ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচতে যা করেছিলেন জুবিন, ভিডিও ভাইরাল

বিনোদন ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩১ পিএম
জুবিন গর্গ। ছবি: সংগৃহীত

সিঙ্গাপুরে গান শোনাতে গিয়েছিলেন ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় গায়ক জুবিন। অবসরে সমুদ্রে মেতেছিলেন স্কুবা ডাইভিংয়ে। স্কুবা ডাইভিং (পানির নিচে অক্সিজেন ট্যাংক নিয়ে সাঁতার) করতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়ে মারা গেছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী জুবিন গর্গ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫২ বছর। তার মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ গোটা ভারত।

এদিকে, একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে। সেখানে দেখা যায়, কোনোরকমে সাঁতার কাটছেন জুবিন। তার চোখেমুখে অস্বস্তির ছাপ স্পষ্ট। একটি ভেলার কাছে এসে থামেন তিনি। কিন্তু শেষে তার শরীর ছেড়ে দেয়। শ্বাসকষ্ট হতে শুরু হয় তার। ভাসতে থাকেন তিনি। গায়কের পেছনে ছিলেন জনাপাঁচেক লোক। অনুরাগীদের অনুমান, তারা জুবিনের সহযোগী দলের সদস্য।

নব্বই দশকে ভারতের সংগীতাঙ্গনে হাতেখড়ি করা আসামে জন্মগ্রহণ করা জুবিন নিজগুণে বলিউডে আসন করে নিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন প্রচারবিমুখ মানুষ। হিন্দি চলচ্চিত্র শিল্পে জনপ্রিয়তা লাভ করলেও আসামের শিকড় ভুলে যাননি। মাতৃভূমির সংস্কৃতিকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরতেই গিয়েছিলেন সিঙ্গাপুরে।

আরটিভি/এএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জেলে যাওয়ার আগে বেবী নাজনীনকে যা বলেছিলেন খালেদা জিয়া
বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার প্রয়াণ ঘটে।  আপসহীন এই নেত্রীর বিদায়ে সারাদেশে যেমন শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সামাজিকমাধ্যমে আবেগঘন বার্তা দিয়ে এই নেত্রীকে স্মরণ করছেন। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া মোটা দাগে পড়েছে দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে। শিল্পীদের সোশ্যাল হ্যান্ডেল ভারি হয়েছে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসনকে হারানোর বেদনায়।  সংগীতশিল্পী ও বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বেবী নাজনীন শোক প্রকাশ করে জানিয়েছেন, বেগম খালেদা জিয়ার মতো নেত্রীর শূন্যতা বাংলাদেশের মানুষ সব সময় অনুভব করবে। বেগম জিয়াকে নিয়ে শোক প্রকাশ করে বেবী নাজনীন জানান, উনার সঙ্গে আমার শেষ কথা হয়েছিল উনি জেলের যাওয়ার আগে। আমি সেই মুহূর্তে বেগম জিয়ার সঙ্গে ছিলাম। আমার মাথায় হাত রেখে বলেছিলেন, আমি যাচ্ছি তুমি ভালো থেকো। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি আরও জানান, তিনি বলেছিলেন তোমরা দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও। তার মধ্যে দেখেছিলাম ধীর-স্থিরতা কিন্তু বলিষ্ঠ। উনি হাঁটতে হাঁটতে জেলে চলে গেলেন। এই দৃশ্য আমি কখনও ভুলবো না। এছাড়া খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকাহত বেবী নাজনীন লিখিত বার্তায় জানিয়েছেন, শুধু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাকে যে কষ্ট দেওয়া হয়েছে, তার প্রতি যে অবিচার করা হয়েছে, এর বিচার মহান আল্লাহ অবশ্যই করবেন। তিনি দেশ এবং মানুষের জন্য যে ত্যাগ স্বীকার করছেন, রাজনীতির ইতিহাসে সেটা নজিরবিহীন। তার মৃত্যুর খবরে আজ বাকরুদ্ধ হয়ে গেছে মানুষ, বাকরুদ্ধ হয়ে গেছে সারা দেশ। মহান আল্লাহ তাকে বেহেশত নসিব করবেন ইনশাআল্লাহ। আরও পড়ুন ‘শুধু তার সুন্দর হাসিটির জন্য জীবনের প্রথম ভোট বিএনপিকে দিয়েছিলাম’ বেবী নাজনীন লিখেছেন, মহান আল্লাহ জিয়া পরিবারকে এই শোক সইবার শক্তি দান করুন, এই মুহূর্তে আমি এই দোয়াই করি। খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতাসহ নানা রোগে ভুগছিলেন। চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। চিকিৎসা শেষে ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন। সে সময় স্বাস্থ্যের কিছুটা উন্নতিও দেখা গিয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিনের শারীরিক জটিলতা এবং মানসিক ধকলের কারণে তিনি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। গত ২৩ নভেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে পুনরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে এক মাসের বেশি সময় চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ ভোরে তিনি চিকিৎসায় সাড়া দেওয়া বন্ধ করে দেন এবং চিরবিদায় নেন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে নেতৃত্ব দেওয়া খালেদা জিয়া ‘দেশনেত্রী’ হিসেবে জনগণের কাছে সমাদৃত ছিলেন। সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তার অটল ভূমিকার কারণে তাকে ‘আপসহীন’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। এদিকে, খালেদা জিয়ার মরদেহ জাতীয় পতাকায় মোড়ানো একটি গাড়িতে করে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) গুলশান থেকে জানাজার জন্য জাতীয় সংসদ ভবনে নেওয়া হয়েছে। গাড়িবহরে লাল সবুজ রঙের বাসটিও রয়েছে। তারেক রহমান, তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমান, ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যরা বাসে রয়েছেন। এ ছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও খালেদা জিয়ার স্বজনেরাও গাড়িবহরে রয়েছেন। সেখানে জানাজা শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন বেগম খালেদা জিয়া। আরটিভি/এএ   
জেলে যাওয়ার আগে বেবী নাজনীনকে যা বলেছিলেন খালেদা জিয়া
বিচ্ছেদের মাঝেই মেয়ের উদ্দেশে যে বার্তা দিলেন সালমা 
ক্লোজআপ ওয়ান বিজয়ী জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মৌসুমি আক্তার সালমার সঙ্গে তার স্বামী সানাউল্লাহ নূরে সাগরের দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটেছে। তাদের মধ্যে ডিভোর্স সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন সানাউল্লাহ নূরে সাগর নিজেই। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।  এদিকে, সালমা এই বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে আরটিভিকে বলেন, হাদিসে আছে, যদি কেউ আল্লাহর চেয়ে অন্য কিছুকে বেশি ভালোবাসে; তাহলে এটি অবশ্যম্ভাবী যে, সে যা ভালোবাসবে (একসময়) সেটাই তার কষ্টের কারণ হবে। আমার ক্ষেত্রেও ঠিক এমনটাই হয়েছে। আমি মনে হয়, আল্লাহর চেয়ে স্বামীকে বেশি ভালোবেসেছিলাম। সম্পদ, পড়ালেখা, সব কিছুই করেছি তার জন্য। কিন্তু কেন বিচ্ছেদ হচ্ছে, আমি জানি না। তবে সে যা করুক, তার প্রতি আমার সম্মান ও ভালোবাসা থাকবে। আমি এর বেশি কিছু বলতে চাই না। সবাই দোয়া করবেন আমার জন্য। অন্যদিকে, ৩১ ডিসেম্বর সালমার বড় মেয়ে স্নেহার জন্মদিন। বিচ্ছেদ আবহের মাঝে নিজের ফেসবুকে মেয়েকে নিয়ে এ গায়িকা লিখেছেন, আজকে আমার স্নেহার জন্মদিন। আমার বড় কন্যার। তুমি আমার প্রথম সন্তান। এই দিনে আমার কোল আলো করে এসেছিলে তুমি। আরও পড়ুন 'আল্লাহর চেয়ে অন্য কিছুকে বেশি ভালোবাসলে তা একসময় কষ্টের কারণ হবে'  প্রথম মাতৃত্বের স্মৃতিচারণ করে লিখেছেন, তোমার মুখটা দেখার পর জীবন আমার পরিপূর্ণ হয়েছিল। কী মায়া ভরা মুখ, আমার কলিজা, আমার আত্মা, আমার নয়নের মণি। খুব ছোট বয়সে মা হয়েছিলাম, আমি নিজে বাচ্চা ছিলাম তখন। তোমাকে কেমন করে কোলে নেব, নরম শরীরে ব্যথা পাও যদি। কি যে করেছি পাগলামি আমি জানি শুধু আর তোমার নানি জানে। মেয়ের উদ্দেশে গায়িকার কথা, মাগো এই নিষ্ঠুর দুনিয়াতে আমি কিছুই চাই না। এখন চাই তুমি আর তোমার বোন সাফিয়া সকল সুখ শান্তি পাও এই জীবনে। বাবার মূখ উজ্জল করো। অনেক বড় হও। আকাশের মতো বিশাল হও,কেউ যেন আঙুল তুলে সহজে বলতে না পারে কিছু মেয়ে বলে। মা হিসেবে সালমার পরামর্শ, আমি দোয়া করি তোমরা দুই বোন নিজেকে আলো রূপে তৈরি করবে। বাবা-মা চিরোজীবন দুনিয়াতে থাকবে না।একদিন ওই পরপারে চলে যেতে হবে। কেউ যেন বিপদে না ফেলতে পারে। নিজেকে এমনভাবে তৈরি করবে যাতে তোমার চলার রাস্তা সহজ হয়। নিজেকে আলো তৈরি করবে যাতে বিপদ আসলে পথ দেখে চলতে পারো। অন্যকে বিশ্বাস করে আলো বানাবে না। অন্ধকারে সে ফেলে গেলে জীবন চলতে কঠিন হবে। নিজে আলো হলে যত বাধা আসুক নিজের আলো তে ঠিক পথ খুঁজে পাবে। সবশেষে লেখেন, মাগো আল্লাহ তোমাকে সকল সুখ শান্তি দান করুক। তুমি ভালো থাকলে আমার দুনিয়া সুখের জান্নাত তোমার কোনো কষ্ট হলে আমার পৃথিবী অন্ধকার। একদিন তুমি অনেক বড় হবে ইনশাআল্লাহ মায়ের আশীর্বাদ তোমার সাথে সব সময়। আমি যে দিন মারা যাব ওই দিন ও তোমার আর সফিয়ার চোখ দিয়ে এই দুনিয়া দেখব। আমার স্নেহার জন্য সবাই দোয়া করবেন। স্নেহা সালমা ও শিবলীর সন্তান। ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি সালমা ও শিবলী সাদিক বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ২০১৬ সালে ঘর ভাঙে তাদের। এরপর ২০১৮ সালে সালমার বিয়ে করেন সানাউল্লাহ নূরে সাগরকে। গতকাল থেকে সে ঘর ভাঙার খবরে আলোচনায় গায়িকা। 
বিচ্ছেদের মাঝেই মেয়ের উদ্দেশে যে বার্তা দিলেন সালমা 
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে মহাকালের সমাপ্তি হলো: কনকচাঁপা
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোবিজ অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা।  মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে তিনি প্রয়াত নেত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা জানান। একটি ছবি পোস্ট করে শিল্পী খালেদা জিয়ার মৃত্যুকে এক মহাকালের সমাপ্তি হলো বলে উল্লেখ করেছেন। কনকচাঁপা লেখেন, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। সব চেষ্টা ব্যর্থ করে চলে গেলেন আমাদের নেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী, গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী বেগম খালেদা জিয়া। আল্লাহ আপনি বেগম জিয়াকে উত্তম প্রতিদান দিন। এই সংক্ষিপ্ত অথচ গভীর শোকবার্তায় শিল্পীর অনুভূতির প্রতিফলন ঘটেছে। তার স্ট্যাটাসটি প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তা ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই মন্তব্যে প্রয়াত নেত্রীর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং কনকচাঁপার অনুভূতির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া গত ৩৭ দিন ধরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বার্ধক্যজনিত জটিলতা ও একাধিক শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় না ফেরার দেশে পাড়ি জমান এই আপসহীন নেত্রী। আরও পড়ুন 'আল্লাহর চেয়ে অন্য কিছুকে বেশি ভালোবাসলে তা একসময় কষ্টের কারণ হবে'  দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার মৃত্যুতে দেশ হারালো এক প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেত্রীকে, আর সংস্কৃতি অঙ্গন হারাল এমন একজন ব্যক্তিত্বকে যার প্রতি বহু শিল্পীর ছিল ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা ও সম্মান। আরটিভি/কেআই
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে মহাকালের সমাপ্তি হলো: কনকচাঁপা
\'আল্লাহর চেয়ে অন্য কিছুকে বেশি ভালোবাসলে তা একসময় কষ্টের কারণ হবে\' 
ক্লোজআপ ওয়ান বিজয়ী জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মৌসুমি আক্তার সালমার সঙ্গে তার স্বামী সানাউল্লাহ নূরে সাগরের দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটেছে। তাদের মধ্যে ডিভোর্স সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন সানাউল্লাহ নূরে সাগর নিজেই। এদিকে, সালমা এই বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে আরটিভিকে বলেন, হাদিসে আছে, যদি কেউ আল্লাহর চেয়ে অন্য কিছুকে বেশি ভালোবাসে; তাহলে এটি অবশ্যম্ভাবী যে, সে যা ভালোবাসবে (একসময়) সেটাই তার কষ্টের কারণ হবে। আমার ক্ষেত্রেও ঠিক এমনটাই হয়েছে। আমি মনে হয়, আল্লাহর চেয়ে স্বামীকে বেশি ভালোবেসেছিলাম। সম্পদ, পড়ালেখা, সব কিছুই করেছি তার জন্য। কিন্তু কেন বিচ্ছেদ হচ্ছে, আমি জানি না। তবে সে যা করুক, তার প্রতি আমার সম্মান ও ভালোবাসা থাকবে। আমি এর বেশি কিছু বলতে চাই না। সবাই দোয়া করবেন আমার জন্য। তবে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সানাউল্লাহ নূরে সাগর তার ফেসবুক পোস্টে জানিয়ে দিয়েছেন, আমাদের মধ্যে ডিভোর্স হয়েছে। একান্তই পারস্পরিক মতের অমিল, চিন্তা এবং মানসিকতার দূরত্বই আমাদের আলাদা হওয়ার কারণ। পারস্পরিক সম্মান ও মর্যাদা অক্ষুণ্ন রেখেই আমাদের দাম্পত্য জীবনের সমাপ্তি ঘটিয়েছি। তিনি আরও বলেছেন, আমরা দুটি মানুষ আলাদা হলেও, আমাদের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। সুতরাং, সালমা চিরকালই আমার সন্তানের মাতা হিসেবে সম্মান, শ্রদ্ধা ও মর্যাদায় অটুট থাকবেন। আমি তার প্রতি চিরকাল কৃতজ্ঞ। সানাউল্লাহ নূরে সাগর তার পোস্টে নেতিবাচক মন্তব্য থেকে বিরত থাকতে সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন। আরও পড়ুন দাম্পত্য জীবনের ইতি টানলেন কণ্ঠশিল্পী সালমার স্বামী সানাউল্লাহ উল্লেখ্য, এর আগে ২০১১ সালে পারিবারিকভাবে শিবলী সাদিককে বিয়ে করেন সালমা। ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি তাদের সংসারে কন্যা সন্তান স্নেহার জন্ম হয়। তবে সাংসারিক দ্বন্দ্বের জেরে ২০১৬ সালের ২০ নভেম্বর তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। পরবর্তীতে ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর লোকগানের এই শিল্পী পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন সানাউল্লাহ নূরে সাগরকে। তবে কয়েক বছরের দাম্পত্য জীবনের পর এবার সেই সম্পর্কেরও ইতি টানলেন তারা। আরটিভি/কেআই
\'আল্লাহর চেয়ে অন্য কিছুকে বেশি ভালোবাসলে তা একসময় কষ্টের কারণ হবে\' 
দাম্পত্য জীবনের ইতি টানলেন কণ্ঠশিল্পী সালমার স্বামী সানাউল্লাহ
ক্লোজআপ ওয়ান বিজয়ী জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মৌসুমি আক্তার সালমার সঙ্গে তার স্বামী সানাউল্লাহ নূরে সাগরের দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটেছে। তাদের মধ্যে ডিভোর্স সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন সানাউল্লাহ নূরে সাগর নিজেই। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পোস্টে সানাউল্লাহ নূরে সাগর লেখেন, কণ্ঠশিল্পী সালমার সঙ্গে আমার দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনেছি। আমাদের মধ্যে ডিভোর্স হয়েছে। একান্তই পারস্পরিক মতের অমিল, চিন্তা এবং মানসিকতার দূরত্বই দুজনের আলাদা হয়ে যাওয়ার কারণ। তিনি আরও উল্লেখ করেন, পারস্পরিক সম্মান ও মর্যাদা অক্ষুণ্ন রেখেই তাদের বৈবাহিক সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটেছে এবং এ বিষয়ে নেতিবাচক মন্তব্য থেকে বিরত থাকার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানান। ফেসবুক পোস্টে তিনি তাদের কন্যা সন্তানের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, আমরা দুটি মানুষ আলাদা হলেও আমাদের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। সুতরাং আমার সন্তানের মাতা হিসেবে সালমা চিরজীবন আমার কাছে সম্মান, শ্রদ্ধা ও মর্যাদার জায়গায় অটুট থাকবেন।  একই সঙ্গে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সালমার প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। উল্লেখ্য, এর আগে ২০১১ সালে পারিবারিকভাবে শিবলী সাদিককে বিয়ে করেন সালমা। ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি তাদের সংসারে কন্যা সন্তান স্নেহার জন্ম হয়। তবে সাংসারিক দ্বন্দ্বের জেরে ২০১৬ সালের ২০ নভেম্বর তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। আরও পড়ুন খালেদা জিয়াকে গান শোনানোর আক্ষেপটা থেকেই গেল ‘পাগল মন’ গায়িকার পরবর্তীতে ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর লোকগানের এই শিল্পী পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন সানাউল্লাহ নূরে সাগরকে। তবে কয়েক বছরের দাম্পত্য জীবনের পর এবার সেই সম্পর্কেরও ইতি টানলেন তারা। আরটিভি/কেআই
দাম্পত্য জীবনের ইতি টানলেন কণ্ঠশিল্পী সালমার স্বামী সানাউল্লাহ
আরও পড়ুন
৭ বছর কোমায় থাকার পর মারা গেলেন শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার
জাপানের মেট্রো স্ক্রিনে খালেদা জিয়ার মৃত্যুর সংবাদ
শ্বশুরবাড়িতে গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যু, সিসিটিভির হার্ডডিস্ক নিয়ে পালালেন স্বামী
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে অ্যাটকোর শোক