ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

৬০ বছর পর ফিরে এল হারিয়ে যাওয়া ধূসর পাখি হর্নবিল

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০২৬, ১১:২২ এএম
ধূসর হর্নবিল। ছবি: সংগৃহীত

প্রায় ছয় দশক পর ভারতের গুজরাটের গির অরণ্যে আবারও দেখা মিলেছে হারিয়ে যাওয়া ইন্ডিয়ান গ্রে হর্নবিলের (ধূসর হর্নবিল)। ভারতের বন বিভাগ ও বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদের দীর্ঘ প্রচেষ্টার ফলে এই বিরল পাখি আবারও জঙ্গলে স্বাভাবিকভাবে বিচরণ করছে এবং বংশবৃদ্ধিও শুরু করেছে।

দেশটির বন কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৬০-এর দশকে গির অরণ্যে সর্বশেষ এই পাখির দেখা পাওয়া গিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৬০ বছর ধরে ধূসর হর্নবিল সম্পূর্ণভাবে অদৃশ্য ছিল। স্থানীয়দের কাছে 'চিলোত্রো' নামে পরিচিত এই পাখির হারিয়ে যাওয়া গিরের জীববৈচিত্র্যের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল।

পরিস্থিতি বদলাতে ২০২১ সালে বন বিভাগ ইন্ডিয়ান গ্রে হর্নবিল প্রোজেক্ট চালু করে। প্রকল্পের আওতায় ২০২১ ও ২০২২ সালে আরাবল্লী অরণ্য থেকে এনে মোট ২৮টি গ্রে হর্নবিল গিরে অবমুক্ত করা হয়। পরে ২০২৩ সালে আরও ১২টি পাখি ছাড়া হয়।

এরপর শুরু হয় নিবিড় পর্যবেক্ষণ। নতুন পরিবেশে পাখিগুলো মানিয়ে নিতে পারছে কি না, স্বাভাবিকভাবে উড়ে বেড়াচ্ছে কি না এবং প্রজনন করছে কি না এসব বিষয় নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পর্যবেক্ষণে ইতিবাচক ফল মিলেছে। গির অরণ্যের পরিবেশের সঙ্গে ধূসর হর্নবিল সফলভাবে মানিয়ে নিয়েছে। শুধু তাই নয়, তারা ডিম পাড়ছে এবং নতুন প্রজন্মের জন্মও দিচ্ছে।

আরও পড়ুন

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সাফল্য গির অরণ্যের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। প্রায় ৬০ বছর পর হারিয়ে যাওয়া এই ধূসর পাখির প্রত্যাবর্তন প্রমাণ করে, সঠিক পরিকল্পনা ও সংরক্ষণ উদ্যোগ গ্রহণ করলে বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীকেও তাদের প্রাকৃতিক আবাসে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।


আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রয়াত আত্মাদের স্মরণে আজ ‘অল সোলস ডে’
মৃত্যুর পরও প্রিয়জনের স্মৃতি বেঁচে থাকে হৃদয়ে। তাদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত, ভালোবাসা ও জীবনের নানা গল্প স্মরণ করেই দিন কাটে স্বজনদের।
প্রয়াত আত্মাদের স্মরণে আজ ‘অল সোলস ডে’
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আজ
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আগামীকাল। প্রতিবছর ২ নভেম্বর জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস পালিত হয়।
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আজ
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
সোমবার (২ নভেম্বর) এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনা।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
প্রাণের মাঝে আয়
নস্টালজিয়া খুব খারাপ জিনিস। না চাইতেও এমন সব স্মৃতি মনে পড়ে, যা কখনও আমাদের হাসায়, আবার কখনও বা কাঁদায়। মনে হচ্ছে এইতো সেদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডিতে পা রাখলাম। প্রথম ক্লাসে অনেকের দেখেছি দাড়ি-গোঁফ ওঠেনি। আবার কেউতো পরিচিতি পর্বে নিজের নাম বলতেও থরথর করে কাঁপছিল। এরপর কতশত দিন একসঙ্গে। কত স্মৃতি বুকের সঞ্চয়ী হিসাবে জমা।
প্রাণের মাঝে আয়
কাজহীন দিবস আজ
সারাদিন কাজের ব্যস্ততা, একের পর এক দায়িত্ব, আর হাতে লম্বা কাজের তালিকা। এই ব্যস্ততার মাঝেই নিজের জন্য একটু সময় বের করার কথা মনে করিয়ে দেয় ‘জিরো টাস্কিং ডে’ বা কাজহীন দিবস। প্রতি বছর নভেম্বর মাসের প্রথম রোববার পালিত হয় দিনটি। এ বছর ১ নভেম্বর এই বিশেষ দিন। দিনটির মূল ভাবনা খুব সহজ- অন্তত একটি দিন নিজের উপর কাজের চাপ না রেখে বিশ্রাম নেওয়া, পছন্দের কাজ করা কিংবা একেবারেই কিছু না করা। বিশেষ করে যেসব দেশে ডে-লাইট সেভিং টাইম বা দিবালোক সাশ্রয়ী সময়ের নিয়ম চালু রয়েছে, সেখানে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়ার ফলে পাওয়া অতিরিক্ত সময়টিকে নিজের জন্য কাজে লাগানোর ধারণা থেকেই এই দিনের প্রচলন। ‘জিরো টাস্কিং ডে’-র ধারণাটি সামনে আনেন লেখক ও জীবনযাপনবিষয়ক পরামর্শদাতা ন্যান্সি ক্রিস্টি। তার উদ্দেশ্য ছিল, মানুষ যেন কাজের তালিকা থেকে একের পর এক দায়িত্ব মেটানোর বাইরে নিজের সঙ্গে সময় কাটানোর গুরুত্বও বোঝে। মানসিক সুস্থতার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে মেন্টাল হেলথ আমেরিকাও দিনটির প্রচারে ভূমিকা রেখেছে। বর্তমান সময়ে একসঙ্গে একাধিক কাজ সামলানো যেন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কাজের চাপ, সময়ের অভাব এবং প্রতিনিয়ত উৎপাদনশীল থাকার তাগিদে অনেকেই বিশ্রাম নিতে অপরাধবোধ করেন। অথচ প্রয়োজনীয় বিরতি মানসিক চাপ কমাতে, সৃজনশীলতা বাড়াতে এবং কাজে মনোযোগ ফেরাতে সাহায্য করতে পারে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম শরীর ও মনকে নতুন করে চাঙা করে। দিনটি পালনের জন্য বিশেষ কোনও আয়োজনের প্রয়োজন নেই। সকালে একটু দেরি করে ঘুম থেকে ওঠা, পছন্দের বই পড়া, নিরিবিলি হাঁটতে বেরোনো কিংবা কিছুক্ষণ ধ্যান করাসহ যা ভালো লাগে, তা-ই করতে পারেন।  চাইলে বারান্দায় বসে আকাশ দেখতে পারেন, মনের মতো কোনও রান্না করতে পারেন, ছবি আঁকতে পারেন অথবা দুপুরে একটু ঘুমিয়ে নিতে পারেন। এমনকি ফোন ও কাজের বার্তা থেকে দূরে থেকে নিজের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোও হতে পারে উদ্‌যাপনের অংশ। ‘জিরো টাস্কিং ডে’-র আসল শিক্ষা অবশ্য সারাদিন অলসভাবে কাটানো নয়। বরং প্রতিদিনের দায়িত্বের পাশাপাশি বিশ্রাম ও নিজের যত্নের জন্যও সময় রাখা জরুরি সেই কথাই মনে করিয়ে দেয় দিনটি। কারণ, সব সময় কাজের মধ্যে ডুবে থাকাই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হতে পারে না। কখনও কখনও কিছু না করাও নিজের জন্য প্রয়োজনীয়। আরটিভি/এসআর
কাজহীন দিবস আজ
আরও পড়ুন
শীত ঘনিয়ে এলেও পাখিদের বিচরণকেন্দ্র কাটেঙ্গা বিল উদ্ধারে তৎপর নন ইউএনও
৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা!
জামালপুরে জ্যান্ত পাখি খাওয়া সেই ‘বাজিখোর’ গ্রেপ্তার
শেরপুরের ২ উপজেলায় পাখি শিকার বন্ধে অভিযান