ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

জাতীয় কন্যা শিশু দিবস আজ 

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৪ এএম
জাতীয় কন্যাশিশু দিবসে শিক্ষার অধিকার ও নিরাপদ ভবিষ্যতের প্রত্যাশায় কন্যাশিশুরা। ছবি: সংগৃহীত

আজ ৩০ সেপ্টেম্বর, জাতীয় কন্যাশিশু দিবস। দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে কন্যাশিশুদের অবস্থান পর্যালোচনা করলে একদিকে যেমন অগ্রগতির চিত্র দেখা যায়, অন্যদিকে মাধ্যমিক পর্যায়ে এসে তাদের ঝরে পড়ার হার উদ্বেগ তৈরি করছে।

সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ ও উপবৃত্তির কারণে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে মেয়েদের বিদ্যালয়ে ভর্তির হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। প্রাথমিক শিক্ষায় ছেলে ও মেয়েদের অংশগ্রহণে প্রায় সমতাও অর্জিত হয়েছে। তবে প্রাথমিকের গণ্ডি পেরিয়ে মাধ্যমিক পর্যায়ে যাওয়ার পর অনেক কন্যাশিশুই আর শিক্ষাজীবন ধরে রাখতে পারছে না।

বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা যায়, মাধ্যমিক পর্যায়ে ছেলেদের ঝরে পড়ার হার প্রায় ৩০ দশমিক ৬৩ শতাংশ। মেয়েদের ক্ষেত্রে এ হার আরও বেশি—প্রায় ৩৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

অর্থাৎ প্রাথমিক পর্যায়ে মেয়েরা তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থানে থাকলেও মাধ্যমিকে গিয়ে তাদের একটি বড় অংশ পড়াশোনা থেকে ছিটকে পড়ছে। এর অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে বাল্যবিবাহ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৭১ শতাংশ মেয়ে বাল্যবিবাহের কারণে পড়াশোনা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ফলে শুধু বিদ্যালয়ে মেয়েদের ভর্তি নিশ্চিত করাই যথেষ্ট নয়, তাদের শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখার পাশাপাশি বাল্যবিবাহ ঠেকাতেও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।

কন্যাশিশুর শিক্ষা শুধু একজন শিশুর ভবিষ্যতের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। এর সঙ্গে একটি পরিবার, সমাজ এবং দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নও জড়িত। তাই মেয়েদের বিদ্যালয়ে আনার পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধরে রাখা, নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং বাল্যবিবাহের ঝুঁকি থেকে তাদের সুরক্ষা দেওয়াকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রাণের মাঝে আয়
নস্টালজিয়া খুব খারাপ জিনিস। না চাইতেও এমন সব স্মৃতি মনে পড়ে, যা কখনও আমাদের হাসায়, আবার কখনও বা কাঁদায়। মনে হচ্ছে এইতো সেদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডিতে পা রাখলাম। প্রথম ক্লাসে অনেকের দেখেছি দাড়ি-গোঁফ ওঠেনি। আবার কেউতো পরিচিতি পর্বে নিজের নাম বলতেও থরথর করে কাঁপছিল। এরপর কতশত দিন একসঙ্গে। কত স্মৃতি বুকের সঞ্চয়ী হিসাবে জমা।
প্রাণের মাঝে আয়
কাজহীন দিবস আজ
সারাদিন কাজের ব্যস্ততা, একের পর এক দায়িত্ব, আর হাতে লম্বা কাজের তালিকা। এই ব্যস্ততার মাঝেই নিজের জন্য একটু সময় বের করার কথা মনে করিয়ে দেয় ‘জিরো টাস্কিং ডে’ বা কাজহীন দিবস। প্রতি বছর নভেম্বর মাসের প্রথম রোববার পালিত হয় দিনটি। এ বছর ১ নভেম্বর এই বিশেষ দিন। দিনটির মূল ভাবনা খুব সহজ- অন্তত একটি দিন নিজের উপর কাজের চাপ না রেখে বিশ্রাম নেওয়া, পছন্দের কাজ করা কিংবা একেবারেই কিছু না করা। বিশেষ করে যেসব দেশে ডে-লাইট সেভিং টাইম বা দিবালোক সাশ্রয়ী সময়ের নিয়ম চালু রয়েছে, সেখানে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়ার ফলে পাওয়া অতিরিক্ত সময়টিকে নিজের জন্য কাজে লাগানোর ধারণা থেকেই এই দিনের প্রচলন। ‘জিরো টাস্কিং ডে’-র ধারণাটি সামনে আনেন লেখক ও জীবনযাপনবিষয়ক পরামর্শদাতা ন্যান্সি ক্রিস্টি। তার উদ্দেশ্য ছিল, মানুষ যেন কাজের তালিকা থেকে একের পর এক দায়িত্ব মেটানোর বাইরে নিজের সঙ্গে সময় কাটানোর গুরুত্বও বোঝে। মানসিক সুস্থতার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে মেন্টাল হেলথ আমেরিকাও দিনটির প্রচারে ভূমিকা রেখেছে। বর্তমান সময়ে একসঙ্গে একাধিক কাজ সামলানো যেন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কাজের চাপ, সময়ের অভাব এবং প্রতিনিয়ত উৎপাদনশীল থাকার তাগিদে অনেকেই বিশ্রাম নিতে অপরাধবোধ করেন। অথচ প্রয়োজনীয় বিরতি মানসিক চাপ কমাতে, সৃজনশীলতা বাড়াতে এবং কাজে মনোযোগ ফেরাতে সাহায্য করতে পারে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম শরীর ও মনকে নতুন করে চাঙা করে। দিনটি পালনের জন্য বিশেষ কোনও আয়োজনের প্রয়োজন নেই। সকালে একটু দেরি করে ঘুম থেকে ওঠা, পছন্দের বই পড়া, নিরিবিলি হাঁটতে বেরোনো কিংবা কিছুক্ষণ ধ্যান করাসহ যা ভালো লাগে, তা-ই করতে পারেন।  চাইলে বারান্দায় বসে আকাশ দেখতে পারেন, মনের মতো কোনও রান্না করতে পারেন, ছবি আঁকতে পারেন অথবা দুপুরে একটু ঘুমিয়ে নিতে পারেন। এমনকি ফোন ও কাজের বার্তা থেকে দূরে থেকে নিজের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোও হতে পারে উদ্‌যাপনের অংশ। ‘জিরো টাস্কিং ডে’-র আসল শিক্ষা অবশ্য সারাদিন অলসভাবে কাটানো নয়। বরং প্রতিদিনের দায়িত্বের পাশাপাশি বিশ্রাম ও নিজের যত্নের জন্যও সময় রাখা জরুরি সেই কথাই মনে করিয়ে দেয় দিনটি। কারণ, সব সময় কাজের মধ্যে ডুবে থাকাই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হতে পারে না। কখনও কখনও কিছু না করাও নিজের জন্য প্রয়োজনীয়। আরটিভি/এসআর
কাজহীন দিবস আজ
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
রোববার (১ নভেম্বর) এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনা।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
হ্যালোইন উৎসব কি, জেনে নিন পালনের নিয়ম
পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতি বছর ৩১ অক্টোবর পালন করা হয় হ্যালোইন উৎসব। পশ্চিমা দেশগুলোতে এর উৎপত্তি হলেও বর্তমানে বাংলাদেশেও উৎসবটি জনপ্রিয়তা পেয়েছে।  তাই এ বছরও ৩১ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে পালিত হবে বছরের অন্যতম মজার উৎসব হ্যালোইন। তাই আসুন জেনে নেওয়া যাক হ্যালোইন আসলে কী? ভুতুড়ে এই উৎসবটির ইতিহাস প্রায় ২,০০০ সালের পুরনো। এটি মূলত মৃত আত্মাদের স্মরণ করতে পালন করা হয়। অনেকে এই দিনকে ভূতের মতো করে সাজার জন্য পালন করে থাকেন। হ্যালোইন মূলত সাধুদের শহিদ এবং যারা মারা গেছেন তাদেরসহ মৃতদের সম্মান জানানোর দিন। বিড়ালের কান এবং ভ্যাম্পায়ার ফ্যাং থেকে শুরু করে সবুজ মুখের পেইন্ট পর্যন্ত, লোকেরা ভুতুড়ে চেতনাকে আলিঙ্গন করতে সমস্ত ধরণের পোশাক পরে। প্রায় ২,০০০ বছর আগে বর্তমান ইংল্যান্ড, ফ্রান্স ও আয়ারল্যান্ডে বসবাস করতো ‘কেল্টিক জাতি’। নভেম্বরের প্রথম দিনটি তারা ‘সাহউইন’ হিসেবে পালন করতো।  তাদের ধারণা ছিল অক্টোবরের শেষ দিন সবচেয়ে খারাপ হবে। সে রাতে সকল প্রেতাত্মারা মানুষের ক্ষতি করবে। তাই কেল্টিক জাতির মানুষরা এই দিনে বিভিন্ন ধরনের ভূতের মুখোশ ও কাপড় পরতো। হ্যালোইন যেভাবে পালন করা হয় হ্যালোইন উৎসব বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপের সঙ্গে উদযাপিত হয়। এগুলো বেশ মজাদার এবং ভুতুড়ে। এ দিন শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্করা একইভাবে পোশাক পরেন। আর “ট্রিক-অর-ট্রিটিং” শিশুদের মধ্যে খুব জনপ্রিয়। কারণ বাচ্চারা প্রতিবেশীদের কাছ থেকে ক্যান্ডি সংগ্রহ করে ঘরে ঘরে যায়।  বড়রা পার্টিতে যোগ দিতে ভুতুড়ে বাড়িতে যান বা হরর সিনেমা দেখেন। তবে কিছু জায়গার মানুষ আচার-অনুষ্ঠান বা সম্প্রদায়ের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মৃতদের সম্মান করেন। আরটিভি/এসআর
হ্যালোইন উৎসব কি, জেনে নিন পালনের নিয়ম
আজ বিশ্বজুড়ে হ্যালোইন উৎসব, ভূতুড়ে সাজে মাতবেন কোটি মানুষ
ভূত, প্রেত, ডাইনি কিংবা ভ্যাম্পায়ারের সাজে সেজে ওঠার দিন আজ। কোথাও কুমড়ো কেটে তৈরি হচ্ছে ভুতুড়ে মুখ, কোথাও বাড়ির দরজায় ঝুলছে কৃত্রিম মাকড়সার জাল।
আজ বিশ্বজুড়ে হ্যালোইন উৎসব, ভূতুড়ে সাজে মাতবেন কোটি মানুষ
আরও পড়ুন
বাল্যবিবাহ ও বৈষম্য রোধে কন্যাশিশুর নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
প্রতি ৩ সেকেন্ডে বাল্যবিয়ের শিকার এক কন্যাশিশু