ঢাকা রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ খ্যাত অভিনেতা বিজয় হাসপাতালে

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১০ পিএম
বিজয় চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

কালজয়ী সিনেমা ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’-এ ‘রইছ’ চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকপ্রিয়তা পাওয়া অভিনেতা বিজয় চৌধুরী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে তিনি রাজধানীর জাতীয় হৃদ্‌রোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার মানিকগঞ্জের সিংগাইরে একটি পারিবারিক অনুষ্ঠান শেষে স্ত্রী সালমা চৌধুরীকে নিয়ে ঢাকায় ফেরার পথে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করেন বিজয় চৌধুরী। পরে তাকে দ্রুত জাতীয় হৃদ্‌রোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা জানান, তিনি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়েছেন।

শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় প্রথমে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়। পরে অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে আইসিইউ থেকে সাধারণ বেডে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বাবার অসুস্থতার খবর জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তার মেয়ে ফিওনা চৌধুরী।

বিজয় চৌধুরীর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমার বাবা আবু আজাদ চৌধুরী (বিজয়) বর্তমানে অনেক অসুস্থ। তিনি এখন হৃদ্‌রোগ ইনস্টিটিউটে ভর্তি আছেন এবং চিকিৎসাধীন। আমার বাবার জন্য সবাই দোয়া করবেন, আল্লাহ যেন তাকে দ্রুত সুস্থতা দান করেন এবং সব বিপদ-আপদ থেকে হেফাজত করেন।’

উল্লেখ্য, কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের উপন্যাস অবলম্বনে ১৯৯৭ সালে ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ সিনেমাটি নির্মাণ করেন চাষী নজরুল ইসলাম। এই চলচ্চিত্রে শিশুশিল্পী হিসেবে ‘রইছ’ চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের নজর কাড়েন বিজয় চৌধুরী।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নতুন সুখবর দিলেন ওমর সানী-মৌসুমী
দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকায় প্রবাসজীবন কাটালেও ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা মৌসুমী কাজের সুবাদে বা নানা কারণে মাঝেমধ্যেই খবরের শিরোনাম হন। পারিবারিক কারণে দূরে থাকলেও ভক্তদের মাঝে তিনি হঠাৎ এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে হাজির হয়েছেন। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চিত্রনায়ক ওমর সানী তার ফেসবুক পেজে মৌসুমীর এই ভিডিওটি পোস্ট করার পর থেকেই তা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে। মূলত নিজেদের পারিবারিক রেস্টুরেন্ট ব্যবসার নতুন উদ্যোগের খবর জানাতেই এই ভিডিও বার্তা দিয়েছেন জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী। ভিডিওতে মৌসুমী জানান, তাদের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ‘চাপওয়ালার শ্বশুরবাড়ি রেস্টুরেন্ট’-এর প্রথম শাখা মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় বেশ সাফল্যের সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় এবার সাভারের হেমায়েতপুরে চালু হতে যাচ্ছে রেস্টুরেন্টটির নতুন শাখা। আগামী শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে এটি উদ্বোধন করা হবে। ঐতিহ্যবাহী ‘চাপ’-এর পাশাপাশি সব ধরনের বাঙালি খাবার এই নতুন শাখায় পাওয়া যাবে বলে জানান তিনি। এদিকে, এই ভিডিও বার্তার মধ্য দিয়ে আরেকটি বিষয় বেশ স্পষ্ট হয়েছে। এর আগে প্রায়ই ওমর সানী ও মৌসুমীর দাম্পত্য জীবন নিয়ে নানা বিচ্ছেদের গুঞ্জন শোনা যেত। তবে সম্প্রতি একটি ভিডিও কলে তাদের সাবলীল কথোপকথন এবং এবার রেস্টুরেন্ট ব্যবসার প্রচারে মৌসুমীর এমন স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ সব গুঞ্জনকে এক প্রকার উড়িয়ে দিয়েছে। এতেই স্পষ্ট হয় যে, সমস্ত গুঞ্জন পেছনে ফেলে এই তারকা দম্পতির মধ্যকার সম্পর্ক ও বোঝাপড়া এখনো বেশ সুমধুর ও অটুট রয়েছে। আরটিভি/এসআর  
নতুন সুখবর দিলেন ওমর সানী-মৌসুমী
পরিচালকের সঙ্গে প্রেম, অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন অভিনেত্রী রামায়া!
প্রায় দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে দক্ষিণী সিনেমায় অভিনয় করে আসা রামায়া কৃষ্ণানের গোপন প্রেম এখনও চর্চিত সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে। বাহুবলির মা হিসেবে পরিচিত এই অভিনেত্রী বিয়ের আগেই এক পরিচালকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। যা গড়ায় গর্ভপাতের মতো ঘটনাতে।  ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ-১৮ এর এক প্রতিবেদন অনুসারে, ১৯৯৯ সালে দক্ষিণী পরিচালক কে এস রবিকুমারের সঙ্গে প্রথম সিনেমায় কাজ করেন রামায়া। এরপর একটা সময় ঘণিষ্ঠতা বাড়ে দু’জনের। বিবাহিত পরিচালকের সঙ্গে অভিনেত্রীর সম্পর্কের খবর গোপন ছিল না অন্দরমহলে।  সকলেই জানতেন তাদের প্রেমের কথা। কে এসের অনেক সিনেমাতেই কাজ করেন রামায়া। সেখান থেকেই দুজনের সম্পর্ক গড়ায় পরিণয়ে। এরপর একসময় অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন অভিনেত্রী। বিষয়টি জানতে পারেন রবিকুমারের স্ত্রী। হুমকি দেন রামায়াকে।  যে কারণে সন্তানের জন্ম ও পরিচয় দিতে অস্বীকার করেন পরিচালক। ফলে একপর্যায়ে এসে গর্ভপাতের সিদ্ধান্ত নেন রামায়া। আর সেজন্য নাকি কে এস রবিকুমারের থেকে ৭৫ লক্ষ টাকাও চেয়ে নেন অভিনেত্রী। যদিও গণমাধ্যমের কাছে বিভিন্নসময় প্রেম-গর্ভপাতের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন দুজনেই। তবে দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে তাদের এই ‘গোপন সম্পর্কের’ খবর এখনও চর্চিত হয় বিভিন্ন সময়ে।  পরবর্তীতে ২০০৩ সালে পরিচালক কৃষ্ণা বামসির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন অভিনেত্রী। তাদের সংসারে একটি পুত্রসন্তানও রয়েছে। যার নাম হৃত্বিক কৃষ্ণান। বর্তমানে কৃষ্ণা বামসির সঙ্গেই সুখের সংসার এই অভিনেত্রীর।  উল্লেখ্য, রামায়া কৃষ্ণান দক্ষিণের জনপ্রিয় একজন অভিনেত্রী। দক্ষিণের এই অভিনেত্রী দুই যুগের বেশি সময় ধরে কাজ করছেন। নিজের ক্যারিয়ারে প্রায় ২৬০টি সিনেমা করে ফেলেছেন তিনি। রামায়াকে সর্বশেষ দেখা গেছে রজনীকান্তের সঙ্গে ‘জেলার’ চলচ্চিত্রে। আরটিভি/এসআর
পরিচালকের সঙ্গে প্রেম, অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন অভিনেত্রী রামায়া!
এবার কলকাতা উৎসবে থাকবে ‘উত্তম পুরস্কার’
আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ৩২তম আসর শুরু হবে।
এবার কলকাতা উৎসবে থাকবে ‘উত্তম পুরস্কার’
ডিসেম্বরে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন মিমি চক্রবর্তী, পাত্র কে? 
কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীকে ঘিরে আবারও শুরু হয়েছে বিয়ের আলোচনা। ৩৭ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী নাকি আগামী ডিসেম্বরে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন। বিয়ের জন্য পাহাড়ঘেরা কালিম্পংকে বেছে নেওয়া হয়েছে বলেও ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। হিন্দুস্তান টাইমস থেকে জানা যায়, মিমির বিয়ের প্রস্তুতি নাকি ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে আমন্ত্রণপত্র দেওয়ার কাজও চলছে। তবে বিয়ের খবর এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেননি মিমি চক্রবর্তী কিংবা তার হবু বর। কে সেই পাত্র?  মিমির হবু জীবনসঙ্গী বিনোদন জগতের কেউ নন। তিনি ভারতীয় নৌবাহিনীর কর্মকর্তা। তার নাম সিদ্ধার্থ। অভিনয়জগতের বাইরে থাকা এই ব্যক্তির সঙ্গেই নাকি নতুন জীবন শুরুর পরিকল্পনা করেছেন মিমি। মিমির বিয়ে নিয়ে অবশ্য এর আগেও বিভিন্ন সময় গুঞ্জন ছড়িয়েছে। তবে এবার সেই আলোচনা নতুন মাত্রা পেয়েছে অভিনেত্রীর সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্যের কারণে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের প্রশ্নের জবাবে তার কিছু ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য থেকেই নতুন করে বিয়ের জল্পনা তৈরি হয়েছে। যদিও মিমির ঘনিষ্ঠ সহকারী জানিয়েছেন, বিয়ের বিষয়ে তার কাছে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য নেই। ফলে ডিসেম্বরেই মিমির বিয়ে হচ্ছে কি না, সেটি এখনো নিশ্চিত নয়। অভিনয়ের পাশাপাশি বর্তমানে বেশ ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন মিমি।  সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘এম্পারার ভার্সেস শরৎচন্দ্র’ সহ একাধিক নতুন কাজের শুটিং চলছে তার। পেশাগত ব্যস্ততার মধ্যেই ব্যক্তিজীবনের নতুন অধ্যায় শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছেন কি না, সেটিই এখন টালিউডে কৌতূহলের বিষয়।  মিমি নিজে মুখ না খোলা পর্যন্ত তাই বিয়ের খবরটিকে আপাতত গুঞ্জন হিসেবেই দেখছেন তার অনুরাগীরা। তবে সত্যিই যদি ডিসেম্বরের বিয়ের খবরটি ঠিক হয়, তাহলে বছর শেষে টালিউডের অন্যতম আলোচিত তারকা-বিয়ের সাক্ষী হতে যাচ্ছে দর্শকেরা।  আরটিভি/এসআর  
ডিসেম্বরে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন মিমি চক্রবর্তী, পাত্র কে? 
মুসলিমদের থেকে হিন্দুরাই বেশি গরু খায়: অভিনেত্রী ঝিলিক
প্রকাশ্যে গরুর মাংস খাওয়ার কথা বলে বিতর্কে জড়িয়েছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। এরই মধ্যে অভিনেতার সমর্থনে কথা বলে বিতর্কে জড়িয়েছেন ‘মা’ ধারাবাহিকের জনপ্রিয় চরিত্র ‘ঝিলিক’খ্যাত অভিনেত্রী তিথি বসু। সম্প্রতি বাংলাদেশে আতিথেয়তা ও খাবারের প্রশংসা করে একটি সাক্ষাৎকারে কথা বলেন বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী। সেখানে ঢাকার গরুর মাংস ও ইলিশের প্রতি নিজের মুগ্ধতার কথা জানান তিনি। ওই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সমালোচনার মুখে পড়েন এই অভিনেতা। এ পরিস্থিতিতে বিশ্বজিতের পাশে দাঁড়িয়ে একটি ভিডিও বার্তা দেন তিথি বসু। সেখানে তিনি বলেন, বিশ্বজিৎ কাকু একজন সিনিয়র অভিনেতা এবং মানুষ হিসেবেও অসাধারণ। নিজের সততা থেকেই তিনি সত্যি কথাটি বলেছেন। বাংলাদেশে গিয়ে কে কী খাবেন বা খাবেন না, সেটি একান্তই ব্যক্তিগত বিষয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিথি আরও দাবি করেন, কলকাতার চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অঙ্গনের অনেকেই আড়ালে-আবডালে কিংবা প্রকাশ্যেই গরুর মাংস খান। নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, তাদের ধারাবাহিকেও এমন অনেক ব্রাহ্মণ শিল্পী-অভিনেতা ছিলেন, যারা সেটে বসে গরুর মাংস নিয়ে গল্প করতেন। অভিনেত্রীর দাবি, কলকাতার বিভিন্ন জনপ্রিয় জায়গায় গরুর মাংস বিক্রি হলে সেখানে অনেক হিন্দুকেও যেতে দেখেছেন তিনি। ২০১০ সাল নাগাদ বহু জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও চ্যানেল কর্মকর্তাকেও বিফ খেতে যেতে দেখেছেন বলে জানান তিথি। এরপরই আরও বিতর্কিত মন্তব্য করেন ‘ঝিলিক’খ্যাত এই অভিনেত্রী। তার ভাষ্য, প্রচুর মানুষ গরুর মাংস খান এটাই বাস্তব। এমনকি মুসলিমদের তুলনায় হিন্দুরাই বেশি বিফ খান বলেও দাবি করেন তিনি। যারা প্রকাশ্যে এ কথা বলেন না, তাদের মধ্যেও অনেকে গোপনে গরুর মাংস খান বলে মন্তব্য করেন তিথি। তিনি আরও বলেন, কার কী ধর্ম বা খাদ্যাভ্যাস, সেটি একান্তই ব্যক্তিগত বিষয়। একজনের খাদ্যাভ্যাস অন্য কারও ওপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয় বলেও মত দেন তিনি। তিথির এই মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে নতুন করে বিতর্ক। কেউ তার বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন, আবার কেউ খাদ্যাভ্যাসকে ব্যক্তিগত বিষয় হিসেবে দেখার পক্ষে মত দিয়েছেন। অনেকে তার মন্তব্যকে ‘অপরিণত’ বলেও কটাক্ষ করেছেন। এদিকে, গরুর মাংস খাওয়া নিয়ে বিতর্কের বিষয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী। নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, আমার পেট, আমার মন, আমার হাত আবার খাবার যে খাব, সে জন্য যে টাকা খরচ হবে, সেটাও তো আমারই! তাহলে আমি কী খাব, কতটা খাব সেটা ঠিক করে দেবে অন্য কেউ? বললেই হলো নাকি? বাংলাদেশ সফর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত ৪ তারিখ গিয়েছিলাম বাংলাদেশ। ৫ তারিখ দেশে ফিরেও এসেছি। ওইটুকু তো সময়। যাই হোক, আমার এক বোনের জন্মদিনের অনুষ্ঠান উপলক্ষেই গিয়েছিলাম। যেমন আতিথেয়তা পেয়েছি, আমি অভিভূত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটাক্ষের পর আইনি পদক্ষেপের বিষয়েও কথা বলেন বিশ্বজিৎ। তিনি জানান, এ ঘটনায় তিনি মামলা করেছেন। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন হওয়ায় এ নিয়ে আর বিস্তারিত মন্তব্য করতে চান না বলেও জানান বর্ষীয়ান এই অভিনেতা। আরটিভি/এসকে
মুসলিমদের থেকে হিন্দুরাই বেশি গরু খায়: অভিনেত্রী ঝিলিক