ্য লিডার’ সিনেমা নিয়ে। যেহেতু নেত্রীর ভূমিকায় বর্ষা সেখানে অনন্ত জলিলের ভূমিকা কিছুটা ম্লান হয়ে যাবে কি না? জানতে চাইলে অনন্ত জানান, এই সিনেমায় অনন্ত জলিলের চরিত্র মলিন হবে না। কারণ, এখানে আমি নেত্রীর বডিগার্ড। নেত্রীকে সেফ করাই আমার কাজ।
উল্লেখ্য, মো. ইকবালের পরিচালনায় খুব শিগগীরই ‘কিল হিম’ সিনেমার শুটিং শুরু হবে। মুক্তির অপেক্ষায় আছে অনন্ত-বর্ষা অভিনীত সিনেমা ‘নেত্রী-দ্য লিডার’।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সালতামামি ২০২২ / প্রেক্ষাগৃহে দর্শক টেনেছে যেসব সিনেমা
করোনা মহামারির প্রকোপ কাটিয়ে বিদায়ী বছরে এসে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ঢালিউড। ‘পরাণ’, ‘হাওয়া’র মতো সিনেমার সাফল্যে জোয়ার ওঠে বাংলা সিনেমায়। একের পর এক প্রশংসনীয় সিনেমার কারণে হলমুখী হয়েছেন দর্শকরা। চলুন এক নজরে জেনে নেওয়া যাক ২০২২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত আলোচিত কিছু সিনেমা প্রসঙ্গে- হাওয়া : মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত প্রথম সিনেমা ‘হাওয়া’। মুক্তির আগে থেকেই গানে গানে আলোচিত ছিলো সিনেমাটি। বিশেষ করে ‘সাদা সাদা কালা কালা’ গানে মেতেছিলেন শ্রোতারা। মুক্তির পর প্রেক্ষাগৃহগুলোতে হাউজফুল গেছে সিনেমাটি। পাশাপাশি বিক্রি হয়েছে অগ্রিম টিকিটও। সুস্থধারার বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শকদের মাঝে সিনেমা হলে যাওয়ার আগ্রহের যে জোয়ার তৈরি হয়েছে, সেটি ‘হাওয়া’ আরও এগিয়ে নিয়েছে বলে মনে করছেন দেশের সিনেমাবোদ্ধা ও অভিজ্ঞরা। তারকাবহুল এ সিনেমায় অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, নাজিফা তুষি, শরিফুল রাজ, সুমন আনোয়ার, নাসির উদ্দিন খান, সোহেল মণ্ডল, রিজভী রিজু, মাহমুদ হাসান ও বাবলু বোস। অপারেশন সুন্দরবন : এক সময় সুন্দরবন ছিলো ডাকাতদের একতরফা দাপট। তাদের নির্যাতনে সবসময় তটস্থ থাকত জেলেরা। অপহরণ, মুক্তিপণ দিতে না পারলে হত্যা- সবই নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সুন্দরবনকে দস্যুমক্ত করার জন্য র‌্যাবের দুঃসাহসিক অভিযানের ঘটনা নিয়েই নির্মিত হয়েছে ‘অপারেশন সুন্দরবন’। র‌্যাব ওয়েলফেয়ার কো-অপারেটিভ সোসাইটির প্রযোজনায় সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন দীপংকর দীপন। ভিন্ন ধারার এই সিনেমা দর্শক দারুণভাবে গ্রহণ করেছে। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন রিয়াজ আহমেদ, সিয়াম আহমেদ, নুসরাত ফারিয়া, জিয়াউল রোশান, মনোজ প্রামাণিক, দর্শনা বণিক, তাসকিন আহমেদ, রাইসুল ইসলাম আসাদসহ অনেকে। শান : সত্য ঘটনা অবলম্বনে পুলিশি অ্যাকশন থ্রিলার গল্পের ‘শান’ সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে গত ৩মে। এম রাহিমের পরিচালনায় এতে মূখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সিয়াম আহমেদ। তার সঙ্গী হয়েছেন পূজা চেরি। ঈদুল ফিতরে দেশের সব বড় বড় হলে সিনেমাটি মুক্তি পায়। এমনকি দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আমেরিকায় ‘শান’ দেখতে দর্শকদের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো। এছাড়াও মালয়েশিয়া, ফ্রান্স ও অস্ট্রেলিয়াতে সিনেমাটি মুক্তি দেওয়া হয়। দামাল : গত ২৮ অক্টোবর সারাদেশে মুক্তি পায় রায়হান রাফীর সিনেমা ‘দামাল’। মুক্তির পর থেকেই আলোচনার শীর্ষে ছিল সিনেমাটি। মূলত, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে গঠিত স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলকে কেন্দ্র করে সিনেমাটি নির্মাণ করা হয়েছে। এতে অভিনয় করেছেন বিদ্যা সিনহা মিম, সিয়াম আহমেদ, শরিফুল রাজ, সুমিত সেনগুপ্ত, রাশেদ অপু, সাঈদ বাবু, শাহনাজ সুমি প্রমুখ। গলুই : গত ৩ এপ্রিল মুক্তি পেয়েছে ঢাকাই কিং শাকিব খান অভিনীত সিনেমা ‘গলুই’। মুক্তির প্রথম দিন থেকেই দর্শকদের আগ্রহের তালিকায় ছিল সিনেমাটি। ‘গলুই’-তে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন অনুষঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। সেই সঙ্গে একটি সহজ-সরল প্রেম কাহিনিও রয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের অনুদানে নির্মিত সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন এস এ হক অলিক এবং প্রযোজনা করছেন খোরশেদ আলম খসরু। এই সিনেমায় শাকিব খানের সঙ্গে প্রথমবারের মতো জুটি বাঁধেন নতুন প্রজন্মের নায়িকা পূজা চেরি। এছাড়াও বিভিন্ন চরিত্রে ছিলেন আজিজুল হাকিম, ফজলুর রহমান বাবু, সুচরিতা, আলী রাজ, ঝুনা চৌধুরী, সমু চৌধুরী, পুষ্পসহ আরও অনেকেই।
প্রেক্ষাগৃহে দর্শক টেনেছে যেসব সিনেমা
মাহির মনোনয়ন নিয়ে যা বললেন তথ্যমন্ত্রী
চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির নমিনেশন নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার যেন শেষ নেই। এ প্রসঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নীতি-মতাদর্শে বিশ্বাস করে, এমন যে কেউ নমিনেশন চাইতে পারে। সে ক্ষেত্রে কোনো চিত্রনায়ক-নায়িকা চাইলে সেটি অপরাধ নয়। পশ্চিম বাংলাসহ ভারতবর্ষে মিডিয়া জগতের অনেককেই নমিনেশন দেওয়া হয়।  শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দরনগরীর দেওয়ানজী পুকুরপাড়ে নিজবাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি আরও বলেন, অবশ্যই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নমিনেশন পাওয়ার ক্ষেত্রে সবসময় যারা আওয়ামী লীগের পোড় খাওয়া নেতাকর্মী, তাদেরই অগ্রাধিকার। পাশাপাশি দলকে আরও অনেক বিষয় বিবেচনায় আনতে হয়।  আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রকৃতপক্ষে গণমিছিলের নামে বিএনপি-জামায়াত ঢাকা শহরে একটা বড় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করেছিল। কিন্তু পুরো শহরজুড়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সতর্ক অবস্থানের কারণে তা সম্ভব হয়নি। এরপরও বিএনপির প্রধান সহযোগী জামায়াত ইসলামী পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছে। পুলিশ বাহিনীর ধৈর্য্যের কারণে তারা সেই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারেনি। ড. হাছান বলেন, তাদের রাজনীতিটা একই জায়গায় ঘুরপাক খাচ্ছে, দেশে একটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করা। দেশের জনগণ সেটা কোনোভাবেই হতে দেবে না। বিশৃঙ্খলা তৈরি করার উদ্দেশ্যেই তারা নানান ধরনের কর্মসূচি দিয়েছে। সেই কর্মসূচিতে তাদের কর্মীদের যেভাবে আশা করেছিল, সেভাবে হয়নি। তাদের রাজনীতি সেই একই জায়গায় আছে। গত ১০ ডিসেম্বরও তারা গাড়িতে আগুন দিয়েছে। এখনও সুযোগ পেলে একই কাজ করবে। তারা সেখান থেকে সরে আসতে পারেনি। তাদের উদ্দেশ্যই হচ্ছে বিশৃঙ্খলা তৈরি করা। বিএনপিকে মোকাবিলার প্রশ্নে তিনি বলেন, ২০১৩, ১৪ ও ১৫ সালে বিএনপির নাশকতা মোকাবিলা করেছি। বিএনপি কী করতে চায়, কতটুকু করতে পারে, আমরা জানি। সেটা মোকাবিলা করার জন্য জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কী করতে হবে, সেটাও আমরা জানি। সুতরাং, বিএনপি সেই পুরনো পরিস্থিতি আর কখনও সৃষ্টি করতে পারবে না।
মাহির মনোনয়ন নিয়ে যা বললেন তথ্যমন্ত্রী
রাজের বাসা ছাড়লেন পরীমণি, পাঠাবেন বিচ্ছেদের চিঠি 
ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় তারকা দম্পতি পরীমণি ও শরিফুল রাজ। ভালোবেসে বিয়ে করলেও মাঝেমধ্যেই টানাপোড়েন দেখা যায় তাদের সম্পর্কে। এই ভালো তো এই মন্দভাব দেখা দেয় দুজনের মধ্যে। দীর্ঘদিন ধরেই বেশকিছু বিষয় নিয়েই বিভিন্ন ধরনের সমস্যা চলছিল রাজ-পরীর। তবুও সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে একসঙ্গে থাকার চেষ্টা করেছেন ঢালিউডের প্রতিবাদী এই নায়িকা।  তবে এবার যেন ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে ‘বিশ্ব সুন্দরী’ খ্যাত লাস্যময়ী এই অভিনেত্রীর। স্বামী রাজের আচার-আচরণে একপ্রকার বাধ্য হয়ে তার বাসা ছেড়ে আলাদা হয়ে গেছেন পরী। কিন্তু এখনও বিচ্ছেদ হয়নি তাদের। তবে খুব শিগগিরই বিচ্ছেদের চিঠি পাঠিয়ে দেবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে এমনটি জানান আলোচিত এই নায়িকা। পরী বলেন, এখনও আমাদের বিচ্ছেদ হয়নি। তবে রাজের সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করে তার বাসা থেকে বেরিয়ে এসেছি আমি। আজ থেকে একেবারেই আলাদা হয়ে গেলাম আমরা। খুব শিগগিরই তাকে বিচ্ছেদের চিঠি পাঠিয়ে দেব। বর্তমানে আমার মনমানসিকতা একদমই ভালো নেই, এর বেশি কিছু এখন আর বলতে পারছি না। এর আগে বিবাহবিচ্ছেদের ইঙ্গিত দিয়ে শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে অ্যাকাউন্টে একটি স্ট্যাটাস দেন এই অভিনেত্রী। ওই পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, হ্যাপি থার্টি ফার্স্ট এভরিওয়ান! আজ আমার জীবন থেকে রাজকে সারাজীবনের মতো ছুটি দিয়ে দিলাম আমি। সেই সঙ্গে নিজেকেও মুক্ত করলাম একটা অসুস্থ সম্পর্ক থেকে। জীবনে সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে প্রয়োজনীয় আর কিছুই হতে পারে না।   প্রসঙ্গত, নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘গুণিন’ ছবির শুটিং সেটে পরিচয় হয় রাজ-পরীর। চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হয় তারা। এ বছরের ১০ আগস্ট জন্ম নেয় রাজ-পরীর প্রথম সন্তান রাজ্য। স্বামী ও সন্তানকে নিয়ে বেশ ভালোই যাচ্ছিল তাদের জীবন। তবে বিয়ের এক বছর না ঘুরতেই বিচ্ছেদের আভাস দিলেন পরী।     
রাজের বাসা ছাড়লেন পরীমণি, পাঠাবেন বিচ্ছেদের চিঠি 
আমাকে টানাহেঁচড়া করেছিলো, গায়ের লোম দাঁড়িয়ে যাচ্ছে : শিরিন শিলা
ঢালিউডের এ প্রজন্মের অভিনেত্রী শিরিন শিলা। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত সিনেমা ‘বীরাঙ্গনা ৭১’। মূলত মুক্তিযুদ্ধে বীরাঙ্গনা নারীদের আত্মত্যাগের গল্পে নির্মিত হয়েছে ছবিটি। পর্দায় নিজেকে একজন বীরাঙ্গনার রূপে মেলে ধরেছেন এই অভিনেত্রী।    শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) সারাদেশের ১৫টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে ‘বীরাঙ্গনা ৭১’। শহিদুল ইসলাম শহিদের গল্পে ছবিটির সংলাপ, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন এম সাখাওয়াত হোসেন। এতে মূল ভূমিকায় অভিনয় করেছেন শিলা। তার বিপরীতে রয়েছেন টিভি নাটকের জনপ্রিয় অভিনেতা শাহেদ শরীফ খান।  এর আগে সিনেমা মুক্তি উপলক্ষে (২৮ ডিসেম্বর) একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে চলচ্চিত্রের সংশ্লিষ্টরা। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন শিলা সহ সিনেমার সকল কলাকুশলীরা। এদিন গণমাধ্যমে সিনেমায় নিজের চরিত্র এবং শুটিংয়ের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন এই অভিনেত্রী।    বীরাঙ্গনা চরিত্রে অভিনয়ের ব্যাপারে শিলা বলেন, এই প্রথম আমি বীরাঙ্গনা চরিত্রে অভিনয় করেছি। এটা আমার জন্য অনেক বড় একটা চ্যালেঞ্জ ছিল। আমি এটার উপরে অনেক পড়াশুনা করেছি, মুক্তিযুদ্ধের উপরে নির্মিত অনেক চলচ্চিত্র দেখেছি। এমনকি সিনেমায় নিজের চরিত্রকে ফুটিয়ে তোলার জন্য বীরাঙ্গনাদের নিয়ে অনেক বইও পড়েছি। যেগুলো এই ছবির চরিত্রের সঙ্গে মিশে যেতে অনেক সহায়তা করেছে আমাকে।     তিনি আরও বলেন, শুটিংয়ে যখন পাক হানাদার বাহিনী আমাকে বীরাঙ্গনা করার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলো। তখন আমার গায়ের লোম দাঁড়িয়ে গিয়েছিলো। কারণ, শুটিংয়ের জন্য যে ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছিলো, যাদেরকে পাক হানাদার বাহিনী বানানো হয়েছিলো আমাকে নির্যাতন করার জন্য। সব দেখে সে সময় আমি সত্যিই কান্না করে দিয়েছিলাম। তখন ডিরেক্টর আমকে বলেছিলো, তুমি কেন কান্না করছ, এটা তো শুটিং। আমার শুটিং করতে গিয়েই এতো কষ্ট হচ্ছিলো। সে সময় আসলে যে নারীদের বীরাঙ্গনা করা হয়েছিলো, তাদের কতটুকু কষ্ট হয়েছিলো। এটা ভেবেই বার বার শিউরে উঠছিলাম  তখন।        অভিনেত্রী বলেন, এই সিনেমার শুটিংয়ের সময় আমাকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছিল। আমার অনেক জায়গায় কেটে গিয়েছিলো। ওরা আমাকে এমনভাবে শক্ত করে ধরেছিল, টানা হেঁচড়া করেছিলো। ওদের প্রত্যেকটা হাতের ছাপ নীল দাগ হয়ে গিয়েছিলো আমার হাতে। তবে ছবিটি নিয়ে অনেক আশাবাদী বলে জানান এই অভিনেত্রী।  প্রসঙ্গত, ‘বীরাঙ্গনা ৭১’ ছবিটি প্রযোজনা করেছেন এসএস ফিল্ম ইন্টারন্যাশনাল। এতে শিলা এবং শাহেদ ছাড়াও আরও অভিনয় করেছেন, সুমনা সোমা, ইমতু রাতিশ, প্রাণ রায়, আহমেদ সাব্বীর রোমিও, মৌরি মাহাদি, মুনমুন আহমেদ, ফজলুল রাহমান বাবু, ঝুনা চৌধুরী, নুপুর, আশরাফ কবিরসহ প্রমুখ।              
আমাকে টানাহেঁচড়া করেছিলো, গায়ের লোম দাঁড়িয়ে যাচ্ছে : শিরিন শিলা
পরিচালক সমিতির সভাপতি কাজী হায়াৎ, মহাসচিব শাহীন সুমন
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির ২০২৩-২৪ মেয়াদের নির্বাচনে নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বরেণ্য নির্মাতা-অভিনেতা কাজী হায়াৎ ও মহাসচিব পদে দ্বিতীয়বারের মতো জয়লাভ করেছেন শাহীন সুমন। শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) দিনভর ভোটযুদ্ধ শেষে মধ্যরাতে জানা গেল বিজয়ীদের নাম। তাদের নেতৃত্বেই আগামী দুই বছর পরিচালিত হবে চলচ্চিত্রের এই দাপুটে সংগঠনটি। সভাপতি পদে কাজী হায়াৎ পেয়েছেন ১৪২ ভোট। এই পদে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মুশফিকুর রহমান গুলজার পেয়েছেন ১৩৮ ভোট। মহাসচিব (সাধারণ সম্পাদক) পদে ১৬০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন শাহীন সুমন। এই পদে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি জাকির হোসেন রাজু পেয়েছেন ১২০ ভোট। শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে বারোটায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার আব্দুল লতিফ বাচ্চু ফলাফল ঘোষণা করে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন। নির্বাচন কমিশনার জানান, আরও যারা নির্বাচনী হয়েছেন তারা হলেন: সহ-সভাপতি ছটকু আহমেদ (১৪৫), উপ-মহাসচিব কবিরুল ইসলাম রানা (১৫৩), কোষাধ্যক্ষ পদে সেলিম আজম (১১৩), সাংগঠনিক সচিব শাহীন কবির টুটুল (১৯৭), আন্তর্জাতিক ও তথ্য প্রযুক্তি সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর মোহাম্মদ মনি (১৮৮), সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সচিব আব্দুর রহিম বাবু (১৬৭), প্রচার, প্রকাশনা ও দপ্তর সচিব ওয়াজেদ আলী বাবলু (১৫১)।  নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন ইফতেখার জাহান (১৭৬), এস ডি রুবেল (১৭৮), পল্লী মালেক (২০০), বজলুর রাশেদ চৌধুরী (১৭১), মনতাজুর রহমান আকবর (১৬১), মোস্তাফিজুর রহমান মানিক (২০১), মারিয়া আফরিন তুষার (১৭০), শাহ্ আলম কিরণ (১৬৫), শাহাদাৎ হোসেন লিটন (১৫৬), সোহানুর রহমান সোহান (১৯৯)। শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৫ টায় শেষ হয় পরিচালক সমিতির ভোট গ্রহণ। এবার মোট ভোটার ছিলেন ৩৬৮ জন। তার মধ্যে ভোট প্রদান করেছেন ৩০২ জন। ৯টি ভোট বাতিল হয়েছে। এবার ১৯টি পদের বিপরীতে মোট ৪১ জন পরিচালক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আবদুল লতিফ বাচ্চু। তার সঙ্গে কমিশনার হিসেবে ছিলেন পরিচালক বিএইচ নিশান ও শামসুল আলম।
পরিচালক সমিতির সভাপতি কাজী হায়াৎ, মহাসচিব শাহীন সুমন
আরও পড়ুন
সাবধান করলেন অনন্ত-বর্ষা!
বউ ব্রাজিলের সাপোর্টার, এজন্য আমারটা বলি না : অনন্ত জলিল
সুখবর দিলেন অনন্ত জলিল
অবশেষে আইনি পদক্ষেপ নিলেন অনন্ত জলিল